Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

খালেদার মুক্তি রহস্য: ২৪ মার্চের খবরে প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খালেদাকে ছয় মাসের মুক্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাসায় থেকে চিকিৎসা নিবেন বিদেশে বা অন্য কোন হাসপাতালে যেতে পারবেন না। সরকার কপটতা থেকে সরতে অভ্যস্ত নয়। বিএনপির নেতা ফখরুল ইসলাম সরকারের নষ্ট রাজনীতির পরও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন, এতে অনেকে কষ্ট পেয়েছেন এর সহজ জবাব দেশের সচেতনরা মন্তব্য করছেন এটি পাওয়ার দাবীদার নন হাসিনা সরকার। সরকার কোন সম্মানিতকে সম্মান দিতে রাজি নয়। এর সবকটি দাগ লক্ষ্য করা গেছে জিয়াউর রহমানের পরিবারের উপর তার ব্যক্তি আক্রোশ হিংসা হিনমন্যতার পর্যায় থেকে। বাংলাদেশের ৬৫ বিদ্যালয়ে সোয়া এক কোটি ৩৬ লাখ শিশুকে সবক দিয়ে চিনাতে চেয়েছেন তার বাবাকে , আবার গিলাতেও চেয়েছেন তিনি জাতির বাবা। অবশ্য জাতির নিজ দলের বাধ্য সন্তানেরা নিজের জীবনকে বিপন্ন করে তাকে হত্যা করে। কন্যার বাণী হচ্ছে আমরা জেগে রইবো তার আদর্শ বুকে নিয়ে। মুজিবের কন্যা কি বাবার আদর্শ নিয়েই ২০২০ সাল অবদি রাতে ভোট সারছেন। আল্লাহ কি পারতো না করোনাকে আরো এক বছর ঠেকিয়ে রাখতে, তাহলে শান্তিতে সরকার বাবাবর্ষ পালন করতে পারতো। সরকারী প্রশ্রয়ে টকবাজ শাহরিয়ার নাজিম জয়ের শেখানো বুলি এতিম নাটক জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। উপরের আদেশের মত এক কোটি ৩৬ হাজার শিশুর মত সেদিনও শেখানো হয় আগুনলাগা বিল্ডিংএর পানির পাইপ চেপে ধরা হতদরিদ্র শিশুটি নিঃস্ব হলেও পুরষ্কারের টাকাটা সে খালেদাকে অপদস্থ করতে এতিম খানাতে দিবে। সরকারের জয়বাজদের থেকে কি ম্যাসেজ জাতি পেল। যেখানে হাসিনা সেখানে ভাইরাস ঢুকতে পারবে না। এতে বোঝা যায় ধান্ধাবাজরা কত নীচ, মুখর সরকার এসব ধরা খাওয়া চিত্রে সব সময় নিরব। এর অর্থ ভন্ড আউলিয়া দরবেশদের ডাবল ভন্ডামী প্রমাণিত। আদালত পেরোল সব ডিঙ্গিয়ে এতিমদের দোয়ায় মনে হচ্ছে খালেদা বিনা নোটিশে বেরিয়ে আসলেন।

আপোষহীন নেত্রী আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করেন নাই। খালেদাকে করোনা ভাইরাস ছাড়া কোনভাবেই বের করা সম্ভব হয়নি। ঐ ভাইরাসের চালিকা শক্তিকে চীন ইতালী হয়ে বাংলাদেশে আসতে হয়েছে। এতদিন অপেক্ষার পর সরকারের টনক নড়ে, সরকার ভুত দেখার মতই করোনার ধাক্কায় নড়ে। এক বোনের সাথে কথা বলছিলাম সে শংকা প্রকাশ করে কি জানি আমার ভয় হচ্ছে ইতমধ্যে যদি সরকার করোনার জীবানু পুশ করে থাকে খালেদা জিয়াকে। এই হচ্ছে দেশবাসীর বিশ^াস, সরকারের উপর। দেশবাসীর মত খালেদাও সরকারকে বিশ^াস  করতে পারেন না। তাই কোন চিকিৎসা নেন নাই। সরকারের স্বরুপ দেখে তার নিজের মানুষরাই চমকায়। করোনায় ধরাশায়ী হাসিনা বেকায়দায় না পড়লে ছাড়তেন না। অনেকেই বলাবলি করছে তিনি আড়ালে আবডালে বলেও বেড়াতেন যে, মরার সময় হলে ছাড়বো। হয়তো তিনি তার কপট বুদ্ধিতে বুঝতে পেরেছেন মৃত্যু নিকটে। ফেরাউনের মত শক্তিধররা যা চায় তাই করে। এ হচ্ছে অদেখা আল্লাহর করোনা কৌশল। খালেদাসহ জনতারা দুই ভাইরাসের সাথে লড়ছে। না চাইতেই খালেদার জন্য মেঘবৃষ্টি। খালেদা কি এতদিন খুকী ছিলেন, মার্চের ২৩ তারিখ বয়সটা হঠাৎ বেড়ে গেল। ভাই বোনের দাবীই যদি মানতো তবে তাদের দাবী ছিল উন্নত চিকিৎসার। ফেরাউন যখন চোখের সামনে মৃত্যু দেখে তখন নবী মুসাকে সম্মোধন করে বললো যে, আমি মুসার আল্লাহর উপর ঈমান আনলাম। ওটি ছিল প্রতারণার মরণ দেখা ঈমান, তাই তার ঈমান গ্রহণযোগ্য হয় নি। তবে স্বান্তনা পুরষ্কার হিসাবে তাকে কিয়ামত অবদি রেখে দেয়া হয়েছে মানুষের নিদর্শন করে। বিজ্ঞান স্পষ্ট করেছে মিশরের মমিতে ফুটে উঠেছে ঐ কুরআনীয় প্রামাণ্যতা। আল্লাহ মুজিববর্ষকে বদলে করোনাবর্ষ করেছে, একবিংশ শতকের মোজেজা।

একজন নির্দোষ মানুষকে দোষী বানানোর রম্য রটনাও ন্যায়ের আদালতে অপরাধ। চাটুকার মন্ত্রী কাদের, মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এরা যেভাবে কোরাস সুরে অপকর্মী সরকারের পক্ষে বন্দনা গীতে রত থাকেন তা একমাত্র নীতিহীনদের মানায়। সাজা ছয়মাসের স্থগিতাদেশ অভিজ্ঞ হাসিনা তার প্রজ্ঞা ও দুরদৃষ্টি উদারনৈতিক মানবিকতার নজির। সরকারী ধূর্তামী দলবাজদের চোখে দূরদর্শীতা ও দিকদর্শন। বাক্যবাগিশ নেতার চাটুকারীতা ছাড়িয়েও দুই শর্তের ছুটি সরকারের সংকীণ প্রতারণার নজির। হাসিনা গলা অবদি অপরাধী রাতের ভোটে গদি দখলদার, নিজের সারি সারি মামলা সরিয়ে খালেদার উপর দৈত্যের মত ভর করে প্রজ্ঞাবান নীতিবান। কারাগারেও করোনা হামলা করেছে, কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়ে  মামলাবাজ সরকার প্রশ্নবিদ্ধ। শিকল ছাড়াই সরকার সব আইনকে স্তব্ধ করে রেখেছে। বিভিন্ন দেশ কারাবন্দীদের মুক্তি দিচ্ছে। সাঈদী একজন প্রমাণিত নির্দোষকে কষিয়ে বেধে অহংকারী কারুণ ফেরাউন সাদ্দাদ ভাবে সেই পৃথিবীর মালিক মোক্তার।

আদালতের বিষয় কি করে আজ ছলবাজ সরকারের বিষয় হয়ে গেল। প্যারোল প্যারোল বলে চিৎকাররত সরকার খালেদা জিয়াকে ঐ টেবলেট গিলাতে পারে নাই। গলার কাঁটা লম্বা ঠোঁটের বকের অনুপস্থিতিতেই ফাঁক পেয়ে সরকার উগলে বের করে। সরকার ও খালেদা জিয়া উভয়ের আমলনামার দাগসব অমোচনীয় দলিলের জমা, জিৎ হয়েছে আপোষহীন খালেদার। সরকারের দেউলিয়া রাজনীতি আদালতকে ডিঙ্গিয়ে অবশেষে ৪০১ ধারার দোহাই পাড়ে। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি, বয়সের দোহাই ভাই বোনের দোহাই ঢাল হয়েছে। বয়স ও ভাইবোন আজ নতুন নয়, এসব অতীতেও ছিল আছে থাকবে, করোনাই নতুন। এমন সংকট সময়ে সরকার খালেদাকে করোনার ময়দানে শিথিল পুলিশ পাহারায় ছাড়ে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারার দায় বিএনপির নয়, পুরোটাই সরকারের, জামিন আটকে রাখার কপটতাও সরকারের, ভোট করতে না পারার কারসাজিও সরকারের। আদালতকে পঙ্গু করে পিরোজপুরের সাম্প্রতিক নাটক। জি কে শামিমেরও জামিনের ব্যবস্থা করা, যদিও ধরা খেয়ে থুককু বলা। সবই সরকারের খারাপ দলিল। লাশ ও ত্রাস করা সরকারের শিকার ইলিয়াস আলী, গার্মেন্টস নেতা আমিনুল ইমলাম হত্যা, চৌধুরী আলম, সাগররুণি, তনু, নয়নবন্ড, রেফাত-মিন্নী, আবরার, ফেলানী, এসব বছরের পর বছর হালকা গভীর দাগ চিহ্নমাত্র। আমরা ভুলে যাই, আল্লাহ ভুলে না।

সরকারের অস্তিত্ব সত্যিকার ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বটেই। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্টে হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে উড়িয়ে মারা ছকটিও ভোটডাকাতীর মতই আরেক নাটক। টকবাজ সুভাষ সিংহরা আত্মরক্ষার্থে শত অপকর্মে ঐ ফাঁকে দম ছাড়ে। তারা ভাগ্যবান তাদের নেত্রী এটি তাদের স্বার্থে বিডিআর ম্যাসেকারকে বিদ্রোহ সাজিয়ে ময়দানে রেখেছে। অনেক পরে হলেও তারেককে ফাঁসাতে গ্রেনেড টানা, জিয়া পরিবারের কলিজাতে কামড়ে দেবার সাড়াশি মিথ্যাচারী ঢাল। কিন্তু জাতি ইত্যবসরে জেনেছে প্রতিটি খুটিনাটি ঘটনা সাজানো নাটক তথ্য প্রমাণ সব অসংখ্য ময়দানে। এসব বিষয়েও সরকার প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থেকে গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছে। তারা টকশোতে এসব মিথ্যা ছাড়া প্রতিবাদের পয়েন্ট পায় না। তাদের নিজের কৃত অপকর্ম দিয়েই তারা টকশো গরম করে। ঝড়ে বক মরে, ফকিরের কেরামতি বাড়ার মতই সরকারের খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে কেরামতি বাড়ানোর ফুরসত নেই। আমেরিকাতে ৯/১১ ঘটেছে, কে ঘটিয়েছে তার থেকে বড় কথা এটি দুনিয়াতে ঘটে গেছে এবং একজন এটি ঘটিয়েছে। দুনিয়ায় কেউ এর বিচার না করলেও এর বিচার অবশ্যই হবে। মানুষ মরেছে, আগষ্টে বোমা হামলায় জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভিসহ অনেকে কেন মরেন, কিন্তু হাসিনার ছক করা নাটকে হাসিনা বেঁচে আছেন। আল্লাহকে দেখা যায় না কিন্তু তার বাণীকে দেখা যায় ছোঁয়া যায়। এটি স্পষ্ট করেছে এটি কোন তামাশার বস্তু নয়। মূল আসামী যেই হবেন রক্ষে নেই।

করোনার জন্মরহস্য: সরকারের এই আগষ্ট বোমার মতই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবাই সন্দেহ করছে করোনা কভিড ১৯ অস্ত্র এক সাজানো ঘরে তৈরী অস্ত্র। অনেক দুরন্তকে পাওয়া যায় নিজের সন্তানকে মেরে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে, তখন আইভিরা অর্ডারী লাশ হয়। আমেরিকার একজন গবেষক প্রফেসর ফ্রান্সিস বয়েল ইন্টারন্যাশনাল ল এর অধ্যাপক এ দাবী রাখেন জৈব মারণাস্ত্র তৈরী ও প্রচার হয়েছে মানুষকে সংক্রমন করতেই মানুষ দানবরা এসব করছে। স্মোকিং গান হয়ে এই ভয়ংকর মানবরচিত বায়োলজিক্যাল অস্ত্রটি নিয়ে তোলপাড় চলছে বেশ দিন থেকে। নর্থ ক্যারোলিনা ল্যাব থেকে সব দাগ চিহ্ন রেখেই এটি কিনে নিয়ে গেছে চায়না। কেউ মনে করছেন জনতার উপর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নিতে ক্ষমতান্ধ চীন এটি প্রয়োগ করেছে তার নিজ দেশে। তবে ফ্রান্সিস বয়েল বলছেন এটি এক্সিডেন্টলিও লিক হতে পারে। এন্টি ভাইরাল রিসার্চ করছে চীন এবং অসাবধানতায় সম্ভবত এটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রথম অবস্থায় এটি সম্বন্ধে সাবধান করলে কেন ঐ ডাক্তারের উপর কর্তৃপক্ষ মুখিয়ে উঠে এবং ধামাচাপায় থাকে। ৩০ ডিসেম্বর এর উপর কমেন্ট করাতে তাকে বরখাস্ত করা হয়, স্বজনরা বলছে তাকে মারা হয়। পরদিনই ১৫২৩ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসেন। শি জিনপিং বিষয়টি চেপে রাখেন। অন্য ডাক্তার (?) কয় সপ্তাহ থেকে নিখোঁজ। বায়োলজিক্যাল অস্ত্র তৈরী করছে মানুষ যখন মানুষ মারবে, এরাই দানব এরাই দুনিয়ার ইবলিস। চীন এবার তার উপর আরোপিত বিষয় ছুড়ে দিতে চাচ্ছে আমেরিকার উপর।ফ্রান্সিসের এ দাবী পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ সমর্থণ করছে। এর আর একটি বড় প্রমাণ প্রথম দিকে চীন সরকার এটি চেপে রাখার চেষ্টা করেছে শুরু থেকেই। কারণ চীন জানে এটি একসময় তাদের উপর আপতিত হতেই পারে। তাই আগাম আমেরিকাকে দায়ী করে রেখেছে। ২০১৮ সালে ফ্রান্সিস বয়েল সিরিয়ার উপরও ট্রাম্পের নামে প্রতিবাদ করেছেন। এখানে কাদা ছুড়াছুড়ির মাঝে মানবাধিকার কর্মী এই গবেষক ফ্রান্সিসের কথাই জোরালো ভাবে টিকছে। করোনা ভাইরাসকে চায়নিজ ভাইরাস বলছেন ট্রাম্প। তাদের আধিপত্য ও প্রচারণাকে বিস্তার করতে এটি চায়নার অস্ত্র, অনেকে বলছেন একে উহান ভাইরাস। অনেক আগেই একটি বই ১৯৮১ সালে রচিত অন্যটি ২০০৮ সালে রচিত, ওখানের তথ্য প্রমাণ রোগের প্রকোপ আচরণ এত সুক্ষভাবে মিলে যায় যে এটাকে এড়িয়ে যাবার উপায় নেই। বুঝা যায় এটি যেন একেবারে স্পষ্ট উহানের নামটি পর্যন্ত এসেছে এর প্রকৃতি স্বভাব খাপে খাপে মিলে যাবার মতই অবস্থান, সন্দেহের দিকেই মানুষ দলিল পাচ্ছে। সম্ভবত এর প্রতিষেধকও চীনের হাতে আছে, তারা ইতমধ্যে সেটি করেছেও। সপ্তাহে হাসপাতাল বানিয়ে ফেলা ও চিচিংফাঁক হয়ে আলীবাবা চল্লিশ চোরের আদলে সব বন্ধ দরজা খোলছে।

ঐ সুবাদে বই দুটি সিলভিয়া ব্রাউনীর লেখা ‘প্রেডিকশন্স এন্ড প্রফেসিস এবাউট দ্যা এন্ড অব ওয়ার্ল্ড’ও ডিন কনটজ এর লেখা ‘দ্যা আইজ অব ডার্কনেস’ এ করোনা ভাইরাসের রসদ বয়ে বেড়াচ্ছে। একদম হুবহু যেন উহান শহরের উদ্ভব হওয়া করোনা ভাইরাসের জন্ম রহস্য একটি সামরিক গবেষনাগারে লুকানো। এএফপির বরাতে প্রকাশ ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক ইসরাইলী কর্মকর্তা ড্যানি শোহাম যিনি এসব জীবানু অস্ত্র বিশেষজ্ঞের অভিযাগ করছেন, এ জীবানু কোভিড ১৯ চীনের উহান ইন্সটিউট অব মাইক্রোবায়োলজির গবেষনাগারে তৈরী হয়েছে। সাবেক প্রধানও চীনের দিকে আঙ্গুল তুলে লেফটেনেন্ট ড্যানি শোহাম এসব দাবি করেছেন। এবং তাদের আরো অস্ত্রাগার আছে, এটিও বলা হয়েছে। এটি চীনের গোপন জীবানু অস্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট। মেডিক্যাল মাইক্রোবায়োলজিতে ডক্টরেট করেছেন ইসরাইলের সাবেক এই কর্মকর্তা। ১৯৭০ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের কাজ করা মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ^জুড়ে ইসরাইলের গোয়েন্দা শাখার জীবানু ও রাসায়নিক অস্ত্রের উর্ধতন বিশ্লেষক হয়ে কাজ করছেন। সুতরাং এসব কাজে সংশ্লিষ্টতা থাকায় তার সন্দেহকে একেবারে উড়িয়ে দেবার অবকাশ কম। অনেকের মাথায় প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক এর কারণ কি? কম্যুনিস্ট চীন বিশ^ পরাশক্তি হওয়ার বাসনায় নিমগ্ন। তারা যেভাবে অনৈতিকভাবে প্লাস্টিকের চাল সবজি ডিম এসব তৈরী করে মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে আর বিশ^ চেয়ে চেয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। অতীতেও জীবানু অস্ত্রের কথা উঠেছে বলা হয় এইডসও এরকম একটি জীবানু অস্ত্র মানুষ বিধ্বংসী অস্ত্র দিয়ে মানুষ মারা হচ্ছে।

বলতেই হবে মানুষের মত পশু দুনিয়াতে বিরল। ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য সবাই সময় সময় সন্দেহের তালিকায় থেকেছে। চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গুজ¦রও বলা হয় এভাবে সৃষ্ট জীবানু অস্ত্র মানব বিধ্বংসী অস্ত্র সময়ে সময়ে কিছু মানুষ রুপী পাশবিক আচার নির্ভর কাজ মানুষ করছে। অনেকেই মুসলিম দেশ ইরাক আর ইরানকে কবজা করতে ব্যস্ত কিন্তু তারা নিজেরা এসব করে বেড়াচ্ছে তার কোন ফয়সালা নেই। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কেউ নেই। কারণ যারা বিশ^ নিয়ন্ত্রণ করছে তারাই যদি এসবে রসদ যুগায় তবে এসব অপকর্মই পৃথিবীর ধ্বংস চট জলদি করে ফেলবে।

মানুষ আল্লাহকে দেখে না, ঠিক যেমন করোনাকে দেখে না বলে প্রথমে আঁচ করতে পারে নাই। অনেকের মনে সন্দেহ দানা বেঁধে আছে সত্যিকারের আল্লাহ বলে কোন শক্তি আছে কি না? কুরআন নিজেই সত্যতা যাচাই করার কোষাগার হয়ে শত প্রমাণ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । খাবারের হালাল হারাম নির্ধারণের মাপকাঠি চৌদ্দশত বছর আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে, কোন জিনিস মানুষ খাবে আর কোন জিনিস খাবে না। এর ক্ষতিকর দিকও ষ্পষ্ট করা হয়েছে। মানুষের খাদ্যাভ্যাসের ভালো মন্দ আজ মানুষ জানছে। এসব অনুসরণ করলে লাভ মানুষের, আল্লাহর নয়। চীনারা এমন কোন কীট পতঙ্গ বাকী রাখে না, তারা সব খায়। বৌদ্ধরা বলা হয় অহিংসা নীতি পালন করে, কিন্তু তাদের বর্তমান আচার সমূহ ভয়ংকর নীতি ঘেরা সর্বভুক জাতি হিসাবে পরিচিত তারা ভয়ংকর স্বরুপে ময়দান চষে বেড়াচ্ছে। বেশীর ভাগ সময় এসব খাদ্যাভ্যাস তাদের সমূহ অনেক দূর্ভোগের কারণ। বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকরা এটাকে পশুর মাধ্যমে মানব শরীরে প্রবেশ করেছে বলেও মনে করছেন। রোগাক্রান্ত সংবাদকথা বিবিসি, বিবিসি বাংলা, ওয়াশিংটন পোস্ট, নিউইয়র্ক টাইমস, লাইভ সায়েন্স, জন্স হপকিন্স বিশ^দ্যিালয়, দ্যা নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন সর্বত্র করোনা সম্পর্কীত অনেক তথ্যই আসছে।

আমাদের কেউ বলছেন এটি আল্লাহ থেকে আগত, আবার কেউ বলছেন এটি মানুষের সৃষ্ট। আমেরিকার ৯/১১ ও মনুষ্যসৃষ্ট গজব। প্রথম বিশ^যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধও মানুষের সৃষ্ট গজব। মানুষকে আল্লাহ ইচ্ছে করে ধ্বংস করে না। মানুষ তার নিজের কৃতকর্মে ধ্বংসকাজ করছে, নিজেই বিধ্বস্ত হচ্ছে তার অপকর্মে। তাকে এসব করতে নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু তারা তা মানছে না। নীতি নৈতিকতার ধার ধারছে না। তারা একাই একশ মনে করে, ধরাকে সরাজ্ঞান করছে। করোনা দেখিয়ে দিচ্ছে মানুষ কত তুচ্ছ। হয়তো একদিন তারা ওটি করায়ত্ব করতে পারবে, তারপর তার চেয়ে বড়টা আসবে তাদের শিক্ষা দিতে। আজকের মুসলিমরা ধর্মের মূল থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে। এমন সত্য নির্যাস পাওয়ার পরও মানুষ শংকার মাঝে সময় পার করছে। আর যারা অনুসরণ করছে এমন সব জিনিস অনুসরন করে যার সাথে কুরআন বিরোধী কথাও তারা ধর্ম বলে চালায়। আল্লাহ বলেন, কুরআন তামাশার বস্তু নয় (৮৬:১৩/১৪)। এর বিধানে কোন ব্যতিক্রম নেই (৩৫ সুরার ৪৩ আয়াত)। এতে কোন অসামঞ্জস্য দেখবে না (৬৭: ৩/৪ আয়াত)। নাহলে পেতে প্রচুর গরমিল (৪ সুরার ৮২ আয়াত)। জানি চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী, তারপরও স্মরণ করলাম তাদের জন্য যারা এ থেকে উপকার জমা করবেন। আল্লাহর রহমতে সবাই করোনা থেকে নিরাপদ থাকুন।

লেখার সময় ৩১ মার্চ ২০২০।

Tag Cloud

%d bloggers like this: