Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

মুসলিমদের ঘুমটি কম হয়নি বরং বেশী হয়ে গেছে। ১৪ শত বছর একদম কম সময় নয়। তারা অনেকটাই বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। একদল মসজিদে ছুটছে নামাজ পড়ছে বুঝে, অনেকে না বুঝে মাথা নোয়াচ্ছে কিন্তু শর্তের কথাটি হচ্ছে ধর্মটি বেওকুফের ধর্ম নয়। সে মাপে ফল জমছে না। একে বুঝে শুনে আত্মায় অন্তরে আত্মস্থ করতে হবে প্রতিটি সচেতনকে। ধর্মটি সত্য দিয়ে মোড়া, সহজ সরল ধর্ম, মোটেও জটিল নয়। তবে আজকে অনেক কিছুই মিথ্যা জটিল করে সাজানো হয়েছে। ১৯ অক্টোবরের একটি ইউটিউব পাই ৯২,৩৬৩ বৃটিশকালীন নিহত ভারতবাসী নিধনের লিস্ট হয়ে থাকা ইন্ডিয়া গেটের সংবাদটি। “ইন্ডিয়া গেটে ৬২,৯৪৫ জন মুসলমান শহীদের নাম পাবেন কিন্তু কোনো আরএসএস বিজেপি নেতার একটি নাম খুঁজে পাবেন না” শিরোনামের ইউটিউবটি কয় বার দেখি।  সেখানে ৬২,৯৪৫ মুসলিমরা শহীদ হয়েছেন আর বাদবাকীরা ভিন ধারার মানুষ। উইকিপিডিয়ার খবরে এটি প্রশ্নবিদ্ধ সংখ্যা। অধীর রঞ্জনের এ বক্তব্যে চারপাশ হাততালিতে মুখরিত খুব স্পষ্ট করে তিনি মুসলিমদের অবদানের কথা অকপটে বলে যান আর বিজেপির সংকীর্ণ হিন্দুত্ববাদের মুর্খতাকে স্পষ্ট করে দেখান। ম্যাসেজটি পেয়ে আমি অভিভূত হই। এমনিতেই আমার কাছে যথেষ্ট তথ্য ছিলই তারপরও সত্যকে গভীরভাবে জানতে আমি ঐ ভিডিওটির প্রতিটি কমেন্ট পড়ে দেখি। ১৯ অক্টোবর ২০১৯ এ আপলোড করা ভিডিওটিতে ৫৭০টি কমেন্ট পড়েছে। আমি সত্য সন্ধানে প্রতিটি কমেন্ট পড়লাম এমন কোন কমেন্ট পেলাম না যে এটি গোজামিল মিথ্যা বা প্রকৃত সংখ্যা নয়। বরং বেশীর ভাগ কমেন্ট মুসলিমদের  ধন্যবাদসূচক সমর্থন। কেন জানি হিন্দুদের কমেন্ট খুব কম। কারণ এমন স্পষ্ট সত্য কথার সামনে মনে হচ্ছিল তারা বোবা, নয়তো অন্যত্র এমন হলে তাদের গালাগালিতে কমেন্ট সেকশন ভরা থাকতো।

সত্য কথা অনেকের কাছে বড় তেতো লাগে। সেই তেতোটাই মাড়াবো আজ। ওঠো জাগো হাজার বছর ঘুমিয়ে থাকা মুসলিম, তোমাকে জাগতে বলবো! আর কত ঘুমাবে? আমি ঘাটছি ইতিহাসের ইতিহাস। বইএর নামটিও তাই, লেখক গোলাম আহমাদ মোর্তজা। পুরা প্যারাটা (ইতিহাসের ইতিহাস ৪২৪ পৃষ্ঠা থেকে নেয়া) ১৮,০০০ মুসলমান প্রত্যেকেই ইতিহাস খ্যাত মানুষ। তাদের থেকে ১৮ শতও দূরের কথা ১৮ জনও চলতি ইতিহাসে ঠাঁই পান নাই। যাকে একদিন সীমান্ত গান্ধী (খান আব্দুল গাফফার খান) নামে উপাধী দেয়া হয়েছিল তার কেন গান্ধীর পাশে একটুও স্থান হয় নাই। ১৮৭২ সালে মিঃ লর্ড মেয়োকে হত্যা করেছিলেন মুহাম্মদ শের আলী এবং তার ফাঁসি হয়েছিল। ১৮০৮ খৃষ্টাব্দে অত্যাচারী নীলকরদের বিরুদ্ধে যিনি প্রথমে বিদ্রোহে শহীদ হন তার নাম মুহাম্মদ রফিক মন্ডল। এদের নাম আজও মুছে যাওয়া উচিত নয়। (সূত্র: আজকাল পত্রিকায় প্রবন্ধ ভারতের মুক্তি সংগ্রাম ও মুসলিম সমাজ , শান্তিময় রায়, ১৯০৮ ডিসেম্বর)। ১৯০৬ সালে বরিশালের সংগ্রামে যিনি নেতৃত্ব দেন তার নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ রসুল। ইতিহাসে হিন্দুদের গুপ্ত সমিতির নাম থাকলেও মুসলিমদের প্রচুর গুপ্ত সমিতির নাম ইতিহাসে গুপ্তই আছে। “জাহানী ইসলাম” নামে একটি পত্রিকা জাহাজীরা বন্দরে বন্দরে বিলি করতেন তারা সবাই ছিলেন মুসলিম। ১৯১৫ সালের জানুয়ারী মাসে ১৩০ নাম্বার বেলুচি রেজিমেন্ট রেঙ্গুনে, ব্যাঙ্ককে সিঙ্গাপুরে বিদ্রোহের পতাকা উত্তোলন করে পরের মাসে ১৫ই ফেব্রুয়ারী ৫ নং নেটিভ লাইট পদাতিক সেনাবাহিনী সিঙ্গাপুরে বিদ্রোহ করে যার সবাই ছিলেন মুসলিম (শান্তিময় রায়, ঐ সূত্র)। ইংরেজরা এদের দুইজনকে ফাঁসি দিয়ে বাকীদের দীপান্তর দেয় (ইতিহাসের ইতিহাস ৪২৪ পৃষ্ঠা)।

ধনী হয়েও বিপ্লবীদের সাহায্য করে দারিদ্রতা গ্রহণ করেন যে ব্যক্তি, ঐ অপরাধে কাসেম ইসমাইল খানের ফাঁসি হয়। ১৯১৫ সালের মার্চে ইংরেজের বিরুদ্ধে বজ্র হামলা ও বিদ্রোহের অপরাধে মুহাম্মদ রইসুল্লা খানের ফাঁসি হয়। ঐ বছরেই  মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলী, রুকনউদ্দিন বীর দর্পে ফাঁসির মঞ্চে আরোহণ করে জীবন দান করেন। ইংরেজের কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করলে মুক্তি মিলবে বলাতে তারা সেটি ঘৃণার সাথে প্রত্যাখ্যান করে হাসিমুখে বীর দর্পে মৃত্যু বরণ করেন। ১৯২৭ সালে বিপ্লবী বরকতুল্লাহ ভারতের বাইরে থাকা অবস্থায় স্বাধীন দেশের ইচ্ছা মনে পুষেই প্রাণত্যাগ করেন। বিখ্যাত বীর আমীর হাইদার গোটা বিশে^র বহু দেশ চষে বেরিয়েছেন, ঐ বীরকে বৃটিশ সরকার ধরতে পারে নাই। মৌলানা আজাদের বিপ্লবী সহকর্মী ছিলেন রেজা খাঁ। নেত্রকোনার মকসুদউদ্দিন আহমাদ, নাসিরুদ্দিন আহমাদ এবং তার কন্যা রাজিয়া খাতুন বিপ্লবী ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। মৌলভী আব্দুল কাদের, কিশোরগঞ্জের আলী নেওয়াজ, মুহাম্মদ ইসমাইল, চাঁদ মিঞা ও আলতাফ আলীর নাম বিপ্লবী দলে থাকাতে তাদের জেল হয়।

১৯৩০ খৃষ্টাব্দের মে মাসে সোলারপুরের ফাঁসি মঞ্চে একইভাবে ইংরেজের প্রাণ ভিক্ষাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে অনেকের সাথেই প্রধান দুজন ছিলেন কোরবান হোসেন ও আব্দুর রশীদ। উত্তর ভারতে বটুকেশ^র, চন্দ্রশেখর, ভগৎ সিং এদের মাঝে উল্লেখযোগ্য ছিলেন আসফাকুল্লার নাম। বীর রাম প্রসাদকেও বিপ্লবী অপরাধে ফাঁসি দেয়া হয়। উপরের তথ্যগুলো সংগৃহীত হয়েছে মৌলানা আবুল কালাম আজাদের লেখা (মহাফেজখানা), কালিচরণ ঘোষের  The Rule of Honour, পেশোয়ার ষড়যন্ত্র মামলা, বিপ্লবী জীবনের স্মৃতিকথা, ভুপেন্দ্র দত্তের সমকালের কথা, মুজাফফর আহমাদ প্রমুখের পুস্তক হতে। ইতিহাসে হঠাৎ নেতাদের নাম রইলো কিন্তু ইতিহাসের এসব মূল বিপ্লবী শিশুপুত্রদের নাম বাদ গেল কেন? এ প্রশ্ন লেখকের।

ফররুখ আবাদের নবাব ইকবাল মন্দ খাঁ, গজনফর হুসাইন খাঁও দেশের জন্য ফাঁসিতে প্রাণ দেন। সাখাওয়াৎ হোসাইন ও তাফাজ্জুল হুসাইনকে ক্ষুদিরামের মত ফাঁসি দেয়া হয়। মুনশি আব্দুল করিম, কাজী মিঞাজান, শেখ রহিম বখশ ও মাওলানা ইলাহী বখশকে আজীবনের জন্য নির্বাসন দন্ড দেয়া হয়। তাদের সহায় সম্পত্তি সব বাজেয়াপ্ত করে ইংরেজ সরকার। মাওলানা জাফর ও আলহাজ্জ মুহাম্মদ শফী সাহেবের ফাঁসির রায়ের পরও তাদের সতস্ফুর্ততা দেখে বিস্মিত ইংরেজরা ক্রোধে তাদের বীর হতে না দিয়ে নির্বাসন দিয়েছিল। এরা প্রত্যেকেই এত বড় মাপের মানুষ যে, এদের প্রত্যেকের জন্য স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করা সম্ভব। পীর আলী যুদ্ধ করতে গিয়ে ৩১ জন সঙ্গি মুসলিম বীরকে নিয়ে বন্দী হন। ইংরেজরা একজন একজন করে প্রত্যেকের ফাঁসি কার্যকর করে।

এটি এমন সময় যখন কংগ্রেস দেশের তেমন কিছু নয় (সূত্র: অবিস্মরনীয় ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা ২০, শ্রী গঙ্গানারায়ণ চন্দ্র)। ১৯৪১ সালের ১ মার্চ ভারত ত্যাগ করেন সুভাষ, দেশের নেতারা কেউ তার খোঁজ করেননি। ২৫ দিন পর সংবাদ পত্রে প্রকাশ হয় ‘সুভাষ চন্দ্র বসুকে পাওয়া যাচ্ছে না’। সুভাষ চন্দ্রের নামটি ইতিহাসে আছে, তবে লেখকের প্রশ্ন কেন জওহরলাল তাকে বলেছিলেন “সুভাষ এলে আমি রাইফেল হাতে তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবো।” এই হঠাৎ নেতারা সুভাষকে সইতে পারছিলেন না এর প্রধান কারণ সুভাষ মুসলিমদের আন্দোলনের ফরমুলা গ্রহণ করেছিলেন। তার রাজনৈতিক গুরু ছিলেন মাওলানা উবায়দুল্লাহ সিন্ধী। তার আজাদ হিন্দ ফৌজের বড় নেতাদের বেশীর ভাগই মুসলিম। তাই ঐ স্ফুলিংগকে দেশ থেকে ঝেটিয়ে বিদেয় করা হয় বাকীদের নিরাপত্তার স্বার্থে। মাওলানা আজাদ ও মুসলিম বিপ্লবীর ১২৬ জনের এক দলকে একটি মালগাড়ীতে চড়িয়ে ৪৬০ মাইল পথ অতিক্রম করে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রেনের কুঠুরীতে ১৮ ফুট লম্বা, ৯ ফুট চওড়া ১৬২ বর্গফুট কামরা, দরজাতে তালা। পথেই ৫৬জন বন্দী পিপাসায় কাতর হয়ে শহীদ হন। বাকীরা নিজের ঘামে ভেজা কাপড় নিংড়ে পানি পান করার চেষ্টা করেন। পানি পানি চিৎকারের জবাব ছিল বিদ্রুপ আর নিষ্ঠুর হাসি। এসব ঘটনা হঠাৎ নেতাদের পরখ করা। ঐ সময় মুসলিমদের অবদানে চিত্তরঞ্জন অবাক হন। গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলনের কথা কমবেশী সবাই জানে। কিন্তু যিনি এর গোড়ায় ছিলেন তার কথা কয়জন জানে? তিনি হচ্ছেন হযরত হুসাইন আহমাদ, ঐ আন্দোলনের উপর তার বিখ্যাত পুস্তকের নাম ‘রেসালাতে তরকে মুআলাত’। সারা ভারতে এ পুস্তকের জনপ্রিয়তায় ইংরেজ ভীত হয়ে বইটি বাজেয়াপ্ত করে। (সূত্র: হায়াতে মদনী, পৃষ্ঠা ১২৮, মাওলানা মুহীউদ্দীন খান ও মাওলানা মু: সফিউল্লাহ)।   

প্রসিদ্ধ ইংরেজদের রিপোর্ট মত ২৭/২৮ হাজার মুসলমানকে বিনা বিচারে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল এবং সাত শত বিশিষ্ট আলেমকেও ফাঁসির কাষ্টে ঝুলতে হয়েছে (সূত্র: হায়াতে মাদানী, পৃষ্ঠা ৪১-৪২)। আসল হিসাবে ইংরেজদের রিপোর্ট থেকেও বহু বহু বেশী মুসলিমকে হত্যা করা হয়। বহু মুসলিমকে শুকরের চামড়ায় মাথা মুখ ঢেকে জলন্ত উনুন বা চুলাতে ফুটন্ত তেলের উপর ছাড়া হয়েছিল (এ বর্ণনা মিঃ এডওয়ার্ড টমসনের, দ্রষ্টব্য ঐ গ্রন্থ) (ইতিহাসের ইতিহাস, গোলাম আহমাদ মোর্তজা ৪১৭ পৃষ্ঠা)। ঐ সময় জিন্নাহ বললেন তিনি ইংরেজের বিরুদ্ধেই লড়বেন, ভারতের বিরুদ্ধে নয়। তখন হিন্দু মহাসভার নেতারা বললেন তারা লীগের বিরুদ্ধে লড়বে, ইংরেজের বিরুদ্ধে নয়; বরং তারা ইংরেজকে সহযোগিতা দিবে (শ্রী গঙ্গানারায়ন চন্দ্রের লেখা, অবিস্মরনীয় ২য় খন্ড ৫৪ পৃষ্ঠা)।

গোলাম আহমাদ মতোর্জা সাহেবের বহু বহু লেখনী থেকে জানা যায় মুসলিমদের অসাধারণ অর্জন সব লুকানো কিন্তু ভারতে যা প্রচারিত হয় তার বেশিরভাগই মিথ্যা রচনা, মুসলিমকে হেয় করার রচনা। ইদানিং কিছু হিন্দুর মুখেও সত্যটা শোনা যায়। খোদ রবীন্দ্রনাথ ছিলেন চরম মুসলিম বিদ্বেষী। ভাবতে অবাক লাগে এদের কাছে ইতিহাস সমাজ যত না বড় ছিল তার চেয়েও বড় ছিল ইসলামের বিরুদ্ধে তলোয়ারের জোরে মিথ্যা প্রচার। বৃটিশ সৃষ্ট মুসলিম বিদ্বেষ তারা খুব যতনে আদরে লালন করেছেন। গভীর ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় সে সমাজের বিবেক যারা ছিলেন এরা বেশীর ভাগই ঐ মিথ্যা ইতিহাস চর্চাতে নিজেকে নিমজ্জমান রেখেছেন। এর বাইরে প্রকৃত সত্যে তারা বিচরণ করেন নাই । অতীত ভারতের মুসলিমদের গৌরবোজ্জল ইতিহাস গর্ব করার মত। যেখানে ইতিহাসকে চাপা দেয়া সম্ভব হয়েছে সেখানে উইকিপিডিয়াতে সত্য খোঁজলে কি পাওয়া যাবে? উইকিপিডিয়াতে ঐ নকল ইতিহাস পক্ষই তথ্য সাপ্লাই করে। সূত্র থেকে তারা যা পায় তাই আপলোড করে, সেটি প্রধান সোর্সও হতে পারে সেকেন্ডারী সোর্সও হতে পারে। বরং একমাত্র গবেষনা প্রকৃত সত্য উন্মোচন করতে পারে। মুসলিমরা না জাগলে এ কর্ম অন্য এসে করে দিবে না। অন্যরা ৭৫ বছরেও তা উন্মোচন করেনি বরং এসব প্রকাশে প্রতিরোধ করেছে। বড় সময় থেকেই মর্তোজা সাহেবের অর্জনকে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। ঐ সব বস্তুনিষ্ট কাজ খুঁজে বের করার যে মহতী উদ্যোগ তিনি নিয়েছেন তাকে শত সালাম জানাই। 

আজকের মুসলিমরা গভীর ঘুমে অচেতন। সেটি মনে হলে কষ্ট হয়। একবিংশ শতকে চেতনহীন মুসলিমদের দায় অনেক বেশী। তারা মনে করে তাদের কোন দায় নেই। কিন্তু তারা যে আল্লাহর খলিফা হয়ে এ ধরায় এসেছে তা তাদের মনেই নেই। আল্লাহ তাদের উপর বিশাল দায় ভার চাপিয়ে দিয়েছেন তারা কিন্তু তাদের অধিকার ও কর্তব্য ভুলে বসে আছে। তাদের কর্তব্যজ্ঞানটুকু স্মরণ করিয়ে দিতে এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। লেখাটি একটি সাইরেন ধ্বনি, ঘুম থেকে জেগে উঠার, নিজের দায়িত্ব বুঝে নেয়ার। (চলবে)

২৩ নভেম্বর ২০১৯

 

বি দ্রষ্টব্য: এ লেখাটি নিউইয়র্ক ভিত্তিক “দি রানার নিউজ” ২৯ নভেম্বর ২০১৯ তারিখের সাপ্তাহিকে ছাপা হয়েছে।

Tag Cloud

%d bloggers like this: