Articles published in this site are copyright protected.

 

শেখ হাসিনা কত বড় ক্রিমিনাল ও চোর তা শুনুন বদরুদ্দিন উমরের মুখে

প্রায় ৪৫ পার করেও স্বাধীনতা হারাবার শংকা কেন জাগছে?

(১)          জিয়ার স্বাধীনতা পদক বাতিল হতে হবে কেন? কেন যাদুঘর থেকে হাইজ্যাক?

(২)         মুক্তিযুদ্ধ না করেও সিলেটে সুব্রত চক্রবর্তী কেমন করে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হয়?

(৩)         খালেদার বাসস্থান কেন কেড়ে নেয়া হলো?

(৪)         বাংলাদেশে গড়ে উঠা বৈদেশিক শক্ত ভিত্তি ধ্বংস করতে কেন গুলশানের হামলা?

(৫)         অর্থনীতির বারোটা বাজবে কেন? কেন থাকবে শুধু ভারতনীতি?

(৬)         গার্মেন্ট শিল্প ধ্বসের মহৌষধ জঙ্গিবাদ ডোজ কেন?

(৭)         এসব কার স্বার্থে হচ্ছে, বোঝা কঠিন নয় কিন্তু!

(৮)         অবৈধ পথে এসে কেন গোষ্ঠীশুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা আইন শক্ত করা? কেন কেন?

(৯)         জিয়ার কোন দাগ চিহ্ন রাখা যাবে না, তার পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতেই হবে কেন?

(১০)       ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতা এনামুলকে দিয়ে তারেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্রী রায় কেন?

(১১)       মেগা প্রজেক্টে সেনাবাহিনীকে সুযোগ দেয়া, সবার অস্বাভাবিক বেতন বৃদ্ধি কেন?

(১২)       অসংখ্য দাগের পরও ২১ আগষ্ট ২০০৪ বোমা হামলা হাসিনার কারসাজি নয় কেন?

(১৩)      বিদেশীরা আসলে হাসিনার গাড়ীটি চেক করতে দেয়া হয়নি, কেন?

(১৪)       ঘটনার দিন দেড় ঘন্টার নোটিশে সেদিনের অনুষ্ঠান স্থান পরিবর্তন করা হয় কেন?

(১৫)      সাজানো ট্রাকে কেন একটিও বোমা বিস্ফারিত হয় নি?

(১৬)      দুর্ভাগী আইভি ষড়যন্ত্র না জানাতে মরেন। মূল টার্গেট কেন আক্রান্ত নন?

(১৭)       মুফতি হান্নান ও সব আসামীর বক্তব্য উল্লেখযোগ্য নয় কেন?

(১৮)      বাড্ডাতে কাজলের বাসাতে এক হয়ে বৈঠক করে, আবুবকরর তাদের একজন ছিল।

(১৯)       প্রধান আসামী হুজি নেতা হান্নান সব তারেক-নাটকের গোমর ফাঁক করেন।

(২০)      নীচে তার রিমান্ডের বর্ণনা শুনুন, জানুন। সন্দেহ প্রতিষ্ঠিত সন্ত্রাসীর দিকে, এ লেখাতেও সচেতনরা অনেক যুক্তি খুঁজে পাবেন।

রিমান্ডের নির্যাতনে প্রধান আসামী হুজি নেতা হান্নানের দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি হ্রাস পায়, তার ডান হাত অবশ হয়, ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে সাদা কাগজে সই নিয়ে ইচ্ছোমত শূণ্যস্থান পূরণ করে। তাকে উলঙ্গ করে পুরুষাঙ্গে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়, নাকে কানে সব অঙ্গে বৈদ্যুতিক শকসহ বেধড়ক লাঠিপেটা চলে। আঙ্গুলে আলপিন ঢুকানো হয় ও অগ্রভাগ গ্যাস লাইট দিয়ে পুড়ানো হয়, পরে আঙ্গুলগুলোকে পাথর দিয়ে থেতলে দেয়া হয়, হাজার ভোল্টের বাল্ব দিয়ে মুখ ঝলসানো হয়, পা উপরের দিকে ঝুলানো হয়, ক্লান্তিতে ঘুমানোও নিষেধ, এভাবে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জ্ঞান আসলে আবারও শুরু হত। মুখে ভেজা কাপড় রেখে নাকে মুখে মরিচ গুড়ার ঠান্ডা ও গরম পানি ঢালা হতো, একটি ইট পুরুষাঙ্গে ঝুলানো হতো, শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়া তুলে ফেলা হত, দাড়ি টেনে টেনে তুলে ট্রের উপর রাখা হত, বৈদ্যুতিক ঘুরন্ত চেয়ারে ঘোরানো হত।

(২১)       ওলামা লীগের ব্যানারে লীগের সমাবেশে যায় হুজি জঙ্গিরা  (প্রকাশ নভেম্বর ০৭, ২০১৪) !

(২২)      ওলামা লীগই বলছে, হুজির আখতার হোসেন বোখারীকে ডেকে এনে ঐ কাজ দেয়!

(২৩)      ওপেনের পরও বোখারী গ্রেপ্তার নয়, বরং হুমকিতে তারেক রহমান কেন?

(২৪)      এর পরও চিহ্নিত ওলামা লীগ, হুজি, দায়ী নয় কেন?

(২৫)      সাংবাদিকদের কাছে ব্যক্ত হুজি নেতা আবুবকরের বক্তব্য কেন বিচার্য্য নয়?

(২৬)  এদিকে হুজি নেতা নির্দোষ দাবী করছেন, সব হাসিনা সরকারের সাজানো নাটক!

(২৭) ইত্তেফাকের রিপোর্টে এক মাস আগে জিয়া ও তামিম পুলিশের কাছে বন্দী ছিল।

(২৮) অতপর ২ আগষ্ট এদের ধরতে পুলিশ ৪০ লাখ টাকা পুরষ্কার ঘোষণা করে কেন?

(২৯)  ২৭ আগষ্টে চোর পুলিশ খেলার অবসান করে তামিম নিহত প্রচার করা কোন নাটক?

(৩০)   বিরোধী কবজা করার জিয়াউল নাটক মনে হয় সামনে আসছে!

হুজি নেতা হান্নানের দাবী তিনি দোষী  নন, বরং আওয়ামী ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান এতে সরাসরি জড়িত (প্রথম আলো ১৪ই মে ২০১০)। ১০ বছর আগে গোপালগঞ্জের নাটকেও আওয়ামী নেতারা জড়িত বলে সাংবাদিকদের চিৎকার করে কারাবন্দী মুফতি হান্নান নাম প্রকাশ করে বলেন, তাকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে। ২০০০ সালের ২০ জুলাই কোটালীপাড়ায় শেখ হাসিনার জনসভাতে ৬৩ কেজি বোমা পেতেছিল আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক  শেখ আব্দুল্লাহ ও তার লোকজন। (প্রথম আলো ১৪ মে ২০১০ তারিখ)। তারপরও দলকানা এনামুল তারেকের বিরুদ্ধে রায় দেন।

 

proalo

 

১৩ এপ্রিলে ২০১৭ সালের সংযোজিত আপডেইট: ১৯৯৮ সালে প্রথম শায়খ আব্দুর রহমান অন্যের ভাড়াটে হয়ে অপকর্মে ধরা খান। ঐ দিন শায়খ দালালের কাজ করে উদিচি, খুলনা,  গোপালগঞ্জের কোটলীপাড়া, সিপিবির সমাবেশ, নারায়নগঞ্জ, বানিয়ারচর, মোল্লাহাটে থাবা দিয়ে জঙ্গির চিহ্ন রাখে। ২০০৫এর ১৭ আগষ্ট (আবার আগষ্টকেই পছন্দের মাস হিসাবে নেয়া হয়!)  ৬৩ জেলাতে একযোগে বোমা হামলার মত ঘটনাও ঘটে। বেশদিন নয়, বরং কয় যুগ থেকে বাংলাদেশ প্রতিবেশীর ইন্ধনে শক্তির অপশক্তির তলানীতে এসব চলছে দেশকে অস্থিতিশীল দেখাতে। শায়খ ছিলেন আওয়ামী নেতা মির্জা আজমের দুলাভাই, ঐ সময় জঙ্গি দমনে বিএনপি তার ফাঁসি দেয়। শায়খের ভাড়াটে হয়ে কাজ করার দাগ স্পষ্ট, ধমক খেয়ে দেশ অনেকটাই অপশক্তির থেকে মুক্ত হয়। ঐ ছাই চাপা অপশক্তিই পরবর্তীতে বিডিআর বিদ্রোহে সহযোগিতা দেয়,  বর্ডারে রৌমারীর ক্ষোভ এক গুলিতে ডজন শিকার। এভাবে  দেশ হাটে অরক্ষিত অবস্থানের দিকে। এমন সংকট সময়ে মন্ত্রী ওবায়দুল বলেন,  গোপন চুক্তির খবর খালেদা জানেন কেমনে? যার চোখ আছে সে দূর থেকেই আগাম খাদ দেখতে পায়, আর যার চোখ দৃষ্টিশক্তিহীন সে সামনের খাদ না দেখে উল্টো পানিবিহীন শুষ্ক নদীকে বহতা নদী ভেবে জাতিকে প্রতারিত করতে শত্রুর সাথে বন্ধুত্বের ছক সাজায়।  তার দাগও অসংখ্য ময়দানে। প্রকৃত বিচার সুদূর পরাহত। যে বাঘ একবার মানুষ ভক্ষণ করে সে বার বার মানুষ খেতে পছন্দ করে। সে খেলা বার বার শুরু হয়। ২১ আগষ্ট ২০০৪ (আগষ্টকেই পছন্দের মাস নেয়া হচ্ছে!) এর গ্রেনেড হামলাটিও অপশক্তির সাজানো কৌশল “বাঘ আসছে, বাঘ আসছে” নাটকের আদলেই সাজানো হয়। এক পর্যায়ে মুফতি হান্নানও ধরা খায়, আর সে কৌশল বহাল রাখতে ভাড়াটে হিসাবে কিছু মিথ্যা স্বীকারোক্তি দেয় বিএনপির বিরুদ্ধে। পরে যখন আসল বিচারক অলক্ষ্যে হাসে তখন তার শেষ সময়ে হয়তো সম্বিত ফিরে আসে। সে চিৎকার করে বন্দী অবস্থায় সত্য প্রকাশ করে (উপরে, ১৪ই মে ২০১০) বলেন, তাকে বলির পাঠা বানানো হয়েছে। ২১ আগষ্ট বোমা হামলাতে তারেক জড়িত নন, বরং গোপালগঞ্জের কোটলীপাড়ার হাসিনা হত্যার ৭৬ কেজি বোমার সবটাই ছিল তাদের নিজেদের সাজানো প্লট। আওয়ামী ধর্ম সম্পাদক শেখ আব্দুল্লাহকে দিয়ে এ কাজটি সাজানো হয়, তিনিই মূল নাটের গুরু (১৪ মে ২০১০, প্রথম আলো)।  ঐ লোকটি অনেক ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী, কারণ তাকে দিয়েই গুটি চাল চালানো হয়, তাই তাকে শেষ করে দেয়া হয়। তিনি নাকি প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছিলেন! রাষ্ট্রপতির ঘাড়েও মাথা একটাই, একে তিনি ক্ষমা করতে পারেন নাই। অল্প দামে বা বেশী দামে কোন শক্তির কাছে নৈতিকতা হারালে এর পরিণতি ইহ ও পর উভয় কালেই খারাপ।  এরা তারাই যেমনি নাচায় তেমনি নাচে পুতুলের কি দোষ? তারপরও মূল বিচারক কি করে সেটিই বিচার্য!

 সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে হাসিনার নিজের দলের লোকেরাই এসব স্পষ্ট করে চলেছেন বেশ বড় সময় থেকেই। এ ছাড়াও এভাবে ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চে যশোরের উদিচীর অনুষ্ঠানে ১০ জন মারা যায়/ অক্টোবরের ৯ তারিখে খুলনার কাদীয়ানী মসজিদে ৭ জন/ ২০০১ এর ২০ জানুয়ারী পল্টনে সিপিবির সমাবেশে ৭জন/  ঐ বছর ১৪ মার্চের  রমানার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে ১১ জন/৩ জুনে গোপালগঞ্জের বানিয়ারচরের গীর্জায় ১০জন/  ১৭ জুনে নারায়ণগঞ্জের  আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ২১ জন (শামিম ওসমান অক্ষত থাকেন!)/ ২৩ সেপ্টেম্বরে বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ৯ জন (অক্ষত শেখ হেলাল!)। এসব বোমা হামলা উল্লেখযোগ্য! ছায়ানট, কাদিয়ানী ও গীর্জা বাদে সবকটি ঘটে খোদ সরাসরি আওয়ামী লীগের নিজ গন্ডিতে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এরা নিজ সন্তান কতল করতেও পিছ পা হয়না। তারেকের ঘাড়ে দোষ চাপার বুদ্ধি আসে ঘটনার অনেক পরে। সেটিও হাসিনার আপন ছকে করা হয়। সেদিনও তার উপর বোমা পড়ে না বরং পড়ে আইভির উপর। বোমা যারা ফেলে তারা কি হাসিনাকে চেনে না? তাকে মারতে চাইলে তার উপরই ফেলতো! কিবরিয়া নাটকও এরকম এক সাপলুডু খেলার খন্ডাংশ মাত্র।

(৩১)      জঙ্গিরা প্রায়ই আওয়ামী ঘরানার সন্তান। ছবি আছে, লাশ নেই, বাবা নিখোঁজ কেন?

(৩২)      সব ছাপিয়ে তারপরও মিডিয়াতে কেন আসে বিরোধীরা আসামী?

(৩৩)     ৪১ দিনের ফারাক্কা চলছে ৪১ বছর, ৪১ যুগ পার হলেও অনাচারী পক্ষ নিরব কেন?

(৩৪)      রামপালে বিদ্যুৎ , সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না: প্রধানমন্ত্রী, বলেন কেমনে?

(৩৫)     ছাই দিয়ে কীটনাশক,  সিমেন্ট ও ফেসিয়েল মাস্ক তৈরী হবে : প্রধানমন্ত্রী!

(৩৬)     রুপচর্চার গরজে  সারা দেশের বিদ্যুৎ বন্ধের হুমকি কেন?

(৩৭)      চারপাশে এত বন্দুকযুদ্ধ কেন? দেশে কি গৃহযুদ্ধ চলছে?

(৩৮)     উদিচীর বোমা হামলার সাথে সাথে আওয়ামী পক্ষে ব্যানার মিছিল আসে কেমনে?

(৩৯)      এসব কি পূর্ব পরিকল্পিত নয়? ব্যানার তৈরী হয় কেমনে, কে এসব করে?

(৪০)      একজন রাজনেতা নবী হিসাবে অফিসিয়াল পেজে প্রচার পায় কেন?

(৪১)       এটি কি ৯০% অধ্যুষিত মুসলিমদেরে অপমান করা নয়?

(৪২)      গত সাত বছর থেকে ভারতীয় আগ্রাসনে দেশ অন্তিম বিধ্বস্ত অবস্থায় কেন?

(৪৩)      শুরু বিডিআর বিদ্রোহ দিয়ে, শেষ চলছে জঙ্গি দিয়ে, কেন?

(৪৪)      ভিতরে বর্ডারে বাংলাদেশীরা অনিরাপদ, সারা দেশে “র” কেন?

(৪৫)      ভারতীয় বাজারে দেশটি লুটেপুটে খাচ্ছে, পানিতে  মারছে কেন?

(৪৬)     সরকার চায় বাংলাদেশ ধ্বংস হোক কিন্তু ভারতের কয়লা শিল্প বাচুক, কেন?

(৪৭)      খুতবায় কেন সরকার, যাদের ইসলামী আচরণ প্রশ্নবিদ্ধ বিতর্কীত, তারা কেন?

(৪৮)      শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ে এত ধ্বস কেন? এত বিতর্ক কেন?

(৪৯)      সিলেবাস কেন হিন্দু নির্ভর? এদেশে কারা সংখ্যাগরিষ্ঠ?

(৫০)      গম চোর রেল চোরেরা কেন কি উদ্দেশ্যে উপদেশ বিলায়?

(৫১)      ৯০% মুসলিমের দেশে কেন সংখ্যাগরিষ্টরা করুন শিকার?

(৫২)      গমচোর আখ্যাতরা কেমন করে ইসলামী আইনের মাতবর হয়?

(৫৩)     বন্ধুরাষ্ট্রের দিলীপ ঘোষরা কেন বাংলাদেশকে ঠান্ডা করার হুমকি দিচ্ছে?

(৫৪)      মিডিয়াতে ভারতের অনুকরণে কেন সরকারী মিথ্যাচারী জঙ্গি প্রচার?

(৫৫)     ফারাক্কা নিয়ে বাংলাদেশের পুলিশ কেন সম্মেলন করতে বাধা দেয়?

(৫৬)     যুদ্ধাপরাধীর বিচার কেন প্রতিহিংসামূলক? কেন সচেতন মিডিয়া অসহ্য?

(৫৭)      নর্থ সাউথ কেন টার্গেট হচ্ছে, বলা যায় ফলবান বৃক্ষ কেন আক্রান্ত?

(৫৮)     ঢাকা শহরে পূজামন্ডপ ২০০, কুমিল্লায় ৭০০, মসজিদ. ইসলাম কেন বিপন্ন?

(৫৯)      বাড়ছে দেবতা বিসর্জন, পানি সম্পদের উপর বড় হুমকি!

(৬০)     ভারত কুরবানী নিষিদ্ধ করলো, বাংলাদেশও কি বড়র অনুকরণে?

(৬১)      ভারতে জাকির নায়েক নিষিদ্ধ, বাংলাদেশ মুসলিম হয়েও কেন ঐ কীর্তনে শরিক!

(৬২)     ভোরে ছুরি হাতে মাথায় পাগড়ি, পায়ে জুতা পরে জঙ্গি সিনেমায় মারা যায় কেন?

(৬৩)     সন্দেহজনক রিজার্ভ চুরিতে কত বড়রা জড়িত? খোলাসা নয় কেন?

(৬৪)     ফিলিপাইনের কর্তারা নড়তে চড়তে চাইলেও বাংলাদেশ চুপ, অনড় কেন?

(৬৫)     প্রধানের ছেলে জয় প্রশ্নবিদ্ধ! ছেলেকে বড় পোস্ট দিয়েও কেন শংকা কাটে না?

(৬৬)     সিলেটে ইসকন মন্দির পূজারীরা কেন মুসলিমদের অবজ্ঞায় মাপছে?

(৬৭)     ২০১ ৬কে বাংলাদেশীরা কেন পলাশীর রক্তাক্ত প্রান্তরের সাথে তুলনা করছে?

(৬৮)     ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজমী কেন গুম? সালাহউদ্দিনের ছেলে কেন নিখোঁজ?

(৬৯)     হার্টে রিং পরা অসুস্থ মেজর জাহিদ কেন খুন? তার পরিবারও কেন আক্রান্ত?

(৭০)      ভারতের পররাষ্ট্র সচিব সুব্রহ্মনিয়ম জয়শংকর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাংলাদেশের পক্ষে ডাক পারছেন? ভয়ঙ্কর সন্দেহ কি এটি নয়? দেশের মরণ কামড়েও ভারত, ওঝাগিরিতেও ভারত!

দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ও বিকাশ জঙ্গি জননী শেখ হাসিনার শাসনামলে।

প্রশ্নের পর প্রশ্ন হতে পারে এসব কি হচ্ছে দেশে? আয়নায় নিজেদের মুখ ভালো করে না দেখে একচোখা সোহরাব হাসানরা দেশ বিধ্বংসী দলকানা, তা না হয়ে দেশকানা হলে ভাল হতো। তুষার আব্দুল্লাহর “পোষা পাখি” কলামটি  সঠিক চিত্রটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। আয়নায় নিজের প্রকৃত সময়ের ছবিটি আঁকার চেষ্টা করেছেন তিনি, ধন্যবাদ তাকে।

উপরে ৭০টি নাম্বার চিহ্নিত প্রতিটি অংক উর্বর মস্তিষ্কে কষে করা। যারা দেশটিকে আস্ত গিলে খেতে চায়, তারাই করছে! মানচিত্র জুড়ে কিছু একটা হচ্ছে। যে করছে সে শাস্তি পাচ্ছে না বরং ফুরফুরে হাওয়া খেয়ে বেড়াচ্ছে। কারণ তাকে ধরা নিষেধ। মাঝখানে কিছু নির্দোষকে কাক তাড়–য়া ও বলির পাঠা বানিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মানুষের ঈমান যখন সপ্তর্ষিমন্ডলে চলে যাবে তখন মানুষ এসব করবে। হাদিসে আছে, একদল মানুষ ওটি অতঃপর সপ্তর্ষিমন্ডল থেকে নামিয়ে আনবে এ ধূলির ধরাতে। কুরআনেও সমান কথা আছে, এরা আসবে এবং জাগবে (সুরা আল ইমরানের ১০৩)!  আজকে ধর্মের বাহক নামের মুফতি হান্নানও অপরাধীর সাজানো বলির পাঠা এখানে উপরে তার লোমহর্ষক নির্যাতনের বর্ণনা সীমাহীন দুর্ভোগে ভরা। জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করে দিতে ঐ পরিবারের মানুষগুলোকে ফাঁসাতে নাটকের পর নাটক হচ্ছে! স্বাধীনতায় জড়িত দুটি পরিবারের মাঝে সত্য ও মিথ্যার লড়াই চলছে। একজন যুদ্ধে ছিলেন, একজন ছিলেন না। অসংখ্য নাটক একের পর এক মঞ্চায়িত হচ্ছে। তারপরও কি ইতিহাস মুছা যাবে? ইতিহাস কি এভাবে গড়া যায় বা অন্যের অর্জন মিটিয়ে দেয়া যায়? ইতিহাস ইতিহাসের নিজের গতিতে চলে। এর লাগাম কোন দিনই স্বৈরতন্ত্র দিয়ে গড়া যায় না। আশ্চর্য হলেও সত্য এসব করছে, একটি অবৈধ সরকার!!!

নাজমা মোস্তফা,    সেপ্টেম্বর ০৮ , ২০১৬।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: