Articles published in this site are copyright protected.

কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশ সরকার বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাথে সমঝোতায় বসবে না। কারণটি খুব খোলামেলা সহজ। সবারই জানা, তবে সম্প্রতি ধরা খাওয়ার ভয়ে বড় সময় থেকেই সরকার ঢেকে রাখতে ব্যস্ত। অপরাধের আবর্জনায় ঢাকা অবৈধ সরকার পুতপবিত্র প্রচার ভঙ্গিতে আকন্ঠ ডুবা! এসব হচ্ছে জাতির সাথে চরমতম প্রতারণার নজির! জনতারা স্মরণ রাখবেন। মন্ত্রী আশরাফ বলছেন এ জাতি বেইমানের জাতি, বেঈমানীর চিহ্ন একদিকে রাখছেন তারা আবার অন্যদিকে বিরোধীদের  শায়েস্তা করতে শুধু অপকর্ম নয়, ভোট কাড়া, মিথ্যাচার, পেট্রোলবোমাসহ সব অস্ত্রই তাক করা। তবে অতীতের মত বেঈমানরা চারপাশের চেয়ার দখল করে আছে। চরম সংকটে জাতিকে ভুল ঔষধ সেবনে ব্যস্ত,  অকর্মাদের গোটা মোটা বেতনের টাকার পাওনা এ টুকুই। বন্দুক তাক করে রাখা বিরোধীর দিকে, তাদের তলোয়ার দুধারী, ধারেও কাটে গজেও কাটে। একদম দুমুখো সাপের ভূমিকায় তারা। র‌্যাবের লিস্ট নিখোঁজ আড়াই শতাধিকের বেশী, এতদিন তারা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছেন? এখন কেমন করে এ লিস্ট পেলেন? এ লিস্ট কি সাজানোই ছিল ফাইলে, শুধু উপস্থাপনা হলো মাত্র! মানুষ যদি সত্যিই নিখোঁজ হয়, এর আগে কেন র‌্যাব কোনভাবেই নড়ে নাই। প্রচার করা হচ্ছে যুবকদের সাথে পরিবারও নিখোঁজ হয়েছে। সবই পরিকল্পনার নতুন দিগন্ত? খবরের ধরণ দেখলে পিলে চমকায়! “চললাম, পরপারে দেখা হবে।” এসব জঙ্গী নাটকের ডায়লগ, কখনোই বাস্তবের ময়দানের ডায়লগ নয়। কাশ্মীর দাপটে রাখতে চায় সবদিন ভারত,  যদিও জনতারা মুসলিম। এবার হিন্দুর অত্যাচারে দেশ বিধ্বস্ত হচ্ছে একের পর এক। দাপটের সাথে শ্যামল কান্তিরা আল্লাহ নবী নিয়ে মস্করা বানিজ্যে করছে। পুলিশ আর সন্ত্রাসীর মাঝে ফারাক নেই। খালেদার গুলশান এবার টার্গেট। ভারতীয় গুলিতে এক ঢিলে হাজার পাখী মরছে। উপায় নেই, জাতিকে জাগতেই হবে, এ গোটা জাতির ঈমানী দায়িত্ব। তুরষ্কের দিকে তাকাও, শিখো! দরকারে আবার তোরা মানুষ হও। গোপন রহস্য ফাস করলেন মেজর জেনারেল আকতার পাঠক ভিডিওটি শেয়ার করুন।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। ইনশাল্লাহ আল্লাহর আদালতে জমা থাকবেই।  

 

আওয়ামীলীগের ধুতি খুলে দিলেন বিএনপির রুমিন ফারহানা

বিডিনিউজে ও ইউটিউবের বরাতে অবঃ মেজর আখতারুজ্জামানের কথাতে সরাসরি এসেছে  বাংলাদেশের সব গুপ্তহত্যায় ভারত জড়িত। ৯০ শতাংশ মুসলিমের দেশে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ১৯টি বিভাগের প্রধান হিন্দু। বিদায় হজ্জ্বকে বাতিল করে শরৎচন্দ্রের নাটকই উপযুক্ত মনে করে শিক্ষামন্ত্রণালয়। পবিত্র রমজান মাসে পুলিশের সুবিধার্থে শত হাজার ধড়পাকড় সাথে বিরাট বানিজ্য করার সুযোগ করে দেয় সরকার। সেখানেও মুসলিমরাই আতঙ্কে রমজান পার করে আর হিন্দুরাই বড় বানিজ্য করছে। জনতার কাঁধে চেপে বসেছে এ এক ভৌতিক সরকার। আর বাকী সারা দেশবাসী কি কম দেখছে? যারা মগজ মাথায় নিয়ে ঘোরে তারা সরকারের গুম হত্যা জঙ্গী নাটকের পর কঠিন কষ্টে শুনছে নষ্টঐক্য, মৃত্যু আর লাশ ছাড়া দেখার কিছু নেই। সেদিন একজন প্রশ্ন করে এদের কি ঈমান আছে? আচরণ দেখে ওটি আছে বলার সাহস কয়জন রাখেন? ওটি থাকার সাহস হারিয়েছিলেন প্রশ্নকর্তাও। সরকারের মুখ নেই ঐক্যের ডাক দিলে এমনিতেই গোমার ফাঁক হয়ে আছে, ডুবন্ত যাত্রীর মত ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

19 Oct. 2016 | “থ্রি হান্ড্রেড মিলিয়ন ডলার ম্যান

মিসিং লিংকগুলো কি জনগণ জানে না, নাকি ভুলে যাবে? ফায়াজের প্রশ্নবিদ্ধ খবর বেরিয়েছে তিনি হিরো নন, বরং জঙ্গীদের একজন কিন্ত সরকার দুর্গন্ধ ঢাকতেই ব্যস্ত। সাধু শেফের প্রশ্নবিদ্ধ জঙ্গীত্ব সহজ সরল স্বভাবের মানুষটিকে প্রতারক মিডিয়া জঙ্গী বানিয়েছে। যেমনটি বানিয়েছে জাকির নায়েককে জঙ্গী। আওয়ামী লাশের জীবন্ত থাকার সম্ভাবনা, নিখোঁজ ছাত্র ক্যানাডার তাহমিদ, হাসনাতের ফোনালাপ সংকট। লিষ্টে নাম আসছে আওয়ামীদের, লজ্জা ঢাকতে ব্যস্ত পুলিশ র‌্যাব!  রোহান ইমতিয়োজের বাবা বাবুল ইমতিয়াজ সাবেক ও চলমান সরকারী রাজনীতি ও বিতর্কীত মানব পাচারেও জড়িত, তারপরও কোনভাবেই দায়বদ্ধ নন, বর্তমানে লাপাত্তা। বিগত শতকে শাফিউর রহমান জনতার মঞ্চ করে দশটিকে ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন। আজ শুনছি তার ছেলেও নাকি জঙ্গী, শান্তি নিকেতনে শিক্ষিত। ইউটিউবে দেখছিলাম হাসনাত পরিবারের মেয়েদের নিয়ে বের হয়ে আসছেন, মিডিয়ার বরাতে যিনি জঙ্গী পরিচালনার দায়িত্বে আছেন তিনি গিয়েছেন স্ত্রীপুত্র নিয়ে ভোজন করতে!  সব সম্ভবের দেশে কেমন যেন বেখাপ্পা লাগছে সব! একটি জিনিস বহুদিন থেকে খুব লক্ষণীয় বিষয়; ধরা যখন খায় তখন দেখা যায় এরা আওয়ামী লীগ। আর যতক্ষন এরা ধরা খায় না, ততক্ষণ সরকার সাঙ্গোপাঙ্গসহ চেঁচায় এরা বিএনপি জামায়াত। এরা মনে করে দুনিয়াতে আল্লাহ নামের নীরব অস্তিত্বটির বাস্তবতা নেই, এটি গত বিগত! তাহলে গোটা জাতির এক অংশ কি নাস্তিক হয়ে গেল? স্থানে স্থানে আওয়ামী ও পুলিশের ষড়যন্ত্র ধরা পড়ছে, তারপর আর কোন ভরসাতে সরকার ঐক্য করতে আসবে? সরকারইতো জঙ্গী; এটি তো ওপেন, যদিও সরকার ভাবছে এটি সিক্রেট! সহজ অংক হতে পারে সরকারের ও পিতামাতার ধর্মহীনতা দেখে তারা প্রজন্ম পথহারা বিপথগ্রস্ত জঙ্গীরা। একুল ওকুল দুকুল হারিয়েছে। বাবুল আক্তারের উপর দুই শর্ত হয় চাকরী ছাড় নয় জেলে যাও, কি কারণে? সরকার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গকে বাঁচাতে? নয় কি? এ যাবত সরকারের প্রতিটি কর্মকান্ডই জঙ্গীর সমার্থক। একজন সৎ নির্দোষ মানুষের কেন চাকরীই বা যাবে আর কেন জেলেই বা যাবে? এর মাঝে তিনি স্ত্রী হারিয়েছেন। এরা আর কত ভেদবুদ্ধি হারাবে?

আচরণে পাওয়া এসব জঙ্গীদের বৈশিষ্ঠ হচ্ছে মদ খাওয়া, বউ পিটানো, হৈ চৈ করা, গাড়িতে ঘোরাঘুরি করা, আড্ডাবাজি করা, জোড়া বান্ধবী ঘেরা, জড়িয়ে ধরা, রেসটুরেন্টে খাওয়া ছাড়াও নায়িকাদের পিছনে ছুটে বেড়ানো, ভারতীয় শ্রদ্ধা কাপুরের সাথে নাচের রেকর্ড উদাহরণীয়। কিছু আগের ক্রসফায়ারে ফাহিম হত্যা ও বাকীরা,  অনেকের সন্দেহ বিতর্কীত অপরাধী পুলিশ অফিসার সালাহউদ্দিন হয়তো ভিন্ন পুলিশ গ্রুপের ক্রসফায়ারের শিকার! অবৈধ অর্জনের বখরা নিয়ে প্রায়ই আওয়ামী বিবাদ তাদের বাস্তবতা, এর সুবাদে ময়দানে খুনও হয়। বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের খেলা সমগ্র জাতির জানা। তারপরও ওপেন সিক্রেটের বাকী আছে কিছু? শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান মান্না ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমান নাটকের চলমান অংশ। এরা সবাই ঐ আড়াই শ জঙ্গীর লিস্টের আগের মহড়ার খেলোয়াড়। প্রতিটি ঘটনা একসূত্রে বাঁধা। ভারত বনাম বাংলাদেশ নাটক। এবার শুরু হয়েছে জামায়াত নাটক; একই খন্ডছিন্ন, বর্ধিত অংশ। জামায়াতকে ছাড়তে হবে বলেন এক মুখে আবার পরক্ষণেই নেতারা বলেন এসব হচ্ছে রাজনীতির কৌশল। সারাটা জীবন এরা কৌশলের মিথ্যাচারে জড়িয়ে থাকলো। জামায়াত আওয়ামী থেকে কি খারাপ কিছু করেছে?  জামায়াত কারো কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে এমন উদাহরণ জানি না। তাহলে ঐ ইন্ডিয়ান এজেন্ডা সফল করতে আর কত দৌড় ঝাপ দিবে আওয়ামী সরকার! স্বৈরাচারের সাথে জামায়াতের সাথে সমঝোতা করেছে সরকার, এখনো স্বৈরাচারের সাথে গাটছড়া বাধা!  কিন্তু আজ কেন জামায়াত নাটকে অতিরিক্ত আদিখ্যেতা তাদের!  নিজেদের অসৎ দাগের আমলনামা সবদিন ঢেকে রাখা। মিথ্যাচারের এমন কোন পাট বাকী নেই যা তারা ধ্বংস করার বাকী রেখেছে। গোটা জাতিকে শক্ত করেই বলতে হবে ভারতকে ছাড়!  বাঁচতে হলে এর বিকল্প নেই। ভারত মূর্তিপূজক গরু পূজক জাতি, ঈমানদার মুসলিমের পথ নির্দেশক এরা নয়। বাংলাদেশ সরকারের উপর আল্লাহর সন্তুষ্ট থাকার কথা নয়! তারপর জনতা, তারাও জবাবদিহি মুক্ত নন।

পাঠক খুব সতর্কভাবে অংক মেলাবেন। সরকার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তারা সব জানতো। গুলশানে জঙ্গীর অপারেশনে কালো রংএর রেজিস্ট্রেশনহীন পাজেরো জিপ কেমন করে দু দুটো চেক পোস্ট পার হয়ে যায়। সরকার র‌্যাব পুলিশ দেখেনি যদিও সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবী করেছেন আগেই জেনেছেন হামলার সব খবর তাদের কাছে ছিলই। তাহলে বুঝেন ঠেলা, কে বা কারা এটি করেছে ! আর ঐ কালো রংএর পাজেরো সাধারণত ব্যবহার করে সরকার ও পুলিশ। ৭২,০০০ কোটি টাকা পাচার হয়ে যায় বিগত অল্প সময়ের মাঝে, বুলেট প্রুফ ফাহিমকে কোর্টে হাজির করা হয় কিন্তু মাঠে নিয়ে যাওয়া হয় টি সার্ট পরিয়ে, কারণ তাকে ক্রসফায়ার দিতে হবে।বন্দুকযুদ্ধ বললেও কোন পুলিশ আহত হয় নি, ধারে কাছের কেউ বন্দুকযুদ্ধের গুলাগুলিও শুনে নি। গত ছয় মাসে ১০১ জনকে তারা ক্রসফায়ার দিয়েছে, মানে গুলি করে মেরেছে। রিজার্ভ লুট, তনু মিতুরা ধারাবাহিক লাশের জমা। সরকারের সদস্যরা তিনটি ধারাবাহিক মিথ্যা চুটকি মন্তব্য ক্রমাগত করতে থাকে। সাম্প্রতিক ইনুর ছলবাজি প্রচারে বাংলাদেশে ৮,০০০ আলকায়দা, প্রধানমন্ত্রীর মুখে জঙ্গী বিএনপি জামাত আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জেএমবি আনসারুল্লাহ নাটক এ তিন ধারাবাহিক মঞ্চনাটকের অংশ মাত্র। তারা মূল সমস্যার ধারেকাছেও নেই, প্রতিটি দুর্ঘটনা অঘটন তারাই শক্তির তলানীতে ঘটাচ্ছে। তাই না পারছে গিলতে না পারছে উগলে দিতে। ক্রমাগত প্রলাপ বকে যাচ্ছে সৈয়দ আশরাফও তার ব্যতিক্রম নন। টকশোতে জটিল প্রশ্নে জড়িয়ে গেলে বক্তারা চলে যান দূর বিদেশে, আব্রাহাম লিংকনদের দারস্থ হয়ে প্রাণ উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পরক্ষণেই গাঁ বাঁচাতে বলতে থাকেন এ সমস্যা বর্তমান বিশে^র সমস্যা। দুর্জনের ছলের অভাব হয় না। কোনভাবেই আওয়ামী বক্তারা সুকর্ম করার দরকার বোধ করেনা। সব প্রশ্নের এক উত্তর মুজিব হত্যা ৭৫, ২১ আগষ্ট ২০০৪, আর পেট্রোলবোমা। যদিও সবকটি তাদের নিজেদের কৃত অপরাধ, যুক্তি প্রমাণসহ স্পষ্ট। কিন্তু প্রকৃত বাস্তব হচ্ছে মাঝের সময়টিতে জিয়া না আসলে এ জাতির ইতিহাস আগা গোড়াই থাকতো কলঙ্কে ভরা এক ব্যর্থ মৃত জাতির ইতিহাস।

নারী জঙ্গির আত্মঘাতী মৃত্যু” ধরা পড়ে গেছে গ্রেনেডে ‘শরীর অক্ষত থাকা’র নাটক!***by BD LOCAL TV NEWS

 

আওয়ামী লীগের ৫ই জানুয়ারীর কুত্তা মার্কা নির্বাচন ও দূর্নীতির প্রমাণ দিলেন এই তরুন আইনজীবি

সরকার জঙ্গীর পাট প্লে করে আবার তাদের গুন্ডা দিয়ে গাড়ী পুড়ায়, এদিক ওদিক আগুন দেয় মানুষকে প্রতারিত করতে জঙ্গিবিরোধী মিছল করায় । এসব খেলা আজই নতুন নয়, এসব ভুক্তভোগীরা তার নিজ সাগরেদরা প্রকাশ করে গেছেন সে পুরোনো দিনের খেলা আর কত খেলবেন? সবচেয়ে বড় কথা কোনভাবেই মিডিয়াকে বিশ^াস করার অবকাশ থাকে নাই। প্রত্যেকের নিজের বিবেক বিশ্লেষনকে তার চেয়েও বহু উপরে স্থান দিতে হবে। সত্য জানতে হলে সেখানের প্রচারিত ক্রমাগত মিথ্যাচার থেকে কঠিন সত্যটি আহরণ করতে হবে, আবিষ্কার করতে হবে। মাদ্রাসাগুলি জঙ্গির কারখানা, ইসলামী বই জিহাদী বই, এটিও মিডিয়ার এক বড় মিথ্যাচার, যা আজকের খেলাতে বেমানান ঠেকছে। হামলাকারীরা বউ পেটায়, মদ খায়, এরা কি মুসলিম? তুরষ্কের আযান ধ্বনি আর বাংলাদেশের জঙ্গীর “আল্লাহু আকবার” ধ্বনির ফারাকটা কোন অবস্থায়ই ভুলবেন না, পাঠক! তুরষ্ক নিয়ে অন্য একটি লেখা দিব, তবে ওখান থেকে অনেক বেশী শেখার আছে দেশবাসীর এ সঙ্গীন মুহূর্তে। দীর্ঘদিন শয়তানের সাথে পাল্লা লড়ে তুরষ্কের জনতার ঈমান অনেক পোক্ত হয়েছে, সেটি বোঝা যায়। কাশ্মীরের আফজাল গুরুকে অন্যায়ভাবে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ভারত, যার প্রতিবাদ করেছেন খোদ অরুনধুতি রায়। সম্প্রতি ভারতের অনাচারের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী তাবাসসুম গুরুর বলেছেন, “ভারতের গোলামীর চেয়ে আজাদীর লড়াই অনেক ভালো”। এ অনাচার নির্যাতনের স্বরুপ বুঝতে হবে বিশে^র প্রতিটি মুসলিমকে। ভারতের মুসলিম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, ইসলামের জন্য মৃত্যু নয়, ইসলামের সত্যের জন্য, সুন্দরের জন্য মুসলিমকে বাঁচতে হবে। মুত্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে এরা তাদের আর্জিত সীমাহীন অপকর্ম ও শূণ্যস্থান ভরে দেখাতে চায়।

‘গুমপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এখন গুম রিপাবলিক সরকার হয়েগেছে

বিডি নিউজে এসেছে, “বাবুল আক্তার নাটকের মূল হোতা পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার! এ হচ্ছে নব্য রক্ষকদের কর্মকান্ড, এরা মূলত ভক্ষকের কাজে জড়িত। প্রতিটি সৎ ও সততার দাগ মুছে দিতেই তারা তৎপর। জানা যায় ঢাকা শহরের কয়েক ডজন স্থানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ক্যাম্প রয়েছে, খোদ গুলশানেই তাদের দুটি ক্যাম্প আছে। বাবুল আক্তারের শ^শুর ওরফে মিতুর বাবা প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের উক্তি, মুখ খুললে সব ষড়যন্ত্র উড়ে যাবে! বাবুল আক্তার নাকি তার স্ত্রীকে সন্তানের সামনে খুন করিয়েছেন। সর্বত্র মিথ্যাচারে কাঁচা অঙ্কের হিসাব এসব! এরা সব পারে বাবুলের নামে পরকিয়ার অপবাদ ছড়িয়েছে, কিন্তু বাবুলের ধমক খেয়েও আজো মেয়েটির নাম প্রকাশ করতে পারে নি! তার পরপরই এক পাল জঙ্গীকে তাড়িয়ে নেয় গুলশানে। সবই তারা জানতো, শতমুখে স্বীকার করছে। ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা টাইমস অফ ইন্ডিয়া খবর দিয়েছে গুলশান ঘটনায় বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দারা কাজ করছে। ৩০ জুন  পিরোজপুরে ভান্ডারিয়া উপজেলাতে আওয়ামী লিডার ইয়াবাসহ ধরা পড়ে র‌্যাবের হাতে, ঝালকাঠির থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়, যার প্রেক্ষিতে সেখানে সকাল সন্ধ্যা হরতাল ডাকে আওয়ামী লীগ। বিরোধীরা নয় তারাই অপকর্ম করে আবার তারাই হরতাল ডাকে, কি ভয়ানক পবিত্র এ সরকার!  বিএনপির ঐক্যের ডাকে আওয়ামী সরকারের সন্দেহ নয়, বরং ভয় এবং সেটি হচ্ছে সর্বস্ব হারানো ভয়। সর্বস্বটির নাম ক্ষমতা!! ময়দানের ভোটে যাওয়ার কোন উপায়ই অবশিষ্ট নেই, এবার সর্বাঙ্গের বিষফোঁড়া ওপেন হয়ে গেলে কি দিয়ে ঢাকবে এত অনাচার!  তাই সমানেই প্রলাপ বকছে তারা লাগাতার সবাই। জাপান কোঅপারেশন এজেন্সী সংক্ষেপে জাইকা, ৮০ স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা ত্যাগ করলেন (২০ জুলাই ১৬। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এ্যাসোসিয়েশনও অনিশ্চয়তায় দুলছে। সেপ্টেম্বরে তাদের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।  জাপানের প্রথম নাগরিক হোশি কোনিও হত্যার পর থেকেই তারা শংকিত ছিল। এবার তাদের ৭ নাগরিকের খৃুন একই ধারাবাহিকতা, ওদিকে ইতালীর লাশগুলিও একই উদ্দেশ্যে এক হাতের খেলা! যারা চায় এদেশ যেন এক শক্তির পা চাটা গোলাম হয়ে থাকে। অতি অল্পদামেও নয়, মাগনা শুধু দাস হয়ে থাকতে চায় এ সরকার। জাপান পর্যবেক্ষণ করছে, তারপরও সরকারের উপর ভরসা রাখতে পারে নাই এসব তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। সরকারের কর্মকান্ড জাপানীদের নিরাপত্তা দেয় নি, বরং ভয় জাগিয়েছে। যে রাষ্ট্র নিজেই মানুষ খেকো বাঘ, তাকে কে বিশ^াস করবে?

২০ জুলাই ২০১৬ সাল।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: