Articles published in this site are copyright protected.

ভাসুরের নাম নিতে আপত্তি থাকার পরও টকশোতে আরাফাতগংরা  মিথ্যাচার করলেও জাতি জানে কারা পেট্রোল বোমাসহ ধরা পড়েছে ও খবরের শিরোনাম হয়েছে। এত ধড়পাকড়ের পরও তারা ডাবল ট্রিপল মিথ্যাচারের পক্ষে সাফাই গেয়ে ডাবল ট্রিপল মাপে পাপ জমাচ্ছে। আজ ২৭ মার্চে দেখি বিএনপি নেতা ফখরুলসহ ৩৬জন নেতাসহ  মোট ৪৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠিত হয়েছে, শুনানী ১ জুন। তারা নাকি ২০১২ তে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরন ও আগুন দিয়েছেন, তাই মামলা দিয়ে আগাম নির্বাচণী প্রচারে বাধা হতে ঠিক সময়ে আদালত সেটি উচ্চে তুলে ধরছে। মনে হচ্ছে সরকার আর আদালত এক সমঝোতায় হাটছে, এসব তার প্রমাণ নয়, বলার অবকাশ কম। মামলার বাদী তেজগাঁ থানার উপ পরিদর্শক, সবই এক সুরে গাঁথা। এখানে নির্যাতীত জনগনের পক্ষে দাঁড়াবার কোন এজেন্ট ময়দানে অপেক্ষায় নেই, এটিই ২০১৭এর বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা।

আপনারা সবাই কম বেশী জানেন ব্যাংকের টাকা কোন পথে কার পকেটে গেল। এমন সংকটে ব্যাংকে আগুন না দিলেই নয়। কারণ বলা তো যায় না যদি আবার কেঁচো খুড়তে কখনো আসল ধামাচাপা দেয়া বিষধর মাথা বের করে?  সে আগুন থেকেও মানুষকে সরিয়ে দিতে হবে। কত দিক সামলাতে হয় সরকার নামের প্রতারককে! দুরন্ত ছেলেপেলের মায়েরা কি শান্তিতে থাকতে পারে? যদিও খবরের হেডিং শিরোনাম রিজার্ভ চুরির হোতারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে আছে, কিন্তু ওটি উন্মোচন করার কোন দায় সরকারের যেমন নেই প্রশাসনও চুপ আদালতও চুপ, রাবিশ অর্থমন্ত্রীও ধমকের চোটে নির্বাক, দম ধরে বলেন সামান্য দুর্ঘটনা। এটি ঠিক কেউ উদ্যোগ নিলেও কিছু করতে পারবে না বরং উল্টো নিজের মরণ ত্বরান্বিত করবে। হয়তো বিধাতার বিচারে সত্য যুগ হলেও সরকারী হিসাবে চরম অন্ধকার যুগ চলছে ডিজিটাল বাংলাদেশে। কোন সত্য প্রকাশ করা যাবে না। কেউ সামান্য নড়লেই হবে পদের রদবদল, ওএসডি, হুমকি ধমকি, গুম লাশ কিছুই বাদ যাবে না। চিহ্নিত যে বা যারা এসব মিথ্যে অপারেশন নামের যুদ্ধে মারা যাচ্ছেন এরা প্রকৃত জঙ্গিযুদ্ধে মারা যাচ্ছেন এটি বলার সুযোগ খুউবই কম। কারণ এখানের সাজানো কোন অংকই সেটি স্পষ্ট করে না।  ধারণায় এরাও ষড়যন্ত্রের শিকার, কৌশলের কাছে লাশ হয়ে এদেরে সাফ করা হচ্ছে। সে হিসাবে জোর গলাতে বলা যায় এরা সত্যিকারের সৈনিক ছিলেন, জনগণের প্রকৃত সেবক ছিলেন। এ সম্ভাবনাই সব গবেষণাতে অনেকের কাছেই এটি প্রকটভাবে স্পষ্ট হচ্ছে।

২১ আগষ্ট ২০০৪এর  সব জঙ্গি নাটকও ছিল হাসিনা নামের তখনকার বিরোধী পক্ষের ষড়যন্ত্রী কারসাজি। খোদ আগষ্টের বোমা হামলায় যেখানে কোন বোমাই হাসিনার দিকে ছোড়া হয়নি, বরং ছোড়া হয় মাটিতে যারা ছিলেন, সেদিন তারই ষড়যন্ত্রে মরেন আওয়ামী স্বজন আইভি, প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের স্ত্রী। সেটিও সবাই জেনেছে প্রধানমন্ত্রী বার বার তাকে ডেকেছেন মঞ্চে চলে যেতে তিনি যান নাই, তাই মরতে হলো তাকে। এসব অনেক তার নিজেদের লোকেরাই দলিলে স্পষ্ট করেছেন সেদিন। ঐ সময় বিএনপি সরকারই এসব বিরোধীকে কঠোর হাতে দমন করে এবং আজকের জঙ্গি হামলার মতই আওয়ামী নেতার আত্মীয়রা ধরা পড়েন যার খেসারতে বিডিআরএর প্রধান প্রকৃত দেশপ্রেমিক ডিজি মেজর জেনারেল শাকিলকে খুব কৌশলে দুনিয়া থেকে মুছে দেয়া হয়। দেখা গেছে পরবর্তীতে হাসিনা সরকারে আসলেও এসব দ্বিগুণ তেজে মহানন্দে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আজ পুনরায় দেখা যাচ্ছে ঐ ভাইরাস আবার মহানন্দে ময়দানে সচল। এর জলজ্যান্ত প্রমাণ ইতিহাস ও তার চারপাশের অসংখ্য দাগ। সিলেটের প্যারা কমান্ডোদের এসব কর্মকান্ডে মুখর প্রশংসায় ভারতীয় সাবেক সেনাকর্মকর্তারা (২৮ মার্চ ১৭, আমাদের সময়) বস্তুত এসব প্রশংসা “র” এর পাওনা, স্পষ্ট করলেই পারতো তারা। শের-ই বাংলা একে ফজলুল হক বলতেন, “যখনই দেখবে কলকাতার দাদারা আমার প্রশংসা করছে তখনই বুঝবে যে আমি আমার দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছি” কথাটি জাতির জন্য স্মরণীয় বাণী। এসব চালাবে সেনাবাহিনী পুলিশ থাকতে সবকিছুতেই কেন প্রধানমন্ত্রী? প্রশ্নটি জমা রাখুন! “অপারেশন টোয়াইলাইট: শুরু থেকে শেষ” (আমাদের সময়, ২৮ মার্চ, ১৭) সেখানে স্পষ্ট হয় এসব প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার আলোকে সেনাবাহিনী অপারেশন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। রাষ্ট্রীয় মদদেই বাংলাদেশে ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়েছে বলেছে, এফবিআই (বুধবার ২৯ মার্চ, ২০১৭)। প্রতিটি বিতর্কীত কর্মে এটি স্পষ্ট যে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এজেন্ট নন, দাদাদের এজেন্ট। 

এরকম সময়ে লন্ডন থেকে এক সংবাদ কর্মী বিশ্লেষক ভাই আখতার মাহমুদ ডজন খানেক যুক্তি এনেছেন, অবশ্যই তা চিন্তাশীলদের চিন্তা জড়ো করে। তিনি বলেছেন এটি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে। বিডিআরে ৫৭ সহ ৭৪ মেধার মরণ তার নির্দেশে, বাইরে আর্মি প্রস্তুত থাকলেও প্রধানমন্ত্রী হাসিনার হুকুমের অভাবে এরা মারা যায়। একই ভাবে হলি আর্টিজানে কমান্ডো সময়মত পাঠানো হয়নি, সেদিন শেষ সময়ে মাত্র ১০ মিনিটে মরেন ২৬ জন। সম্প্রতি সিলেটে সেরা মেধাবী কমান্ডোরা এক জেনারেলের নেতৃত্বে তিন দিনে মারলো ২ জঙ্গি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, হামলা নয়, ধাক্কাধাক্কি বিস্ফোরনে ৩ পুলিশসহ ৬ মৃত্যু! স্মরণীয় এখানের একজন পুলিশ ইউএসএ তে বোমার উপর এক বছর ট্রেনিং প্রাপ্ত, নিহতদের একজন ছাত্রলীগ নেতা। সংক্ষেপে যারা (১) ১০ মিনিটে ২৬ লাশ ফেলতে পারে তারা কেন চার দিন নেয় চার জন মারতে। যদিও দৃশ্যত ভয়ঙ্কর কিছুই ছিল না। (২) সেনা ও পুলিশের এত নিরাপত্তার মাঝে ছাত্রলীগ নেতা বোম্ব ডিসপোজেবল ইউনিটের সাথে কি কাজ ছিল এখানে? ছাত্রলীগকে কেন পুলিশ ও সেনাদের মাঝে প্রায়ই দেখা যায় (৩) এসব প্রশিক্ষিত বাহিনী কি বাস্তবিকই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য, না আর কোন অপকর্মের জন্য, সে প্রশ্নও স্পষ্ট হচ্ছে। (৪) কেন বিবিসি বলছে বাংলাদেশে আইএস আছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছে, না নেই। (৫) কেন বাংলাদেশ রিজার্ভ চোর ঘুরে বেড়াচ্ছে বিবিসির রিপোর্ট বের হওয়ার ৩ ঘন্টার মাঝেই ব্যাংকের ১৩ বা ১৪ তলাতে ফরেন এক্সচেঞ্জের অফিসে আগুন লাগে? (৬) কেন আগুন লাগার খবরের পরে পরেই জঙ্গি হামলা হলো? (৭) ২১ দিন আগে পুলিশী হেফাজতে থাকা নিহত জঙ্গী বিমানবন্দরে কিভাবে আত্মঘাতি বোমা হামলা চালায়? (৮) কথিত জঙ্গীর পরিবার থেকে চেকের মাধ্যমে নেয়া ঘুষের সাত লাখ টাকা কার একাউন্টে জমা হয়? (৯) কেন ভারতীয় হিন্দী সিনেমার আদলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আগেই এরকম একটি সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়? (আমরা জানি ভারত কাশ্মীরের আফজাল গুরুর ফাঁসিতে সাজানো নাটকই বড় ভূমিকা পালন করে) (১০) ৭১ পরবর্তীকৃত সকল অপকর্মের আসামী সম্ভাব্য শত্রু রাষ্ট্র ভারতের সাথে কেন প্রতিরক্ষা চুক্তি করা? (১১)  কেনই বা ভারত থেকে নিচুমানের অস্ত্র কিনতে হবে, কার স্বার্থে? আখতার মাহমুদ জানতে চেয়েছেন প্রায় ডজনখানেক প্রশ্নের জবাবেই লুকিয়ে আছে জঙ্গী নাটকের মূল সুর। পাঠক খোলা মন দিয়ে বিবেক দিয়ে আপনারাও খুঁজুন, জবাবটি নির্ঘাত পেয়ে যাবেন। সত্য প্রকাশ হওয়াই সত্যের নীতি, কিছুদিন চাপা দেয়া যায় হয়তো বা। সংকট প্রকট কারণ মিডিয়াও অথর্ব, পারছে না প্রকাশ করতে নানা জটিলতাতে। নেতা কর্মী গুম সরকারী রুটিন ওয়ার্কের আওতায় হচ্ছে, প্রতিটি সচেতন আঁচ করছেন। তাই আকাশ, বিকাশ, বাধন, ডন টাইপের নাম দিয়ে কিছু আগে এদেরে হত্যা করা হয়েছে। অস্ত্র হিসাবে আছে একে-২২ রাইফেল আর নাইন এমএম পিস্তল। কাউন্টার টেররিজম মনিরুলের দাবী অনুযায়ী এটি ভারতে তৈরী। দেখুন কিভাবে বন্ধু রাষ্ট্র এসব যোগান দিচ্ছে সন্ত্রাসীদেরে যাদেরে তারা লালন করছে আর মশলাও দিচ্ছে। বিনা অপরাধে এসব স্বাধীন দেশের নির্দোষ মানুষ মারছে সরকার সবার নাকের ডগা দিয়ে। আর কাজটি করছে তারাই যাদের হাতে দায়িত্ব মানুষের জান মালের নিরাপত্তা দেয়া। বেড়াতে ধান গিলে খাচ্ছে। বেড়া জানে না যতই গিলুক যেদিন এর ফেরত হবে তখন কি কোন আদালত এত মৃতের ভার বইতে পারবে? তারপরও ঐ বন্ধুর কাছ থেকে কেন অস্ত্র কেনা বা প্রতিরক্ষা চুক্তি করা? এ জাতির সামনে কি আর কোন পথ খোলা নেই। তার চেয়ে বঙ্গপোসাগরে গিয়ে ঝাপ দিয়ে মরে গেলেই কি ভালো নয়? দেশবাসী এমন সংকট থেকে বাঁচতে ঝাপ দিন নয়তো প্রতিরোধে মাঠে নামেন!! নীচের ভিডিওতে জানুন কিছু ঐতিহাসিক সত্য তথ্য, দরকারে গবেষনা করুন। রিজার্ভ ফান্ডের দলিল প্রমান বিনষ্টে চলছে নানা রকম ষড়যন্ত্র। ভিডিওটি দেখতে পারেন। 

Andolon News | 24 Mar 2017 | রিজার্ভ ফন্ডের টাকা লোপাটের দলিল প্রমাণ বিনষ্টে চলছে নানা রকম ষড়যন্ত্র।

 

অতীতে দেখেছি আমরা আওয়ামী লীগের নায়করাই জঙ্গির মূল যোগানদাতা, অতপর বাতাসে মিলিয়ে যান। মনে কি পড়ে সিলেটের আতিয়া মহলের আদলে গাজীপুরে গত বছরের ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর শনিবার পুলিশী মঞ্চনাটক। ১ মাস আগে প্রশাসনই ভাড়া নিয়েছিল হাড়িনালের ঐ বাড়ি। এভাবে সেদিন উন্মোচন হলো গাজীপুরে জঙ্গি নাটকের রহস্য। গত ৮ অক্টোবরের সে মঞ্চনাটকের নাম ছিল অপারেশন শরতের তুফান, এতে সাতজন নিহত হয়। হাড়িনালে ২ জন, টাঙ্গাইলের কাগমারায় ২ জন এবং সাভারের আশুলিয়াতে ১ জন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকদের কাছ থেকে এসব ভয়ঙ্কর তথ্য জানা যায়। অভিযানের আগের রাতেই বাড়ীটি ঘেরাও করা হয় পুরো পশ্চিম হাড়িনাল এলাকায়। একদিনে ১১ কথিত জঙ্গি হত্যার এই পুরো নাটক নির্মিত হয় আওয়ামী পুলিশের সংগঠন পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুরের এসপি হারুনের নেতৃত্বে। যিনি ইতিপূর্বে প্রকাশ্য রাজপথে বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদিন ফারুককে অন্যায়ভাবে পিটিয়ে আহত করেছিলেন। অতপর আল্লাহর বিচার একটু দূরে হলেও আসবে না সেটি, বলা ঠিক না। সময় হলে ঠিকই আসে, যদিও আমরা বুঝি না মনে করি দুনিয়া বুঝি হাতের মুঠোয় নেয়া যায়। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারো হাতেই দুনিয়া নেই, সেটি বুঝতে পারলে ভালো হতো।

বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের আগুন কাকতালীয় না পরিকল্পিত? জনকন্ঠ ছেপেছে, আমাদের সময়ও ওটি ছেপেছে। এসব হচ্ছে সরকারের জটিলতাকে হালাল করার নির্দেশিত সাজানো কলাম। প্রমান দেখুন, ঐ কলামে এসেছে ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক (ঢাকা) সমরেন্দ্রনাথ বিশ^াস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, এসব সামান্য ঘটনা, এসব শুধু শুধু বড় করে দেখা হচ্ছে, চায়ের কিটলী থেকে এসব হতে পারে? তার দৃষ্টিতে চেয়ারের টাওয়েলটিও পুড়ে নাই। কিন্তু এদিকে চায়ের কেটলীতে যে সারা দেশ পুড়ে যাচ্ছে সেটি সমরেন্ত্রনাথরা কোন সময়ই দেখবেন না। কিন্তু দিনের আলোতে পরিদর্শকরা দেখেন সেখানে মুদ্রানীতি বিভাগের মহা ব্যবস্থাপকের পুরো কক্ষই পুড়ে যায়। কম্পিউটার আসবাবপত্রসহ কিছুই বাকী নেই, সব পুড়ে ছারখার। তার কক্ষেও কম্পিউটার আসবাবপত্রসহ পুড়ে ছারখার। তার ব্যক্তিগত সহকারীর কক্ষের সবকিছুই পুড়ে গেছে। এসব কক্ষগুলি হলুদ ফিতা দিয়ে ঘিরে রাখা, সেখানে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না।  ওদিকে মন্ত্রী নাসিম বলছেন বিএনপি জামায়াত সারা দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান ঘটিয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিরা প্রধান বিচারপতিও বলছেন আমরা অনিরাপদ। যদিও জনতার পক্ষে বলা যায় কুচাই এলাকার নিরপরাধ ফাহিমের পরিবারের মত নিরপরাধদের মৃত্যু কান্নাতে এদের কারো চোখ ভিজে না। এসব দুর্নীতি নির্মূলে সরকার দ্বিধান্বিত, বলেছে টিআইবি (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ)। একটি অংশ এসব দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতে চায়, এটি স্পষ্টভাবে এসেছে। হলমার্ক, বেসিক ব্যাংক, বিসমিল্লাহ গ্রুপের অর্থ আত্মসাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। এছাড়াও আছে ঋণ নেয়া ও ঐ টাকা আত্মসাতের ঘটনা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ব্যাংক নাজুক অবস্থানে, খেলাপি ঋণের পরিমান ৬৩ হাজার ৪৩৫ কোটি টাকা। টাকা আত্মসাতের দু মাস পর জনগণ জানতে পারে অন্য দেশের বরাতে। দেশের মুখ চাপা, গণ মাধ্যম সত্য প্রকাশ করতে পারে না। প্রকাশিত দেশ ফিলিপাইনই স্পষ্ট করে বাংলাদেশের ভিতরের লোকজনই এতে জড়িত। এর স্বপক্ষে সব প্রমান। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকও একই কথা বলছে। এর জন্য তদন্ত প্রকাশিত হচ্ছে না, মাঝে মাঝে মুখ ফসকে সত্য বলা অর্থমন্ত্রী আবুল মালও এটি প্রকাশ করেছেন যে এসব প্রকাশ করা যাবে না। ডাল মে কুচ কালা থাকার কারণে এসব জটিলতা! যদিও সাধারণের জন্য ভাসুরের নাম নিতে মানা, তবে চিরন্তন সত্য হচ্ছে আজরাইল কিন্তু ভাসুর মানে না!

নাজমা মোস্তফা

২৮ মার্চ, ২০১৭।

 

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: