Articles published in this site are copyright protected.


নাজমা মোস্তফা

মনের গোপন কোণে অনুসন্ধানের স্পৃহা ছিল প্রকট তাই ময়দান চষে বেরিয়েছি ইতিহাসের খানাখন্দকে ঘুরে ফিরে। মুসলিমরা সাড়ে পাঁচশত বছর শাসনের পরও কি কারণে ধ্বসে গেল মসনদ, এটি সবার জানা। প্রথম কয় বৎসর ইংরেজরা মুসলিম বিচারকদের রাখলেও ক্রমে ক্রমে উচ্চপদস্থ পদগুলিতে মুসলিমদের পদগুলি তারা ইংরেজদের নিয়োগ দিতে থাকে। ইংরেজের আগমনকে হিন্দুরা সাদরেই বরণ করে। এদেশে শিকড় গাড়তেও নেপথ্যে হিন্দুদের অপকর্মের অনেক দাগ ছিল। এর বড়দাগের প্রমাণ ছড়িয়ে আছে খোদ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক ভাবে কল্পনায় কবিতায় আচার আচরণে। এটি বৃটিশরা বার বার স্বীকার করেছে যে হিন্দুদের কারণেই তারা ঐ দেশে শিকড় পোক্ত করতে পেরেছে। ১৮১৩ সালে সিলেক্ট কমিটির এক প্রশ্নের জবাবে স্যার জন ম্যালকলম বলেন, আমাদের প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের অনুরক্তি আমাদের ভারত সামরাজ্যের নিরাপত্তার প্রধান উৎস (এ আর মল্লিক ১৪৩ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য)। ঐ সময়ে সিলেক্ট কমিটির এক সাক্ষ্যে ক্যাপ্টেন টি মাকানও একই মন্তব্য করেন। কর্নেল টমাস মনরো এটিও বলেন যতদিন হিন্দুরা আমাদের অনুরক্ত থাকবে ততদিন মুসলিমরা অসন্তুষ্ঠ থাকলেও আমরা এদেশে দন্ড ঘোরাতে পারবো (ঐ)। গভর্নর জেনারেল লর্ড এলেনবারা হিন্দুদের খুশী করতে মুসলিমদেরে আঘাত করতেও দ্বিধাবোধ করেন নাই। ফার্সি মুসলিম অভিজ্ঞদের ভাষা হলেও বৃটিশরা হিন্দু শিক্ষকের কাছে ফার্সি শিখে হিন্দু মনোরঞ্জন বহাল রাখে। মুসলিমদের ফকির বিদ্রোহ, তিতুমীরের বিদ্রোহ, সিপাহী বিদ্রোহ ও সীমান্তের জিহাদে তাদের কার্যকলাপে বৃটিশরা শংকিত ছিল এবং কোম্পানীর শাসন প্রলম্বিত হওয়ার পেছনে হিন্দুদের দেশ বিরোধী কর্মকান্ড সুস্পষ্ট থাকলেও একমাত্র মুসলিম মিরজাফরের ঘাড়েই সেটি চেপে রাখা হয়েছে। আর ইত্যবসরে রবীঠাকুরগংসহ বাকীদের সকল নীচতাকে কবর দিয়ে মনগড়া ভুল ইতিহাস চালু রাখা হয়েছে। বৃটিশরা যে মুসলিম দমন নিপীড়ন করেছে সেটি তারা তাদের লেখনীতেই প্রকাশ করে গেছে। আর হিন্দুরা যে তাদের সাথে তালিয়া বাজিয়ে গেছে সেটিও ঢাকা থাকে নাই। দৃশ্যতঃ খোলসের আড়ালে থেকে কথা বলে হাতজোড় করে নমঃ নমঃ ভঙ্গিতে প্রকৃত ক্রুড় স্বভাব চাপা পড়ে যায় না। বৃটিশরা মুসলিমদের বিচারিক দক্ষতা, সততা, ন্যায়বোধ জনিত বস্তুনিষ্ঠতার কারণে বৃহত্তর স্বার্থে কাজী, মুফতি, মৌলভী ও এরকম কিছু পদের কর্মচারীদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছুদিন রাখতে বাধ্য হয়। এভাবে রাজভাষা ফারসি থেকে তারা ক্রমে ক্রমে ইংরেজীতে প্রত্যাবর্তন করে।

মুসলিমদের ধ্বংস করতে তাদের হাতে সাজানো শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় সব দাগ মুছে দেয়ার প্রচেষ্টা চলে। যদিও মুসলিমরা সব সময় ধর্মীয় শিক্ষাকে অত্যাবশ্যকীয় বলে মনে করতো। মুসলিমদেরে ঠেকাতে ঐ সময় শুধু ভাষা নয়, পাঠ্যক্রমেও হিন্দুয়ানী জুড়ে দেয়া হয়। মুসলিম শিশুরা যাতে মনের দিক থেকেও হিন্দু হয়ে গড়ে উঠে সে প্রচেষ্টা চলে। ওদিকে পাঠ্যপুস্তকে জুড়ে দেয়া হয় রামের গল্প, শ্যামের গল্প, হরির কাহিনী কৃষ্ণের চরিত্র, যদু মধু, শিব ব্রহ্মা রাম হরি, এসব নামেই পাঠ আরম্ভ হয়। স্বরস্মতি বন্দনা, মনসা মঙ্গল এসব যখন বিদ্যালয়ের অংশ হয় এবং সেটি মুসলিম ছাত্রছাত্রীকেও বন্দনা গীতি গাইতে হয় তখন স্বভাবতই তারা শিশুকালেই চরম আঘাত প্রাপ্ত হয়। সাহিত্যে বাংলা ভাষায় মুসলিমদের অবদান অনস্বীকার্য, ইরানী সাহিত্যের সাথে সম্পৃক্ত বাংলা সাহিত্যের অনবদ্য হাতেখড়ির অবদান তারা রাখে সুলতানী আমলেই। সুলতানী আমলে বাংলা ভাষার যে বৃদ্ধি ও প্রচার হয় তাকে ইংরেজ আমলে শিকল পরিয়ে ওলট পালট করা হয়। ফারসির বদলে সংস্কৃতকে চাপিয়ে দেয়া হলো ভারতবাসীর উপর। সংস্কৃতবহুল না হলে হিন্দু প্রকাশকরা আরবী ফারসির শব্দ যুক্ত লেখা প্রকাশ করতেন না। এ নিয়ে সাহিত্যে খোদ রবীন্দ্রনাথের সাথে নজরুলেরও বাকবিতন্ডার কথা উঠে এসেছে। নজরুলও আক্রান্ত হলে জবাবে বলেছেন আমি কথায় কথায় রক্তকে ‘খুন’ বলে অপরাধ করেছি। আজ আমাদের মনে হচ্ছে আজকের রবীন্দ্রনাথ আমাদের সেই চিরচেনা রবীন্দ্রনাথ নন। তার পেছনের বৈয়াকরণ পন্ডিত এসব বলাচ্ছে তাকে। আমি শুধু খুন নয়, বাংলায় চলতি আরো অনেক আরবী ফারসী শব্দ ব্যবহার করেছি। আমি মনে করি বিশ^ কাব্যলক্ষীরও একটি মুসলমানি ঢং আছে। ও সাজে তার শ্রীর হানি হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বাংলা কাব্যলক্ষ্মীকে দুটো ইরানী ‘জেওর’ পরালে তার জাত যায় না, বরং তাকে আরো খুব সুরতই দেখায়। আজকের কাব্যলক্ষ্মীর প্রায় অর্ধেক অলঙ্কারই তো মুসলমানী ঢংএর। — হৃদয়েরও খুন খারাবী হতে দেখি আর তা শুধু মুসলিম পাড়া লেনেই হয় না।’ এভাবে ঐ অস্বাভাবিক গতি প্রকৃতির কারণেই মুসলিমরা প্রতিনিয়ত বিপদগ্রস্ত হয় এবং বিদ্যালয়ে যেতে নিরুৎসাহী হয়। পেছনে পড়ে যার , এর মূলে কাজ করেছে বৃটিশ হিন্দু জোটের জট জটিলতা।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় মুসলিমরা ভারতবর্ষে শিক্ষা দীক্ষায় চিন্তায় অনেক উন্নত ছিল। বিদ্যা অর্জন তাদের জন্য অবশ্য করণীয় ধর্ম। আকবরের শিক্ষা বিষয়ক আইনে পাওয়া যায় ‘প্রত্যেক বালকের জন্য নীতিজ্ঞান, অংক, কৃষি, পরিমাপ বিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রাসায়ন ও ইতিহাসের জ্ঞান জরুরী ছিল। আবুল ফজল বলেন, এই আইনের বলে মাদ্রাসাসহ বিদ্যালয়গুলি উজ্জ¦ল আলোতে ভরে উঠে। জেনারেল শ্লীম্যান এটি স্বীকার করেছেন যে ভারতীয় মুসলিমরা যেভাবে শিক্ষিত হতো এ ধারায় পৃথিবীর খুব কম সম্প্রদায়ই শিক্ষা লাভ করেছে। গ্রীক ও ল্যাটিন থেকে অনুদিত আরবী ও ফারসি ভাষাতে তারা ব্যাকরণ, তর্কশাস্ত্র, এমনভাবে আয়ত্ব করতো যে, অক্সফোর্ড ফেরত যুবকদের সাথে তারা সমান তালে অনর্গল সক্রেটিস, এরিষ্টটল, প্লেটো, হিপোক্রেসিস, গেলেন ও ইবনে সিনা সম্বন্ধে আলোচনা করতে পারতো। সাত বছরের নিরলস প্রচেষ্ঠায় তারা শিরোস্ত্রাণ পরিধান করতো। শ্লীম্যান,উইলিয়াম হান্টার এরা স্বীকার করেছেন মুসলিমদের শিক্ষা অন্যদের থেকে বহু উন্নত ছিল। খুব কৌশলে মুসলিমদের হটিয়ে দিতে বৃটিশ হিন্দু জোট প্রতিপক্ষরা এমন কিছুই বাকী রাখে নাই, ঐ ষড়যন্ত্রে কাজ করে গেছে। তাই আজও প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই অতীত ঐতিহ্য হারিয়ে বৃটিশের চক্রান্তে সাজানো পাঠ্যসূচিসহ অনেক কিছু লেজে গোবরে অবস্থানে আছে। যদিও অতীতের পন্ডিতেরা ময়দানে নেই, কিন্তু ঐ গোপন চাল আজো বাংলাদেশের নতুন জনমে কুটবুদ্ধি আকারে চাপিয়ে দেয়ার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। কিছু চিহ্নিত দালালরা আজো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঐ আদলে মূল শিকড়হীন ভাবে মুসলিমদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সাজাতে চায়।

সেদিন কৌশলীরা নিষ্কর জমি বাজেয়াপ্ত করে তাদের উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বস আনে। এতে রাজ্যহারা বিত্তহীন মুসলিমদের পক্ষে শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। মুসলিমদের হাত থেকে সবকিছু কেড়ে নেয় তারা ধন জন বল শিক্ষা দীক্ষা চাকুরী সব। মুসলিম প্রতিষ্ঠানগুলির দান সম্পত্তি সরকার ভিন্নখাতে ব্যবহার করে। হাজী মোহাম্মদ মহসিনসহ মুসলিমদের সব দান ধন অর্জনকে উদরস্থ করে তারা। এডাম তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এই আত্মসাতের অভিযোগ সম্বন্ধে আলোচনা বড়ই কষ্টদায়ক, কারণ এ অভিযোগ অগ্রাহ্য করা অসম্ভব। এডাম এটিও বলেন ছাত্রদেরে প্রতিদিন হাটুগেড়ে নত মস্তকে স্বরস্মতি বন্দনা আবৃত্তি করতে হতো। পত্রলেখা মনসামঙ্গল এসবও তাদের পাঠ্য তালিকাভুক্ত ছিল। মিশনারী বাংলা বিদ্যালয়ে খৃষ্টধর্মীয় বই পাঠ্য তালিকার অপরিহার্য অংশ ছিল। দেখা যায় ঐদিন মুসলিমরাই ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের একমাত্র শত্রু। আর বাকীরা এক। একে অন্যে নোবেল আদানপ্রদান চলে। অনেক বিতর্কীত গালগল্প বাতাসে ছড়িয়ে আছে। আর প্রতিবাদী মুসলিমের ঠাঁই হয় ফাঁসিতে, গুলিতে, কারাগারে। যারা এ যাবৎ আদর্শের সাথে লড়ে গেছে, সত্য জীবন মোকাবেলা করেছে তাদের পায়ে বেড়ি পরিয়ে দেয়া হয়। ৪৭এর স্বাধীনতা পরবর্তীও রচিত হয় মিথ্যা ইতিহাস। ভুলে গেলে চলবে না, মিরজাফরের নামে দেশদ্রোহীর পাপ ও গালিটুকুনও মুসলিমদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া, আর ২০০ বছরের গোলামীর অর্জনকে যারা অভ্যর্থণা জানায় তারা ঐ পুরো সময় তুলনামূলক সমাদৃত হয়। এদের কারণেই ঐ প্রহরটি এত প্রলম্বিত হয়।

পুরাতন রাজস্ব ব্যবস্থা পরিবর্তন ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রচলন করে বৃটিশ গভর্ণমেন্ট বাংলাদেশের মুসলিমদের আর্থিক জীবনে তীব্র আঘাত হানে ( ডব্লিউ হান্টার, এন্যালস অব রুরেল বেঙ্গল, ৫৩-৫৪ পৃষ্ঠা)। এভাবে এসব ক্ষেত্রে মুসলিমদেরকে উৎখাত করে তাদের অধিনস্ত কর্মচারীদের অথবা বেনিয়া ব্যবসায়ীদের সহিত পাকা ব্যবস্থা করা হয়। এসব অবিচারের কথা স্বীকার করে মেটকাফ বলেন যে, “এই অবস্থায় জমির প্রকৃত মালিকদের থেকে জমি ছিনিয়ে নিয়ে এরুপ এক শ্রেণীর বাবুদেরে এটি দেয়া হয় যারা ঘুষ ও অন্যান্য অবৈধ উপায়ে ধনী হয়েছে” (এ আর মল্লিক ৩৪ পৃষ্ঠা)। এভাবে হিন্দু কর্মচারী যারা পূর্বে রাজস্ব কর্মচারী ছিল তারাই ক্রমে জমিদার হয়ে বসে।

কুষ্টিয়ার বনেদী জমিদার পরিবারের সন্তান মির মোশাররফ হোসেনের ‘গাজি মিয়ার বস্তানী’ থেকে ইতিহাসের তলানীতে পড়ে থাকা কষ্টকথার সামান্য আঁচ। “এ হাট তাদেরি ছিল, ফাঁকি দিয়ে কেড়ে নিল, পুরাতন নায়েবের ভাই। পৈত্রিক বসতবাড়ী, পুষ্করিনী গোলাবাড়ি, কিনিয়াছে তাহার জামাই। — সম্মুখে দাঁড়িয়ে রয়, জোড় হাতে কথা কয়, তোষামোদে বড় বাহাদুর। গন্ডমুর্খ জমিদার, ফুলে হল ঢোলাকার, শুনিতে ভাল লাগে কানে। আগ পিছ নাহি চান, আহলাদেতে গলে যান, খাবি খান খুশীর তুফানে। যদি বলি জল উচা, বলে হিন্দু তাই সাচা, প্রতিবাদ করে না কাহার। বিদ্যাহীন, বুদ্ধিহীন, একেবারে অর্বাচীন, বাঙ্গালার প্রায় জমিদার। — ডেপুটির পুত্র হয়ে, ডেপুটির বাক্স লয়ে, পালকির আগে আগে ধায়। মুন্সেফের সন্তান, মারিয়া তামাকে টান, বাজারেতে টিকি বেঁচে খায়। লক্ষপতি জমিদার, সন্তান সন্ততি তার, খেটে খায় অপরের বাড়ী। কাজ করিলে হেলা, মার খায় দুই বেলা, জুতা লাত্থি খড়মের বাড়ী। — বেগম নবাবজাদী, বাইজীর হল বাদী, কেহ সাদী করে ভেড়––য়ায়। কেহ গুড়গুড়ি মাজে, কেহ বা তামাক সাজে, কেহ বাও করিছে পাখা। বঙ্গের বুনেদী দল, গেছে সবে রসাতল, কেহ মরা কেহ আধমরা।”

কবিতার ছন্দে অনেক নাবলা কথা, সত্য হয়ে ভাসছে। বিভক্ত বাংলাদেশের মুসলিম আর ভারতের মুসলিমদের দেনা পাওনা সমান নয়, আজো তাদের মার খাওয়া চলছে, কাশ্মীরীরাও ঐ মারের ভাগ গিলছে, কারণ তারাও মুসলিম। মুসলিমরা সবদিন আক্রান্ত হলেও অসাম্প্রদায়িক থেকেছে ইসলাম ধর্মের কড়া নির্দেশের কারণে। এসব প্রচারে পাছে সাম্প্রদায়িকতা প্রকাশ পায় মনে করে আজো তা জনতার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা, ৯৫% মুসলিম অধ্যুষিত পূর্ব পাকিস্তান বাংলাদেশেও কয়জন পড়েছেন গাজি মিয়ার বস্তানী আপনারাই পরিমাপ করুন। কিন্তু ইতিহাস জানা নিজেকে জানা চেনা মানব জীবনের কঠিন শর্ত, আত্মসচেতন থাকা এবাদতের অংশ। বেওকুফের জন্য এবাদত নয়, এটি চিন্তাশীলদের জন্য বিবেকবানদের জন্য প্রদর্শীত সুপথ। এটি ব্যতীত অদেখা পালনকর্তা আল্লাহকে জানা, চেনা যায় না; মানব জনমের প্রকৃত আত্মসমর্পণ অসম্ভব। ঐ আত্মসমর্পণই মুসলিমদের গন্তব্যে পৌছার একমাত্র সূত্রকথা। এইজন্য কুরআনে বলা হয়েছে তোমরা সত্যের সাথে মিথ্যাকে এক করে দিও না। সঙ্গত কারণেই আত্মসচেতনতার জন্য প্রতিটি সত্য প্রচার ও মিথ্যার উন্মোচন জরুরী। শতাব্দীপূর্ন এসব সংকটের পরও প্রার্থণা করি ঐসব নির্যাতীতের জন্য যারা জনম জনম নির্যাতীত হয়েছে, আজো হচ্ছে। আল্লাহ তাদের সহায় হোক।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সাল।

বি দ্র: এ লেখাটি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক দি রানার নিউজ সংখ্যায় ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে ছাপা হয়।

Tag Cloud

%d bloggers like this: