Articles published in this site are copyright protected.

 

নাজমা মোস্তফা

আমি কে তোরা জানিস! হ্যাঁ জাতি জেনেছে। মক্ষিরানী পাপিয়া কে? কত তার ডাটবাট। রং রুপ টাকা মদ উলকি বিলাসিতা সুখ স্বর্গকে কাছ থেকে দেখা পাপীয়া, সাথে ১১ মন্ত্রী ৩৩ এমপিরা দলবাধা। নেতা নেত্রীরা নানান সুযোগ ভোগ করেছেন, টাকা লুটপাটেও রাখঢাকে সরকার অতিরিক্ত সচেতন। জাতি জানে এসব ঢেকে রাখাই সরকারের বেশী পছন্দ। এসব বাইরের লোক জানা লজ্জার , সঙ্গত কারণে এসব লুকিয়ে রাখা গদির জন্য বাঞ্ছনীয়। বিরোধীর দিকে খালেদার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করতে বাধা নেই। গদি রক্ষার্তে এসব জায়েজ। যেন মিথ্যে বলাটাই মদীনার সনদ, ধর্মপালন। টকশো মুখরা সব অপরাধের পক্ষ সাপোর্ট করা অপু উকিল পাপিয়ার অপরাধের আড়ালেও নিয়োগ বানিজ্যে জড়িত। এখানেও পাপিয়াকে কীট পতঙ্গ বলার পর দেখা যাচ্ছে অপু নিজেই কীট পতঙ্গের একজন। বলছেন এটি সমাজের কীট, আওয়ামীলীগের নয়। অপু উকিলরা এবং এরকম আরো বেশ কথক আছেন সারাক্ষন মিথ্যাচার করে প্রতিবাদ মুখর। এদের সবাই চেনেন, নাম না বললেও সারা দেশের মানুষ এদেরে জানেন চেনেন। সরকার বেকায়দায় পড়লে থলের বিড়াল একটি একটি করে ছাড়ে। আর বাহাদুরি করতে থাকে আমরাই ধরেছি। অনলাইনে অনৈতিক নারী ব্যবসায় প্রথম বাংলাদেশে পাপিয়া। ব্যংক লুটের খবর আগে যায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে তিনি চেপে যেতে বলেন। একভাবেই প্রভাবশালীদের লিস্ট গেছে তার কাছে তিনি নিশ্চয় এখনো চেপে রাখতে বলছেন, সেটি জাতি দেখছে। ভোক্তভোগীরা জানে, এভাবে নিকটজনদের কথা চেপে রাখা হয়। এভাবে সরকার মধু কই কই মানুষকে বিষ খাওয়াচ্ছে।

মফিজুর রহমান সুমন আর চমকলাগা মেকআপে সাজা পাপিয়ার অপকর্ম জানা ওয়েষ্টিনের তথ্য দিতে আপত্তি। নিশ্চিত ওয়েষ্টিনের হোটেল কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে, ঠিক পুলিশ যেমন বলে চাপের মুখে! প্রভাবশালীর আনাগোনা সব জানা, ব্যাংক লুট যেভাবে প্রকাশ করা যায় না এসব কেমনে প্রকাশ করবে সব খানে সরকারের কালোদাগ লেগে আছে। মুখবাজ ওপু উকিলের নাম বারে বারে আসছে। টকশোতে তার মিথ্যাচারী মুখের তোড়ে বাকীরা কথা বলতে পারতেন না। তাই বিধাতা নিজ দায়িত্বে এসব কীটদের কীটত্ব স্পষ্ট করছে। কি ঢলাঢলির ছবি রে বাবা? তারপরও মুখে মাছি বসার উপায় নেই। আরেকজন নাজমা আক্তার উনিও কম যান না। নিজের ঢোল নিজে পিটা সত্যবাদী সদাচারী নরকের দানবদের জাতি চিনে নিন! এদের কারণেই শ্লোক সাজানো হয়েছে ‘চোরের মায়ের বড় গলা!’ আশ্চর্য্য হতে হয় যখন শুনতে হয় টকশোতে অপু উকিলরা বড় গলাতে হুমকি ধমকি দেয়, আর বলে গণতান্ত্রিক উপায়ে ভোটের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতায়। জাতি হাসবে না কাঁদবে সেটি বলার মত নয়। এত মিথ্যা এত প্রতারণা এত ছলনা জগত কেমন করে সহ্য করে! অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, মাদক, চাঁদাবাজি, প্রতারণা  গাড়ীর ব্যবসা, এই টোকাই মানের পাপিয়া, ব্যবসায় বাজিমাত। জানা যাচ্ছে পাপিয়ার বাবা একজন গাড়ী চালক, আর মন্ত্রী এমপিরা পাপিয়ার গাড়ী চালাতে ব্যস্ত। হোটেল ওয়েস্টার্ণে যেখানে আরেক ধরা খাওয়া ছলবাজ রেশমাদের চাকরি হয়, সেখানে তার জন্য রুম বরাদ্দ থাকে। সমাজসেবার নামে এসব অসামাজিক কাজ করা। ঠিক যেরকম ধর্মের নাম নিয়ে মানুষকে প্রতারণা করা! কিছু রংঢ়ং ছাড়া প্রতারণা করা সম্ভব হয় না। তাই তাহাজ্জুদ, নামাজ, মদিনার সনদ। পাপিয়ার পাপের রাজ্যে ফুলের মত চরিত্রবানরা ছুটাছুটি করতেন। এরা কেউ হয়তো বলেই বসবেন হযরত পাপিয়া। নাসিম কড়া কথা শুনিয়েছেন, কিছু আগে এই নাসিমের হাসপাতাল বানিজ্যের অপকর্মে ইউটিউব মুখর ছিল, ডাক্তাররা কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন। সবই শক্তির তলানীতে কদর্য কসরত। মদ আর উঠতি তরুনী রাখা ধর্মধারীদের নিয়ে তালিয়া বাজানো আর কত ধর্মের অবমাননা চলবে?

মানুষ যখন লজ্জাহীন হয়, তখন সে পশুরও অধম হয়। পাপিয়ারা শূণ্য থেকে উঠে আসা, আত্মমর্যাদা জ্ঞানের সুযোগ তাদের কম। বরং মাঝখানে সেলিব্রেটি জীবন যাপন, তার অগাধ ফাও পাওনা। পাপিয়া কি শুধু একাই চোর, সরকারওতো একই তালে কোটি কোটি টাকা তুলে নিয়ে ব্যংককে দেউলিয়া করে দিয়েছে। সরকারের সব চেহারা একহারা এক ধাতে গড়া। পাপিয়ার সব লজ্জারা ওপেন। গরীব ঘরের মেয়েরা ছিল তার খদ্দের। কাদেরের ঘড়িও ময়দানে কথা বলেছে, তখনো সাধুতার পরিশ্রম তিনি করছেন। পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কলঙ্ক দৃশ্যমান ছিল না, যে খেল তারা দেখাচ্ছেন, অভিনব ক্যারিশমা! সাথে সরকারী প্রয়াস চলছে সবার মুখরতা, সাধুতার নিরলস পরিশ্রম, উপদেশ বিলি বন্টন, কিভাবে পানির কল ব্যবহার করবেন, লেখাপড়া করবেন করাবেন। সেলিম প্রধান, ক্যাসিনো বানিজ্য, থাইল্যান্ডে বার, অস্ত্র ব্যবসা মাদক, ইয়াবা, তদবির বানিজ্য চাঁদাবাজি, চাকরী বানিজ্য এক কথায় সব ধরণের অপকর্ম এদের কাজ। নীতিহীন শাসকদলের মনোরঞ্জনের জন্য এদের দরকার পড়েছে যুগে যুগে।

পাপিয়া মধুকরী দলেবলে প্রভাবশালী ঘেরা, উপরে উঠার সিড়ি মন্ত্রী এমপিরা। গিভ এন্ড টেক নীতিতে উভয়ে লুটপাটীয় উপকার জমা করেছেন। সরকার পাপিয়াদের দিয়েই দলেভারী। তাই দক্ষতার সাথে গভীর রাতে ভোট সারতে পারে। পাপিয়া ও সরকারের ভাষা একই। আমি কে তোরা জানিস! বাপের বেটি! এরকম বেটিরা প্রতিটি বাপের জন্য মরণ যাতনা। এ বেটিরা বড় সময় সমরাটদের বাঁচান, শুধু খালেদাদের মারেন। পাপিয়ার এক হাতে উষ্কি আঁকা কাবা মসজিদ অন্য হাতে শিবলিঙ্গের ছবি, কালির পূজা করেন, ঈমানের ভয়ংকর দুর্দশা। এটি কি ধর্ম না ব্যবসা! তৃণমূল পর্যায়ের এ নেত্রী দিশেহারা অগাধ সম্পদের নেশাতে পাগলপারা। রাজনীতির অগাধ সুযোগ আর নেতাদের বাসনা পুরণের খায়েশ থেকে লোভী পাপিয়ার উত্থান। তবে সরকার এদের রেখে ঢেকে রাখে। সরকার ধরি মাঝ না ছুঁই পানির সব রকম সকম জানে, এটি পরীক্ষিত সত্য। বিরোধী নির্দোষের জন্য ধড়পাকড়ে দক্ষ সরকার। পাপিয়ার বুকের পাটা দৃঢ়, কারণ তাদের খুঁজে পেতে সরকার দুধ কলা দিয়ে পুষে। তবে না জানার ভান করে সময় পার করে, উভয়ের কুটিল বাসনা পুরা হয়। অনাচারী সরকার পাপিয়ার পাপের সহযোগী। আমি কে আমাকে জানিস! পাপিয়া জানে সরকার তার সুহৃদ। বাংলাদেশব্যাংক সহ সব ব্যংক লুট হয়, প্রধানমন্ত্রী ঢেকে রাখেন। বিচারকে স্তব্ধ করে ক্ষমতাধর, মহা শক্তিশালী, যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। সিনহাবাবুও সময়ে বগলে থাকে, কাজ শেষে কীটতূল্য সিনহা বাবুরা ডাস্টবিনের টিস্যু পেপার।

সারা জাতির জনতা খোয়াড়ে শ^াসরুদ্ধকর অবস্থানে, যেন তাড়া খাওয়া পশুকে ভয়ংকর হায়েনা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। পাপিয়াও এরকম এক খোয়াড়ের পশু। তার উপর হয়তো নির্দেশ ছিল, লুটেপুটে খাওয়ার পারমিশন ছিল, দলবাজদের সুযোগ সুবিধা তৈরী করার আদেশ ছিল। শাসকবর্গের খায়েশ পুরণ করতেই ফের খোয়াড়ের আসামী! নির্দোষ খালেদার বেরিকেড, আদালত কন্ট্রোল, জামিন বাতিল, ওয়েস্টিন হোটেলের মালিকের মুখে তালা, সবই সরকারী কারসাজি ছাড়া কিছু নয়। অপু উকিল নাজমা আক্তাররা টকশোর টকবাজ। আল্লাহ যে একজন আছে এ তার প্রমাণ; এসব ওপেন করছে অদেখা আল্লাহ যাকে চোখে দেখা যায় না। ২০০০ সাল থেকে পাপিয়ার স্বামী সুমনের উত্থান। এমন ডাকাত দলে পেয়ে সরকার মন্ত্রী এমপিরা মহাখুশী, বাক বাকুম সুরে ময়দানে সরব। হাসি হাসি করমর্দনরত পাপিয়া মন্ত্রী এমপিরা এককাতারে চলে দহরম মহরম। তারপরও আধা রাখি আধা ঢাকি বেশ সরকারের! যুবনেতা সুমন ২০০১ সালের চিহ্নিত খুনী, অতঃপর পদধারী। পাপিয়াদের পাপের লিস্ট মাফ পায় যুগ যুগ অবদি! প্রতিপক্ষ বিরোধীর জন্য বরাদ্দ সব যাতনা, মরলেও মামলা হাতকড়া লিস্ট করা বার বার। বিশ বছর ধরে লুটেরা সুমন, ফটোসেশন, ভিডিওফ্যাশন, ওদের  গুন্ডামীতে দেশ বাজিমাত। সরকার নীরব যেন বর্ডারের বিএসএফের গুলি পরবর্তী নিরবতা, খুবলে খাচ্ছে জনতার হাড়গোড় সব, দুই দশকেও এদের নাড়ে না। ভনিতা যত, প্রধানমন্ত্রীর বয়ান আমি ধরলাম; কারণ কি? ধরতে দুই দশক! সরকারের ডাকাত পছন্দ, তাই দলে ভিড়ায়, পদ বিলায়। কারণ রাতের ভোট সামলাতে এদের বিশাল কর্মী গোন্ডাবাহিনী ও বিশাল শোডাউনের খুউব দরকার । রাজা রানীর আদলে এরা মিছিল করে, জনতার কলিজা খুবলে খায়। সরকার পক্ষ বলে দুষ্টের অপকর্ম আমরা গ্রহণ করবো না। অপকর্ম করছে জানলেও এদের ধরা হয় না। থানা এদের বিরুদ্ধে কোন কেইস নেয় না।

সরকারই নির্দেশ জারি করেছে, বোবা মিডিয়া এবার সমানেই বহিষ্কৃত বহিষ্কৃত বলে চেচাচ্ছে। বহিষ্কৃত বললেই সব পাপ শেষ। জাতি তোমাদের জানছে, চিনছে বার বার, এত সহজে কি অপকর্ম থেকে বাঁচা যায়? তাহলে সব জাহান্নামীরাই হতো সব চেয়ে বড় সুবিধাবাদী ইহ ও পরকালে। প্রতিদিন আড়াই লাখ টাকার বিল শোধ, তিন কোটি টাকা তিন মাসের মদের বিল। ছবিতে মন্ত্রী তোফায়েল, কাদের, দীপু মনি, নেতানেত্রী সম আরো বসন্তের কোকিলরা যেন নিজেকে এমন এক চরিত্রবতীর সাথে ঢলাঢলি করতে পেরে ধন্য মনে করছেন, আর করবারই তো কথা! টাকা অস্ত্র চাকুরী পতিতা সবই লোভনীয় চরিত্রহীনদের জন্য। সবাই এক বাক্যে বলছে এক পাপিয়া নয়, দলে দলে পাপিয়ারা দেশ দখল করে আছে! সরকার সারাক্ষণ দেখে খালেদার দুই কোটি। পাপিয়ার ক্যাডার বাহিনী, ৩০,০০০ টাকার বদলে মেয়েদের উপর নির্যাতন ও পতিতা বানানোর কাজ। উপরতলার কর্তাদের মানুষ না চাইতেই উপহার সামগ্রীতে দামী দামী ঘড়ী স্যুট ঠেসে ধরে। পাপিয়া না চাইতেই ডজন রুশ নারী রেডী করে রাখে কর্তাবাবুদের জন্য। না চাইতে পাচ্ছে, না গিলে উপায় কি! যে বড় বড় নেতার নাম উঠছে, নড়ছে, দেখাও যাচ্ছে, ভাসুরদের লুকিয়ে রাখার কসরত চলছে। সরকার জাতি ধ্বংসের এজেন্ডা নিয়েছে! ধর্ম ও রাজনীতির সব মাত্রা ধ্বংস করাই কাজ। জাতির কাছে অদেখা বিধাতা বার বার স্পষ্ট করছে! বিধাতার আরশ থেকে টান পড়েছে বলেই পাপিয়া আজ খাঁচায়। 

তবে বিচার কতদূর সে আল্লাহ মালুম! চিত্র নায়ক সালমান শাহের তদন্তে ঘুষ চেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। এটি হচ্ছে প্রশাসনের ছাতার তলে আসল পুলিশ চরিত্র। এদের এ চারিত্রিক বৈশিষ্টের দায় উপরের নির্দেশ কিন্তু বিধাতার না, এ চিত্র বিধ্বস্ত মানবতার! জাতি পাপিয়ার সাথে পাপিয়ার প্রতিপালককেও চিনেছে, জেনেছে। ভালো করেই চিনেছে। মক্ষীরানীদের ভিড়ে থাকা প্রজাপতি দেবতা সেতুমন্ত্রী কাদেরের জন্য বিদেশে চিকিৎসা বাধ্যতামূলত হলেও তিন বারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য দখলী দেশে আলাদা নিয়ম। যে অভিনয় খেলা সরকার দন্ডহাতে খেলছে, এর পরিণতি পাপিয়ার থেকে ভালো কিছু নয়! বরং বহুগুণ বেশী বেশী অপরাধ, পাপিয়া কপট নেকড়ের হাতে ধরা খাওয়া রক্তাক্ত শিকার। প্রতি বছর ২৫ ফ্রেব্রুয়ারীতে পিলখানাতে যারা শ্রদ্ধা জানায় ঢাক ঢোল পিটিয়ে নাটকীয় ফুলের তোড়া দেয়, বিধাতা তাদের চেনেন, যারা এদের খুন করেছে; কেমন যেন হাস্যকর সবকিছু!! ১১ বছরেও স্বজনরা হতাশ! যে আকাশ ভেঙ্গে মাথার উপর পড়েছে, তার কোন সুরাহা নেই! বরং সেদিন থেকে দেশ ক্রমাগত মৃত্যুকূপের দিকে ধাবিত, ওটি ছিল ধারাবাহিক মরণের শুরু, মানুষ মরছে! বিচারের রায় নিভৃতে কাঁদছে, স্বজনরা অন্ধকারে! জাতির কাছে ওপেন সিক্রেট, সরকার লুকালেও প্রকৃত সত্য লুকানো নেই। ভুল ও জোড়াতালি মার্কা বাংলা বানানে একুশে পদক বিতরণ চলছে। ২০২০ সালের পিলখানার আগের দিন ২৪ ফ্রেব্রুয়ারী কীর্তিমান সরকারী দলের দুই ভাই এনু ও রুপমের বাসায় টাকার খণি আবিষ্কার, প্রতিটি নোট ১,০০০ টাকার। ৫ সিন্দুকে কয় ঘন্টা দুই মেশিনে চলে গণনা ২৭ কোটি ও বিভিন্ন দেশী বিদেশী টাকা ডলার সব। দেশ উন্নয়নের মহাসড়ক, আওয়ামীদের ঘরে ঘরে গড়ে উঠছে টাকার খনি। বেগ ভর্তি স্বর্ণালংকার, ৫ কোটি টাকার বন্ড, সাথে আরো এটা ওটা। মাত্র সেদিন সম্রাটদের ক্যাসিনো কান্ডে ময়দান গরম হয়ে মাঝে বন্ধ ছিল, সুনসান নিরবতা! সরকারপন্থী পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিন বলছে দৈবাৎ পাপিয়া ছিল এক দুর্ঘটনা, ফের সুনসান নিরবতা!  বড় কথা সব লুটেরাই সরকারী সহযোগী লম্বাহাত উন্নয়নের হিমালয় তারা। এসব তাদের উন্নয়নের প্রামাণ্য দলিল। যখন ধরা পড়ে তখনই বলা হয় এরা বহিষ্কৃত নয়তো এর আগ পর্যন্ত চলে এদের সাথে গলাগলি ঢলাঢলি ফটোসেশন ভিডিওফ্যাশন। ধৈর্য্য ধরা জাতি আর কত নির্বাক থাকবে, কত মৃত্যুর প্রহর কাটাবে? দৃষ্টি কাতর, কলম জড়িয়ে যাচ্ছে বিবেক যেন পথ খুঁজে পাচ্ছে না। কি করবে?

লেখার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সাল।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: লেখাটি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত দি রানার নিউজ কলামে ০৬ মার্চ ২০২০ সংখ্যায় ছাপা হয়।

Tag Cloud

%d bloggers like this: