Articles published in this site are copyright protected.

উপরের কথাগুলি বিস্ময়ের মত শুনালেও এর বাস্তবতা সকল বিস্ময়কে ছাড়িয়ে গেছে। আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ইসরাইল পরিচিতি প্রমাণিত, যেখানে প্রতারণা জড়িত:  ডঃ এরান এলহাইক, জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের জেনেটিক গবেষক তার গবেষণাতে এটি দেখান যে বর্তমানের ইহুদীরা মূলত খাজারিয়ার বাসিন্দা, এরা ইব্রাহিমের প্রজন্ম নয়। সে হিসাবে তারা খাজার, ইসরাইলীয় নয়। আমেরিকা, ইউরোপ, এবং বর্তমানের ইসরাইলের ইহুদী জাতির পিতা ইব্রাহিম নন, বরং রাজা বুলানএর উত্তরসূরী এবং পুরানো খাজারিয়ার বাসিন্দা। রাশিয়ার দক্ষিণের কোকেসাস অঞ্চলে টার্কিক লোকেরা ছিল মূর্তিপূজক জাতি যারা পরে ইহুদী ধর্মে ধর্মান্তরিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে। সপ্তম শতাব্দীতে ইসলাম আসে, এরা ইহুদী ধর্মে ঢুকে ইসলামের শেষ নবী আসারও বহু পর। ইত্যবসরে নবী মোহাম্মদ (সঃ) আসার পর বহু ইসরাইলীয় ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলামে প্রবেশ করে। কিন্তু এই বর্তমানের চিহ্নিত ইহুদীরা গবেষনায় পাওয়া যায় এরা মূল ইসরাইলের বাসিন্দা কখনোই নয়। এইসব খাজাররা পরবর্তীতে রাশিয়া, হাঙ্গেরী, পোলান্ড, জার্মেনী এবং ইউরোপের আরো অনেক দেশে বসতি করে। এরাই পরে ষড়যন্ত্রীদের সহযোগিতায় ১৯৪৮ সালে মুসলিম অধ্যুষিত একটি নতুন ভূমিতে বসতি স্থাপন করে দখলদার হয়ে যায়। হারেটজ ইসরাইলের দৈনিক নিউজপেপারে ডঃ এরান এ মন্তব্য করেন যে তারা পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্কে কোনভাবেই নবী ইব্রাহিমের সাথে যুক্ত নয়। বিশে^র ইহুদীরা প্রধানত খাজার গোত্রেরই লোক। এসব গবেষনাতে দেখা যায় ২%এরও কম ইহুদীরা মূল ইসরাইলের বাসিন্দা। এমতাবস্থায় ইহুদী খৃষ্টানের গড কোনভাবেই প্যালেস্টাইনকে খাজারদের জন্য সৃষ্টি করেন নাই বা ওটি জবর দখল করার অনুমোদন দেন নাই।

The so called Jews in Israel are not true Jews, they are Khazars Ashkenazi Jews Identity theft

যখন প্রাইম মিনিস্টার নেতানিয়াহু বলেন, গড তাদের পূর্ব পুরুষকে এ ভূমি দান করেছেন, এটি সম্পূর্ণভাবে একটি ভুল ধারণা। ইসরাইলের পূর্বপুরুষ আজকের ইহুদীরা নয়। আব্রাহাম অরফে ইব্রাহিমের সূত্রে তাদের দাবী সম্পূর্ণ একটি গোজামিল মিথ্যা ছাড়া আর কিছু নয়। ১৯৪৮ সালে আমেরিকা ইসরাইল রাষ্ট্রটির অনুমোদন দেয়, এ ছাড়া তাদের আর কোন বৈধতা নেই। বরং বাইবেলে ভবিষ্যদ্বানী পাওয়া যায় যে, শেষ জামানাতে প্রতারকেরা  মিথ্যাভাবে দাবী করবে তারা ইসরাইলের অধিবাসী এবং এর পেছনে কাঠখড় পুড়াবে। তারা বিরোধীদের সাথে লড়বে কিন্তু গড তার জবাব দিবে “আমি জানি তোমার ক্লেশ ও দীনতা, তথাপি তুমি ধনবান; এবং আপনাদিগকে ইহুদী বললেও যারা ইহুদী নয়, কিন্তু শয়তানের সমাজ, তাদের ধর্মনিন্দাও আমি জানি” (প্রকাশিত বাক্য ২:৯)। “দেখ শয়তানের সমাজের যে লোকেরা নিজেদের ইহুদী বললেও ইহুদী নয়, কিন্তু মিথ্যা কথা বলে, আমি তোমার চরণ সমীপে তাহাদিগকে উপস্থিত করিয়া প্রাণিপাত করাব এবং তারা জানতে পারবে যে আমি তোমাকে ভালবাসি” (বাইবেলে রিভিলেশন বা প্রকাশিত বাক্য ৩:৯)

বাইবেলের উপরের ভার্সে তাদের মিথ্যাচারের প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ইহুদীরা এর দাবীদার নয়, যদিও তারা মিথ্যাচার করছে এবং বর্তমানের ডিএনএ টেস্টের রিজাল্টও তাই রিডিং দিচ্ছে। ইহুদীরা এটি জানে যে তারা মূলত এর দাবিদার নয়, এসব প্রচারের সাথে সাথেই প্রচারকারী স্কলাররা জায়নিস্টদের আক্রমণের শিকার হন এবং তারা এই যুক্তিতে আব্রাহাম পর্যন্ত নিয়ে যাবার বাসনা জমা রাখে। এই মিথ্যা দখলদারিত্ব দিয়ে তারা আব্রাহামের দাবীদার হওয়ায় দাবী করছে। এর সুবাদে খৃষ্টানরা এরকম একটি অনৈতিক আবদারকেও সত্য বলে ধরে নিয়েছে। এখন মধ্যযুগ নয়,  ডিএনএ টেস্টের এ আলোকিত যুগের উদ্ভাসিত সত্যে তাদের জবাব কি হতে পারে? এমন কি ঐশীগ্রন্থেও তাদের প্রতারণা ধরা পড়ছে স্পষ্টভাবে, এসব এড়িয়ে যাবার কোন সুযোগ নেই। এটিও সত্য যে, এসব কাজ খোদ ইহুদী গবেষকদের চোখেই ধরা পড়েছে। ১৮৯৯ খৃঃ বৃটিশ ঐতিহাসিক ও পুরাতত্ত্ববিদ হিউস্টোন সটুয়ার্ট চ্যাম্বারলেন “দ্যা ফাউন্ডেশন অব দ্যা নাইনটিন্থ সেঞ্চুরী” নামে বই ছাপেন। which held that the Jews were not a race, but instead, were “bastards.” অর্থাৎ ইহুদীরা কোন জাতি নয়, বরং শিকড়হীন জারজ। ঐ সময় এ শব্দটি প্রচলিত ছিল বলেই এটি কড়া শুনালেও ব্যবহৃত হয়। ইয়াটজহাক স্কিপার এটি স্পষ্ট করেন যে, জেকব লিটম্যান্স এর “দ্যা ইকনোমিক রোল অব জুজ ইন মেডাইবেল পোলান্ড” লেখাতে এটি নিশ্চিত করা হয় যে ইহুদীরা মূলত খাজার। ১৮৬৭ খৃঃ একজন বড় ইহুদী স্কলার আব্রাহাম হারকাভি এটি ষ্পষ্ট করেন যে, ইহুদীদের প্রচলিত ইদিশ ভাষাটিও খাজারদের ভাষা। একজন স্বনামধন্য আর্থার কয়েস্টলার যিনি নিজেও একজন জায়নবাদী ইহুদী, ১৯৭৬ সালে একই ধারার বই ছাপেন। তিনি লিখেন, বিশে^র বড় সংখ্যক ইহুদীরা পূর্ব ইউরোপের বাসিন্দা, সম্ভবত মূলত এরা খাজার। এর মানে এর সহজ অর্থ দাড়ায় এদের পূর্ব পুরুষ কেনানের বাসিন্দা নয়, বরং ককেসাস, এরা আর্য গোত্রের। জাতিগতভাবে এরা হান, উলগোর এবং মেগিয়ার গোত্রের। এরা আব্রাহাম (ইব্রাহিম), আইজ্যাক(ইসহাক), জেকবের (ইয়াকুবের) বংশধারা নয়। কয়েস্টার এ কাজটি করে মনে করেছিলেন যে তিনি তার গোত্রের জনতার জন্য কিছু বস্তুনিস্ট কাজ করতে পেরেছেন। কিন্তু সব গোপন ওপেন হয়ে পড়াতে এর পরই তিনি জায়নিস্ট দ্বারা পরবর্তীতে কঠিনভাবে আক্রান্ত হন। সংক্ষেপে তারা ইব্রাহিমের নয়, বরং কিং বুলানের এবং খাজারের বাসিন্দা।

“As Shlomo Sand, history professor at the University of Tel Aviv, explains it in his outstanding, 2007 book, Invention of the Jewish People, “Without the Old Testament in its hand and the exile of the Jewish people in its memory, Israel would have no justification for annexing Arab Jerusalem and establishing settlements in the West Bank, the Gaza Strip, the Golan Heights, and even the Sinai Peninsula.” তেল আবিবের  ইতিহাসের অধ্যাপক ডঃ আস স্লোমো স্যান্ড ২০০৭ সালে তার বিখ্যাত বই ‘ইনভেনশন অব দ্যা জিউইশ পিউপিল’এ লিখেন, “হাতে ওল্ট টেস্টামেন্ট ও স্মরণে থাকা ঘটনা ছাড়া ইহুদীদের বাস্তবে কোন অধিকার নেই আরবের জেরুজালেম অধিকার করার এবং তার পশ্চিম তীরে গাজা স্ট্রিপ, গোলান হেইট এমন কি সিনাই উপত্যকাতেও”। তারা মূলত টার্কিশ মোঙ্গল রক্ত মিশ্রিত জাতি। তার বই ইহুদীদের সম্পূর্ণ উল্টে দিয়েছে। ১৯৪৮ সালে জবরদখল করা জাতি যে মূল ইসরাইলীয় (ইহুদী) নয়, এতে আর কোন বিতন্ডার অবকাশ নেই। বরং প্যালেস্টাইনের মুসলিমরাই ঐ ভূমির প্রকৃত অধিকারী। যাদের জবরদখল করে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করা হচ্ছে আর প্রমিজ ল্যান্ডের মূল মালিকদেরে উচ্ছেদ করে যারা জবরদখল করছে, এরা কি জঙ্গি নয়? গোটা বিশ^ এর জবাব দিবে কি?  এরকম অন্য একটি বই হচ্ছে কেভিন ব্রুকসএর ১৯৯৯ সালে “দ্যা জুজ অব খাজারিয়া”। এসব লেখা ষড়যন্ত্রী ইহুদীদের প্রভাবে চাপা পড়ে থাকে। কারণ তাদের হাতে সব কিছু, ক্ষমতার দাপটে তারা সব কিছুই দাবিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে আইনি সুরক্ষা দিতে নতুন একটি আইনের প্রস্তাব করেছেন দেশটির একজন এমপি। প্রস্তাবিত এই আইনে ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীকে দাফতরিক কোনও অপরাধের জন্য তদন্ত থেকে রেহাই দেওয়ার দাবী করা হয়েছে। সাম্প্রতিক এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। সবই ক্ষমতার অপব্যবহারের আওতায় পড়ে।

ইহুদীরা হিটলারের অনুগত অনুসারী: এ কথাটি খুব নতুন শোনালেও এর বাস্তবতা স্পষ্ট। বহু দিন থেকে মনের মাঝে প্রশ্ন জমে ছিল কি কারণে হিটলারকে এমন ক্রুদ্ধ করে তোলে ইহুদী নামের একদল মানুষের প্রতি? এর জবাব কোনদিনও পাই নাই। বর্তমানের প্রচারিত ইহুদীরা মূলত ইব্রাহিমের অনুসারী নয়, বরং হিটলারের অনুগামী, গবেষণা তথ্যে তাই পাওয়া যায়। এবং ঐ আচরণ তাদের বর্তমান জীবনের সাথে খুব মানানসইও, এটি অস্বীকারের উপায় নেই। ১৯৩৩ সালের মার্চে যখন হিটলার জার্মানির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে জার্মানী ইহুদীদের কোন কারণে টাইট দিতে নামেন। তখন আমেরিকায় ইহুদীরা মেডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে জার্মানীর দ্রব্য বর্জনের ডাক দেয়। ঐ বছর ২৪ মার্চে লন্ডন ডেইলি এক্সপ্রেস প্রকাশ করে যে ইহুদীরা এর মাঝে সর্বত্র জার্মানীর অর্থনীতির বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধ ঘোষনাসহ জার্মান জিনিসে বয়কট শুরু করেছে। ইহুদীরা এই অর্থনৈতিক ক্রুসেড অবরোধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নামে। মার্চের ২৭ তারিখে হিটলারের বিরুদ্ধে ৪০,০০০ প্রতিবাদী মাঠে নামে (নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ)। এর সরাসরি জবাবে মার্চের ২৮ তারিখে জার্মানীতে প্রতিটি ইহুদী দোকানকে বয়কট করার নির্দেশ দেয়া হয়। একই বছরে ১৯৩৩ সালেই জার্মানী ও জায়নবাদীরা একটি ব্যক্তিগত সহযোগিতার আওতায় এসে জার্মানী বাকি বিশে^ একটি নাড়া সৃষ্টি করতে সমর্থ হয় যেখানে প্যালেস্টাইন উপলক্ষ থাকে। তীব্র বয়কটের কারণে জার্মানীর ইহুদীরা জায়নবাদীদের প্রতি সামান্য দরদী হয়। জার্মানীতে যতদূর সম্ভব অরাজকতা সৃষ্টি করে জায়নবাদী ষড়যন্ত্রে জার্মানীর জাতীয় সমাজবাদী দলের সহযোগে এই অজুহাতে যাতে অতঃপর প্যালেস্টাইনে একটি বহুল অধ্যুষিত ইহুদী বসতি গড়া যায়। ইউরোপিয়ানরা স্বভাবত ইহুদী বিরোধী, আর এর সমাধান একমাত্র প্যালেস্টাইন! হাওরের গরু মামাশশুরের দান! কি অপরিসীম বদান্যতা! জায়নবাদীরা কৌশলে এডলফ হিটলারের সহযোগিতায় বৃহৎ ইহুদী বসতির এজেন্ডা নিয়ে হাটে। সূত্র: (1) Quoted in: Ingrid Wecker, Feuerzeichen: Die “Reichskristallnacht” (Tubingen: Grabert, 1981), p. 212. See also: Th. Herzl, The Jewish State (New York: Herzl Press, 1970), pp 33, 35, 36, and Edwin Black, The Transfer Agreement (New York: Macmillan, 1984), p.73. Other sources are (2) Barnes Review, “The Jewish Declaration of War on Nazi Germany, The Economic Boycott of 1933”. (3)  The Dramatic Story of the Pact Between the Third Reich and Jewish Palestine, by Edwin Black.

জায়নবাদীরা জার্মান এসএস হিটলারের গ্যাস্টাপো বাহিনী সমর্থিত, হিটলারের ব্যক্তিগত সাপোর্ট এখানে যুক্ত ছিল। এর উপর অসংখ্য সূত্র উপাত্ত চারপাশে ছড়িয়ে আছে। ১৯৩০ সালে জার্মানী ও জায়নবাদীদের সম্মিলিত প্রয়াসে সারা জার্মানীতে ৪০ টি ক্যাম্পে যেখানে ভবিষ্যতের অনাগত ইহুদীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয় যারা নতুন জায়গায় বসতি স্থান করবে, কিভাবে সেটি সামাল দিবে। ১৯৪২ সালে অন্তত তখনও একটি সরকার অনুমুদিত ক্যাম্পের সন্ধান পাওয়া যায় যার নাম ছিল “কিব্বুতস” যার উপরে উড়তো একটি নীলসাদা ব্যানার যা পরবর্তীতে ইসরাইলের জাতীয় পতাকার জায়গা দখল করে। সূত্র: Lucy Dawidowicz, The War Against the Jews, 1933-1945 (New York: Bantam, pb., 1976), pp 253-254; Max Nussbaum, “Zionism Under Hitler,” Congress Weekly (New York: American Jewish Congress), Sept. 11, 1942.; F. Nicosia, The Third Reich (1985), pp 58-60, 217.; Edwin Black, The Transfer Agreement (1984), p. 175.

দেখা যায় হিটলার ও জায়নবাদীরা একই এজেন্ডা নিয়ে একই পরিণতির দিকে হাটে। তাদের লক্ষ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি জায়গা করে দেয়া আর সেটি প্যালেস্টাইনের মত একদল মুসলিমের ঘাড়েই বর্তায়। জায়নবাদী “ওয়ার্ল্ড জুইশ কংগ্রেস” জার্মানীতে একটি যুদ্ধের ডাক দেয়। [2] Th. Herzl, “Der Kongress, ” Welt, June 4, 1897. Reprinted in: Theodore Herzls zionistische Schriften (Leon Kellner, ed.), ester Teil, Berlin: Judischer Verlag, 1920, p. 190 (and p.139) [3] Francis R. Nicosia, The Third Reich and the Palestine Question (1985), pp. 54-55.; Karl A. Schleunes, The Twisted Road to Auschwitz (Urbana: Univ. of Illinois, 1970, 1990) pp. 178-181.

 গোপন উদ্দেশ্য ভিনদেশ দখল, ষড়যন্ত্রে নিজের লোককে গ্যাসচ্যাম্বরের দিতেও কুন্ঠিত নয়: যার সহজ পরিণতিতে ইহুদীরা ঐ দেশ থেকে অন্যত্র আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটে বেড়ায়। যেখানে গেছে প্রতিবেশীরা তাদের দরজা সেটে দেয় (books, “Perfidy” and “Min Hametzer”)। এর ফলে পাঁচটি জাহাজ বোঝাই জার্মানীর ইহুদী আমেরিকাতে পৌছে এবং এখান থেকে ফেরত গিয়ে তারা গ্যাস চ্যাম্বারের খোরাক হয়। এসব ইহুদীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল না তাদের মানুষকে বাঁচানো বরং প্যালেস্টাইনে একটি স্থায়ী বসতি সৃষ্টি করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বরে বেন গুরিয়ন, প্রথম জায়নবাদী প্রধান নেতা হিসাবে জায়নিস্ট রাষ্ট্রের ঘোষনা দেন। অতঃপর ১৯৪৯ তিনি বলেন, যদিও আমরা স্বপ্ন দেখছি এবং আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন শুরুর পথে। ইত্যবসরে ইসরাইলে ইহুদীদের জড়ো করা হয়ে গেছে, এরা তখন মোট ৯০০,০০০, যেখানে বাকী হাজার হাজার ইহুদীরা সারা বিশে^ ছড়িয়ে আছে। আমাদের প্রকৃত স্বপ্ন হচ্ছে জগতের সকল ইহুদীকে ইসরাইলে নিয়ে আসা। প্রধানমন্ত্রী শ্যারণ একটি কথা প্রচার করেন যে এন্টি সেমেটিজম বাড়ছে এবং এর থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইহুদীদেরকে ইসরাইলে জায়নবাদী আওতায় নিয়ে আসা। এটি একমাত্র জায়গা যেখানে ইহুদীরা ইহুদী হিসাবে বসতি করতে পারবে। এসব কথা বলে তারা প্রকৃত এহুদা গোষ্ঠীর ও প্যালেস্টাইনের বাসিন্দাদের মানবিক অধিকার ধ্বংস করছে। দেখা যায় অতি অল্প দিনে জায়নবাদীরা মেজরিটি হয়ে উঠে। এন্টি সেমেটিজমের বুলি উড়িয়ে দেয়া হয় যাতে ইহুদীরা সারা বিশ^ থেকে পতঙ্গ পালের মত ছুটে আসে ইসরাইলে। থিওডোর হ্যারজল তার ডায়রীর ১৯ পৃষ্ঠায় লিখেন, এন্টি সেমেটিজম হবে আমাদের নিশ্চিত বন্ধু, এবং এন্টি সেমেটিক দেশগুলি হবে আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র। এন্টি সেমেটিক হিসাবে আখ্যায়িত করার এ অভিযোগের বিরুদ্ধে চিরাচরিত এহুদী প্রজন্মের একজন শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব এর কঠোর প্রতিবাদ করেন, তিনি হচ্ছেন সেক্রেটারী অব স্টেট কলিন পাওয়েল। তিনি শক্ত ভাষায় জায়নবাদী রাষ্ট্র পরিচিতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট বলেন যে জায়নবাদী রাষ্ট্র কখনোই এন্টি সেমেটিক রাষ্ট্র নয়। এটি স্পষ্ট করেই বলা যায় এরা না ইসরাইলীয় না সেমিটিক, না জুইশ রাষ্ট্র, এটি জায়নবাদীদের ছলবাজ রাষ্ট্র, মিথ্যার উপর দাঁড়ানো একটি সভ্যতার কলঙ্ক মাত্র। গোটা বিশ^ আজ শয়তানের করতলে। সত্য পরাভুত, মিথ্যার জয়জয়াকার। চেতনহীনতা, গবেষনাহীনতা ও অদূরদর্শীতায় গোটা বিশ^ এমন করুণ অবস্থানের দিকে মোড় নিয়েছে।

Media and Islam War or Peace By Dr.Zakir Naik(Full)

 

১১ আগষ্ট ২০১৬ তে প্যালেস্টাইনের উপর একটি লেখা দিয়েছিলাম, সেখানে বলেছিলাম পরের লেখাতে আনবো কিভাবে এসব অনাচারও সৃষ্টিকর্তার চোখে ধরা পড়ছে, সেটি পরের লেখাতে আনবো। সৃষ্টিকর্তার বৈরী শক্তিও মঞ্চ দখল করতে ধর্মের খোঁজ করে। ঐ খুটি ধরেই দাঁড়াবার বাসনা মনে জমা রাখে! তাই দেখা যায় এরা মূল কেনানের বাসিন্দা না হয়েও ঐ কেনানের ভূভাগ দাবী করে ধর্মের দোহাই দিয়ে, পূর্বপুরুষের দোহাই দেয়, যা সর্বতোভাবে শত পার্সেন্ট মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। উপরে বর্নিত বাইবেলেও এ ছলনার সংবাদটি লুকিয়ে আছে। বাইবেলে দু’হাজার বছরেরও আগে ঐশী সংবাদ হয়ে এটি এসেছে যে এরা ইহুদীরা প্রতারক দল, এরা প্রকৃত বাসিন্দা নয়। সকল দুর্বৃত্ত সঙ্গতিহীন সবাই নবীর ছায়ায় দাঁড়াতে চায়, নবীর প্রকৃত অনুসারীকে ধ্বংস করে তারা মিথ্যার উপর দিয়ে প্রচার চালায় সবদিন, সর্বত্র। তাই প্রকৃত সাধু নির্বাসিত, ইবলিস আজ ময়দানের বড় ধর্মবেত্তা।

 

নাজমা মোস্তফা, ২৫শে আগষ্ট ২০১৬ সাল।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: