Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

কুরআন এমন একটি গ্রন্থ ও পথ নির্দেশিকা যে, ওখান থেকে যে যতই গবেষনা করবে ততই অমৃত বের হয়ে আসবে। মনের মাঝে কথাটি ঘুরপাক খাচ্ছিল, সারা বিশে^ কেন মুসলিমরা এত মার খাচ্ছে। সেদিন একজনের সাথে কথা বলছি, তখন তার যুক্তি হচ্ছে মুসলিমরা ঠিক মতন নামাজ কালাম করছে না, নিজে মানছে না, শিখছে না বাচ্চাদেরেও শিখাচ্ছে না, যার কারণে সারা বিশে^ মুসলিমরা মার খাচ্ছে। কিন্তু আজো শুক্রবারে দেখা যায় মানুষের ভিড়ে মসজিদে জায়গা পাওয়া দায়। তার মানে মানুষরা ঠিকই নামাজ পড়ছে অন্তত এটি বলার অবকাশ নেই যে, চার্চ গুলির মত মসজিদের এত দৈন্যদশা এখনো হয়নি। মনে হচ্ছে মুসলিমরা অংকে ভুল করছে বলেই ভুল রিডিং জমা করছে। ঈমান আনার পরও একজন মুসলিম অনায়াসে মিথ্যাচার করছে, অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। কিছু মানুষ মনে করে শত অপরাধ করেও নামাজ কালাম তপজপ করলেই চলবে। তপজপে পাওয়া পূণ্যের ঠেলাতে সব পাপ ধুয়ে যাবে। এমন কি কিছু সংকীর্ণ ধর্মব্যবসায়ী আলেমরা ধর্মের নামেও এসব প্রচারে উদ্বুদ্ধ করেন। তারা প্রচার করেন কুরআন বুঝা অনেক কঠিন, আমাদের কাছে আসেন। তুলনামূলক ধর্মের গবেষক ও বক্তা জাকির নায়েকের ব্যতিক্রমী যুক্তিপূর্ণ কথাবার্তার পরও এসব সংকীর্ণরা বিজ্ঞের ভূমিকায় খেলো কথাবার্তা বলে নিজেকে অনেক অভিজ্ঞ জানান দিতে চায়। তাদের দৃষ্টিতে তিনি হচ্ছেন ইহুদী খৃষ্টানের দালাল, কারণ তিনি আলখেল্লা না পরে কোট টাই পরেন। এরা ধর্মকে কখনো তাবিজ কবজের ভিতরে কখনো আলখেল্লার ভেতরে জায়গা করে দিয়েছে। আল্লাহর কম্পিউটার ও অংকীয় বিন্যাসে কাঠমোল্লারা খুব সহজে ধরা খাবে। তাদের ধ্যান ধারণায় যেমনি কুরআন রচিত হয়নি। ঠিক সেভাবে শেষ বিচারের হিসাবটাও মাজার তাবিজ দ্বারা বিন্যাস করা যাবে না। সেখানে তাদের ধর্মজ্ঞানের এই দৈন্যদশা দেখলে বাস্তবিকই কষ্ট হয়। বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠরা মুসলিম কিন্তু প্রতারণা, শঠতা, মিথ্যাচারেও তারা গরিষ্ঠ সংখ্যক। এটি কেন হবে? মুসলিম নামধারী সরকার ও তার দলবল এমন সব মিথ্যাচার করছে তখন মনে হয় না এরা বিশ^াসে মুসলিম!

জালেম ও অত্যাচারী শাসকের মোকাবেলাতে সত্য প্রচার, সত্য কথন হচ্ছে সেরা ধর্মধারীর লক্ষণ।  আপনারা হয়তো শুনেছেন সাম্প্রতিক একটি সংবাদ সৌদির বর্তমান যুবরাজ সালমান কিলিং মিশনে জড়িত থেকে ফেঁসে যাচ্ছেন। কারণ কিলিং মিশনে জড়িত তার ঘনিষ্ঠদের ছবিসহ সবকিছুই ওপেন হয়ে পড়েছে। বলা চলে অনেকটা সত্য যুগের মতই অবস্থা, চারপাশে কোন অপকর্মই আর ঢেকে রাখা যাচ্ছে না। সিসেম ফাঁকের মত সবকিছুই ওপেন হয়ে পড়ে খুব তাড়াতাড়ি। সালমান যুবরাজ হলেও আমাদের নবী মোহাম্মদ (সঃ) কোনদিনও যুবরাজ ছিলেন না। তিনি ছিলেন আব্দুল্লাহর বেটা মা আমিনার গর্ভে জন্ম নেয়া আহমদ, মোহাম্মদ নামের একজন সাধারণ আরব। তার জীবনের ব্রত ছিল সততা, নীতি নৈতিকতা। যেখানে এসব যুবরাজদের কৃতকর্ম এসবের ধারেকাছেও নেই। নৈতিকতার প্রতিটি পাটকে কবর দিয়ে সেই দীনহীন নবীর পদটিই এরা ধরে রেখেছে স্বৈরতন্ত্রের আদলে। এখানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, জবাবদিহিতার বালাই নেই, স্বেচ্ছাচারিতার দোহাই দিয়ে তারা স্বৈরশাসক হয়ে যা ইচ্ছে তাই করছে। ইসলাম হচ্ছে কঠিন নিয়মের সততার নীতির ডোরে বাধা শান্তির ধর্ম। তাদের নিজেদের গদির সুবিধার জন্য তারা সব সময়ই একটি কৃত্রিম বিভেদকে জিইয়ে রাখার পক্ষপাতি। বিভেদের নাম হচ্ছে শিয়া ও সুন্নী। তারপর শিয়া আর সুন্নী হওয়ার যে বিভেদ তাও মূল গ্রন্থ কুরআনে স্বীকৃত নয়। কারণ আল্লাহ কুরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন যারা আমার ধর্মকে ভাগ করবে তাদের ফয়সালা আমার কাছে। তাদের জন্য নির্ধারিত আছে কঠোর যন্ত্রণা। ইসলামই গণতন্ত্রের পথিকৃত, কিন্তু গণতন্ত্রকে সেখান থেকে খুব কৌশলে মুছে দেয়া হয়েছে। সেটি আজকালের কথা নয়, ইতিহাসের তলানীতে পড়ে আছে ঐসব বেদনা। আজ ওসব নাড়ছি না। বলছি একজন জার্নালিস্ট খাশোগী হত্যার করুণ গল্প।

চারপাশে মানুষের আচার আচরণ  লক্ষ্য করলে মনে হয় মানুষের চেয়ে ভয়ংকর আর কোন জীব নেই। ৩৩ বছর বয়সের যুবরাজের বিলাস বৈভব আর ধরাকে সরাজ্ঞান করার যে পায়তারা তা দেখলে আত্মা শিউরে উঠে। আরব সাংবাদিক খাশোগীকে হত্যার কারণ হচ্ছে তার অনুসন্ধানী সত্য প্রচারে যুবরাজ ধরা খেয়েছেন। এতে কথিত যুবরাজের খপ্পর থেকে জান বাঁচাতে দেশত্যাগ করেও তার শেষ রক্ষা হয়নি। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর খাশোগীর শেষ কলামেও বক্তব্যটি উঠে এসেছে। বক্তব্যে ছিল যে আরব বিশে^র জনগণের সামনে একটি লোহার পর্দা লাগানো আছে। এটি বাইরের কেউ লাগায়নি বরং ক্ষমতার জন্য দ্বন্ধে¦ লিপ্ত আরব নেতারাই লাগিয়েছেন। জনতার স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবী জানান খাশোগী। তিনি ছিলেন মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্টের নিয়মিত লেখক, তার শেষ কলামে এসব গভীর কথা উঠে এসেছে (বিবিসি)। এতে খাশোগী বলেন আরব বিশে^র মানুষ হয় খবর পায় না অথবা ভুল খবর পায়। অনেক ধানাই পানাইএর পর সম্প্রতি সৌদি স্বীকার করছে তাদের এ অপকর্মের কথা। বাংলাদেশেও বেশ বড় সময় থেকে মানুষের মুখে কুলুপ সেটে দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিক সাগর-রূণি হত্যা, মাহমুদুর রহমান নির্যাতন, শফিক রেহমান, শহিদুল আলমসহ অসংখ্য সাংবাদিক, রাজনেতারা মিডিয়াসহ আক্রান্ত হয়েছেন, হচ্ছেন। তবে পার্থক্য হচ্ছে বাংলাদেশে করছে গণতন্ত্রের তকমা লাগিয়ে আর সৌদিরা করছে রাজতন্ত্রের তকমা লাগিয়ে।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র বস্তাবন্দী, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাকে কোটি জনতার পক্ষে জনগণ এক হয়েছে। সরকার এ ঐক্য দেখে ভীতিকর আচরণ স্পষ্ট করছে। ধড়পাকড়, রিমান্ড, গুম জোরদার করা হয়েছে। যা দেখে ঐক্যের নেতা ডঃ কামাল বলছেন সরকার এমন আচরণ করছে জানোয়ারও এমন আচরণ করে না।  রাস্তায় রাস্তায় প্রতিরোধ, ব্যারিকেড, যান চলাচল বন্ধ ও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার পরও লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়েছে। নেতাদের দাবী স্বৈরাচার থেকে মুক্তি, গনতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবী, অবাধ স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, ডাকাতের হাত থেকে দেশ রক্ষার দাবী, স্বাধীনভাবে কথা বলার দাবী, জোর করে ক্ষমতা আকড়ে থাকা সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর কসরত চালিয়ে যাওয়ার দাবী। কি ভয়ংকর আর লজ্জাস্কর অবস্থান দেশে বিরাজমান তা বলতেও জাতির জন্য লজ্জার কারণ। উন্নয়নের নামে মেগা প্রজেক্ট আর মেগা দূর্নীতি চলছে তার নিজ দলের মাঝেই সীমাবদ্ধ এ উন্নয়ন। বিরোধী নেতৃকে আগেই কারাগারে মিথ্যা মামলায় ছলে বলে ঢোকানো হয়েছে। এবার জনসভা শেষে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোক্তাদিরকে গ্রেফতার করা হয়।  এ সরকারের সৃষ্ট মহা মহা সংকটের পরও তারা চায় আর একটি অবৈধ নির্বাচন। বিনাভোটের একতরফা নির্বাচন। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে জনগণ তাদেরে ভোট দেয় না। তাই জোর করে সিলমারা ছাড়া ভোটে যাওয়ার আর দ্বিতীয় রাস্তা তাদের জানা নাই। তাই খুজে বের করেছে ইভিএম পদ্ধতি হলে তাদের সুবিধা হয়। নিজেদের অপকর্ম ঢেকে নিরাপদ রাখতে করা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যাতে কোন সাংবাদিক ভুলেও তাদের অপকর্ম ফাঁস করে না দেয়। তথ্যমন্ত্রী গলা ছেড়ে বলছেন হলুদ সাংবাদিকতা রোধ করতে এসব করা হচ্ছে। সঙ্গত কারণেই তারা বড় সময় থেকেই ইবলিসের দোসর সেজেছে। বিশেষজ্ঞরা কলাম  লিখছেন, সরকার ছাড়া দেশে আর কেউ স্বাধীন নেই। সাংবাদিকরা কথা বললে মামলা হচ্ছে, একের পর এক ধড়পাকড় করেই এ যাবৎ সরকার টিকে আছে। বিপন্ন মানুষরা ভয়ংকর সময় পার করছে। সরকারের আস্থাভাজন ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিও তার গোপন ষড়যন্ত্রের সব খবর উজার করে বই লিখছেন। এ সরকারের অপকর্ম এভাবে আগেও উন্মোচিত হয়েছে, আজো হচ্ছে, তাই মানুষ আজ ১০০%ই সচেতন।

গত ২২ অক্টোবরের চট্টগ্রাম ব্যুরোর খবরে প্রকাশ ডেঙ্গুতে গত বছরে নিহত বিরোধী পক্ষের বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন পুলিশের উপর ককটেল ছুড়েছেন। অন্যজন আবুধাবিতে অবস্থান করা সত্ত্বেও নগরীর পাঁচলাইশে গোপন বৈঠক করেছেন। অন্য আরেকজন রাত চারটায় এডভোকেট রেললাইনে বসে পুলিশকে গুলি ছুঁড়েছেন। এমন কি ৯০ বছরের বৃদ্ধাও বাদ নাই, পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিও পুলিশের আসামী। এসব হচ্ছে সরকারের পক্ষে সাজানো লিস্ট ধরে করা গায়েবী মামলা। সামনে নির্বাচন তাই হাজার হাজার আসামী আর শত শত গ্রেফতার, বাকীরা পলাতক থেকে ভয়ংকর সময় পার করছেন। এটি শুধু আজই প্রথম নয়, এসব এদেশবাসীর ভাগের জমা বহুদিন থেকে। বলা হচ্ছে সাম্প্রতিক তারেক জিয়ার রায় ঠেকাতে এসব নাশকতা করছে সব বিরোধী পক্ষের লোক। গায়েবী ভৌতিক মামলায় দেশ সয়লাব। মরা লাশ হয়েও রক্ষা মিলছে না। ভুক্তভোগীরা বলছে ওখানে কোন ঘটনাই ঘটে নাই কিন্তু থানার ওসি প্রণব কুমার চৌধুরী দাবী করছেন সেখানে এসব ঘটনা ঘটেছে। ঐ মামলাতে ৫৮ জন বয়োবৃদ্ধ আসামী, গভীর রাতে শুধু তরুণই নয়, বয়ষ্করাও লিস্টবদ্ধ, যেন দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গভীর রাতে মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমণ করতো। ঘটনাটির উল্লেখ করলাম এ কারণে যে, এ হচ্ছে মুসলিম অধ্যুষিত একটি অঞ্চলের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দুর্দশার বিবরণ। ২০১৪ সালে অবৈধ সরকারের সেরা ভোট ডাকাতীর পর সম্প্রতি পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের নামে যে রসরঙ্গ চলছে, তা দেশবাসীর জানা। গায়ে মানে না আপনি মোড়ল সেজেই সরকার এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। বৈধ পথে হেটে সংবিধান নির্বাচন কমিশনারের উপর যে অধিকার ও দায়িত্ব অর্পন করেছে সেটি যদি তারা স্বাধীনভাবে করতে পারতো, তবে দেশকে এত রাজনৈতিক জটিলতায় পড়তে হতো না।

এ উভয় মুসলিম অধ্যুষিত দেশের এসব কি কখনো ইনসানের কাজ হতে পারে, এসব হচ্ছে ইবলিসের কাজ। পাঠক  লক্ষ্য করবেন আদম আর ইবলিসের গল্পটি বাইবেলে কুরআনে এসেছে। পৃথিবীতে খলিফা সৃষ্টির শুরুর সময়কার ধারণার উপর গল্পটি সাজানো। বিধাতার উদ্দেশ্য ছিল পৃথিবীতে খলিফা প্রেরণ আর সে উদ্দেশ্যেই এর অবতারণা। এ গল্পটির উপর গবেষনা করার বৃহৎ অপশন থাকার পরও অনেকেই গল্পের সঠিক বিশ্লেষনে না গিয়ে ভুল পথে রাস্তা মাপেন। এর থেকে জিন ভুতের গল্পে জড়িয়ে বিশাল মিথ্যার সরস গল্প সাজিয়ে কুসংস্কারের লালন করা হয়। কিয়ামত পর্যন্ত আদম জাতি আর ইবলিস জাতি এ দুটি সত্ত্বার প্রয়োজন অত্যন্ত বেশী, এ দুটি সত্ত্বা ব্যতীত মানব প্রকৃতি বিচার অসম্ভব। কুরআন বার বার এটি স্পষ্ট করেছে এদের উভয়ের দুটি স্বরুপ, উভয়কে কঠিন বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। একজন মাটির মত নরম স্বভাবের, একজন আগুনের মত উগ্র স্বভাবের। এখানেই এ দুয়ের পার্থক্য। উভয়েই এক জিনিসই খায় উভয়ের নবীও এক। তারপরও মানুষ এদের সঠিকভাবে চিনতে ব্যর্থ হয়েছে। এরা আরবের ময়দানে যেমন আছে এরা আমেরিকার ময়দানেও আছে আর বাংলাদেশে তো বিশাল আস্তানা গেড়ে মাদুর পেতে মজলিস গরম করছে। এদের স্বরুপ দেখে এদেরে চিনে নিন। তবে আশার কথা হচ্ছে কিছু তফসিরকারকরা এর উপর গবেষনার ভিত্তিতে বস্তুনিষ্ঠ কাজ করে গেছেন এদের একজনের নাম মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ। তিনি অসংখ্য যুক্তি তর্কের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট করেছেন যে এসব মানুষ ছাড়া আর কিছু নয়। “যারা ইমান এনেছে তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর পথে আর যারা অবিশ্বাস পোষণ করে তারা তাগুতের পথে যুদ্ধ করে; অতএব শয়তানের সাঙ্গোপাঙ্গদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। নিঃসন্দেহ শয়তানের চক্রান্ত চির দুর্বল ”(সুরা নিসার ৭৬ আয়াত)। আপনাদের চিন্তার দরজাকে খুলে দিন, প্রতিটি জটিল আপনাদের সামনে দিবালোকের মত স্পষ্ট হবে। আল্লাহ আমাদের  ইবলিসের পথে নয়, বরং মানুষের পথে চলার তওফিক দান করুন।   

২৫ অক্টোবর ২০১৮ সাল।

বি দ্র: লেখাটি নিউইয়র্ক ভিত্তিক সাপ্তাহিক রানার পত্রিকাতে এসেছে ০২ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে।

 

 

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: