Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা 

আজ জুলাই এর এক তারিখ। বিগত ২৪ বছর অর্থাৎ দুই যুগ পূর্ব মিথ্যা সাজানো মামলার রায় হবে মাত্র দুদিন পর ০৩ জুলাই ২০১৯। হয়তো আমার এ কলামটি আসতে পারে পরবর্তী সপ্তাহে, ততদিনে মিথ্যা মামলার মিথ্যা রায় ময়দানে এসে যাবে, বিচারক রুস্তম আলী। ঘটনা ঈশ^রদী, পাবনা আর ভৌতিক মামলার আসামীরা স্থানীয় বিএনপির ময়দানের কর্মীরা। প্রথম আলোর প্রথম জুলাইএর বিবরণে প্রকাশ ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে শেখ হাসিনা ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি ঈশ^রদী প্রবেশের সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা আতর্কিত গুলি, বোমাবর্ষণ ও হামলা চালান। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন। বোমার আঘাতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন ও পুলিশের কয় সদস্যরা আহত হন। ঐ সময় ঈশ^রদী পুলিশ বাদী হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে এ মামলার ৫২জনকে আসামী করে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগ দাখিল করা হয়। দীর্ঘ ২৪ বছর ৯ মাস ৯ দিন পর আগামী বুধবার রায়। এদের ৩০ জন আসামী আদালতে হাজির হলে তাদের জামিন বাতিল করে তাদেরে কারাগারে পাঠানো হয়। ৫ জন বিভিন্ন সময় মারা গেছেন। বাকী আসামীরা গতকাল আদালতে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

একরাশ মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রে ভরা দেশটির অসংখ্য নাবলা কথা জনসম্মুখে উঠে এসেছে একটি বইএ। বইটির নাম “আমার ফাঁসি চাই” লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ুর রহমান রেন্টু। কিছু প্রশ্ন কিছু কথা: দুশো আড়াইশ পৃষ্ঠার বই, লেখক একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ছাত্র অবস্থাতেই যুদ্ধে যোগদান করেন ক্লাস নাইনে থাকতেই। অতঃপর ১৯৮১ সালের ১৭ই মে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পরদিন থেকে ১৯৯৭ সালের ১৫ই জানুয়ারী পর্যন্ত ১৬ বছর তিনি হাসিনার সাথে ঘনিষ্টভাবে সম্পর্কীত ছিলেন। তার স্ত্রী নাজমা আক্তার ময়না ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৯ বছর শেখ হাসিনার অবৈতনিক হাউজ সেক্রেটারী ছিলেন। “১৯৯৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জননেত্রী শেখ হাসিনা বিমানযোগে যশোর হয়ে খুলনা এসে বিকেলে শহীদ হাদিস পার্কে ভাষন দেন। রাত্রে তার চাচাতো ভাই শেখ নাসেরের বড় ছেলে শেখ হেলালের বাড়ীতে খান ও থাকেন। পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল নয়টায় উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা শুরু করেন। সাধারণ যাত্রী সহযোগে বেশ লম্বা ট্রেন। ট্রেনের সাধারণ যাত্রীরা জানেও না বা বুঝতে পারছে না হাসিনার সভা করতে যাওয়া এই ট্রেন কবে কখন গন্তব্যে পৌছাবে।

ঠিক নয়টায় ট্রেন ছাড়ে। প্রতি ষ্টেশনেই ট্রেন থামিয়ে সভা চলছে। ট্রেন থেকে নেমে সভাস্থলে সভা করে ফেরত আসতে ১ ঘন্টা সময় লাগছে। এভাবে প্রতি স্টেশনে গড়ে ১ ঘন্টা করে দিন পেরিয়ে রাত নামলো। শেখ হাসিনার ঢাকা থেকে আসা ডজন খানেক সাংবাদিক (তার ভাষায় সাংঘাতিক) সাথে রয়েছে। সবই বিশাল আয়োজন। ট্রেনের শেষের দিকে একটি ভিআইপি স্পেশাল কামরায় বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ঐ কম্পার্টমেন্টের সামনে ও পিছনে নেত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল এসবি ব্রাঞ্চ পুলিশের বারো জন সদস্য। তার পরের কম্পার্টমেন্টে সাংবাদিকগণ, এরপর বাকী সব কম্পার্টমেন্টে সাধারণ যাত্রী। এই দীর্ঘ বিলম্বে বাকীদের ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা। ছয় ঘন্টার রাস্তা চব্বিশ ঘন্টায়ও না ফুরানোয় পানিসহ সকল খাবার ফুরিয়ে গেলে সাধারণ যাত্রীদের কষ্ট ও দুর্ভোগ সীমাহীন পর্যায়ে পৌছে। তৃষ্ণার্ত ক্ষুধার্ত শিশুদের কান্না ও আহাজারিতে অনেকে গন্তব্যের আগে ট্রেন থেকে নেমে পালিয়ে বাঁচে। অপর দিকে প্রতিটি স্টেশন থেকে অফুরন্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি (মিনারেল ওয়াটার) পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হয়। সারা দিনে নেত্রী প্রায় কুড়িটির মত রেলস্টেশনে জনসভায় এভাবে ভাষন দেন। রেলস্টেশন ছাড়াও উৎসুক জনতা ট্রেন থামালে সেখানেও তিনি বক্তৃতা করেন এবং সাংবাদিকরা সব লিপিবন্ধ করছেন। রাতের আঁধারে একই বক্তৃতা বার বার শুনতে শুনতে সাংবাদিকদের প্রায় মুখস্ত হওয়ায় শেষ দিকে তারা অনেকেই ট্রেন থেকে নেমে সংবাদ লিপিবদ্ধ করতে যাননি। রাত তখন ১১টা ১৭ মিনিট। ঈশ^রদী পৌছার পূর্ব মুহূর্তে শেখ হাসিনা বলেন, আমি এত যামাই আদরে এদেরে এনেছি আর তারা ঘুমাচ্ছে, এত লোক হচ্ছে আর বক্তৃতা করছি কিছুই তাদের নজরে আসছে না। এসব সাংবাদিকদের ঘুম ভাঙ্গিয়ে আমার জনসভাতে পাঠাও যেন পরদিন সব পত্রপত্রিকায় ভালো নিউজ হয়।  এ সময় শেখ হাসিনার বেতনভুক এক কর্মচারী মদন মোহন দাস বলল, ‘ডাইকা ঘুম ভাঙ্গন লাগবো না। পিস্তল দিয়া কয় রাউন্ড গুলি করলেই সাংঘাতিক গো ঘুম কই যাইব, লাফাইয়া ট্রেন থাইক্যা নীচে পইড়া যাইবো।’ 

আলাউদ্দিনের প্রদীপ পাওয়ার মত সঙ্গে সঙ্গে শেখ হাসিনা তখন তার বাবার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে বাহাউদ্দিন নাসিমকে বললেন, ‘দে দুই রাউন্ড গুলি করে। আর উপস্থিত অন্যদেরে বললেন, তোমরা আমাকে (হাসিনাকে) হত্যার জন্য ট্রেনে গুলি করা হয়েছে বলে সাংঘাতিকদের মাঝে প্রচার করে দেবে।’ ট্রেন ঈশ^রদী প্ল্যাটফর্মে ঢোকার কয়েক মিনিট আগে বাহাউদ্দিন নাসিম ট্রেনের জানলা দিয়ে সাংবাদিকদের কম্পার্টমেন্ট লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড গুলি ছুড়লো। গুলির শব্দ শুনে হাসিনার নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশরাও ৫-৬ রাউন্ড গুলি করে। এ আওয়াজে পাশের কম্পার্টমেন্টে থাকা সাংবাদিকরা ভয়ে ট্রেনের ভিতরে গড়াগড়ি শুরু করে এবং আমরা (রেন্টুগং) পরিকল্পনামত সাংবাদিকদের কম্পার্টমেন্টে এসে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ট্রেনে গুলি করা হয়েছে বলে প্রচার করতে থাকি। ট্রেন ঈশ^রদী প্ল্যাটফর্মে থামলে, ঈশ^রদী রেলস্টেশনের জনসভার মঞ্চ থেকে মাইকে আওয়ামী লীগ সদস্য আমির হোসেন আমু শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ট্রেনে গুলি করা হয়েছে বলে প্রচার করেন। জাতীয় পত্র পত্রিকায় সংবাদ বের হলে বগুড়া সরকারী সার্কিট হাউসের ভিভিআইপি রুমে বসে শেখ হাসিনাসহ তার সফর সঙ্গীরা (যারা মূল ঘটনা জানে) হাসাহাসি করতে থাকে। এবং হাসাহাসির এক পর্যায়ে গুলির এই ঘটনা নিয়ে হরতাল ডাকার সিদ্ধান্ত হয় (ঐ গ্রন্থ, পৃষ্ঠা ৭৩,৭৪,৭৫)।

সবার শেষে বলতে চাই গুলির মামলার বিচারের সবকিছুর মূলে এই আলাউদ্দিনের প্রদীপসম পাওয়া মদন আর তাদের মদনীয় মিথ্যাচার। এই বইটি এতই গুরুত্বপূর্ণ একটি বই, যা বিগত শতক থেকে শুরু করে এ জাতীর অনেক অনেক মানবসৃষ্ট দুর্ভোগের চিত্র স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে। এটি যেকোন বিবেকবান সচেতনকে এ নিয়ে বার বার চিন্তা করতে হবে। আর কিছু না পারলে আপনারা সবাই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে হলেও বইটি পড়েন ও জানেন দেশের প্রকৃত অবস্থা; দেশ কত অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সুক্ষ্ম গবেষনা বিশ্লেষণ সঠিক দিকদর্শন ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আদর্শ ছাড়া মানুষের বাঁচার কোন বাস্তব রাস্তা নেই। সেখানে ঈশ^রদীর বিচারক থেকে ফরিয়াদী আসামী সবাই ধরা পড়বেন, অলরেডী সবাই তালিকায় নাম উঠিয়ে নিয়েছেন, চলমান ঘটনার সময়ই জগত ঈশ^রের খাতায় তা লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে, শুধু রায়ের অপেক্ষায়।

লেখকের কথায় প্রকাশ শেষের দিকে সত্য কথা বলার দৃঢ়তা আমাদেরে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের কাছে বিপজ্জনক করে তুলেছিল। ব্যক্তিগতভাবে যিনি অসৎ বেঈমান, মিনকহারাম এবং মুনাফেক তিনি কি রাষ্ট্রীয় বা সমাজ জীবনে সৎ ঈমানদার হতে পারেন। বইটির প্রকাশকের কথা : “৮১ থেকে ৯৭  পর্যন্ত শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নেপথ্যের অনেক কাহিনীর বর্ণনা লেখক তার এই গ্রন্থে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এ কথা নিশ্চিত বলা যায় যে, আমার ফাঁসি চাই বইটি পড়লে যে কেউ বিশেষত তরুণ যুবক ছাত্র সম্প্রদায় রাজনৈতিক প্রতারণার হাত থেকে বেঁচে যাবেন।” প্রকাশকের এ কথার সাথে আমিও সচেতনদের একজন হয়ে একাত্বতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ জগতের সকল নির্যাতীতের হেফাজত করুক।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: উল্লেখ্য উক্ত লেখার মূল অংশটি নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ৫ জুলাই ২০১৯ সংখ্যা সাপ্তাহিক “দি রানার নিউজ” মাগাজিন ছেপেছে। কলামটিতে লেখকের বর্ণনাতে এটি খুব স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে কিভাবে একজন গণতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী তার বিরোধী দলীয় নেত্রীর সাথে আচরণ করেছেন আর অন্যদিকে কিভাবে একজন বর্তমানের বিনাভোটের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী একজন বিরোধী নেত্রীর প্রতি অমানবিক হুমকি ধমকির বিধান চালু করেছেন। সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না, জাতির জানা। এতে এই দুজনারই আমলনামা স্পষ্ট হয়ে পড়ছে। এখানেও জাতির জন্য অনেক আশা নিরাশার বাণী লুকিয়ে আছে।

রায়ের পর পত্রিকা অবলম্বনে প্রতিক্রিয়া: উক্ত মামলায় ০৩ তারিখের রায়ে ৯ জনের ফাঁসি, ২৫ জনের যাবজ্জীবন আর ১৩ জনের ১০ বছরের কারাদন্ড হয়েছে। এর ভিত্তিতে আরো কিছু কথা না বললেই নয়। সম্পূর্ণ মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে একটি দেশ চলছে, এর অসংখ্য উদাহরণ উপরে নীচে ডানে বামে সবদিকে ছড়িয়ে আছে। বিচার বিভাগ ও পুলিশ বিভাগ উঠবস করে অবৈধ সরকারের কড়া হুকুমে। সাম্প্রতিক সময়ে উত্তম উদাহরণ হিসাবে মানুষ উত্তর কোরিয়ার উদাহরণ টানে। প্রথম আলোর নিউজে এসেছে ঐ সময় মামলা দায়েরের পরে পুলিশ অভিযোগের কোন সাক্ষী না পেয়ে আদালতে ওটি জমা দেয়। তখন আদালত সেটি গ্রহণ না করে মামলাটি সিআইডিতে পাঠায়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে হাসিনা সরকার এসে পুনঃতদন্ত করে ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৫৭ জনের নামে আবার নতুন অভিযোগপত্র জমা দেয়। ঐ ঘটনার বিবরণ হিসাবে আনা হয় শ্যামল দত্তের ভোরের কাগজের সংবাদ। খবরের শিরোনাম: শেখ হাসিনার ট্রেন যাত্রায় বাধা, গুলি বোমা অর্ধশত আহত। — গোটা শহরে বোমাবাজি চলতে থাকে। আওয়ামী লীগের হাজার খানেক কর্মীর উপর হামলা হয়।

তৎকালীন সরকারের প্রেস নোট: ভোরের কাগজের প্রেস নোটের অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। খবরটিতে সরকারের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে এ অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। ট্রেনটি স্টেশনে পৌছানোর আগে উশৃংখল সমর্থকদের মাঝে কিছু ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও পটকা বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। একই ধারার খবর ছাপে মানবজমিন যে, ১৯৯৬ সালে এর পুনঃতদন্ত হয় এবং নতুনকরে বিরোধীদলের ৫২ জনকে আসামী করা হয়। নয়াদিগন্তও একই ধারার খবর ছাপে। ঘটনার দিন জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। সত্যতা না পাওয়ায় এর তিন বছর পর হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর মামলার চার্জসিট দাখিল করে। এর মাঝে ৬ জন ইতমধ্যে মারা যান। বিএনপির সহতথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এটা একটি হাস্যকর মামলা। এতে মৃত্যুদন্ড কি কোন সাজা হওয়ারও কথা নয়। এ রায় পৃথিবীর নজির বিহীন রায় বলে আমি মনে করি। কারণ ঐদিন আমি নিজে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক থাকার কারণে শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী ছিলাম। আমি ঐ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী। এ ঘটনায় মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন হতে পারে না। রায়ের পর আদালত থেকে বের হলে তার উপর হামলাও করা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। আশা করি বাংলাদেশে শ্যামলদত্ত ছাড়াও মানুষ বাস করেন। ঐ দেশে ঐ সব দেশ বিরোধী গুটিকয় দালাল ছাড়াও যদি কোন পত্রিকা বা কোন সম্পাদক থেকে থাকেন তবে তাদের নিজেদের স্বার্থে ও দেশটির স্বার্থে আপনারা সোচ্চার হন। একজন সত্যসন্ধানী গবেষক লেখক, কলামিস্ট হিসাবে এসব অনাচারের বিরুদ্ধে এ নোংরামির কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও প্রকৃত সত্য উন্মোচনের  দাবী জানাচ্ছি।

সুসংগ্রহ: “আর যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই তার অনুসরণ করো না। নিঃসন্দেহ শ্রবণ শক্তি ও দৃষ্টিশক্তি ও অন্তঃকরণ—এদের প্রত্যেকটিকে তাদের সম্বন্ধে সওয়াল করা হবে (সুরা বনি ইসরাইলের ৩৬ আয়াত)।”

০৩/০৭/২০১৯ তারিখ

https://amarfashichai.blogspot.com/2013/07/amar-fashi-chai-by-motiur-rahman-rentu.html

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: