Articles published in this site are copyright protected.

নাজমা মোস্তফা

লেখালেখি করি কারো বাহবা পাওয়ার জন্য নয়। তবে সত্যকে উন্মোচন করার বাসনা থেকেই কলম ধরেছিলাম, তাই আজো মনে করি সত্যের উন্মোচনই একজন লেখকের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। দেখা যায় সবাই নামে মুসলিম কিন্তু কাজে অনেকেই মিথ্যার আশ্রয় নেন খেয়ালে বেখেয়ালে। যখনই এ ধারার কাজ একজন মুসলিম করবেন বুঝে নিতে হবে তার ঈমানের মাঝে গলতি আছে। ধর্মীয় কথা বলতে এক শ্রেণীর মানুষ প্রচার করেন যে ক্রমাগত অপরাধের জন্য কাঁদতে থাক আর মাপ চাইতে থাক। তাহলে এক সময় সব পাপ থেকে তুমি মুক্তি পেয়ে যাবে। এসব হচ্ছে গোজামেলে বানোয়াট ধর্ম চিন্তা। একজন মুমিন মুসলিমকে সাধনা করতে হবে আমি মিথ্যাচারে যাব না। পাপের পথে হাটবো না, সে চেষ্টাই যদি তার না থাকে তবে সে কেমন মুমিন মুসলিম? ঈমানদারের কাঁদার দরকার কম, কারণ সে ঈমানে বলিয়ান একজন, অপরাধ থেকে থাকবে শত যোজন দূরে। তার জন্য এসব নাটকের ভনিতার দরকার বা গরজ কম।  এসব কাজ হচ্ছে অপরাধির, যে সারাক্ষণ দেশ জাতির অপরাধের মানসে গুটি চালান দেয়। এ কাজটি তাকেই করতে হবে, তবে তার মেকী কান্নায় কোন ফল বয়ে আনবে না। কুরআনের যুক্তির সুক্ষ বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট হয়। ইবলিসদের সব দোয়ারে সিল পড়ে থাকবে কারণ তারা  অপকর্ম করা চিহ্নিত দলের সদস্য। বাংলাদেশে যা হচ্ছে বছরের পর বছর এসবকে অপকর্ম ছাড়া আর কিছু বলার ফুরসত নেই। একজন মুসলিম হিসাবে কালোকে কালো, সাদাকে সাদা বলা ঈমানের অংশ জেনেই প্রতিটি কাজ করেছি। আমার ব্লগে জটিল বিষয়ের উপর শতেরও উপরে লেখা জমে আছে, ধর্ম ও রাজনীতির জটিলকে সহজ করা ও সত্য প্রকাশ করাই আমার কাজের অংশ। সজ্ঞানে আমি যদি কখনো মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেই, সে মিথ্যার ভার আমার কাঁধেই বর্তাবে। ধর্মের জটিলতার কষ্ট যেমন আমাকে কষ্ট দেয় একইভাবে রাজনীতির কষ্টও আমাকে ভয়ংকরভাবে পীড়া দেয়। তসলিমাকে জবাব দিব বলে কলমটি তুলে নিয়েছিলাম, এখন দেখি সারা দুনিয়া জোড়া অনাচারের বিচরণ, তবে অতিরিক্ত ধর্ম ও রাজনীতিতে। এ দুটি ক্ষেত্রেই খুব কৌশলে এঁটো মিশিয়ে দেয়া হয়েছে । যখন ছোট ছিলাম আমার দাদীর কাছে শুনেছিলাম তাদের গ্রামে নাকি এক লোক তার মেয়েকে মেরে ফেলে, পাশের বাড়ীর লোকটিকে ফাঁসাবে বলে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস সে প্রমাণ করতে পারে নি যে, মেয়েটিকে প্রতিবেশী মেরেছে। সম্ভবত ঐ সময় দেশে বিচার ব্যবস্থা ইতিবাচক ছিল বলেই অনাচার প্রমাণ করা সহজ হয়নি। বাংলাদেশে আজকাল সবাই একযোগে বলছে এখানে ধারে কাছের সময়ে বিচারের উপর ভরসা করার কোন যুক্তি নেই। তারপরও মানুষের সঠিক ভরসা একমাত্র আল্লাহর উপর। আদম যখন গন্দুম খেয়েছিলেন শয়তানের প্ররোচনাতে, আল্লাহ মাফ করেছেন আদমকে কিন্তু ইবলিসকে কখনোই মাপ করেন নি বরং বিতাড়িত করেছেন এবং তাকে জাহান্নামি চিহ্নিত করেছেন, সে হচ্ছে পথহারা, শয়তানের দোসর, সে অধঃপাতেই যাবে। তারপরও কথা থেমে নেই, তারও শক্ত বিচার বরাদ্দ আছে।

কমবেশী অনেকেই জানেন ২০০৪ সালের ২১ আগষ্টের মূল ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে এবং কিভাবে পরে সাজানো হয়েছে। এসবের উপর অসংখ্য যুক্তি, তথ্য, কথা চারপাশে ছড়িয়ে আছে। আমার নিজেরই এর উপর লেখা আছে, শত শত মানুষ এসব পড়েছে, আমি  চাইলেও তা সংক্ষেপ করতে পারি না। কারণ জটিল বিষয় স্পষ্ট করতে হলে কিছু ব্যাখ্যার দরকার পড়ে। কথা হচ্ছে পৃথিবীতে এমন কি কেউ আছে যে বা যারা তাদের অপকর্ম ঢেকে রাখতে পারবেন? না, ঐ স্বপ্ন না দেখাও ভালো। একমাত্র নাস্তিক যে সে এটি ভাবতে পারে, কারণ সে বোকার স্বর্গেই অন্ধকারে বসবাস করে। এখানে কয়টি কথা আজকের পত্রিকাগুলো থেকে নিয়েছি বাংলাদেশে অনৈতিক মন্ত্রীদের নীতিহীন কথা। ক্ষমতাধর বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল বলেন, নির্বাচনকালীন বর্তমান সরকারই রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। কাদের হানিফ, নাসিম এসব মন্ত্রীদের কথা হচ্ছে  বিএনপি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য ছড়ানোর পায়তারা করছে। নাশকতা করে নির্বাচন ঠেকানো যাবে না। বিএনপির কোন সমর্থণ নেই। পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিএনপি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। দেশের পরিস্থিতি জানেন দেশবাসী ভালোই, তারপরও দেশবাসীকে প্রতারণা করতে এসব আবোলতাবোল বকছে সরকারসহ তাদের মন্ত্রীরা। লাখ লাখ কোটি কোটি সমর্থণের ঠেলাতে সরকার ও তার মন্ত্রীরা ভয়ের চোটে একমাত্র পুলিশী রাষ্ট্র বানিয়ে উল্টাসিধা বুলি আওড়াচ্ছেন।

চলমান সময়ে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া শত শত ঘটনার মতই ২০০৪ সালের ঐ ঘটনাতে ২৪টি জ্যান্ত মানুষ যখন মরলো তাদের আত্মার আহাজারিতে কর্মকর্তাদের গোষ্ঠী শুদ্ধ যে একদিন  ধ্বসে পড়বে, সেটি কি একবারও মাথাতে খেলে না? কারবালার প্রান্তরে যে নবী বংশ ইমাম হুসেনকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে হত্যা করা হলো আসামীরা কি পার পেয়ে যাবে বলে মনে হয়?  হোক সেটি চৌদ্দশত বছরেরও আগেকার কথা। না, ঐ ইবলিসরা কখনোই পার পাবে না, পার পেতে পারে না। সূত্র মতে আমরা জানি ২০০৪ সালের ঘটনাটির পর পরই বিএনপি সরকারই এর সুষ্ঠ বিচারের জন্য মামলা করেছিল। দেশীয় স্থানীয় তদন্তের পাশাপাশি এফবিআই এবং ইন্টারপোলকে সম্পৃক্ত করেছে যেন প্রকৃত দোষীকে আইনের সামনে মোকাবেলা করা হয়। তখন কিন্তু বিদেশী সংস্থাকে উপাত্ত বিলি করে নি বিরোধীদল আওয়ামী লীগ, এটি সবার জানা। বুলেটপ্রুফ মার্সিডিজ গাড়ীটি পর্যন্ত তারা ধ্বংস করে দিয়েছে বলে ওটিও ঢাকা পড়ে যায়। ঐ সময়ে বিএনপি সরকার ছিল মাত্র দুই বছর আর পরবর্তী সাত বছরে ছয়বার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানের রায়ে প্রথম দিকের বিএনপি জামাতের জোট সরকারের কোন প্রতিবেদন দাখিল হয়নি এবং পরবর্তীতে মামলাকে প্রভাবিত করার অভিযোগ এসেছে বার বার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন (অনেক পরে হলেও) তারেক রহমানকে জড়ানোর কারণে মামলার রায়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। কারণ তারেকের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নেই। তারপরও সাজা বহাল রাখা হয়েছে। এর আগে এফবিআই এবং ইন্টারপোলের তদন্তেও তারেক রহমানের নাম আসে নি, এমনকি সম্পূরক চার্জশিটেও নেই। ঐ সময় আমরাও ময়দানে দেশটিতে হাজির ছিলাম। খুব গুরুত্ব দিয়ে খুটিয়ে খুটিয়ে বিভৎস এ ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেছি। এটি ঠিক নয় যে, বিএনপি এর তদন্তে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। অনেকে বলেন বিএনপি জজ মিয়া নাটক করেছে আজকে এর জবাব দিয়েছেন তাদের এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী (১২ অক্টোবর)। তিনি এর ব্যাখ্যা দেন তৎকালীন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটি করেছে। রাজকাহন অনুষ্ঠানে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন। তিনি এটিও স্পষ্ট করেন যে, এ ন্যাক্কারজনক মামলার সুষ্ঠ তদন্ত বিএনপিও চেয়েছে কিন্তু ঐ অনেক পথ পাড়ি দিয়ে ১৪ বছর পর এর এমন এক বিচার হয়েছে যে চারদিক থেকেই এর বিরুদ্ধে শোরগোল উঠেছে। ৫০১জন চিকিৎসক বলেছেন এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত রায়।  কারাগার থেকেও মামলার আসামী হওয়ার নজির আজকের পত্রিকাতেও দেখলাম। ১৯ জনের ফাঁসি, ১৯ জনের যাবজ্জীবন, এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। অসংখ্য অব্যক্ত প্রশ্নের জবাব ছাড়াই বিচার হল একদম খালেদা জিয়ার এতিমের টাকা চুরির মামলার আদলে। তারেক যদি সব পরিকল্পনা করেই থাকেন তবে তাকে কেন ফাঁসি দেয়া হচ্ছে না? যাবৎজীবন দিচ্ছেন, তার মানে তাকে মিথ্যা মামলাতে ফাঁসানো হচ্ছে কাদের মোল্লার মতই, সবাইকে মনে রাখতে হবে সবাইকেই মরতে হবে। তবে কোন নির্দোষ যাতে শাস্তি না পায় সেটি হচ্ছে প্রকৃত সুবিচারের শর্ত।

মৃত প্রয়াত সুরঞ্জীতও বলে গেছেন এসব হচ্ছে রাজনৈতিক মামলা। কালে ভদ্রে দু একজনের মুখ দিয়ে আসল কথা বের হয়ে যায়। আজ সংবাদপত্রের সূত্রে প্রকাশ ১২ অক্টোবর ২০১৮ জাফরউল্লাহ চৌধুরীর হাসপাতালের পাশে আইন শৃংখলা বাহিনী চারপাশ ঘিরে রাখে এমনভাবে যে তিনি তার হাসপাতাল থেকে বের হতে পারেন নাই। ঐ দিন বিকালে তাদের একটি বৈঠক করার কথা ছিল সেটি রুধবার জন্যই কি সরকার এ কাজটি করলো? যার জন্য বাধ্য হয়ে আয়োজকরা ঐ দিনের বৈঠক বাতিল করেন। অনেক পরে ওরা সরে গেলে তিনি হাসপাতাল থেকে তার বাসাতে ফিরে যান। আজকেরই খবর আদালত থেকে ছাড়া পেয়ে একজন আসামী ছাত্রদল নেতা যার বিরুদ্ধে দেড়শতাধিক মামলা রয়েছে রবিউল ইসলাম নয়ন ছাড়া পেয়ে গেট থেকেই ধৃত হন সাদা পোশাকে কারিগররা তাকে মটরসাইকেল থেকে মাইক্রোবাসে তোলে নিয়ে যায় এবং যোগাযোগ করলে তারা এসব অস্বীকার করে। এসব হচ্ছে আইনের দেশ উন্নয়নের দেশ নীতির দেশ বাংলাদেশের কর্মকান্ড। ঐ দেশে নিশ্চয়ই বিধাতা আল্লাহ অবসরে যান নাই, সবই পরখ করছেন। যার যত ইচ্ছে মারেন মামলা দেন, তবে নির্ঘাৎ মনে রাখবেন সময় কথা বলবে। অদেখা বিধাতা ঠিক সময়েই নড়েচড়ে বসে। তার অংক বড়ই জটিল। এটি সব কর্মকর্তাদের মাথায় রাখা উচিত।  আমার কয় বছর আগের লেখাতে এসব স্পষ্ট করেছি, তাই বার বার এককথা বলে লাভ নেই। আমার ব্লগে আছে লেখাটির নাম হচ্ছে “বিএনপি সরকার পতনের লক্ষে একুশে আগষ্ট ২০০৪, সচেতনের সন্দেহ প্রতিষ্ঠিত সন্ত্রাসীর দিকে!”। বিশাল ঘটনা, বিশাল লেখা, বিশাল সব যুক্তিরা। লেখাটি পড়লে সম্ভবত অনেকের মগজ ঝালাই হয়ে যাবে। মানুষ যে দুনিয়াতে কি করতে পারে, সেটি বুঝতে সহজ হবে।

এফবিআইকে গাড়ী চেক করতে কেন দেয়া হলো না? / মুক্তাঙ্গন থেকে সরে গিয়ে ১ ঘন্টার নোটিশে কেন স্থান বদল করা হলো? তারেক রহমানের মেধা কি এতই তুখোড় যে রেকি ছাড়াই ২৪ জনকে খতম করে তারা পালালো, কেউ ধরা পড়লো না?  তারেকের নাম আগে কেন আসে নাই? আজ আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নিজের দলেরসহ সব মানুষ মেরে তক্তা করে দেয়, তারা সেদিন কেন এত সুবোধ বালকের পার্ট নিল? মুফতি হান্নান যেসব আওয়ামী নেতাদের কথা বলে গেলেন তারা কেন বিচারের মুখোমুখি হন না? হাছিনা কি যুক্তিতে আইভিকে বার বার ট্রাকে উঠতে বলছিলেন?  তিনি কি জানতেন যে, ট্রাকটি নিরাপদ থাকবে। আইভিসহ যে ২৪জন নিহত হলো, আহত হলো আরো শত শত। যে এসব সাজিয়েছে রাজনৈতিকভাবে হলেও সে বুকে হাত দিয়ে বলুক সে উৎরে যাবার কথা কি ভাবছে। আর যারা এর ইন্ধনে তালিয়া বাজাবেন তারাও কি পার পেয়ে যাবেন?  সিনহাবাবুসহ বিচারকরা যুদ্ধপরাধীদের নামে যে উদ্ভট বিচার করেছেন তার নামে যতটুকু অবিচার হয়েছে তার থেকে প্রতিটি মানুষকে নিজের বিচারের জন্য প্রস্তুত থাকার কথা মনে করে দিতে চাই। কারণ সবার উপরে আর একজন নিরপেক্ষ বিচারক যিনি বুঝেন না আওয়ামী লীগ, বিএনপি অথবা জামায়াতে ইসলাম, তিনি বুঝেন শুধু নীতি নৈতিকতা। আমি তার কথাই বলছি। আপনারা মুসলিমরা তার উপরই ঈমান এনেছেন।  তাকে শক্ত করে ধরে রাখুন। ঈমানটা মরার আগে এভাবে হারাবেন না প্লিজ। আমার এ লেখাটি সমাজের প্রতিটি ব্যক্তি মানুষকে উপলক্ষ করেই বলছি। আসল আদালতকে এড়িয়ে যাবার কোনই ফুরসত হবে না। বেশী দিন তো লাগলো না, সিনহা বাবু এর মাঝেই ধরা খেলেন। একদিন যাদের ইন্ধনে মানুষ নাচে তারাও খুব শীঘ্রই ধরাও খায়। এসবই কি প্রমাণ করে না একজন নিরপেক্ষ বিচারকের নিরব উপস্থিতি?

গড়ে একজন মানুষ বাঁচে মাত্র ১০০ বছর, তার বেশী নয়। তারপরও তাদের এত আস্ফালন এত অনাচার মনে হয় তারা যেন জীবনেও মরবে না। এ রকম অনাচার অদেখা বিধাতা করলে মানা যেত। কিন্তু মানুষরা কেমন করে এসব অনাচার করে, বুঝি না। দৃষ্টির আড়ালে বিধাতা কথা বলে না কিন্তু সময়ে নড়েচড়ে, ঘটমান ঘটনা ঠিকই ঘটায়। এটাই তার কথা বলা। একক ¯্রষ্টা বিধাতা আল্লাহ দৃষ্টিহারা নন, নির্বিকার নন। তার প্রকাশ ভঙ্গি স্বতন্ত্র, আমাদের মত নয়। তাকে স্মরণ করে মনে রাখার নামই হচ্ছে ঈমান। একজন ঈমানদার কখনোই মিথ্যার বেসাতি করতে পারেন না। যদি করেন তবে আপনি ফেল ব্যর্থ ঈমানহারা একজন। আপনার ইহজীবন পরজীবনের লাইসেন্স পাবার সম্ভাবনা কম। নয়তো আপনিই সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। আপনার নামটি খোদাই করা চিরস্থায়ী খাতাতে উঠাতে পারেন। তবে শর্ত হচ্ছে আপনাকে প্রকৃত সত্যের গোলামী করতে হবে জন্ম থেকে মৃত্যু আজীবন। সত্য সত্য তার পরও সত্য, যেখানে মিথ্যার কোন বেসাতি চলবে না।

১২ই অক্টোবর ২০১৮।

পুনশ্চ: এ লেখাটি সাজিয়েছি ১২ অক্টোবর ২০১৮। কিন্তু হয়তো ব্লগে দিতে হলে আমাকে সাজানোর সুবিধার জন্য অন্য আগের একটি তারিখ ব্যবহার করতে হবে যাতে লেখাটি আমার লেখার লিংকসমূহের মোট ডাটা কলামের নীচের দিকে থাকে। এ লেখাটি নিউইয়র্ক ভিত্তিক সাপ্তাহিক পত্রিকা রানারে ২০১৮ সালের ১৮ই অক্টোবরে ছাপা হয়েছে।

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: