Articles published in this site are copyright protected.

আমরা স্বাধীন হয়েছি কারো তাঁবেদারি করার জন্য নয় — শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান

নির্যাতীত মানুষকে বাঁচতে উদ্যোগ নিন, গর্জে উঠুন সামনে কোন পথ নেই। আগে উপরের ভিডিওটি দেখুন।

আমরা স্বাধীন হয়েছি কারো তাবেদারী করার জন্য নয়, এটিই ছিল জিয়ার কথা। নির্যাতীত মানুষকে বাঁচতে এসব সঠিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সিলেটের উস্তার আলীর বিশাল বহুতল ভবনটি পুলিশ কমিশনারের হিসাবে ঝাঝরা করে দিয়েছে জঙ্গি নাটক। তিনি সরকারী দলের সদস্য নন, তাই তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সরকারী ইন্ধনেই এসব হচ্ছে। এবার চোখ পড়েছে মৌলভী বাজারে বড়হাট ও ফতেহপুরের দুটি বাড়ীতে। কুমিল্লার কোটবাড়ি উপজেলার গন্ধমতির “আরমানী” নামের তিলতলা ভবনে ঘিরে রেখে একই তালে (২৯ মার্চ)। এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে সামাজিক ডাক দিয়ে জনগণের রাজপথে নেমে আসা উচিত। জনতারা হাজারে হাজারে নেমে আসলে তারা পালাবার পথ পাবে না। এসব জটিল স্পষ্ট করণে প্রমাণাদি তুলে দিন রাষ্ট্রদূতদের হাতে। মানবাধিকার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক তদন্ত ও হস্তক্ষেপ চান। আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করুন। পুলিশ কর্তৃক সৃষ্ট জঙ্গিনাটক ও মানবাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বিভাগে দলিল পত্র সহযোগে অভিযোগ দিন। অবশ্যই বাঁচতে হলে সঠিক উদ্যোগের বিকল্প নেই। জনমনে প্রশ্ন এসেছে এবং আসছে যে এসবের ভেতরে প্রধানমন্ত্রীর মদদ আছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে এ সরকার। গুলশান হলি আর্টিজনে যা দিয়ে (জাকের নায়েককে ছোবল দেয়া হয়), অতপর প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা জঙ্গি দমনে সক্ষম হয়েছি। তারপরও প্রতি ইস্যুর আগেই কেমন করে আবার জঙ্গিরা নতুন করে জন্মায়? কিয়ামত পর্যন্তই কি এরা আওয়ামী লীগের চারপাশে ঘুরবে? এতে এটি স্পষ্ট যে, এ ক্ষমতাধর দুর্বৃত্তদেরে দূরে সরাতে পারলেই দেশটি সমূহ বিপদ থেকে বাঁচতে পারবে। বহু অধ্যুষিত দেশে যা অসম্ভব , মানুষ কোন সূত্রও বলতে পারে না বরং তাদেরে চারপাশ থেকে কৌশলে ১৪৪ ধারা দিয়ে সরিয়ে নেয়া হয়। দেখুন একই কারসাজি। এখানেও প্রবাসীর বাড়ী চয়েস করা হয়েছে, বেছে বেছে বাড়ীগুলো নিচ্ছে সরকার।

LIVE নিউজ সরাসরি : মৌলভীবাজারে  অভিযান হিট ব্যাক প্রচুর গোলাগুলি হচ্ছে ৪ জঙ্গি আটক।

 

জঙ্গি হামলার সাথে সাথে অনেকগুলি লেখা লিখেছি। 1(গুলশান জঙ্গি) একই নাটক দেখে দেখে 2 (শেখ হাসিনা ও জয়ের কারণে Zongi) একঘেয়ে নাটকে অরুচি ধরে উৎসাহ কমে গেছে,  3 (কল্যানপুরের জঙ্গি) মনে হয় সবই সরকারের চাতুরী নিজের অপকর্ম ঢাকার মিথ্যে প্রয়াস মাত্র। সম্প্রতি  ঢাকা পায়রা রেলপথ নির্মাণ ২৪০ কিলোমিটার, খরচ ধরা হয় ৬০,০০০ কোটি টাকা। দেয়া হয় ডিপি রেলের নামে এক ভুঁইফোড় কোম্পানীকে স্বাভাবিকের ১০গুণেরও বেশী খরচ দেখানো হয়। দেয়া হয়েছে বৃটেনে এক অখ্যাত কোম্পানীকে যাতে রক্তচোষা প্রজন্ম বাঁচে। মনে হয় সত্য যুগ চলছে, কিছুই লুকানো যায় না। শুনছি র‌্যাবের সাতখুনের নটরাজ জিয়াকে প্রমোশন দেয়া হয়েছে, জনতার জবাব হাসিনা সরকার গন্ডা গন্ডা খুন দেখে উৎফুল্ল, তাই পুরষ্কার। জঙ্গি, সেটিও রক্তচোষা প্রজন্মের সৃষ্টি। প্রতিটি জঙ্গি নাটক পরখ করে চশমা ছাড়াই পথচারীরা মন্তব্য করছে র‌্যাব পুলিশ মনিরুল বেনজির মনির ছাড়া বাংলাদেশে কোন জঙ্গি নেই। ৯৫% মুসলিমের দেশে এসব জঙ্গিতে জড়িত র‌্যাব পুলিশ ঈমানের সব পরীক্ষায় ফেইল। দেশে জঙ্গি নয়, বরং অমানুষে ভরে গেছে। নাটোরে আ’লীগ সভাপতির অনুমতি না নেয়ায় বৃদ্ধার লাশ কবর দেয়া গেল না, এটি ছিল খবরের শিরোনাম। সিলেটের আতিয়া মহেলর জঙ্গিতেও আওয়ামী ক্যাডার, অন্যেরা ধরা পড়লে রক্ষা ছিল না। সরকারসহ তার মন্ত্রীরা গোটা জাতিকে কুমড়া মোরব্বা করে দিত!!!

হামলা চালাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মনির নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, অন্য হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী অহিদুল ইসলাম অপু (২৫) কে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এরা আরো বড় কিছু করতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন। কারণ এসব করা হচ্ছে মূলত ভারতীয় তালিতে “র” এর নির্দেশে এসব পরিচালিত হওয়ার সম্ভাবনাই অতিরিক্ত। কারণ হচ্ছে সামনের প্রতিরক্ষা চুক্তিটি বাংলাদেশের গলা দিয়ে গেলানো। উল্লেখ্য কঠোর নিরাপত্তার মাঝেই এসব বিস্ফোরকের ঘটনা সব ঘটছে। জনগণ ধারে কাছেও নেই, শুধু শয়তান আর জঙ্গীরা ময়দানে। তারপরও ৭৮জন নাগরিককে বিল্ডিং থেকে সরকারী তান্ডবে বের করে আনা হয় কিন্তু জঙ্গিরা কি কারণে একটি গুলি বা বোমা বিস্ফোরক কিছুই ছুড়লো না, তার জবাব কি হতে পারে? বেগম মর্জিনা কি ঘুমিয়ে গিয়েছিলেন যারা আগে “সোয়াত আয় সোয়াত আয়” বলে ডাকাডাকি করলো?! কি তার মর্তবা? এত বড় নাটক সামাল দিতে কিছু লাশ জরুরী! তাই নিদেন পক্ষে দুই পুলিশ ইন্সপেক্টরসহ ৪ লাশ আর বাদবাকী ১৫/২০ আহত (শনিবার, ২৫ মার্চ ২০১৭)! অতীতে হাসিনা বলতেন লাশ ফেলো নিজের দলের হলেও, ক্ষতিপূরণ দিয়ে পুশিয়ে দিব! তিনি অর্ডারে লাশ ফেলাতেন, ক্ষমতায় যাওয়ার সিড়ি হয়ে লাশ পড়তো, তিনি গ্লিসারিন রুমালে মেখে কান্নার নকল ভান করে ময়দানে হাজির হতেন। রুমালের আড়ালে মুচকি হাসতেন। যে বই প্রমান হয়ে ছেপেছিল সে সত্য প্রকাশ হয়ে পড়াতেই তিনি সত্য ধামাচাপা দিতেই বইটি বাতিল ঘোষণা করেন। নয়তো ঐ সাহসী বীর পুরুষ বইটি অপকর্মীর সামনেই প্রকাশ্যে ছাপার সাহস রেখেছেন কারণ তিনি বক্তব্যে অকপট ছিলেন, আল্লাহর স্বপক্ষের কাজ করেছেন। “আর সত্যকে তোমরা মিথ্যার পোষাক পরিয়ো না বা সত্যকে গোপন করো না” সুরা বাক্কারাহএর ৪২ আয়াত। এখানে লেখক মতিউর রহমান রেনটু অতি শক্ত মানের ঈমানদারএর কাজ করেছেন। ধারণা হয় এর পুরষ্কার তার পাওনা হয়ে আছে, তিনি পাবেন।

জঙ্গি হামলা করে সরকার হটানো যাবে না বলেন সেতুমন্ত্রী কাদের (৩০ মার্চ) এটি বলার জন্যই তারা নকল নাটক সাজাচ্ছে এবং স্পষ্ট করছে ক্ষমতা ছাড়বো না। বিবেকতে সচল রেখে চিন্তাকে কাজে লাগান। কত সহজে আসামীকে সনাক্ত করা যায় দেখুন। সাম্প্রতিক সিলেটের জঙ্গি খবরের দ্রষ্টব্য হচ্ছে ঢাকা থেকে ভিকটিমদেরে এখানে এনে বাড়ীর ভিতরে আগেই রাত ১০টার দিকে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে তালা দিয়ে এই জঙ্গি নাটক সাজানো হয়। পুলিশ বলছে আগে থেকেই সেখানে বিস্ফোরক রাখা ছিল। পুলিশ বাহিনী স্পষ্ট করে দেশে গোয়েন্দা থাকার পরও শেষ মূহূর্ত ছাড়া তারা কখনোই কিছু টের পায় না। যখন কোন নষ্ট চুক্তির সময় ঘনিয়ে আসে তখনই এসব জরুরী ভিত্তিতে দরকারী হয়ে পড়ে। দূরে থাকা আতিয়া মহলের বাড়ীওয়ালার বক্তব্য হচ্ছে যে কাউকে পুলিশ বন্দুক ও হয়রানির ভয় দিয়ে ভাড়াটিয়ার ফরম পূরণ থেকে সবই করানো সহজ। সব সময়ই দেখা গেছে তারা কয় মাস আগে নিজেরা একটি বাসা ভাড়া নেয় এবং নাটক সাজায়, ক্রস ফায়ারের নামে কিছু মানুষ মারা হয়। গাজীপুরে গত বছরের ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর শনিবার পুলিশী মঞ্চনাটক। ১ মাস আগে প্রশাসনই ভাড়া নিয়েছিল হাড়িনালের ঐ বাড়ি। এভাবে সেদিন উন্মোচন হলো গাজীপুরে জঙ্গি নাটকের রহস্য।শেখ মুজিবের সময় কালিন জহির রায়হান হত্যা থেকেই এসব মিথ্যাচার সমাজে চালু হয়ে গেছে। তবে স্মরণযোগ্য! আসল আদালত থেকে কেউই ছাড়া পাবেন না। জঙ্গি হতে যে কেউ আল্লাহু আকবর বললেই প্রমাণ হয় জঙ্গি মর্জিনা লাফাচ্ছে। এরকম অর্জন দিয়ে তারা আল্লাহকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। উল্লেখ্য মদিনার সনদ, নূহের নৌকা, আল্লাহু আকবর, সাদা কালো আল্লাহ মোহাম্মদ ফলক ব্যবহার, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, এসবই ছলবাজ মুনাফিকির যুদ্ধাস্ত্র, এসব ঈমানদারীর লক্ষণ নয়। ঈমান চোখে দেখা যায় না, এসব মিথ্যা ধর্মধারীদের হাতিয়ার, কুরআনের মত একটি ব্যতিক্রমী  ঐশীগ্রন্থে এদেরে মুনাফেক বলা হয়েছে। এর উপর একটি সুরাও নাজেল হয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে কখনোই বলে না মুসলিমরা জঙ্গির নামে আল্লাহকে ব্যবসার পসরা সাজিয়েছে। কখনো অল্পশিক্ষিত আবার ইদানিং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের তুখোড় ছাত্রও ছাটে পড়ছে। যুক্তিটি হতে পারে প্রতিপক্ষের পথের কাঁটা এরা। নর্থ সাউথ শিক্ষার্থীরাও ধরা খাচ্ছে সম্ভবত সংস্থাটির ক্রেডিটে ভারতের অনীহা, ভারত চায় না এদেশের বাচ্চারা দেশে পড়–ক, কেন ভারত নয়, ভারত তার দেশটির স্বার্থে ভাল বেঁচে থাকার জন্য আজ বাংলাদেশের কলিজাতে এমন কামড়ের পড় কামড় বসাচ্ছে, এ হচ্ছে সোনা বন্ধুর মরণ কামড়।

শয়তানের অতি তৎপরতার কারণে মৃত জুয়েল রানা ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে মৃত্যু থেকে জীবন নিয়ে স্বজ্ঞানে পত্রিকা অফিস পর্যন্ত ছুটে যায় এটি প্রমাণ করতে যে সে মরে নাই। জানা মতে এটি বর্তমান পৃথিবীর একমাত্র সদস্য যে মৃতকে বাতিল প্রমাণিত করতে পেরেছে। তাদের সাজানো নাটক ষড়যন্ত্র আজ আল্লাহর আরশ স্পর্শ করছে। তবে মনে হচ্ছে মরেছে সরকার ও পুলিশ। সাক্ষাৎ জীবন্ত লাশ দেখে বেকায়দায়, জুড়ে দেয় গল্প, আইডি কার্ড হারার কারণে ছবি, বায়োডাটা সব বদলে যায়। এসব জটিল সময়ে পুলিশ কিন্তু উৎকন্ঠিত সাংবাদিকদের ঢুকতেও দেয় না কারো সাথে কোন কথাও বলে না। ডাল মে কুছ কালা নয়, বরং পুরো ডাল মে আলকাতরা ঢাল দিয়া। 

সিলেটের শিব বাড়ীর জঙ্গি আস্তানায় বার বার ধরা খাওয়ার পর এবার কিছু লাশ না ফেললেই নয়, পুলিশের ইজ্জত নিয়ে বাঁচা দায়।  ১০টা থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়, এরপরে গভীর রাতে ৫ তলা ভবনের ঐ বাড়ী থেকে বিস্ফোরকের শব্দ পাওয়া যায়। গোটা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা। পুলিশ ঘিরে রাখে জঙ্গি মহল। এর (৩০ ঘন্টা পর) পরদিন শনিবার সকাল ৮.২৮ মিনিটে তারা অভিযান চালায়। ঐদিন রাত পৌনে ৮টার দিকে আসে সেনা কামান্ডো দল। সাধারণ চলাচলও বন্ধ করে দেয়া হয়। শুক্রবার পড়ন্ত দুপুরে উচ্চস্বরে ফ্লাটের জানালা দিয়ে পুলিশকে জঙ্গি মর্জিনাসহ (নারী পুরুষ)  চিৎকার দিয়ে দ্রুত সোয়াত ফোর্স পাঠাতে বলে। দেরী যেন তাদের তর সইছে না, বলে দেরী কেন? দ্রুত সোয়াত ফোর্স পাঠাও! সবকিছুতেই অতি নাটকীয়তা দেখা যায়! ফেসবুকে কিছু ছবিতে দেখলাম তারা নাকি রেকি করছে কিন্তু অনেকের হেমলেট পরা নেই, অগোছালো প্রস্তুতি, মনে হচ্ছে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে দু একটা লাশ পড়েছে পুলিশের, একটি লাশ সুনামগঞ্জের এক ভাইএর। ধারণা হয় তিনিও নীতি ধর্মে ধরা খাওয়া গোষ্ঠীর কেউ হবেন হয়তো বা। হাসিনা সরকার খুব ভালো করে জানে লাশ ছাড়া রাজনীতি নড়ে কম। তাই তার লাশ চাই সব কিছুর একটি বড় দাবী ছিল বিগত শতকেও। আশা করি ভুলে যান নাই বিএনপির সময়ের দিনাজপুরের ইয়াসমিনের লাশও ছিল হাসিনার ফরমাইশী লাশ। উপরে তার প্রমাণ দিয়েছি। বিশেষজ্ঞ মনিরুলদের ভাষ্য অনুযায়ী প্রতিটি ফ্লোরে বোমা ও আইসিইউ পেতে রাখা। মিডিয়া সূত্রে কথা ছিল পুলিশ র‌্যাব ও সিটিটিসির প্রধান মনিরুল যাবেন বীরত্ব প্রদর্শনে। কিন্তু আসল মহড়াতে জানা যায় তিনি জান বাঁচানো পালিয়ে বাঁচা নাটের গুরু। ধারণা হয় সুবোধ ভালো মানসিকতার মানুষকে খুব কৌশলে ময়দান থেকে স্প্রিন্টার মেরে মারা হয়। স্বান্তনা পুরষ্কার হিসাবে সবশেষে গো টু সিঙ্গাপুর। অনেকে জানেন তিনি ছিলেন ৩৪ লং কোর্সের সদস্য। বিডিআরের ষড়যন্ত্রী ঘটনার পর হেলিকপ্টারে একজনকে আকাশে হত্যা করা হয়, বলা হয় দুর্ঘটনা, কারণ এটি করে তার মুখটি সিল করা হয়। এসব হচ্ছে একবিংশ শতকের নব উদ্ভাবিত ডিজিটাল কৌশল। 

আলীবাবা নাটকের মর্জিনাকে এখানে জঙ্গী মহিলা হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন উর্বর মস্তিষ্কের পুলিশ প্রধানরা। গলা ছেড়ে নাম ধরে ডাকছেন মর্জিনা আত্মসমর্পণ করো। এবার শুনছি না, এরা মানসিকভাবে খুব সবল, অপেক্ষা করা হচ্ছে এরা দূর্বল হয়ে আসুক, ভোর পর্যন্ত অপেক্ষা করে তারা আত্মসমর্পণ না করলে হামলা করা হবে। সবকিছুর একটি সীমা থাকে, এদের এসব ভাড়ামির যেন কোন সীমা পরিসীমা নেই। জাতি মরছে আর তারা সাজাচ্ছেন রকমারী নাম “স্প্রিং রেইন” বদলে “অপারেশন টুইট লাইট”। ২৪মার্চে সেখানে এক বোনের সাথে আমার কথা হয়, সে জানায় ঘোর অন্ধকার হয়ে ঝড় আসছে, ওমন ঝড় সে জীবনেও দেখেনি। পরদিন পেপারে দেখি ঠিকই ঐ সময় পুলিশ আশপাশের বাড়ীতে টর্চ লাইট খুঁজতে যায়।  এদিকে নাসিম বলছেন, বিএনপি জামায়াত সারাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটিয়ে হামলা চালাচ্ছে। এসব যদি নাই হয় তবে কিভাবে বিএনপি জামায়াতের ঘাড় মটকানো যায়? মন্ত্রী নাসিমের কুকীর্তি দেখি ইউটিউবে, পাবনায় কিভাবে একজন সৎ মানুষকে বের করা হয় বাকী সমস্ত প্রশাসন চোখের জলে তাকে বিদায় করে। হাজার হাজার মানুষ এসব দেখছে। দেখেছি কিভাবে হাসপাতালের কোটি কোটি টাকা মিথ্যা অপ্রয়োজনীয় ক্রয়ে নিজেদের সমঝোতার মাধ্যমে বাজেট লোপাট করছেন তিনি ও তার সাগরেদরা আর এরপরও এরাই গলা বড় করে চেঁচোয় আর সাধুতার ভন্ডামী করে!

শনিবার সকাল থেকে অপারেশন টুইটলাইট চলছে। জঙ্গি মুসা রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গণিপুর ইউনিয়নের বজ্রকোলার সন্তান। খবরে প্রকাশ নব্য জেএমবি প্রধান জঙ্গি মুসা মাদ্রাসার বা কওমী মাদ্রাসার ছাত্র বা শিক্ষকও নয় বরং  আওয়ামী লীগ সেক্রেটরির মেয়ের যামাই (২৭ মার্চ ছবিতে চোখ বাধা কেন? এ বুঝি প্রকাশ পড়ার লজ্জা!)। ওদিকে চ্যানেল আইএর রিপোর্টে জানা যায় ২৫ মার্চ আহত ফারুক এত নিরাপত্তার মাঝেও হাসপাতাল থেকে গায়েব হচ্ছে ২৭ মার্চ। নাম এসেছে ছাত্রলীগ নেতা জান্নাতুল ফাহমি ও অহিদুল ইসলাম অপুর। মৃত চারজনের মাঝে দুজনের লাশ ফেরত দেয়া হয়নি। ওরা ডেকরেটার্সএ কাজ করতেন তারা হচ্ছেন কাদিম শাহ ও শহীদুল ইসলাম, এছাড়া ৪৫জন আহত হয়েছেন। সেদিন একটি নিউজে পড়েছি তাদের পরিবার থেকে আহাজারি করছে যে এরা ঐ দিন কোথাও স্বাধীনতার দিনের অনুষ্ঠানের জন্য ডেকোরেশনের কাজ করছিল, এসব সরকারী ড্রামা ছাড়া আর কিছু কি? ওদিকে ভারতের হুমকি আসছে, বর্ডার সিল করে দেব। এটি তারা সব সময় বলে কিন্তু সিল করবে কি বরং বিশাল গরুসহ সবকিছু, ইয়াবা ফেনসিডিলসহ সবই ঐ ফাঁক দিয়ে সুর সুর করে দেশে ঢুকে। এসব জঙ্গি তালে ভারত জড়িত থাকার অনেক যুক্তি প্রমান দৃশ্যত সবার সামনে, এসব লাগাতার একই তালে সাজানো বাড়তি অনুসঙ্গ। ক্লোরোফর্ম স্প্রে,  ১৪৪ ধারা বহাল থাকা অবস্থায়, সাধারণকে দূরে সরিয়ে রেখে সব চোখকে ফাঁকি দিয়ে সাজানো হচ্ছে এসব নাটক। বাংলাদেশের অকর্মা পুলিশ সেনারা পারছে কম, এবার কর্মা ভারতের সহযোগিতা না হলে কেমনে চলবে ??

আবার একই দিনের খবরে প্রকাশ সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারে নির্দেশ দিয়েছে। যে দেশের মানুষের বেঁচে থাকার কোন নিরাপত্তা নেই সে দেশে বিচারকরাই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে একতরফাভাবে উদ্বিগ্ন!  বলা হচ্ছে এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেখে প্রধান বিচারপতি উদ্বিগ্ন! যারা ময়দানে নিরাপত্তা দেয় না, বরং বিপত্তি ঘটায় তারাই যদি উদ্বিগ্ন হয়,  তাতে এ জাতির সামনে কি পরিমাণ অন্ধকার সেটি স্পষ্ট হয়! সোমবার ২৭ তারিখের বরাতে নারীরা আজ শুধু ক্ষমতায় নয়, জঙ্গিতেও জড়িত প্রমান করতে সরকার বদ্ধপরিকর! সবশেষে নারীসহ ৪ জঙ্গি নিহত সেনাবাহিনীর বরাতে এসেছে। চাঁদপুরে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক (২৬ মার্চ), ২০১৭ সালে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী জঙ্গী কারা তারপরও কেন এসব স্পষ্ট হয় না? র‌্যাবের গোয়েন্দা প্রধান লেঃ কর্নেল আজাদের চোখে এবং মাথার ভিতরে বোমার স্প্রিন্টার ঢুকে যায়, ফলে বাঁচার সম্ভাবনা কম কিন্তু আর্মিকে স্বান্তনা দিতে তাকে সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। জানা যায় সেখানে তাকে ক্লিনিক্যালি মৃত পাওয়া যায়। বর্তমানে তাকে আর্টিফিসিয়াল রেসপিরেটরিতে রাখা হয়েছে। (অতপর ৩১ মার্চ মৃত ঘোষনা করা হয়)| বৃহষ্পতিবার রাত থেকে মিডিয়াতে প্রচারিত হয় পুলিশ র‌্যাব ও সিটিটিসির প্রধান মনিরুল গিয়ে সব পরিচালনা করার কথা থাকলেও কোন অজ্ঞাত কারণে তারা যায় নি। এটি একই বিডিআরের হাসিনা নাটকের মতই ঘটনা থেকে দূরে সটকে থাকা যাকে বলে। এরকম ঘটনা আরো প্রশ্ন বাড়িয়ে দিচ্ছে। ৩০ মার্চের ফতেপুরে ‘জঙ্গি আস্তানার খবরে প্রকাশ মৌলভী বাজার সদর উপজেলার হাসপাতালে ৭ জঙ্গির লাশ রেখে যায় আইনশৃংখলা বাহিনী (উৎস এনটিভি)। ৪টি শিশু বাচ্চা যাদের বয়স ১-১২ বছর, ২ নারী ৩৫, ৫৫ ও এক যুবক ৩৫, ক্ষতবিক্ষত মরদেহগুলি দুটি বস্তায় ভরে রেখে যাওয়া হয় হাসপাতালের মর্গে।  রাজধানীর কাফরুলে জঙ্গি সন্দেহে ২২ ও ২৫ বছরের দুই ছেলেকে পুলিশে দিলেন বাবা, (প্রথম আলো, ২৭ মার্চ ১৭)। এটি উদ্দেশ্যমূলক নয় বলতে পারছি না। কারণ যদি সত্যিই জঙ্গিতে বাবা অতিষ্ঠ হতেন ১৫ আসনের সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদারের উপস্থিতিতে (?) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। জঙ্গি প্রচারে এ নটিকীয়তাও নাটকের অংশ নয় কিভাবে বলি?

আপনারা জানেন এসব হলিআর্টিজেনের সাথে কিভাবে জাকের নায়েকও কৌশলে লেপ্টে যান। একই মঞ্চ নাটকে এসব সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রতিপক্ষের সব পথ সহজ ও সরল হয়। একই হাতে করা সবকটি অংক, এসব হচ্ছে মতলববাজের কারসাজি। যারা ইসলামকে খাঁচাতে পুরতে চায়, এসব কার কাজ সেটি কি বুঝতে কষ্ট হচ্ছে? কারণ গোটা বিশে^ শোরগোল পড়ে গেছে, জানা হয়ে গেছে এ ধর্মটিকে সামলে রাখা যাবে না। এটি মানবের ধর্ম হয়ে বেঁচে রইবে। এতদিন অনেক মানুষ তাবিজ কবজে, ঝাড়ফোঁকেই সন্তুষ্ট থাকতো, দেখা যেত হিন্দুরাও মাজারে বাতি দিতে ছুটে যেত, পূজার গন্ধ পেত যদিও মুসলিমরা অচ্ছুৎ, শুদ্রের মত। এবার আসল সৈনকিরা জেগে উঠছে, এটি মানুষ বুঝতে পারছে বলেই এত হাক ডাক সারা বিশ^ জোড়ে জোয়ার বইছে। সারা বিশে^  জয়ের আন মাস্কিং ছড়িয়ে গেছে। ভারতের এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া, পাকিস্তানের ডন, এক্সপ্রেস ট্রিবিউন, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিলেটের জঙ্গী আস্তানার কমান্ডো অভিযান ও আস্তানার পাশের বিষ্ফোরন, হতাহতের খবর বিশ^ মজলিসে হট কেকের মত বিকাচ্ছে। বিএনপি জঙ্গীদের রক্ষার জন্য জাতীয় ঐক্য চায় বলেন হানিফ এমপি (৩১ মার্চ ২০১৭)। সত্য কথাটি হচ্ছে দেশ ধ্বংসের নামে হানিফ নির্দোষ মানুষদেরে লাশ বানিয়ে ভারতীয় ঐক্যের নামে স্বাধীন বাংলাদেশকে সিকিমের আদলে অঙ্গরাজ্য বানাতে চান।  তাই জাকির নায়েক আজ আর নায়েক নন, নায়ক হয়ে গেছেন। এভাবে জঙ্গি নাটক হচ্ছে প্রতিরক্ষা চুক্তির কুইনাইন ডোজ, শক্তির দাপটে জাতিকে এ তেতো গেলানোর মহা কসরত চলছে। তারা ৭১এর যুদ্ধের মতই আচরণ করছে দেশবাসীর সাথে। দেখুন।

31 March 2017 | ৭১ এর পাক-হানাদার বাহিনীর মত আচরণ করছে শেখ হাসিনার বাহিনী।

নাজমা মোস্তফা , ২৮ মার্চ ২০১৭।

 

 

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: