Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

বিশেষ দ্রষ্টব্য: তসলিমার কলামের জবাব গ্রন্থটির পুরো পিডিএফ দিয়ে দিয়েছি (look on top BOOKS section) বুক কলাম সেকশনে।

উৎসাহী পাঠকরা খুঁজে নিবেন বাংলাদেশের নাস্তিকতা বনাম মূর্খতা কিভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সাজানো হয়েছে বিগত শতকে আর ময়দান উত্তপ্ত করা হয়েছে। যার খেসারত আজো মানুষ দিয়ে যাচ্ছে, ময়দান আজও ক্ষরা জরাগ্রস্ত, ইসলাম ধ্বংসের পায়তারা দ্বিতীয় স্বাধীনতার শুরুর কাল থেকে চলছে, চলবে। আপনারা জেগে উঠুন, সত্যকে জানুন। এটি প্রতিটি জনতার ফরজ কাজের একটি সত্যকে জানা ও নিজের বিবেকের নির্দেশ মেনে সঠিক কাজ করা।

প্রকাশিকাঃ

নাজমা মোস্তফা

প্রচ্ছদঃ এহতেশাম মোস্তফা,

বইটির প্রচ্ছদ উপরে আমার বুক্স আইকনে আছে।

৬২/সি ইউনিভার্সিটি কোয়ার্টার

নীলক্ষেত ঢাকা- ১০০০

ফোন ৮৬৯৬৩৯

প্রকাশকালঃ জুলাই ১৯৯৬ ইং

কম্পিউটার কম্পোজঃ অপূর্ব কম্পিউটার।

মুদ্রণেঃ অপূর্ব প্রিন্টার্স

১৯০, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা।

ফোনঃ ৮৬৩১১৩

মূল্য ৬০.০০ টাকামাত্র।

সূচীপত্র:

(১) কুসংস্কারের জঞ্জালে জ্বলছি মোরা (ক)

(২) কুসংস্কারের জঞ্জালে জ্বলছি মোরা (খ)

(৩) নির্বাচিত কলামের নির্যাতিত নারী

(৪) ইসলামের ইজ্জত ইরানের নারী

(৫) পাশ্চাত্যে নারী

(৬) অনেকের চোখে

(৭) ভারতে মিশ্র বিয়ের প্রস্তাব

(৮) যুক্তির মাধ্যমে মুক্তির অন্বেষায়

(৯) তসলিমার তমসার তন্দ্রা কি কাটবে?

(১০) ভিন্ন সম্প্রদায়ের মনিষীদের দৃষ্টিতে

(১১) সংকীর্ণতার গন্ডিতে বাধা ধর্মের মহানুভবতা

(১২) ইসলামে বিয়ে 

(১৩) উত্তরাধিকারের গ্যাড়াকলে নাসরিন

(১৪) রসুল(সঃ)এর বিয়ে

(১৫) ইসলামের পর্দায় তসলিমার লজ্জা

(১৬) পর্দার আয়াত

(১৭) তসলিমা নাসরিনের উত্থানের নেপথ্যে কিছু তথ্য

(১৮) শিকড়ের সন্ধানে

(১৯) ইসলামপূর্ব জগতের অবস্থা

(২০) উপসংহার

উৎসর্গ:

যারা আমায় তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন, সত্যের দীপশিখা জ্বালিয়ে জীবনকে উপলব্ধি করতে শিখিয়েছেন, সেই পরম শ্রদ্ধেয় বাবা-মা এর প্রতি উৎসর্গ করলাম আমার এই প্রয়াসটুকু। আমার সুকর্মের অংশীদার তারাও। আল্লাহ তাঁদের অনন্ত জীবন মহাআনন্দের করুক। আজ বাস্তবের সংকীর্ণতার বাইরে তাদের বসবাস। জীবনের অনেক হতাশার রাস্তায় আলো জ্বালতে আজীবন প্রাণান্তর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন এই দুই জোড় মানিক আমার। স্রষ্টার আপনার হোন, আদরের হোন, সম্মানের অংশীদার হোন আমার বাবা-মা।

ভূমিকা :

     ধর্মের মৌলিক জিনিসকে অবজ্ঞা করে সমাজের নানান ত্রুটি বিচ্যুতিই ধর্মের অঙ্গ হিসাবে সমাজের সর্বত্র অনাচার হয়ে ছড়িয়ে আছে আর আমাদের সমাজপতিরা তার প্রতিবাদ না করে বরং প্রতিপালনই করে থাকেন। সে কারণেই আজ এসব তসলিমাদের আবির্ভাব। যুগে যুগে ধর্মের নামেই অধর্মের সৃষ্টি হয়েছে, আর এ অধর্মের অনাচারকে ঠেকাতে এগিয়ে এসেছে কঠিন হাতে এক শান্তির ধর্ম-ইসলাম।

     ইসলামকে নিয়েও ব্যবসা কম হয় নি, এখনও হচেছ, হয়তো আরও হবে। তবু অবশ্যই এই শান্তির ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবে সারা বিশ্বময়-এ কুরআনেরই ভাবষ্যদ্বানী।

     তসলিমা এবং তারই সহযোগী বেশ কিছু বিশেষ ব্যক্তিত্বের নাস্তিকতার জবাব এই গ্রন্থখানি। সে হিসাবে তাদের অনেক ভুল, বিভ্রান্তির জবাবে আমার এ সামান্য প্রয়াসটুকু যেন তসলিমাসহ গোটা বিশ্বের হতাশার মাঝে আলোর সঞ্চার ঘটায় এ আকাঙখা রেখেই এ লেখার উপস্থাপনা।

     নাসরিনের ভাষায় ইসলাম একটি বিতর্কিত বাজে উপাখ্যান। যার প্রতিবাদ করতে বসেই আমার এ বই লেখা। তাই এ উপাখ্যান যে বাজে নয়, তা প্রমাণ করতে অবশ্য আরো আরো গুণীজনদের সাহায্য সহযোগিতা আমাকে প্রমাণ স্বরূপ খাড়া করতে হয়েছে। যার কারণে অনেক সময় অনেক বিজ্ঞ জনের জ্ঞানগর্ভ কথা ও তথ্য সংগ্রহ করেছি আমার বক্তব্যকে আরো বস্তুনিষ্ট ও জোরালো করার জন্যই।

     তাছাড়া আলহাজ্জ ডাঃ জহুরুল হকের ‘সহজ সঠিক বাংলা কুরআন’ থেকে তসলিমার বিতর্কিত বেশ কিছু আয়াতের বাংলা তরজমা সুবিন্যস্তভাবে দেয়ার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া আরো আরো তরজমা থেকেও আমি উদ্ধৃতি টেনেছি। ডাঃ হকের তরজমা কিছুটা বিশ্লেষণধর্মী হওয়াতে পাঠকের বুঝার সুবিধার্থে আমি এটার সাহায্য নিয়েছি। ‘নির্বাচিত কলামের’ প্রতিটি আয়াত যেগুলোকে নিয়ে নাসরিন খেলো কথাবার্তা বলেছেন তা আমি অবশ্যই এখানে এনেছি। তাছাড়া বিয়ে, তালাক, পর্দা ও উত্তরাধিকারের নানান ত্রুটি বিচ্যুতি তুলে ধরার কারণে কুরআনের দৃষ্টিতে পাঠকের কাছে এসব কিছুর একটা ধারণা দেয়ার জন্য আমি অনেক সময় যথেষ্ট সংখ্যক কুরআনের উদ্ধৃতি টানতে বাধ্য হয়েছি।

     আমার এ লেখা শুধু তসলিমার প্রতিবাদ করাই মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, আমার মূল লক্ষ্য আমার দেশের উঠতি তরুণ তরুণীর আশায়ভরা অনাগত ভবিষ্যত; যার দিকে আমরা তাদের সুন্দর জীবনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। বিজয় স্মরণীর মাঠের গত বইমেলার ‘মন্তব্য পুস্তিকাতে’ আমার দেশের তরুণদের কিছু মন্তব্য আমাকে বেদনাহত করে যার ফলশ্রুতিতে আমি আরো বেশী করে অনুপ্রাণিত হই বইটি লেখার কাজে হাত দিতে। তাই আমার টার্গেট তসলিমা নন, বরং আগত প্রজন্ম। প্রগতির নামে গতিহীনতার শিকার যেন না হয় আমাদের প্রজন্ম। বিভ্রান্ত যুক্তির মানদন্ডে প্রকৃত যুক্তির মাপকাঠিতে বিচার করার বোধ তাদের মাঝে বিকাশ লাভ করুক, এই কামনায় আমার এ প্রয়াসটুকু শুধু তাদের জন্য। খুব স্বল্প সময়ের আয়োজনে আমার এ লেখার প্রথম সংস্করণে ত্রুটি বিচ্যুতি থাকা স্বাভাবিক। আমি আশা করি আপনাদের সুবিবেচনাই আমার মূল্যায়নের মাপকাঠি হবে। আল্লাহ হাফিজ।

নাজমা মোস্তফা।

Tag Cloud

%d bloggers like this: