Articles published in this site are copyright protected.

(আন্ডারলাইন করা ইটালিক : কোন লেখার বা ভিডিও লিংক ) 

নবী ইব্রাহিম জন্ম নেন মূর্তিপূজকের ঘরে এবং তার বাস্তবতার সাথে বেমানান মূর্তি পূজার অসারতা স্পষ্ট করণে মূর্তি ভাঙ্গার উদাহরণে তাকে ধর্মে ও ইতিহাসে জায়গা করে নিতে হয়। মূলতঃ তিনি মূর্তি ভেঙ্গেছিলেন তার স্বজনদের নির্বূদ্ধিতা ও মূর্তির অসারতা স্পষ্ট করতে। সে হিসাবে তার বাবা তার পরিবার সবদিন মূর্তিপূজক কিন্তু তিনি সেদিন থেকে আজও হানিফ নামধারী আত্মসমর্পিত মুসলিম। উভয় কুলের মাঝে দিন ও রাতের মতই বিস্তর পার্থক্য! এ দু’কুল যোজন যোজন দূরের দুই পারের বাসিন্দা। এ দুজনের জন্য কখনোই সার্বজনীন পূজা পালিত হয়নি বা ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ রচিতও হয়নি। কালের ধারাতে সংকীর্ণ বর্ণহিন্দুরা এমন অচ্ছুৎ নীতি অনুসরণ করে যে, ম্লেচ্ছ ( খোদ রবীন্দ্রনাথ তার সাহিত্যে এ নামে মুসলিমকে সম্মোধন করেছেন) মুসলিমের ছোঁয়া লাগলে ১০০% পূজা নষ্ট হয়, মুসলিমের ছোয়া লাগলে তাদের জাত যায়। বেশ দিন থেকে কিছু মুসলিম বেওকুফরা অতি উৎসাহের বশে প্রচার করছেন “ধর্ম যার যার উৎসব সবার”। মূর্তি পূজার কোন সংশ্রব ইসলামের সাথে কোন সময়ই মেলে নি, নবী ইব্রাহিমের সময় থেকেও না, নবী নূহের সময় থেকেও না। অসতর্ক অজ্ঞ মুসলিমদের অনেকেও এটি প্রচার করতে চাচ্ছেন যে, তাদের পূর্ব পুরুষরাও অসাম্প্রদায়িকভাবে পূজা পার্বনে যোগ দিতেন। এটি সম্পূর্ণ একটি মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ হিন্দুরা সবদিনই এতই ছুৎমার্গ ছিল যে কোন মুসলিম যোগ দিলে তাদের প্রায়শ্চিত্ত করতে হতো এবং তারা সব রসদ আয়োজন অবলীলায় ফেলে দিত। এসব আমরা হরহামেশা শুনেছি, দেখেছি, জেনেছি। নবী মোহাম্মদের সাথে কুরাইশের বিতন্ডার কারণ ছিল ঐ মূর্তি পূজা। “লাকুম দী নুকুম ওলইয়া দীন এর অর্থ এটি নয় যে “তোমার পূজা আমি করবো আর আমার পূজা তুমি করবে”। এ সুরাটি স্পষ্ট দুটি ভিন্ন ধর্মের ভিন্নতাকেই স্পষ্ট করে। যদিও অনেকে বালখিল্যতা দেখাতে গিয়ে অতি হিন্দুপ্রীতি কুরাইশ প্রীতি দেখাতে গিয়ে এসব কথাকে গুলিয়ে ফেলেন। নবীর স্পষ্ট কড়া সাবধানী নির্দেশ ছিল বিধর্মীরা যা করে তা কখনোই যেনো মুসলিমরা ফলো না করে। কিন্তু দেখা যায়, ছলে বলে কলে কৌশলে আজকের ময়দানে কিভাবে ঐসব ছলাকলাকে অনুসরণ করা যায় সেটিই মুসলমানকে গলা অবধি গেলানো হচ্ছে। আর এটি তারাই করছে যারা ধর্মের গন্ডিতে জন্ম গ্রহণ করলেও অজ্ঞতার মাঝে ডুবে আছে। ধর্ম তাদের অন্তরে যেমনি নেই, বাস্তবতায়ও সেটি অনুপস্থিত। মন ও মননে তারা কখনো অংশীবাদী কখনো ধর্মহীন। অনেক গবেষণাতে দেখা গেছে পৌত্তলিকতার কিছু সূত্র বিজ এসেছে ঐ আবর ভূমি থেকে।

বিশেষ করে বাংলাদেশের হিন্দুদের এ পূজা আর নারীদেবতারা মূলতঃ কুরাইশের ময়দান থেকে আমদানী করা। তারা বলে সনাতন, কিন্তু ধর্মের ইতিহাসে আদমের সময় থেকে মানুষের যাত্রা শুরু, সুতরাং মানব ইতিহাসে আদমের আগে আর সনাতন আসার কোন সুযোগ নেই। আর এই দেবীদূর্গা তো মাত্র সেদিনের দেবতা। তার কোন সনাতন ইতিহাসও নেই। মুসলিমদের নবী রসুলকে কালের ধারাতে যুগে যুগে ধর্মের কোলে ঠাঁই দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার মুসলিম পরিচিতি মুছে ফেলা হয়েছে। যার জন্য মুসার অনুসারীরা ইহুদী, নবী ইসার অনুসারীরা খ্রীষ্টান নাম ধারণ করেছে। প্যালেস্টাইনের মুসলিমরা এককালে মুসার অনুসারী ছিল বা শেষ নবী আসার পর তারা ইসলামে জায়গা করে নেয়।  তবে আজকালকার ইহুদীরা সেমেটিক নয়, এরা নবী মুসার বিশুদ্ধ অনুসারী নয়, এটি বর্তমানে খোদ ইহুদীদের গবেষনা লব্ধ যুক্তিতেও প্রমাণিত। আমার ব্লগের লেখাতেও এর উপর একটি কলাম এসেছে (জায়নবাদী  ২৫ আগষ্ট ২০১৬) তারিখে। এতদ অঞ্চলে পৌত্তলিক ও মুসলিম আরবরা সওদাগরী করতে আসতো, মুসলিমরা মূলতঃ বাঁচার জন্য ব্যবসা করতো এবং ধর্ম প্রচারের জন্য দেশবিদেশে ছড়িয়ে পড়তো। এভাবে ধর্ম ও ব্যবসা সমান তালে আগায়, অতি অল্পদিনের মাঝে সারা বিশে^ ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে উলুধ্বনি দেয় হিন্দুরা। একই কায়দায় মক্কায় নেমাডিক আরবরা উলুধ্বনি দেয় এখনও। যে কোন আনন্দ উৎসবে তারা এটি ব্যবহার করে। শেষ নবীর সময়কার আরবদের লাত, উজ্জাহ ও মানাহ ছিল তাদের প্রধান তিন নারীদেবী, তারা বলতো আল্লাহর কন্যা। বাংলায় আজো বলা হয় কোন কিছু মানত করা – এটিও পৌত্তলিক কুরআইশ আরবদের দেবী মানতের স্মৃতি বহন করে। কৃত্তিবাস ওঝা আরবী দেবী ওজ্জার কীর্তির বর্ণনা করে গেছেন। কালের ধারায় দূর্গাপূজা শুধু মাত্র বাঙ্গালী হিন্দুর একটি বিশেষ পার্বন। ভারতেও বাঙ্গালী পাড়াতে এটি পালিত হতে দেখা যায়। বাল্মিকীর রামায়নে দূর্গার নাম গন্ধও নেই, কৃত্তিবাস ওঝা তার বাংলা তরজমায় রামচন্দ্রকে দূর্গার পদতলে জায়গা দিয়েছেন। সর্পদেবী মনসাও পৌত্তলিক আরবদেরই দেবী। ইসলামের আগে মক্কার কাবা মন্দিরে তিনশত ষাটটি মূর্তি পূজিত হত। এদের মাঝে মূর্তি ভঙ্গকারী নবী ইব্রহিমের মূর্তিও পূজিত হত। মনসা, দূর্গা স্বরস্বতী, লক্ষ্মী প্রভৃতি নামের দেবীর নামের অপভ্রংশ বাংলাদেশে যা প্রচলিত হয়ে আছে তা অনেক আরবী শব্দের সাথে মিল আছে।

আরবে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হলে শেষ নবী মোহাম্মদ (সঃ) এর হাতে পৌত্তলিক আরববাসী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ঠিক তেমনি পরবর্তীতে বঙ্গদেশেও ইসলাম ধর্মের ছোয়া লাগলে পরে পৌত্তলিক হিন্দু বঙ্গবাসীদের অনেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলিম হন। আবার অনেকে ঐ প্রাচীনতাকে আকড়ে হিন্দু হিসাবে আজো টিকে আছে। উল্লেখ্য যে, বঙ্গবাসী মুসলিমদের ইসলামধর্ম যেমন আরব থেকে আগত, বঙ্গবাসী পৌত্তলিক হিন্দুদের পৌত্তলিকধর্মও তেমনি আরব হতে আগত। তাই জাতিগত হিসাবে এই দুই সম্প্রদায়ের মূলেই আরব দেশ ও আরব জাতি। স্মরনীয় বিষয় ইসলাম শুধু এই শেষ নবী নিয়ে আসেন নি। তারো বহু আগে এর পূর্ববর্তী নবীদের হাতেও চর্চিত হয়েছে এ একেশ^রবাদী ধর্ম।

উইকিপিডিয়ার সূত্রে পাওয়া দূর্গাপূজা: প্রথম এটি বৃটিশ ইন্ডিয়ার শুরুতে রাজা নবকৃষ্ণ দেব কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়ীতে  লর্ড ক্লাইভের সম্মানে পালন করেন ১৭৫৭ খৃষ্টাব্দে। শারদীয় দূর্গাপূজা মূলত বৃটিশ বন্দনায় নবকৃষ্ণ কর্তৃক দেশ বিক্রির এক ঐতিহাসিক নজির চিহ্ন। বৃটিশ বন্দনা করতেই হিন্দু মিরজাফরদের একজন দেশ বিক্রিতে বৃটিশ ভাগ পাওয়া দোভাষী নবকৃষ্ণের হাতে এর প্রথম আয়োজন হয়। সেদিন কোন চার্চ বা গীর্জা না থাকাতে এটি ছিল ক্লাইভের সম্মানার্থে সংঘটিত হিন্দু আয়োজন। তাদের এর সার্বজনীনতা প্রচন্ডভাবে স্বাধীনতা হারানোয় কালিমাযুক্ত হয়ে ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছে। ব্রাহ্মণ হিন্দুরা ও জমিদার শ্রেণীর নিজস্ব আয়োজনে এসব হয়। সেখানে তাদের প্রধান অতিথী ছিল তথাকথিত বৃটিশ মনিবরা। “ক্লাইভের দুর্গোৎসব” নামে ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর আনন্দবাজার একটি রবিবাসরীয় কলাম ছাপে।

from-wikipedia-about-durgapuza

Source: Wikipedia,  Old painting of Durga Puja in Kolkata at Shobhabazar Rajbari.

নবকৃষ্ণের আয়োজনে বৃটিশ বন্দনার উদ্দেশ্যে মদ্যপান বাইজি নৃত্য ও গরুর মাংস ভক্ষণ ছিল ঐ দিনের পূজার রসদ। বড়দাগে এটি স্পষ্ট করছে কিভাবে অতীতে একটি গোষ্ঠী একটি জাতির পথহারার দেশ হারার পিছনে শক্ত দালালী ভূমিকা পালন করেছিল। কিন্তু রাজ্যহারা অসাম্প্রদায়িক মুসলিমরা সেটি অবলীলায় এড়িয়ে গেছে। বরং তারা নিজেদের দালাল মিরজাফরকে যুগ যুগ ধরে একমাত্র অপরাধী  শিখন্ডী ধরে গালাগাল দিয়েই ক্ষান্ত থেকেছে। এটিও মুসলিমদের অসতর্কতার বড় নজির বহন করে চলেছে। নিজের পাগল সামলাতে ব্যস্ত বাংলাদেশের মুসলিমরা মনে করে ঘষেটি বেগম আর মিরজাফরই একমাত্র দোষী দালাল, কিন্তু প্রকৃত ষড়যন্ত্রীরা আজও অধরা। কিন্তু ইতিহাস তা ভুলেনি , তা বুকে চেপে ধরে আছে শক্তভাবে বড়দাগ দিয়ে রেখেছে, এর নাম শারদীয় দূর্গাপূজা। গোলাম আহমদ মোর্তজার গবেষনাধর্মী লেখাকে দাবিয়ে রাখতে ভারতের চেষ্টা বহুযুগ থেকে চলছে, আজও সে দেশে তা প্রকাশে অবারিত নয় বলেই জানি। বঙ্কিমও এ ইংরেজ বন্দনার কথা স্বীকার করেছেন যে এটি ক্লাইভের সময়ের সৃষ্ট এক ইংরেজীয় কারসাজি। বিগত শেষ দশকে বাংলাদেশের ‘গায়ে হলুদে’র অনুষ্ঠানে এক রসিক মন্তব্য ছুড়েছিলেন, অনুষ্ঠানের মাংসটা কি হবে পাঠার? ঠিক একইভাবে বঙ্কিমের আগাম মন্তব্য ছিল ভবিষ্যতে দূুর্গাপূজার মন্ত্রও ইংরেজীতে হবে। (তথ্যসূত্র – এ এক অন্য ইতিহাস – গোলাম আহমদ মোর্তজা, বিশ^বঙ্গীয় প্রকাশন, কলকাতা, পৃষ্ঠা ৩২-৩৪)।

ইসলামই ধর্মের সঙ্গতি মূলভিত্তি: উদারতার অভাবে প্রকাশ না করলেও অনেক হিন্দুরা এটিও জানেন যে, মৃত্যুর সময় মৃত্যুপথযাত্রীকে ব্রাহ্মণ যে মন্ত্র পাঠ করান, সেটি ইসলামের কলেমার অংশ। আমার কর্তার এক ছাত্র হিন্দু ব্রাহ্মণের ছেলের নিজ মুখ থেকে শোনা শ্লোকটুকুন “লা ইলহা হরতি পাপাম, ইল্লা ইল্লাহা পরম পাপাম, জন্ম বৈকুন্ঠ পার অউপ ইনুতি, জপি নমো মোহাম্মদম” (উত্তরায়ণ বেদ ৫ম চ্যাপ্টার)। সনাতনের  সঙ্গতি খুঁজতে এটুকু আনলাম। পাঠকের চিন্তার দরজা খুলে দিতে কিছু সূত্র এসব মাত্র। বিয়েতে সাতপাক ধরে আছে তারা আজও ইসলামে হজ্জ্বের তওয়াফকে অনুসরণ করে। যার সহজ জবাব হচ্ছে  “ন তস্য প্রতিমা অস্তি” ঈশ^রের কোন প্রতিমা নেই। মূর্তি নিধনকারী নবী ইব্রাহিম বা আব্রাহাম ইংরেজীতে Abraham, পাঠক লক্ষ্য করুন, ইসলামের নবীরা কিভাবে সনাতনে জায়গা খুঁজে পান। সামান্য ওদল বদলেই তারা অবিকৃত আকারে ওখানে জায়গা করেছে। Abraham এর প্রথম অক্ষরটি সরিয়ে এনে পেছনে লাগিয়ে দিলেই কিভাবে ব্রহ্মার উৎপত্তি হয়, সেটি আাঁচ করতে পারেন Braham+a এর উৎপত্তি। নবী নূহএর সামনে মা যুক্ত হলে মা+নুহ = মনুহ হয়ে যায় অতি কম পরিশ্রমেই। ঠিক এভাবে সরস্বতি আব্রাহামের স্ত্রী সারাহর নামের সাথে সতি যোগ করলেই হয়ে যায় সারাহস্বতি। এ হচ্ছে সনাতনের সূত্রকথা। ইসলাম থেকে সংগৃহীত নবী পরিবারের সদস্যরা ইহজন্মেই সেখানে হয়ে গেছেন দেবতা। এটি ঠিক হিন্দুদের বর্তমান প্রচলিত ধর্ম নবী মোহাম্মদকে উপলক্ষ করে নয়, বরং নবী নূহের ও ইব্রাহিমের সাথে বহু ঘটনায় যুক্ত আছে। অনেক গবেষনাতে এর যুগসূত্র ও প্রমান পাওয়া যায়। তাই তাদের সনাতন ধর্ম মুসলিমের সনাতন মূল থেকে কোনভাবেই দূরে নয়। এরা মূল ইসলামের সাথেই লেপ্টে আছে। তারা এভাবে যবন ম্লেচ্ছদেরই উত্তরসুরী। অস্বীকার করার উপায় নেই ইসলামই একমাত্র সনাতন ধর্ম। 

হিন্দু থেকে মুসলমান হওয়ার সাক্ষাৎকার | যশোরের শ্রী জাহিদ থেকে কেন কীভাবে মোঃ জাহিদুল ইসলাম

কিন্তু হিংসার বশবর্তী হয়ে মিথ্যাচারে ভর করে তারা মুসলিমকে অচ্ছুৎ জ্ঞান করেছে যদিও তারা ঐ ধর্মের অবয়বে নিজের অবস্থানকে কিছুটা হলেও সমৃদ্ধ করেছে। কিন্তু শিরকের সূত্রে এত মিথ্যাচার জুড়ে দিয়েছে যে নূহের যুগে মূর্তিপূজক জাতির পানিতে ডুবে “জ¦ালা প্রলয়াম” সংঘটিত হলেও তারা ঐ পথ থেকে আজো নিবৃত হয়নি। তাদের শাস্ত্রে নুহের প্লাবনকে ঐ নামেই আখ্যায়িত করা হয়। পৌত্তলিক আরবদের মত এখানকার দেবীরাও মৌসুমী। এরা দূর্গাকে বিসর্জন দেয়। এ বছর যে হারে মূর্তি তৈরী হয়েছে আর পানিতে এসব বিসর্জন করাতে পরিবেশ যে কিভাবে বিষিয়ে উঠছে তা জনতারা কি আঁচ করছে না ? এভাবে নানা ষড়যন্ত্রে নবকৃষ্ণদের দ্বারা দেশটি দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা হারাবার সংকটে আছে ! মরার উপর খাড়ার ঘাঁএর মত পরিবেশ বিনষ্টে এসব মূর্তিরাই কালে সমাজে ভয়ানক উপদ্রব হয়ে দাঁড়াবে। এ বছর ২৯০০০+ মূর্তি গড়া হয়েছে, বর্তমানে এটি হু হু করে বেড়ে চলেছে। খবরটি পরিবেশ দোষনের জন্য ভয়ঙ্কর, সন্দেহ নেই।   ধর্মের নামে প্রাগৈতিহাসিক এ মাটির পুতুল পূজার রেওয়াজ জাতি বিধ্বংসী হয়ে উঠছে দিনে দিনে, তা নিয়ে হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে প্রতিটি সচেতনের ভাবা উচিত, হিন্দুদেরেই বেশী করে ভাবা উচিত। মুসলিমরা পরিবেশ দোষণ না করেই উপাসনা করতে পারে আর তাদেরে এক নয় দুই নয়,  মাত্র ১০%এর জন্য হাজার হাজার অর্থে ২৯,০০০ + মূর্তিই গড়তে হবে ক্ষুদ্র মানচিত্রের একটি দেশ জুড়ে !  কালে নির্বাক মাটির দেবতারা কি মানব ধ্বংসের দায়ভার নিবে ! এ দায় বহন করার শক্তি কি তারা রাখে?

নাজমা মোস্তফা,    ১৪ অক্টোবর ২০১৬।

Advertisements

Tag Cloud

%d bloggers like this: