Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

(পূর্ব প্রকাশের পর)

সম্বিৎহারা মুসলিমদের অপরাধ: সত্য ইতিহাস ধর্ম না জানা, চোখ কান থাকার পরও মিথ্যাতে মজে থাকা বিরাট অপরাধ। বর্তমান সময়ের সম্বিৎহারা মুসলিমদের জন্য এটি চরম লজ্জার কথা। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব, আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ মুসলিমদের একমাত্র অবলম্বন, মানুষ মাত্রেরই সচেতন থাকা, মানবতা জীবনের মূল কথা। মানুষের বড় দোষ চেতনহীন ও  দেউলিয়া থাকা। অসচেতনরা নিজের উজ্জল অর্তীতকে ভুলে গোলামীতে দাসখত করে। পাপই পূণ্যকে আলাদা করে। শুরুতেই ধর্মটি কিভাবে দু টুকরো হলো, কে করলো (?) আজো এ ব্যাপারে নিরবতা চলছে। ধর্মের সত্যকে শক্ত করে ধরার নির্দেশ, নয়তো বিভক্তির দন্ড গুরুতর (আল ইমরানের ১০৩ আয়াত)। সেখানে মিথ্যার কোন জায়গা নেই। ময়দান থেকে সত্যের বাহক নবী পরলোকে গেলেও শত্রুপক্ষ শিশু ইসলামকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। শত্রুকে সবাই চেনে কিন্তু অচেনা মোনাফেকও শত্রু হয়, কুরআন এভাবে আড়াল করা শত্রুদের পরিচিতি জানিয়ে প্রকাশ্য শত্রুদের চিনিয়েছে। এভাবে ইবলিস যুগে যুগে সুযোগের ব্যবহারে কার্পণ্যতা দেখায় নি। অতি অল্প দিনেই ইবলিসের সহযোগিতায় ভাংগনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ধান্ধা লাগিয়ে আলখেল্লার ভেতরে দুর্বৃত্ত বহাল তবিয়তে কয় শতাব্দী অবদি জীবন্ত, এজন্য শিয়া সুন্নী বিরোধ আজো বহাল। এভাবে যুগে যুগে বোকারা অপরাধী ঠাকুরদেরে বড় আসন দিয়ে রেখে পূজো দিচ্ছে দিয়েছে হয়তো আরো দিবে। সত্য প্রকাশে বিরত থেকেছে ত্রাসে ভয়ে, ভুলেও অপরাধীর নাম মুখে আনে না। মনে রাখতে হবে আল্লাহর উপর কোন বড় কর্তা নেই, বড়হুজুর নেই। অপরাধ ধরা পড়লে ঢোল পিটিয়ে পাশবিকতা জানান দেয়া মানবতার কাজ। তবে কখনো নির্দোষকে নয়।

ইসলাম কি কেন, পরিচয় কি এর সদস্য কারা: সম্বিৎহারা মুসলিমকে জানতে হবে তারা কারা, কি তাদের পরিচয়? এ ধর্মের নীতি জটিলতাহীন সহজ সরল, অসীম ক্ষমতার অধিকারী এক আল্লাহতে বিশ^াস রাখা। মানুষের মুখাপেক্ষী না হয়ে আল্লাহকেই একমাত্র অভিভাবক মানা। মুসলিমদের চেতনহীনতা আৎকে উঠার মত ! এমনও বলা হয়েছে এমন এক সময় আসবে যখন ঐ ধর্মের নাম ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ধর্মের নামে থাকবে অধর্ম! জ্ঞানের মূল্য কমবে, যোগ্যরা উপযুক্ত সম্মান পাবে না। সত্যচ্যুতির কারণে ধর্ম প্রচারকরাও জটিলতায় জড়াবে। কুরআন এক ব্যতিক্রমী গ্রন্থ, সাধারণ পুস্তকের মত মানুষের রচিত নয়। এটি পৃথিবীর একমাত্র ১০০% বিশ^াসযোগ্য গ্রন্থ যা পৃথিবী ধ্বংসের আগে বিলুপ্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। নবীর জীবন কালীনই সুসংরক্ষিত ও সজ্জিত ত্রুটিমুক্ত (সুরা হিজর ৯ আয়াত)(সুরা আল ওয়াকিয়াহ ৭৭, ৭৮ আয়াত)। এর বানী সমূহ প্রায় ১৫শত বছর থেকেই একই, নিরাকার আল্লাহ এর সংরক্ষক। এজন্য এর সামনে পেছনে ডানে বামে কোন দিক আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা শূণ্য। যুগে যুগে সত্য সাধকরা এক সত্যের অনুশীলন করেছেন। অনুসারীরা সংকীর্ণতায় আমিত্বের অহংকারে ভিন্ন নামে আলাদা হয়েছে। অসাধারণ সব তথ্য ঐ গ্রন্থে জমা আছে। মূলত সারা মানব জাতি এক ঘরের বাসিন্দা। তাই আদম ইব্রাহিম ঈসা মুসা নামের সব সত্যসাধককে না মানলে কোন মানুষ মুসলিম দাবী করতে পারে না, এ ধর্মের নির্দেশনা। অঞ্চল ভিত্তিক গড়ে উঠা এক সভ্যতার নাম হিন্দু সভ্যতা। আঞ্চলিক নবী ঈসার ধর্ম খৃষ্টানিটি যেখানে বাইবেলে জেসাস ক্রাইস্ট নিজেই বলেন, আমি শুধু মাত্র ইসরাইলের হারানো গোত্রগুলির সন্ধানে প্রেরিত হয়েছি (ম্যাথু ১৫: ২৪)। পূর্ববর্তীরা আঞ্চলিক নবী হলেও শেষনবী মুহাম্মদ (সঃ) সারা দুনিয়ার সম্পদ, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না (সুরা সাবার ২৮ আয়াত)। শেষ নবী হওয়ার কারণ তার সিলেবাসের পূর্ণতা ও সঙ্গত কারণে ওটি সিলমারা। এসব নবীদের নিয়োগ কোন মানবিক বরাদ্দ নয়, এরা অদেখা আল্লাহর নিয়োগপ্রাপ্ত। ঈসা নবীর মাত্র ৫৭০ বছর পরই প্রয়োজন পড়ে বলেই শেষ নবীকে আসতে হয়। ঐ নবীর পর আজ প্রায় দেড় হাজার বছর আর কেউ আসে নাই, সূত্র মতে আর আসবেও না।

 কুরআন একটি জীবন বিধান: সামাজিক, পারিবারিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সীমারেখা দাগ দেয়া সবার  জন্য। জাতিতে জাতিতে নবীরা এসেছেন (সুরা ইউনুস ৪৮ আয়াত)। শেষ নবীর মাধ্যমে নারীদের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। আমরা ইতিহাসে কোথাও পাই না নবী নিজ হাতে কোন যুদ্ধে মানুষ খুন করেছেন, এমন কোন উদাহরণ নেই। তারপরও তার বিরুদ্ধে একবিংশ শতক অবদি সন্ত্রাসীর খাতায় নাম তোলা হয়েছে। শত শত ইহুদী কেউ কেউ বলেন ৯০০ নিধনের অভিযোগ তোলে রাখা হয়েছে। সবই ইতিহাসের স্বরচিত মিথ্যাচার, ‘ইসলামে যুদ্ধ’ লেখাতে সেটিও খন্ডন করেছি। এ মিথ্যাচার অতীতে ইউরোপীয়রা করেছে ঐ পথে হেটেছে ভারতীয় ইতিহাসবেত্তারাও। মাঝের সময়ে মুসলিমরা বেঘোরে ঘুমাচ্ছে, এমন সুযোগে বিরোধীরা মনের মাধুরী দিয়ে নবীকে দাঙ্গাবাজ সাজিয়েছে। আগে নিজে জানুন তারপর অপরকে জানান। প্রতিটি বিবেকের দায়িত্ব ও কর্তব্য, সত্যের সাধনা করা। নাক ডাকিয়ে ঘুমের খেসারত দিচ্ছে মুসলিমরা, জেগে উঠার বিকল্প নেই। প্রতিটি সাজানো মিথ্যার বদলে সত্যকে স্পষ্ট করা প্রতিটি মানুষের ঈমানী দায়িত্ব। মুসলিমরা কখনোই অপকর্মী নয়, বরং কুরআন মূর্তিপূজকের উপাসককে গালি দিতে নিষেধ করে (সুরা আনাম ১০৯ আয়াত), তাদের বিপন্নকে নিরাপত্তা দিতে বলে (সুরা তওবা, ৬ আয়াত)। অসৎ উপায়ের অর্জন নিষিদ্ধ। মধ্যপন্থাকে উত্তম পন্থা ধরা হয়, চরমপন্থা থেকে দূরে থাকতে বার বার বলা হয়েছে। সীমালংঘনকারী আল্লাহর অপছন্দের। জ্ঞান আহরণ নারী পুরুষ উভয়ের জন্য ফরজ। বিচার সবার জন্য হবে নিরপেক্ষ (সুরা নিসা ৫৯ আয়াত)। মদ, নেশাদ্রব্য, ক্ষতিকর শুকরসহ কিছু খাদ্য হারাম ঘোষিত হয়েছে। মানব জীবনের চরিত্র গঠনের প্রতিটি বিষয় এ সিলেবাসের অংশ।

ইসলাম বিরোধীদের চরম সংকীর্ণ আচার আচরণ: বাংলাদেশের জন্মলগ্নে রবীন্দ্রনাথ বেঁচে ছিলেন না, নজরুল ছিলেন। নজরুলের গান ছিল না সেটিও বলা যাবে না। রবীন্দ্রনাথের একটি প্রশ্নবিদ্ধ মূর্তি বন্দনার গান কেটে ছেটে রবীন্দ্র সংগীত জাতির ঘাড়ে চাপলো কার পাপে? যুদ্ধ করলো জাতির সন্তানেরা প্রাণ দিল মান দিল কিন্তু অর্জন পুরোটাই লুটে নিয়ে গেল ভারত, গুন্ডে চলচিত্র ম্যুভিসব যেন নব্য স্বাধীনতা শেখানোর মহরত। সত্য বলা অপরাধ, বললে আবরার হবে লাশ, বিডিআরহয় বাতিল, ফেলানীরা প্রতিনিয়ত মরছে ঝুলছে কাঁটাতারে। এ কেমন নীচতা! জাতি কি ভুলে গেছে মেজর জলিলের প্রতিবাদ প্রতিরোধ কথা! মুক্তিযুদ্ধ বাতাসে মিলিয়ে গেল, সাথে মিলিয়ে গেল পাকিস্তানের ফেলে যাওয়া অস্ত্রগুলোও লুটেরার দখলে। মুক্তিযোদ্ধা মেজর জলিল হলেন প্রথম রাজবন্দী ছলবাজের  হাতে। রাত দুপুরের ডাকাতী নয়, দিন দুপুরে ডাকাতী। ২০০ বছরের ইংরেজ কৃত সম্বিৎহারা দশা কি আজো বহাল থাকবে? যতনে আড়াল করে রাখা সব অপরাধ থরে বিথরে। পূর্ব বঙ্গের চাষার ছেলেপেলেদের পড়াশুনায় বৈরী রবীন্দ্রনাথ নিয়ে আজ পূর্ববাংলায় মাতম চলছে। বাবু গিরীশচন্দ্র ব্যানার্জী, ডঃ স্যার রাসবিহারী ঘোষ এবং কলকাতার বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর স্যার আশুতোষ মুখার্জীর নেতৃত্বে বাংলার এলিটগণ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে ১৮ বার স্মারলিপির মাধ্যমে  তদানিন্তন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ এর উপর চাপ সৃষ্টি করলেন। ডঃ স্যার রাসবিহারী ঘোষের নেতৃত্বে হিন্দু প্রতিনিধিগণ বড় লাটের কাছে যুক্তি দেখান এরা কৃষক, এটি তাদের কোন উপকার করবে না (দ্রষ্টব্য: Calcutta University Commission report. Vol. IV পৃষ্ঠা ১১৩)। সেদিন তারা সব এক ছিল হিন্দু সংবাদপত্র, হিন্দু বুদ্ধিজীবি, নেতা নেত্রীরা বিভিন্ন শহরে মিটিং মিছিলের মাধ্যমে জোটবদ্ধভাবে কাজ করে ও বৃটিশের কাছে এ প্রস্তাব রাখে (দ্রষ্টব্য: ঐ গ্রন্থ, পৃষ্ঠা ১১২, ১৫১)। ঐ সব রাজকপালীদের উদ্দেশ্যে নজরুল লিখেছিলেন, “বড় ভাব বড় কথা আসে নাকো মুখে, তোমরা লিখিও অমর কাব্য যাহারা আছো সুখে।” মুক্তিযুদ্ধ কালীন তাজউদ্দিন ও ইন্দিরা গান্ধীর মাঝে সাতদফা চুক্তি ও যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের সাথে ভারতের ২৫ সালা চুক্তিটি সবার মুখে ছিল গোলামী চুক্তির নামান্তর। মহৎ কাজের অপর পিঠে যদি এভাবে ছুরি চালানো হয় তবে তাকে কি বলা যায়। মানবিক না পাশবিক?

সংকটাপন্ন বাংলাদেশ: বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে বিভাজন এমনভাবে হয়েছে কেউ কাউকে চিনতে পারছে না, ভাই ভাইকে না। এর কারণ তারা ঘুমাচ্ছে বেঘোরে, ঘুম ভাংছে না। নজরুল ময়দানে নেই কিন্তু তার কথাগুলি ইথারে ইথারে আজো শিশুকবিতার ছলে “আমি হবো সকাল বেলার পাখি” হয়ে ছন্দকথা প্রতিটি হৃদয়ে আওয়াজ তুলতে পারে। পথ হারিয়ে ফেলা, শত্রু মিত্র বুঝতে না পারা জাতি যেন পথ খুঁজে পায়। দেশ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই, যেন এটি দ্বিতীয় পলাশীর প্রান্তর। কোম্পানীর শাসন জেকে বসেছে জাতির কোষে কোষে। গুপ্তচরবৃত্তি ময়দানে, ভারতের তালপট্টি দখল, দু দুজন রাষ্ট্রনায়ক হত্যা, স্বাধীন বঙ্গভূমি আন্দোলন, বারে বারে কাল্পনিক মিথ্যা সংখ্যালঘু নির্যাতনের বুলি কপচানো, গারো ল্যান্ড আন্দোলন, প্রতিবেশীর টাকাতে গদি দখল ও টিকে থাকা, অতীতের মোহাজির সংঘ, দরকারে খালেদা জিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্র এটি নতুন নয় বরং বহুদিনের, শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস সৃষ্টি, অতীতে জন্মাষ্টমীর মিছিলে হামলা ও দুর্গাপূজা নিয়ে চক্রান্ত, পুশইন পুশব্যাক আজকের ভারতীয় অনুপ্রবেশ, বিডিআর বিদ্রোহ, সাজানো ষড়যন্ত্রে বর্ডারে সৈন্য, দেশকে অস্তিতিশীল রাখার পিছনের দৈত্যকে চিহ্নিত না করা, এসব কারণেই দেশ হাটু পানিতে ডুবছে।

সত্য মিথ্যার চলমান লড়াই: প্রতিটি সুকর্ম মানুষের জন্য মুক্তির অর্জন আর প্রতিটি মিথ্যাচার স্বার্থপরতা অপকর্ম তাদের পাপ পরিণতির নামে বন্দিত্বের জমা। বিচারক বিধাতা ইতর মেথর সবার বিচারক। সংগ্রামের সম্পাদককে ও তার পত্রিকা অফিসকে ভেঙ্গে চুরমার করা হয়েছে কারণ তিনি একজন ফাঁসিতে দেয়া মানুষকে শহীদ বলেছেন। তিনি কি মিথ্যাচার করেছেন? তিনি যদি সত্য হন তবে তার পুরস্কৃত হবার কথা কয়েকগুণ। কুরআন বলছে জেনে শুনে সত্য গোপন করো না, সুকর্মের জন্য দশগুণ জমা। আর মিথ্যাচার করলেও তার শাস্তি তিনি পাবেন। যারা তাকে হাতে কলমে শিক্ষা দিয়ে যে অনাচার করছে তারা এর জবাব কিভাবে দিবে জানি না। তারা বিচারের মুখোমুখি করতে পারতো, তা না করে তার ও তার সংস্থার উপর হামলে পড়া কি সুসভ্যতা। দেশে যে অত্যাচারের মহামেলা চলছে এরকম অত্যাচার প্রাথমিক যুগের মুসলিমদের করা হতো। কুরআন নির্দিষ্ট করে দিয়েছে যারা সৎ থেকে আল্লাহর পথে মৃত্যুবরণ করে তারা মর্যাদাশীল, মহাপুরষ্কৃত (সুরা বাক্কারাহএর ৫৪, আল ইমরানের ১৪০, ১৫৭, ১৬৯, ১৯৫ আয়াত)। সততায় চলাদের দুটি (বাঁচলে গাজি মরলে শহীদ) কল্যানমূলক পুরষ্কারের খবর দেয়া হয়েছে (সুরা তওবায় ৫২ আয়াতে), এদের জন্য শাস্তি নয় বরং শান্তি প্রতীক্ষমান। ঘটনার ধারাবাহিকায় জানা যায় ঐ কাদের মোল্লা ও মাওলানা সাঈদী বর্তমান সরকারের কপট রাজনীতির শিকার। ময়দানের দাগ চিহ্নে কিছু লুকানো নেই। ইতিহাস কোন অবিচার সয় না, শেষ বিচারে মানুষের প্রতিটি অঙ্গই সত্য প্রকাশ করবে, সাক্ষ্য দিবে। একবিংশ শতকের মানুষও সত্য লুকাতে অপারগ হচ্ছে। শেষ বিচারকের সিসিটিভির রেকর্ড কতগুণ শক্তিশালী হয়ে গোয়েন্দাগিরি করছে, সময় স্পষ্ট করবে। বিচার হবে বালি পরিমান পক্ষপাত শূণ্য ঝকঝকা ফকফকা। সংগ্রাম সম্পাদককে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছে করছে এ জন্য যে তার পত্রিকার অনেক ব্যতিক্রমী উদাহরণীয় সত্য প্রকাশ আমাকে মুগ্ধ করেছে। বিগত শতকে বাংলাদেশ থাকা কালীন সময়েও দেখেছি অন্য অনেকের থেকে দেশপ্রেমে ভরা এ পত্রিকার কথা ও কাজ অনেক বস্তুনিষ্ট তথ্যবহুল দেশপ্রেমের অসাধারণ দাগ রাখা উদাহরণীয় অর্জনে ভরা। মনে হচ্ছে ঐ সততার অর্জনেই তিনি ধরা খেয়েছেন। সৎ ব্যক্তির অর্জন জমা হচ্ছে বাড়ছে প্রতিনিয়ত, কারো সাধ্য নেই কমানোর মিটানোর এর উপর কলম চালানোর। সত্য সমাগত হবে মিথ্যা দূরীভূত হবে এ আশায় রইলাম।

লেখার সময় ২০ ডিসেম্বর ২০১৯।

(চলবে)

বি দ্র: এই লেখাটি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ‘দি রানার নিউজ’ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ সংখ্যায় ছাপা হয়েছে।

Tag Cloud

%d bloggers like this: