Articles published in this site are copyright protected.

Archive for July, 2016

কল্যানপুরের জঙ্গি তৎপরতা কতটুকু কল্যান আনতে পারে? 

Awami Tandob( Logi Boiytha) 2006 Part 1

 

এখানে ২৫টি অকল্যাণের দাগ দেয়া পয়েন্ট সূত্রগুলি সবার চোখের সামনে এসেছে। সংক্ষেপে ২৫ হলেও প্রকৃত কপটতা বহুগুণ বেশী। শত হাজার ছুয়ে যাবে। ৯ লাশের জমা, সমৃদ্ধ ঘরের সন্তান, পুলিশের দৃষ্টিতে তুখোড় স্মার্ট।  ঘটনাটি বানোয়াট, ফাঁস করলেন সাংবাদিক মহিম মিজান ও প্রতক্ষ্যদর্শী  নীচের ভিডিওটি অনেক যুক্তি স্পষ্ট করছে। দুঃখিত, এসব স্পষ্ট দাগ মুছতে তারা প্রতিনিয়ত ব্যস্ত সময় পার করছে।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

 

গম আমদানির নামে বিদেশে জয়ের টাকা পাচার

,

andolon news দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ও বিকাশ জঙ্গি জননী শেখ হাসিনার শাসনামলে।,

(১)        অধিকাংশের গুলি লেগেছে পিছন থেকে। ফরেনসিক বিভাগের তদন্তকারী চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ বিডিনিউজ টোয়েনটিফোর ডটকমকে বলেছেন, প্রত্যেকের শরীরে ৬/৭টি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। মানুষ যখন পালায় তখনই পেছন থেকে গুলি করা হয়। এরা পালায় নাই, এরা ছিল ময়দানের সম্মুখ যুদ্ধা। বদ্ধ ঘরের ভেতর থেকে পালায় কেমনে? এসব আসল নাটক নয়; এসব নকল নাটক।

(২)       সোনাবন্ধুর ঘুম হারাম হয়েছে। সেই সুযোগে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও নিরাপত্তায় সহযোগিতা করতে  চায় ভারত (জুলাই ২৬)।

(৩)       পুলিশই আসল জঙ্গি। ওরা ঐ অপকর্ম সাজাতে গিয়ে তাড়াহুড়াতে মূল নীল রংএর পর্দা সরাতে ভুলে যায়, দৈবের পরিহাস হয়ে একপাশে ঝুলে থেকে বন্ধুসহ সরকারের পুলিশের সব অপকর্ম উলংগ করে দেখায়। এরই নাম দৈব! একে দেখা যায় না, শুধু কলকাঠি নাড়ে।

(৪)       জঙ্গিরা যদি লুকানোই থাকে, তবে কেন প্রচার করবে? আইএসএর পর্দা টাঙ্গাবে! সরকারও বলছে এরা দেশীয় জঙ্গি, আইএস নয়। তারপরও সমন্বয়ের অভাবে এসব গোজামিল কর্ম ময়দানে ঠাঁই পায়।

(৫)       সবাইকে নাটকের রিহার্সেলের মতই এক রংএর ড্রেস পরিয়ে আনা হয়। মরার আগে জঙ্গিরা ঐ ড্রেস টেইলার্স থেকে আনে নাই। এটি সাজাতে জনগণের টেক্সের টাকা খরচ করে সরকার নাটকের মহড়া দিয়েছে। মাথায় আবার লাল রং আরবী ধামা বাঁধতেও ভুলে নাই। কারণ সরকারের উদ্দেশ্য ইসলাম ও মুসলিমকে কারারুদ্ধ করা।

(৬)      মৃত্যুর পর একই লাশ বার বার ছুরি বদল করে ওলট পালট করে কেমনে? ফেইসবুকে এসব ছবি অসংখ্য পাওয়া যাচ্ছে!

(৭)       ৪টি পিস্তল দিয়ে মুহুর্মুহু গুলি? এত গুলিবর্ষণ জঙ্গিরা ৪টি পিস্তল দিয়ে কিভাবে করল? বলেন সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা, এ সাংবাদিক সরকারের পক্ষেই দালালীতে সব সময় সরব থাকেন। তবে আজ কেন জানি সত্যকে অস্বীকার করতে পারছেন না! তার জন্য তাকে ধন্যবাদ।

(৮)       বাংলাদেশের অদক্ষ বিশারদরা দেখেছেন আইএস কালো পাঞ্জাবী ও পাগড়ি প্রচার করেছিল। তাই ঐ অনুকরনীয় নাটক করতে গিয়ে এ ধরা খাওয়া। বস্তুত চোর ধরায় বাংলাদেশের জনতারা পুলিশ থেকেও বহুগুণ বেশী দক্ষ।

(৯)       নিহতরা সত্যিই জঙ্গি কিনা, সন্দেহ সারা জাতির। সন্দেহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) আ স ম হান্নান শাহ এরও (বাংলামেইল২৪ডটকম)। তিনি বলেন সরকারের পদত্যাগের বিকল্প নেই। তিনি বলেন আমি সেনাবাহিনীর লোক, এটি ভালো করেই জানি কারো নির্দেশ ব্যতীত এ রকম নির্দোষ মানুষ মারা যাচ্ছে না। আর হুকুমদাতার নাম আপনারাও জানেন আমিও জানি।

(১০)     এক সাংবাদিকের মুখে শুনেছি জাহাজ বিল্ডিংটি একদম আটসাট চিপার মাঝে সেখানে কিভাবে খোলা ময়দানে যুদ্ধের মহড়া হলো বুঝে আসে না? সাংবাদিকদের কোন প্রশ্ন করার সুযোগ রাখে নি বিতর্কীত পুলিশ ও বাহিনী প্রধানরা।

(১১)      জঙ্গিরা কখনোই ধরা খাচ্ছে না, শুধু ক্রসফায়ারে মরে লাশ হচ্ছে সরকারের সুবিধামতন, নির্দেশমতন। সরকারের যুদ্ধাপরাধী নাটকের পর চলছে মেগা সিরিজে জঙ্গি নাটক একের পর এক। জাতির জন্য হাস্য রসের কৌতুকের জোগান দিচ্ছে এ সরকার, শত মায়ের বুকি খালি করে। রেশমা নাটকের মতই এসব অতি অল্পেই খোলাসা হয়ে পড়ছে। সরকারকে সেখানে হেলিকপ্টারে চড়ে এসে গায়ের চাদর বন্টনের সুযোগও বাকী থাকে নাই।

(১২)     অতি তৎপর পুলিশ করিৎকর্মাদের যোগ্যতা বিশ^ জেনে যাবে তাই মিডিয়া বন্ধ রয়েছে।

(১৩)     ভোরে ৫টা ৫১ মিনিটে পুলিশের হামলা হয়, অর্ডারী জিম্মীরা নিশ্চয় ঝিমাচ্ছিল ঘুমাচ্ছিল, না হয় কাৎ হয়েই শুয়েছিল। কিন্তু এতকিছুর পরও জুতা পরা ছিল। মাথার পাগড়ি ড্রেস সব ঠিকঠাক ছিল। অভিনব নাটক আর কত?  সাধের প্রাণ লুটে পড়লো কিন্তু ছুরি থাকলো হাতে ধরা! জঙ্গিদের হাতও কি চুম্বকের তৈরী ছিল নাকি? শত হাত বা শত গজ দূরের পুলিশকে কিভাবে ছুরি দিয়ে হত্যা করা সম্ভব? এসব নাটকের অর্থ কি, জাতি জানতে চায়।

(১৪)     ভারতীয় অস্ত্র ও সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের এত বিজয় নিশ্চয় সম্ভব হতো না? বদ্ধ ঘরে ছুরির লড়াই হলে কি হবে? চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল অসংখ্য গুলির খোসা! এগুলি নিশ্চয়ই প্রতারক পুলিশের খোসা, জঙ্গির নয়।

(১৫)     বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী আর কিছু না পারুক নামকরণ দিতে পারে। এবারের নাম ছিল অপারেশন স্টর্ম -২৬। মরার আগে এরা জঙ্গিরা পাইপ বেয়ে উঠে আর মরার জন্য চিৎকার করতে করতে আল্লাহু আকবর বলে জানান দেয়। ইসলামকে কাকতাড়–য়া বানাতে আল্লাহু আকবর, তলোয়ার, ইসলামী বইএর নামে জিহাদী বই, তূর্কী কালো পতাকাকে আসামীর লিস্টে রাখা হয়। মিজান নামের একজন সাংবাদিকের বক্তব্য শুনি,  তিনি খুব স্পষ্টভাবে যুক্তির মাধ্যমে এটি স্পষ্ট করেন যে কিভাবে  পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বলতে পারেন এরা খুব শিক্ষিত ও স্মার্ট ছিল। যুদ্ধের ময়দানে লাশ চিহ্নিত হওয়ারও আগে তিনি কেমন করে ভবিষ্যত দ্রষ্টার মত এটি সনাক্ত করতে পারলেন? তার মানে তাদের হাতে পূর্বে ধরা খাওয়া স্মার্ট ছেলেরাই পরবর্তী নাটকের স্ক্রিপটে কাজে লেগেছে জঙ্গিতে ধরা খেয়েছে, নয় কি?

(১৬)    সমস্ত জাতি জানে সারা দেশে ৬৩ জেলাতে একদিনের জঙ্গি লিডার শায়খ আব্দুর রহমানও ছিল আওয়ামী ঘরানার মানুষ। মির্জা আজমের আপন দুলাভাই। এরা ভারত থেকে প্রশিক্ষিত ছিল। এবারও প্রায় প্রতিটি আসামীই ধরা খাচ্ছে আওয়ামী ছত্রচ্ছায়ায় আওয়ামী সমৃদ্ধ পরিবারের সন্তান হিসাবে। ঐ সময় বিএনপি সরকারই এদেরে ধরে। বর্তমানে নর্থ সাউথকে কোন কারণে জঙ্গির লিস্টে রাখা হয়েছে, সেটিও খুঁজলে পাওয়া যাবে। ডঃ ইউনুসের মত নর্থ সাউথও বিতর্কীত সরকারের চোখে ধরা খেয়েছে।

(১৭)     জানা যায় কল্যাণপুরের পাশের বাসাগুলোতে পুলিশ তালা লাগিয়ে দেয়। এসব ঘটনা সাজাচ্ছিল বেশ দিন থেকে যা শেখ হাসিনার জানা ছিল। তাই তিনি বারে বারে বলছিলেন আরো বড় ধরণের হামলা আসছে সামনে, আমি দেশের প্রধান, আমার  কাছে তথ্য আছে।

(১৮)     জাতি মাঝে মাঝে শুনে একজন ধরা খেয়েছে কিন্তু আর কোন নড়াচড়া পাওয়া যায় না, ঐ পর্যন্তই। এটিও নাটকের ভিন্ন চিত্র।

(১৯)     এদের ঢোল কোনদিন জাতি বাজাবে না,  তাই তারা নিজেরাই নিজেদের ঢোল পিটায় উদারচিত্তে সরকার ও পুলিশ। একসুরে বলে বেড়ায় অভিযানে সোয়াতের ভূমিকা অসাধারণ, এরা আমাদের জাতির গর্ব।

(২০)    স্মরণযোগ্য সেই জাহাজ বিল্ডিংএর মালিকও কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতা। এতসব নাটকের মহড়ার পর এবার ঢাকার আমেরিকান রাষ্ট্রদূতকে বলা হচ্ছে, আসেন ঘটনাটি তদন্ত করুন।

(২১)     জাহাজ বিল্ডিংএর ছয়তলার সিড়ি খুব সরু, এবার পুলিশ মরে নাই, শুধু জঙ্গিই মরে। গ্যালোবারের সালাহউদ্দিন নাটকে হয়তো টাকা ভাগ বন্টনে শেয়ারে কারো ভাগে কম পড়েছিল, তাই তাকে জঙ্গির ক্রসফায়ারে মরতে হলো।

(২২)    বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে মরার পূর্বে নাকি এরা হুরপরি স্বপ্নে বিভোর ছিল। কিভাবে হাসিনা অর্ডারী নাটক প্রমাণ করতে হবে, সেটিও ছিল তাদের টার্গেটে লিস্টিবদ্ধ করা। তাও বাস্তব করতে হলো। শেষ বিচারের পরের নাটকের সাথেও পুলিশি মশকরা, সরকারী মশকরায় এত সব সিনক্রিয়েট নাটক!

(২৩)    সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিন্ন লড়াইএ বাংলাদেশের সাথে ভারতের আরও নিরাপত্তা সহযোগিতা চেয়েছেন দেশটির হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। তিনি বলেন নতুন চ্যালেঞ্জগুলি বাড়তি সহযোগিতা ও সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তৈরী করেছে।

(২৪)    এসব আদ্যেপান্ত ঘটনা এটিও স্পষ্ট করছে কি কারণে এসব নাটক সংঘটিত হচ্ছে, স্বাধীন একটি দেশটি কবজা করতে কত শত মাকে এখনো আরো বহু লাশের অপেক্ষার সময় পার করতে হবে, কে জানে?

(২৫)    রিজার্ভ চুরির হোতারা সোনাবন্ধুর দেশসহ জয়বন্ধু রাকেশ আস্তানা ও আওয়ামী ৭ কর্মকর্তা জড়িত।  বড় দুই রাঘব বোয়ালও আছেন। লজ্জায় লাল হয়ে সরকার এসব প্রকাশে গড়িমসি করছে। আতিউরের লজ্জা পদত্যাগ নাটক ও প্রধানের কান্না এক সূত্রে গাথা। তদন্তকারী বিশেষজ্ঞরা প্রতিবেদন দাখিল করলেও লাল হওয়া সরকার এখনো নিরব ভূমিকায়, জাতিকে জঙ্গি বানাতে ও বিরোধী তারেক রিজভী জামায়াত ধড়পাকড়ে ব্যস্ত। ব্যংক রিজার্ভের তদন্ত রিপোর্ট ৩০ মে অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়া হয়, তারপরও বহুগুণ উৎসাহে শক্তিমানরা জঙ্গী সাজাতে ব্যস্ত। এসব হচ্ছে দুর্গন্ধ ঢাকার ষড়যন্ত্রী ক্যারিক্যাচার, জঙ্গি নাটক, এরা তারাবিহ পড়ে না, জঙ্গিপনা করে। প্রধানের দুর্গন্ধ ঢাকতেই এসব ছলাকলা হচ্ছে বড় সময় থেকে এটি সংশ্লিষ্ট ময়দানের দর্শনার্থিদের ধারণা। মাহমুদুর রহমানের দুর্যোগ যায়নি,  জামিন পেয়েও তিনি মুক্তি পান না। কারণ প্রধানের ইজ্জত!  তার পুত্রের ঘুষের খবর প্রচার করে তৌফিক-ই এলাহির ঘুষের খবর প্রচার করেই মাহমুদুর রহমান  বেকায়দায় পড়েন। চোরের তারাবিহ পড়াতে কি কোন লাভ জমে? জাতি ফতোয়াটি জানতে চায় প্রধানের কাছে, যিনি অধর্ম করেন আবার সময়ে সময়ে ধর্ম বাণী বিলি করেন। ভাগ্যবান চতুর চোরের দশ দিন হয়, সাধুর কি একদিনও হবে না? আল্লাহ সাধুদের সুদিন আনুক, সেই প্রার্থনায়। দেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে দেশটি কিভাবে যে ধ্বসের দিকে ধাবিত হচ্ছে তার কিছুটা আভাস পাবেন নীচের ভিডিওটিতে।

নাজমা মোস্তফা, ২৯  জুলাই ২০১৬।

আইভীর মাদ্রাসা বিরুধী বক্তব্যের দাঁতভাঙ্গা জবাব। বাদ পড়েনি মুন্নি সাহাও।

 

 

Advertisements

সরকারই জঙ্গী: এটি লুকানো নেই, ওপেন সিক্রেট!

কোন অবস্থাতেই বাংলাদেশ সরকার বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাথে সমঝোতায় বসবে না। কারণটি খুব খোলামেলা সহজ। সবারই জানা, তবে সম্প্রতি ধরা খাওয়ার ভয়ে বড় সময় থেকেই সরকার ঢেকে রাখতে ব্যস্ত। অপরাধের আবর্জনায় ঢাকা অবৈধ সরকার পুতপবিত্র প্রচার ভঙ্গিতে আকন্ঠ ডুবা! এসব হচ্ছে জাতির সাথে চরমতম প্রতারণার নজির! জনতারা স্মরণ রাখবেন। মন্ত্রী আশরাফ বলছেন এ জাতি বেইমানের জাতি, বেঈমানীর চিহ্ন একদিকে রাখছেন তারা আবার অন্যদিকে বিরোধীদের  শায়েস্তা করতে শুধু অপকর্ম নয়, ভোট কাড়া, মিথ্যাচার, পেট্রোলবোমাসহ সব অস্ত্রই তাক করা। তবে অতীতের মত বেঈমানরা চারপাশের চেয়ার দখল করে আছে। চরম সংকটে জাতিকে ভুল ঔষধ সেবনে ব্যস্ত,  অকর্মাদের গোটা মোটা বেতনের টাকার পাওনা এ টুকুই। বন্দুক তাক করে রাখা বিরোধীর দিকে, তাদের তলোয়ার দুধারী, ধারেও কাটে গজেও কাটে। একদম দুমুখো সাপের ভূমিকায় তারা। র‌্যাবের লিস্ট নিখোঁজ আড়াই শতাধিকের বেশী, এতদিন তারা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছেন? এখন কেমন করে এ লিস্ট পেলেন? এ লিস্ট কি সাজানোই ছিল ফাইলে, শুধু উপস্থাপনা হলো মাত্র! মানুষ যদি সত্যিই নিখোঁজ হয়, এর আগে কেন র‌্যাব কোনভাবেই নড়ে নাই। প্রচার করা হচ্ছে যুবকদের সাথে পরিবারও নিখোঁজ হয়েছে। সবই পরিকল্পনার নতুন দিগন্ত? খবরের ধরণ দেখলে পিলে চমকায়! “চললাম, পরপারে দেখা হবে।” এসব জঙ্গী নাটকের ডায়লগ, কখনোই বাস্তবের ময়দানের ডায়লগ নয়। কাশ্মীর দাপটে রাখতে চায় সবদিন ভারত,  যদিও জনতারা মুসলিম। এবার হিন্দুর অত্যাচারে দেশ বিধ্বস্ত হচ্ছে একের পর এক। দাপটের সাথে শ্যামল কান্তিরা আল্লাহ নবী নিয়ে মস্করা বানিজ্যে করছে। পুলিশ আর সন্ত্রাসীর মাঝে ফারাক নেই। খালেদার গুলশান এবার টার্গেট। ভারতীয় গুলিতে এক ঢিলে হাজার পাখী মরছে। উপায় নেই, জাতিকে জাগতেই হবে, এ গোটা জাতির ঈমানী দায়িত্ব। তুরষ্কের দিকে তাকাও, শিখো! দরকারে আবার তোরা মানুষ হও। গোপন রহস্য ফাস করলেন মেজর জেনারেল আকতার পাঠক ভিডিওটি শেয়ার করুন।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। ইনশাল্লাহ আল্লাহর আদালতে জমা থাকবেই।  

 

আওয়ামীলীগের ধুতি খুলে দিলেন বিএনপির রুমিন ফারহানা

বিডিনিউজে ও ইউটিউবের বরাতে অবঃ মেজর আখতারুজ্জামানের কথাতে সরাসরি এসেছে  বাংলাদেশের সব গুপ্তহত্যায় ভারত জড়িত। ৯০ শতাংশ মুসলিমের দেশে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের ১৯টি বিভাগের প্রধান হিন্দু। বিদায় হজ্জ্বকে বাতিল করে শরৎচন্দ্রের নাটকই উপযুক্ত মনে করে শিক্ষামন্ত্রণালয়। পবিত্র রমজান মাসে পুলিশের সুবিধার্থে শত হাজার ধড়পাকড় সাথে বিরাট বানিজ্য করার সুযোগ করে দেয় সরকার। সেখানেও মুসলিমরাই আতঙ্কে রমজান পার করে আর হিন্দুরাই বড় বানিজ্য করছে। জনতার কাঁধে চেপে বসেছে এ এক ভৌতিক সরকার। আর বাকী সারা দেশবাসী কি কম দেখছে? যারা মগজ মাথায় নিয়ে ঘোরে তারা সরকারের গুম হত্যা জঙ্গী নাটকের পর কঠিন কষ্টে শুনছে নষ্টঐক্য, মৃত্যু আর লাশ ছাড়া দেখার কিছু নেই। সেদিন একজন প্রশ্ন করে এদের কি ঈমান আছে? আচরণ দেখে ওটি আছে বলার সাহস কয়জন রাখেন? ওটি থাকার সাহস হারিয়েছিলেন প্রশ্নকর্তাও। সরকারের মুখ নেই ঐক্যের ডাক দিলে এমনিতেই গোমার ফাঁক হয়ে আছে, ডুবন্ত যাত্রীর মত ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

19 Oct. 2016 | “থ্রি হান্ড্রেড মিলিয়ন ডলার ম্যান

মিসিং লিংকগুলো কি জনগণ জানে না, নাকি ভুলে যাবে? ফায়াজের প্রশ্নবিদ্ধ খবর বেরিয়েছে তিনি হিরো নন, বরং জঙ্গীদের একজন কিন্ত সরকার দুর্গন্ধ ঢাকতেই ব্যস্ত। সাধু শেফের প্রশ্নবিদ্ধ জঙ্গীত্ব সহজ সরল স্বভাবের মানুষটিকে প্রতারক মিডিয়া জঙ্গী বানিয়েছে। যেমনটি বানিয়েছে জাকির নায়েককে জঙ্গী। আওয়ামী লাশের জীবন্ত থাকার সম্ভাবনা, নিখোঁজ ছাত্র ক্যানাডার তাহমিদ, হাসনাতের ফোনালাপ সংকট। লিষ্টে নাম আসছে আওয়ামীদের, লজ্জা ঢাকতে ব্যস্ত পুলিশ র‌্যাব!  রোহান ইমতিয়োজের বাবা বাবুল ইমতিয়াজ সাবেক ও চলমান সরকারী রাজনীতি ও বিতর্কীত মানব পাচারেও জড়িত, তারপরও কোনভাবেই দায়বদ্ধ নন, বর্তমানে লাপাত্তা। বিগত শতকে শাফিউর রহমান জনতার মঞ্চ করে দশটিকে ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন। আজ শুনছি তার ছেলেও নাকি জঙ্গী, শান্তি নিকেতনে শিক্ষিত। ইউটিউবে দেখছিলাম হাসনাত পরিবারের মেয়েদের নিয়ে বের হয়ে আসছেন, মিডিয়ার বরাতে যিনি জঙ্গী পরিচালনার দায়িত্বে আছেন তিনি গিয়েছেন স্ত্রীপুত্র নিয়ে ভোজন করতে!  সব সম্ভবের দেশে কেমন যেন বেখাপ্পা লাগছে সব! একটি জিনিস বহুদিন থেকে খুব লক্ষণীয় বিষয়; ধরা যখন খায় তখন দেখা যায় এরা আওয়ামী লীগ। আর যতক্ষন এরা ধরা খায় না, ততক্ষণ সরকার সাঙ্গোপাঙ্গসহ চেঁচায় এরা বিএনপি জামায়াত। এরা মনে করে দুনিয়াতে আল্লাহ নামের নীরব অস্তিত্বটির বাস্তবতা নেই, এটি গত বিগত! তাহলে গোটা জাতির এক অংশ কি নাস্তিক হয়ে গেল? স্থানে স্থানে আওয়ামী ও পুলিশের ষড়যন্ত্র ধরা পড়ছে, তারপর আর কোন ভরসাতে সরকার ঐক্য করতে আসবে? সরকারইতো জঙ্গী; এটি তো ওপেন, যদিও সরকার ভাবছে এটি সিক্রেট! সহজ অংক হতে পারে সরকারের ও পিতামাতার ধর্মহীনতা দেখে তারা প্রজন্ম পথহারা বিপথগ্রস্ত জঙ্গীরা। একুল ওকুল দুকুল হারিয়েছে। বাবুল আক্তারের উপর দুই শর্ত হয় চাকরী ছাড় নয় জেলে যাও, কি কারণে? সরকার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গকে বাঁচাতে? নয় কি? এ যাবত সরকারের প্রতিটি কর্মকান্ডই জঙ্গীর সমার্থক। একজন সৎ নির্দোষ মানুষের কেন চাকরীই বা যাবে আর কেন জেলেই বা যাবে? এর মাঝে তিনি স্ত্রী হারিয়েছেন। এরা আর কত ভেদবুদ্ধি হারাবে?

আচরণে পাওয়া এসব জঙ্গীদের বৈশিষ্ঠ হচ্ছে মদ খাওয়া, বউ পিটানো, হৈ চৈ করা, গাড়িতে ঘোরাঘুরি করা, আড্ডাবাজি করা, জোড়া বান্ধবী ঘেরা, জড়িয়ে ধরা, রেসটুরেন্টে খাওয়া ছাড়াও নায়িকাদের পিছনে ছুটে বেড়ানো, ভারতীয় শ্রদ্ধা কাপুরের সাথে নাচের রেকর্ড উদাহরণীয়। কিছু আগের ক্রসফায়ারে ফাহিম হত্যা ও বাকীরা,  অনেকের সন্দেহ বিতর্কীত অপরাধী পুলিশ অফিসার সালাহউদ্দিন হয়তো ভিন্ন পুলিশ গ্রুপের ক্রসফায়ারের শিকার! অবৈধ অর্জনের বখরা নিয়ে প্রায়ই আওয়ামী বিবাদ তাদের বাস্তবতা, এর সুবাদে ময়দানে খুনও হয়। বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের খেলা সমগ্র জাতির জানা। তারপরও ওপেন সিক্রেটের বাকী আছে কিছু? শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান মান্না ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমান নাটকের চলমান অংশ। এরা সবাই ঐ আড়াই শ জঙ্গীর লিস্টের আগের মহড়ার খেলোয়াড়। প্রতিটি ঘটনা একসূত্রে বাঁধা। ভারত বনাম বাংলাদেশ নাটক। এবার শুরু হয়েছে জামায়াত নাটক; একই খন্ডছিন্ন, বর্ধিত অংশ। জামায়াতকে ছাড়তে হবে বলেন এক মুখে আবার পরক্ষণেই নেতারা বলেন এসব হচ্ছে রাজনীতির কৌশল। সারাটা জীবন এরা কৌশলের মিথ্যাচারে জড়িয়ে থাকলো। জামায়াত আওয়ামী থেকে কি খারাপ কিছু করেছে?  জামায়াত কারো কাছে দেশ বিক্রি করে দিয়েছে এমন উদাহরণ জানি না। তাহলে ঐ ইন্ডিয়ান এজেন্ডা সফল করতে আর কত দৌড় ঝাপ দিবে আওয়ামী সরকার! স্বৈরাচারের সাথে জামায়াতের সাথে সমঝোতা করেছে সরকার, এখনো স্বৈরাচারের সাথে গাটছড়া বাধা!  কিন্তু আজ কেন জামায়াত নাটকে অতিরিক্ত আদিখ্যেতা তাদের!  নিজেদের অসৎ দাগের আমলনামা সবদিন ঢেকে রাখা। মিথ্যাচারের এমন কোন পাট বাকী নেই যা তারা ধ্বংস করার বাকী রেখেছে। গোটা জাতিকে শক্ত করেই বলতে হবে ভারতকে ছাড়!  বাঁচতে হলে এর বিকল্প নেই। ভারত মূর্তিপূজক গরু পূজক জাতি, ঈমানদার মুসলিমের পথ নির্দেশক এরা নয়। বাংলাদেশ সরকারের উপর আল্লাহর সন্তুষ্ট থাকার কথা নয়! তারপর জনতা, তারাও জবাবদিহি মুক্ত নন।

পাঠক খুব সতর্কভাবে অংক মেলাবেন। সরকার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে তারা সব জানতো। গুলশানে জঙ্গীর অপারেশনে কালো রংএর রেজিস্ট্রেশনহীন পাজেরো জিপ কেমন করে দু দুটো চেক পোস্ট পার হয়ে যায়। সরকার র‌্যাব পুলিশ দেখেনি যদিও সরকার ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবী করেছেন আগেই জেনেছেন হামলার সব খবর তাদের কাছে ছিলই। তাহলে বুঝেন ঠেলা, কে বা কারা এটি করেছে ! আর ঐ কালো রংএর পাজেরো সাধারণত ব্যবহার করে সরকার ও পুলিশ। ৭২,০০০ কোটি টাকা পাচার হয়ে যায় বিগত অল্প সময়ের মাঝে, বুলেট প্রুফ ফাহিমকে কোর্টে হাজির করা হয় কিন্তু মাঠে নিয়ে যাওয়া হয় টি সার্ট পরিয়ে, কারণ তাকে ক্রসফায়ার দিতে হবে।বন্দুকযুদ্ধ বললেও কোন পুলিশ আহত হয় নি, ধারে কাছের কেউ বন্দুকযুদ্ধের গুলাগুলিও শুনে নি। গত ছয় মাসে ১০১ জনকে তারা ক্রসফায়ার দিয়েছে, মানে গুলি করে মেরেছে। রিজার্ভ লুট, তনু মিতুরা ধারাবাহিক লাশের জমা। সরকারের সদস্যরা তিনটি ধারাবাহিক মিথ্যা চুটকি মন্তব্য ক্রমাগত করতে থাকে। সাম্প্রতিক ইনুর ছলবাজি প্রচারে বাংলাদেশে ৮,০০০ আলকায়দা, প্রধানমন্ত্রীর মুখে জঙ্গী বিএনপি জামাত আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জেএমবি আনসারুল্লাহ নাটক এ তিন ধারাবাহিক মঞ্চনাটকের অংশ মাত্র। তারা মূল সমস্যার ধারেকাছেও নেই, প্রতিটি দুর্ঘটনা অঘটন তারাই শক্তির তলানীতে ঘটাচ্ছে। তাই না পারছে গিলতে না পারছে উগলে দিতে। ক্রমাগত প্রলাপ বকে যাচ্ছে সৈয়দ আশরাফও তার ব্যতিক্রম নন। টকশোতে জটিল প্রশ্নে জড়িয়ে গেলে বক্তারা চলে যান দূর বিদেশে, আব্রাহাম লিংকনদের দারস্থ হয়ে প্রাণ উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। পরক্ষণেই গাঁ বাঁচাতে বলতে থাকেন এ সমস্যা বর্তমান বিশে^র সমস্যা। দুর্জনের ছলের অভাব হয় না। কোনভাবেই আওয়ামী বক্তারা সুকর্ম করার দরকার বোধ করেনা। সব প্রশ্নের এক উত্তর মুজিব হত্যা ৭৫, ২১ আগষ্ট ২০০৪, আর পেট্রোলবোমা। যদিও সবকটি তাদের নিজেদের কৃত অপরাধ, যুক্তি প্রমাণসহ স্পষ্ট। কিন্তু প্রকৃত বাস্তব হচ্ছে মাঝের সময়টিতে জিয়া না আসলে এ জাতির ইতিহাস আগা গোড়াই থাকতো কলঙ্কে ভরা এক ব্যর্থ মৃত জাতির ইতিহাস।

নারী জঙ্গির আত্মঘাতী মৃত্যু” ধরা পড়ে গেছে গ্রেনেডে ‘শরীর অক্ষত থাকা’র নাটক!***by BD LOCAL TV NEWS

 

আওয়ামী লীগের ৫ই জানুয়ারীর কুত্তা মার্কা নির্বাচন ও দূর্নীতির প্রমাণ দিলেন এই তরুন আইনজীবি

সরকার জঙ্গীর পাট প্লে করে আবার তাদের গুন্ডা দিয়ে গাড়ী পুড়ায়, এদিক ওদিক আগুন দেয় মানুষকে প্রতারিত করতে জঙ্গিবিরোধী মিছল করায় । এসব খেলা আজই নতুন নয়, এসব ভুক্তভোগীরা তার নিজ সাগরেদরা প্রকাশ করে গেছেন সে পুরোনো দিনের খেলা আর কত খেলবেন? সবচেয়ে বড় কথা কোনভাবেই মিডিয়াকে বিশ^াস করার অবকাশ থাকে নাই। প্রত্যেকের নিজের বিবেক বিশ্লেষনকে তার চেয়েও বহু উপরে স্থান দিতে হবে। সত্য জানতে হলে সেখানের প্রচারিত ক্রমাগত মিথ্যাচার থেকে কঠিন সত্যটি আহরণ করতে হবে, আবিষ্কার করতে হবে। মাদ্রাসাগুলি জঙ্গির কারখানা, ইসলামী বই জিহাদী বই, এটিও মিডিয়ার এক বড় মিথ্যাচার, যা আজকের খেলাতে বেমানান ঠেকছে। হামলাকারীরা বউ পেটায়, মদ খায়, এরা কি মুসলিম? তুরষ্কের আযান ধ্বনি আর বাংলাদেশের জঙ্গীর “আল্লাহু আকবার” ধ্বনির ফারাকটা কোন অবস্থায়ই ভুলবেন না, পাঠক! তুরষ্ক নিয়ে অন্য একটি লেখা দিব, তবে ওখান থেকে অনেক বেশী শেখার আছে দেশবাসীর এ সঙ্গীন মুহূর্তে। দীর্ঘদিন শয়তানের সাথে পাল্লা লড়ে তুরষ্কের জনতার ঈমান অনেক পোক্ত হয়েছে, সেটি বোঝা যায়। কাশ্মীরের আফজাল গুরুকে অন্যায়ভাবে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে ভারত, যার প্রতিবাদ করেছেন খোদ অরুনধুতি রায়। সম্প্রতি ভারতের অনাচারের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী তাবাসসুম গুরুর বলেছেন, “ভারতের গোলামীর চেয়ে আজাদীর লড়াই অনেক ভালো”। এ অনাচার নির্যাতনের স্বরুপ বুঝতে হবে বিশে^র প্রতিটি মুসলিমকে। ভারতের মুসলিম নেতা আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন, ইসলামের জন্য মৃত্যু নয়, ইসলামের সত্যের জন্য, সুন্দরের জন্য মুসলিমকে বাঁচতে হবে। মুত্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে এরা তাদের আর্জিত সীমাহীন অপকর্ম ও শূণ্যস্থান ভরে দেখাতে চায়।

‘গুমপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এখন গুম রিপাবলিক সরকার হয়েগেছে

বিডি নিউজে এসেছে, “বাবুল আক্তার নাটকের মূল হোতা পুলিশ কর্মকর্তা বনজ কুমার মজুমদার! এ হচ্ছে নব্য রক্ষকদের কর্মকান্ড, এরা মূলত ভক্ষকের কাজে জড়িত। প্রতিটি সৎ ও সততার দাগ মুছে দিতেই তারা তৎপর। জানা যায় ঢাকা শহরের কয়েক ডজন স্থানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার ক্যাম্প রয়েছে, খোদ গুলশানেই তাদের দুটি ক্যাম্প আছে। বাবুল আক্তারের শ^শুর ওরফে মিতুর বাবা প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের উক্তি, মুখ খুললে সব ষড়যন্ত্র উড়ে যাবে! বাবুল আক্তার নাকি তার স্ত্রীকে সন্তানের সামনে খুন করিয়েছেন। সর্বত্র মিথ্যাচারে কাঁচা অঙ্কের হিসাব এসব! এরা সব পারে বাবুলের নামে পরকিয়ার অপবাদ ছড়িয়েছে, কিন্তু বাবুলের ধমক খেয়েও আজো মেয়েটির নাম প্রকাশ করতে পারে নি! তার পরপরই এক পাল জঙ্গীকে তাড়িয়ে নেয় গুলশানে। সবই তারা জানতো, শতমুখে স্বীকার করছে। ভারতের প্রভাবশালী পত্রিকা টাইমস অফ ইন্ডিয়া খবর দিয়েছে গুলশান ঘটনায় বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দারা কাজ করছে। ৩০ জুন  পিরোজপুরে ভান্ডারিয়া উপজেলাতে আওয়ামী লিডার ইয়াবাসহ ধরা পড়ে র‌্যাবের হাতে, ঝালকাঠির থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়, যার প্রেক্ষিতে সেখানে সকাল সন্ধ্যা হরতাল ডাকে আওয়ামী লীগ। বিরোধীরা নয় তারাই অপকর্ম করে আবার তারাই হরতাল ডাকে, কি ভয়ানক পবিত্র এ সরকার!  বিএনপির ঐক্যের ডাকে আওয়ামী সরকারের সন্দেহ নয়, বরং ভয় এবং সেটি হচ্ছে সর্বস্ব হারানো ভয়। সর্বস্বটির নাম ক্ষমতা!! ময়দানের ভোটে যাওয়ার কোন উপায়ই অবশিষ্ট নেই, এবার সর্বাঙ্গের বিষফোঁড়া ওপেন হয়ে গেলে কি দিয়ে ঢাকবে এত অনাচার!  তাই সমানেই প্রলাপ বকছে তারা লাগাতার সবাই। জাপান কোঅপারেশন এজেন্সী সংক্ষেপে জাইকা, ৮০ স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা ত্যাগ করলেন (২০ জুলাই ১৬। কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এ্যাসোসিয়েশনও অনিশ্চয়তায় দুলছে। সেপ্টেম্বরে তাদের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল।  জাপানের প্রথম নাগরিক হোশি কোনিও হত্যার পর থেকেই তারা শংকিত ছিল। এবার তাদের ৭ নাগরিকের খৃুন একই ধারাবাহিকতা, ওদিকে ইতালীর লাশগুলিও একই উদ্দেশ্যে এক হাতের খেলা! যারা চায় এদেশ যেন এক শক্তির পা চাটা গোলাম হয়ে থাকে। অতি অল্পদামেও নয়, মাগনা শুধু দাস হয়ে থাকতে চায় এ সরকার। জাপান পর্যবেক্ষণ করছে, তারপরও সরকারের উপর ভরসা রাখতে পারে নাই এসব তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। সরকারের কর্মকান্ড জাপানীদের নিরাপত্তা দেয় নি, বরং ভয় জাগিয়েছে। যে রাষ্ট্র নিজেই মানুষ খেকো বাঘ, তাকে কে বিশ^াস করবে?

২০ জুলাই ২০১৬ সাল।

গুলশানের হামলা: চিন্তাশীলদের চিন্তার জমা

মিডিয়াতে বলা হচ্ছে গুলশান হামলা ঘটায় নিঁখোজ হওয়া ছাত্ররা জঙ্গি হয়ে এটি করে। এবার তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বিষয়ের বক্তা জাকের নায়েক ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট, যার পিস টিভির দর্শক ২০ কোটি, তাকেও খুব কৌশলে জঙ্গি সাজানো হচ্ছে,  যুক্তি হচ্ছে কিছু জঙ্গিরা তার ভক্ত ছিল। পরোক্ষে তার জনপ্রিয়তা রুখতেই নিষিদ্ধের দাবী তুলেছে ভারতের কিছু লোক। বাংলাদেশের হামলাতে নাম আসছে আওয়ামী পরিবারের ছেলেরা এতে জড়িত। তারমানে সে হিসাবে সব আওয়ামীকে ময়দান থেকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা কি যুক্তযুক্ত হবে? ২০ কোটি দর্শকের মাঝে তার ভক্তের সংখ্যা মোটেও কম নয়। ভারত মুসলিমদের ইতিহাসকে নষ্টদের ইতিহাস বলে মিথ্যা ইতিহাস সাজিয়ে যুগে যুগে সত্য ইতিহাস চেপে রেখেছে। তাই নষ্ট ইতিহাসে মুখ থুবড়ে আছে মুসলিমদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। চাপা দিয়ে রেখেছে গোলাম আহমাদ মোর্তজার সত্যনিষ্ট বই, প্রকাশ হতে দেয়নি চেপে রাখা ইতিহাস, বাজেয়াপ্ত ইতিহাস ও ইতিহাসের ইতিহাস পর পর এ তিনটি বই লেখকের কঠিন কষ্টের মাঝে গড়ে উঠা মুসলিম যুগের অপার বিস্ময়কর গবেষনামূলক ইতিহাস। ভারতীয় সংকীর্ণমনা বর্ণবাদী হিন্দুরা শুরু থেকেই মুসলিমদেরে চিরদিন নির্যাতন করার স্বপ্নেই এসব করে যাচ্ছে। ভারতের সাধ্বী প্রাচী, বিজেপির মুসলিম নিধনের স্বপ্নে দেশ ছাড়া করার হুমকি যারা দিচ্ছে তাদেরকে কি নিষিদ্ধের দাবী উঠেছে কখনো? সবদিনই বিশে^র টেররিস্টরা অমুসলিম হিটলারের বশংবদ। আইএস এর উপর জাকির নায়েকের স্পষ্ট যুক্তি হচ্ছে এসব ইসলাম নয়। এটি জাকির নায়েকের কথাই নয়, এটি কুরআনের কথাও।

১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত কংগ্রেসী দলিলে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের কল্পকাহিনী সাজিয়ে ৪৫ পৃষ্ঠার ভয়ঙ্কর কাহিনী সাজিয়ে পাইওনিয়ার পত্রিকায় বলা হয়, বাংলাদেশে এখন প্যান ইসলামিক আন্দোলন চলছে, লক্ষ্য ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলে দাঙ্গা উস্কিয়ে দেয়া।  ঐ প্রতিবেদনে বলা হয় বাবরী মসিজিদ ধ্বংসের পর চট্টগ্রামে ৭০ জন হিন্দু মহিলা শ্রমিককে ধ্বংস করা হয়েছে এবং ভোলায় বারো হাজার মহিলা ও বালিকাকে কনকনে শীতের মাস ডিসেম্বরে তিনদিন ধরে উলঙ্গ অবস্থায় ঘুরানো হয়েছে (১৮৭ পৃষ্ঠা বাংলাদেশে “র”)। শ্রীলংকার “লংকা গার্ডিয়ান পত্রিকার সম্পাদক মারভিন ডি সিলভার ভাষায়, “দমনমূলক কুটনীতিসহ হস্তক্ষেপের যতরকম কায়দা কানুন আছে, তার সব কয়টি ভারত কোন না কোন ভাবে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্র সমূহের উপর প্রয়োগ করেছে।”

ইসলাম অর্থ শান্তি, শান্তির বদলে অশান্ত নষ্ট ইসলাম প্রচার করতে নষ্টরাই এসব আইএসএর জন্মদাতা, কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা। সবই ইসলাম নিধনের একসূত্রে গাঁথা নাটকের মঞ্চায়ন মাত্র। হলি আর্টিজেনের সহকারী বাবুর্চি জাকির হোসেন শাওনকে পুলিশই মেরেছে বলে তার মা মাসুদা বেগম সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেন। রিক্সাওয়ালা বাবার ছেলে আর পিঠাওয়ালী মায়ের অশিক্ষিত ছেলে জাকের দু’দিন অগেও ছিল বাবুর্চি আজ ময়দানের সাজানো জঙ্গি। পরিবারের দাবী চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের অমানবিক নির্যাতনে সে মারা যায়। আড়াই বছর ধরে নিখোঁজ ছিল শোলাকিয়া হামলার আটক সোহান। আবার একই নাটকের অংশ হিসাবে চার মাস ধরে নিখোঁজ ছিল পুলিশের গুলিতে নিহত জঙ্গি আবির রহমান। মতান্তরে ১৯-২৩ বছর বয়সী এ তরুণ এ বছরের ১লা মার্চ থেকে নিখোঁজ। রাজধানীর বসুন্ধরার বাসা থেকে মার্চের প্রথম তারিখে অনুমানিক বিকেল তিনটার দিকে বের হলে আর ফেরে নি, নিখোঁজ। প্রতিটি নিখোঁজ অল্প সময়ে কৌশলীর বিবর্তনে জঙ্গি। পরিবার থেকে ছিটকে গিয়েই কড়া ড্রাগে জঙ্গিরা আক্রান্ত থাকে, নিখোঁজ থেকে কড়া ড্রাগআসক্তি, তারপর চাপাতি, কোপানো, গলাকাটার উদাহরণ! সরজমিনে প্রচার পায় তাদের পোষাকে অস্ত্র রাখার বিশেষ চেম্বার। বিশে^র সব মুসলিমকে এ নকল ইসলাম থেকে জাতি উদ্ধারে সোচ্চার হতে হবে। এসব ইসলামের রাস্তা কোন যুগে ছিলও না, আজও নয়। শ্রেষ্ঠ ধর্মটির নামে কি ভয়ঙ্কর ভৌতিক মিথ্যাচার!  সিলেটের ইলিয়াস আলী, সালাহউদ্দিনদের পরিণতি জাতিকে এ ডিজিটাল জঙ্গির পথ দেখাতে পারে! কাল হয়তো তারাই কোপাতে আসবে, বিচিত্র কি? প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যায় হিন্দীভাষীরা হামলার সাথে জড়িত ছিল, পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় বাংলাতে বলা হয়, সব শেষ। বিতর্কীত পুলিশ ভাবমূর্তি রক্ষার্থে বলেছে লজ্জায় বাবুল আক্তারের কেইস প্রকাশ করতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এবার গুলশান ও শুলাকিয়ার ঘটনায় তাদের ভাব আর মূর্তি কতদূর বজায় থাকছে? আনন্দবাজার প্রচার করছে আরো হামলা হবে। এ সংবাদও চাউর হয়েছে শাহবাগ কেন স্তব্ধ? গর্জে উঠ, পাশে আছি। সব করছে পাকিস্তান ও জামায়াতের বন্দী নেতা মীর কাশেম ফাঁসিতে যাওয়ার আগেই গল্প উড়ছে আনন্দবাজারের বরাতে! বিডিআর ঘটিয়েই ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের ঘাড়ে দোষ চাপার দায় আমরা শুনেছি।

বাংলাদেশ কি সর্বস্ব হারাচ্ছে?  শাহবাগ কাদের চাল ছিল, সেটি আজ আর লুকানো নেই, তারা নিজেরাই জানান দিচ্ছে। নওগাঁর চকিলাম সীমান্তে এক বাংলাদেশী ২৬৫ মেইন পিলারের কাছে গেলেই বিএসএফ গুলি করে, ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয় (১০ জুলাই )। সীমান্তে গুলি করার সময় প্রণব মুখার্জিদের বাংলাদেশের ভাই বোনের কথা কিন্তু মনে থাকে না!  বাংলাদেশের ডেইলি ষ্টার মিথ্যা তথ্য প্রচার করে যে জাকির নায়েক মুসলিম দেশ মালয়েশিয়াতেও নিষিদ্ধ। তিনি প্রতিবাদ করেছেন, কমপক্ষে ১৩ মন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন, সরকারের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পদক লাভ করেছেন। রাজনৈতিক কারণে বৃটেনের তৎকালীন রক্ষণশীল সরকার তাকে ভিসা দেয় নি (নয়াদিগন্ত)।  মিডিয়ার দুষ্ট দাগ রেখে ডেইলি ষ্টার সত্যের সাথে মিথ্যে গুলিয়ে প্রচার করেছে। ভারতের হিন্দুরা  মুসলিম নিধনে খড়গ হয়ে আছে, মোটাদাগে এ শতাব্দীর শুরু থেকেই। গরুর মাংস কি খাদ্য না ভগবান দীর্ঘমেয়াদী বিতর্ক, এর সূত্রে হত্যা, মুসলিমদের ধর্মান্তরে তৈরী করা হয় ঘর ওয়াপসী প্রজেক্ট। বেশদিন থেকেই নায়েক ভারতের কিছু অঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছিলেন,  এবার যেন সর্বাঙ্গে রুদ্ধ করা যায়, সে প্রচেষ্ঠার অংশ এসব। কাশ্মীরসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ হচ্ছে নায়েকের পক্ষে। প্রায় পনেরোশত বছর থেকে যে ধর্মকে ক্রুসেড করিয়ে, সংঘাত, যুদ্ধ, অমানবিকতা দিয়েও  ধ্বংস করা যায় নি, তাকে কি সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম দেশে গুলশান শোলাকিয়ায়  হামলা নাটক করে শেষ করা যাবে? এ প্রশ্ন গোটা জাতির বিরাট অংশের, আল্লাহ ভালো জানে, হয়তো এসব ঘটনাই বুমেরাং হবে এবং সম্বিতহারা জাতি প্রকৃত সত্যে উদবুদ্ধ হবে। আল্লাহ কুরআনে বলে, “তোমরা ষড়যন্ত্র করছো, আমি কিন্তু পরিকল্পনা করছি ।” তবে এক মিথ্যা প্রতিষ্ঠা করতে হলে শত মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। তখন অস্তিত্ব রক্ষার্থে ক্রমাগত মিথ্যার চাষ হয়।

বিডিআর বিদ্রোহের সাথে অনেক মিল এবারের ঘটনাগুলির। এরা উন্নত প্রযুক্তি ও অস্ত্র ঠিকই ব্যবহার করছে কিন্তু মানুষকে বিভ্রান্ত করতেই সম্ভবত দা, চাপাতি, গলাকাটা, কোপানোর প্রযুক্তি যোগ হয়েছে। হামলাকারীকে যারা নিখোঁজ করেছে, তারাই অস্ত্রপকেটসহ  পোশাক প্রস্তুত করে জঙ্গিকর্মের উপযুক্ত করেছে। এত অপকর্ম করেও সরকারের মুখে পদত্যাগের কথা নেই, বরং জাতীয় ঐক্যের আহবানকে সাথে সাথে প্রত্যাখ্যান করে লজ্জাস্করভাবে ভারতীয় কামান্ডোকে ডাকা হচ্ছে। দেশ বিধ্বংসী আচরণ ধন্য কাজেই উৎসাহ বেশী। যাদের অদূরদর্শি কর্মকান্ডে  দেশ বিধ্বস্ত, যারা অলরেডি দেশের ভেতরে থেকেই নানান অপকর্মে যোগান দিয়ে যাচ্ছে, তারা নতুন করে আসা কতটুকু বাস্তব সম্মত?  চারমাস থেকে নিখোঁজ রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কলাস্টিকা স্কুলের ছাত্র মীর সামিহ মোবাশি^র, নিখোঁজের দিনই তার বাবা মীর এ হায়াত কবীর গুলশান থানাতে ডায়রী করেন। নিবরাস ইসলামকে নিয়ে একই রকম বিস্ময় তার বনধু, স্বজন, সবার। এ ছেলে সন্ত্রাসবাদী, তীব্র বিস্ময় বাংলাদেশে! রোহান ইমতিয়াজ, মীর সামিহ মোবাশি^র, নিরবাস ইসলাম ও আন্দালিব রহমান। মিডিয়া প্রচার করছে এরা সবাই বাসা থেকে পালিয়ে যাওয়া জঙ্গি। মীর সামিহ কোচিং করতে গেছে, সেদিন তার ও লেভেল পরীক্ষা ছিল। গাড়ীচালক তাকে আনতে গেলে আর পায় নি। সহকারী বাবুর্চির বাবা মুমূর্ষ জাকির হোসেনকে হাসপাতালে দেখতে গেলে সে তাদের চিনতে পারে নি। শুধু মিনতি করছিল আমাকে আর মাইরেন না, ভাই। ঘুমন্ত অবস্থায়ও কাঁদছিল আর কাকুতি মিনতি করে বলছিল, আমারে আর মাইরেন না, আমারে ছাইড়া দেন। এইজন্যই ভারতে মমতা বলেন, বাংলাদেশের মুসলমান থেকে ভারতের মুসলমান ভালো আছে। আর সেটি যে কত ভালো তা আখলাকদের লাশ হওয়াই বাস্তবতা। চারদিকে চাউর হয়েছে ভারতের পরিকল্পনাতেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘটে এই গুলশান হামলা। সত্যি না হলে প্রতিটি অঘটন খাপে খাপে কাকতালীয়ভাবে মিলে কেমনে?

বাংলাদেশ সরকার বিরাট একটি সময় থেকে গণতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের নামে যে হোলি খেলা চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে গুলশান শোলাকিয়ার এ উপসর্গ সরকারের অন্য সব অপকর্মের সাথে বেশ মানানসই বলেই মনে হচ্ছে। সাম্প্রতিক রিজার্ভ লুট, তনু, মিতু হত্যা, বাবুল নাটক পর গুলশান হামলা। ৭১এ গণতন্ত্রের স্বপ্নের উপর গড়ে উঠা দেশটি ক্রমে সব নীতি বিসর্জন দিয়েছে। স্বাধীনতার স্বপ্নের কবর রচনা করে চলছে একের পর এক গুম হত্যা হামলা মামলা নাটক করে একাত্তর পূর্ব থেকে অনেক বেশী অপরাধ জমা করতে পেরেছে এরা,  ময়দানের সাক্ষীরা অকপটে স্বীকার করবেন। অনেক সরকারী দালাল লেখকরা দাগ হালকা করতে বলেন দুই বেগমের লড়াই, যা এক বড় মিথ্যাচার, কিছু আগে কুলদীপ নায়ারও ঐ সুর রাখেন, প্রমাণ তার লেখা। যখন দালাল লেখকরা প্রকাশ্যে ধরা খাওয়া গদিনসীনকে স্পষ্ট করতে সমস্যা মনে করে, তখন ঐ কথাটি বলে গদির অপরাধকে হালকা করার চেষ্টা করে।

জামায়াত নাটক ভারতের স্বার্থে পরিচালিত এক মঞ্চায়ন,  ভারত মুসলিম জ্ঞানে এদেরে নির্মূল করতে চায়। ভারতের এক বড় অংশ ভারতের মুসলিম নিধন যেমন চায়, একই জবানে বাংলাদেশেরও ঐ পরিণতিতে উল্লম্ফন করতে দেখা যায় অনেককেই। জিয়াউর রহমান জামায়াত ছিলেন না, তাকেও নির্মূৃল করা হয় তাদের কপট কৌশলে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ৬৩ জেলাতে একই দিনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা কে বা কারা ঘটায় সেটি দিবালোকের মতই স্পষ্ট হয়েছে। তখনকার বিএনপি সরকার এর উপর বস্তুনিষ্ট কাজ করে মূল অপরাধীর শাস্তিও দিয়েছে। আজকার সরকারের মত নকল ধড়পাকড় নাটক করে নি। তারপরও হাসিনা সরকার এটি বিরোধীর উপর চাপানোর চেষ্টা বা গোয়েবলস এর কায়দা বাদ রাখে নিা। সুযোগ পেলেই মিথ্যা অভিযোগের সানাই বাজে, মনে হয় কিয়ামত পর্যন্ত ওটি বাজবে। এবারে গুলশান হামলাকে বিএনপি জামায়াতের কাজ বলে প্রথমে পুরানো রেকর্ডের মত প্রচারে আওয়ামী দালালরা একবাক্যে সোচ্চার থেকেছে, প্রমান বাংলাদেশের মিডিয়া। যদিও থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়লে দেখা যায় এরা অনেকেই আওয়ামী ঘরানার ছত্রচ্ছায়াতে তাদের পরিবার থেকেই বেড়ে উঠেছে। অসচেতন জনতারা নষ্ট মিডিয়াতে অতিরিক্ত দৃষ্টি দিয়ে বড় সময় থেকে প্রতারিত। কৌশলী মিডিয়া আজকের সমাজে বড় জঙ্গি! প্রতিটি নির্দোষকে দাগী আসামী করতে তার পোয়াবারো। ময়দানে জঙ্গি ধরা খেলেও  তারা তাকে ময়দানের তুখোড় আইকন বানাতে পারে, এ দক্ষতাও স্পষ্ট দেখা গেছে এবারের প্রচারেও। আনসারুল্লা বাংলা টিম , জেএমবি  এরা বর্তমান সময়ের কাকতাড়–য়া। এদের আলখাল্লার ভিতর আছে আসল লুকানো ভুত, এটি প্রচার থাকাতে সরকার নির্বিঘেœ অপকর্ম করতে পারছে। চলমান ঘটনার প্রতিটি দাগেই স্পষ্ট হচ্ছে কোথা থেকে নাটকের স্ক্রিপ্ট সাজানো হয়েছে। দুই দেশের সম্মতিতে গদি রক্ষা ও ইসলাম ধ্বংসের নাটক চলছে। পুলিশের জঙ্গি নাটকের চাঞ্চল্যকর তথ্য: খালেদা জিয়া  এ লিংকে  সচেতনের জন্য কিছু জমা।  লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। 

কেন কেন কেন?: এবারের ধরা খাওয়া জঙ্গিরা সবাই সামর্থবান ঘরের সন্তান, আওয়ামী ঘরানার সন্তানসহ জয়ের ডিজিটাল মাদ্রাসার কোটার বাইরে ধরা খাচ্ছে। বিস্ময়কর কিছু ব্যাপার হচ্ছে এরা প্রত্যেকেই নিজ পরিবার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। জবাব হচ্ছে তাদেরে ধরে নিয়ে জিম্মি করে কাকতাড়–য়া বানানো হয়েছে। ঘটনার লাইভ সারা বিশে^ প্রচারিত হলেও বাংলাদেশে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তা বন্ধ, কারণ ডাল মে কুচ কালা হায়?  লাশকে নিয়ে নাটক কেন?  কেন আওয়ামী পরিবারের জঙ্গির লাশ নেই? কেন পুলিশের লজ্জা? আওয়ামী আসামী পেলে পুলিশের লজ্জিত হবার কারণ কি?  এরা কি তাদের শ^শুর, ভাসুর, মেয়ের যামাই?  ফায়াজের লাশের ব্যাপারে কোরিয়ান ব্যক্তির ভিডিও ব্যতিক্রমী সংবাদ বিলি করছে, যদিও মিডিয়া ভিন্ন ইমেজ তৈরীতে ব্যস্ত। পুলিশের নানান অপকর্মে যখন মানুষ মরে তখন পুলিশের সাজা হয় না। নানান অপকর্ম করার জন্য অপকর্মী সরকার ২০১৩ সালেই তথ্য প্রযুক্তি আইন এমনভাবে সংশোধিত করেছে যাতে খুব সহজে মানুষকে ইচ্ছেমত কারাগারে নিক্ষেপ করা যায়। এগুলি জনতারা ভুলে গেলে চলবে কেন?  কেন কর্তব্যরত পোশাক পরিহিত কুক সাইফুলকে জঙ্গি দেখানো হয়েছে আর আওয়ামী লীগের ছেলে ইমতিয়াজ খানের লাশ নেই, মানুষ ধারণা করছে শক্তির তলানীতে লাশ বেঁচে আছে। জীবন্ত ধরার কোন প্রচেষ্ঠা কেন নয়? ওরা জীবিত থাকলে সব থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়তো!

জঙ্গিতে লাভ কার: দেখা যায় ঘটনা ঘটার আগেই ভারত ও সাইট ইনটেলিজেন্ট সব খবর জেনে যায়। খুব সহজ হিসাব, যে এসব ঘটাচ্ছে, সেতো সবার আগেই জানবে। বিশে^র সবদেশ আক্রমন হলেও ইসরাইল হয় না কেন? ইসরাইল অনৈতিকভাবে ফিলিস্তিনের উপর অমানুষিক বর্বরতা করে চলেছে, গোটা বিশ^ জানে। ১৯১৮ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত ইহুদীবাদী ও বৃটিশ সেনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় ফিলিস্তিনী জনগণকে হত্যা ও তাদের অবৈধভাবে দখল করার কাজ চলছে। গোটা বিশ^ মুসলিমদের কবজা করতে চায়, এদেরে টেররিস্টি বানাতে স্থানে স্থানে ফল্স ফ্ল্যাগ নাটক হচ্ছে সবার নাকের ডগার উপর। মিডিয়া বুঝে না বুঝার ভান করে পড়ে আছে, তাদের কাছে দিবালোকের মত স্পষ্ট এর ভেতরের ক্ষত! এমন কি আমেরিকার প্রেসিডেন্টও ভালো করেই জানেন এসব মুসলিমরা করছে না, অন্যরা করছে, কৌশলে এরা হচ্ছে টেররিস্টের কাকতাড়–য়া মাত্র।

সারা দেশে সিসিটিভির কোটি টাকার বানিজ্য হলেও কোন আসামী কি কখনোই ধরা পড়ছে? ৪ পিস্তল, ২২ বোরের ফোল্ডেড রাইফেল সামাল দেয়ার ক্ষমতা কেন আমাদের সেনা পুলিশ র‌্যাব বাহিনীর জন্য এত জটিল? কেন বিডিআরের মতই দেরীতে অপারেশনে যাওয়া, যাতে কাকতাড়–য়াগুলো ধরা খায় আর মূল জঙ্গিরা পালাতে পারে। ইটালিয়ান, জাপানীরা কেন টার্গেট, পোশাক শিল্পের ও অন্য শিল্পের দায়ে তারা জড়িত বলেই! তার মানে এই পোশাক শিল্পসহ এদেশের অর্থনীতি যারা ধ্বংস করতে চায়, তারাই এই হত্যা চালিয়েছে। ২০১৫র অক্টোবরে ইতালী ও জাপানী হত্যাতে কারা ছিল, সেটি এর মাঝে সুস্পষ্ট হওয়ার কথা!  গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসে প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ লক্ষণীয়, অপরিচিত মানুষরা আগুন দেয়, ঘটনার পর প্রত্যক্ষদশীদের বক্তব্য প্রমাণ। গুলশানে ইন্টারনেট ফোন নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকা অবস্থায়ও তারা বিশেষ সুবিধা পায়, যোগাযোগ করতে পারে। এমন কি ঐ দিনও তারা সাথে সাথে যোগাযোগ রাখতে পারে। সরকার কতদূর ব্যর্থ হলে এসব ধামাচাপা দিতে সাহায্য করে, আল্লাহই জানে। নিজ দেশের গোয়েন্দাদের অকর্মন্য ও প্রশ্নবিদ্ধ করছে সরকার নিজে, কি তাজ্জব অবস্থা!

অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগে ভারতীয় বিজ্ঞাপন ও নিয়োগের প্রচার নিশ্চয় ভুলে যান নি দেশবাসী!  তাই বাংলাদেশের বেড়া কিভাবে নিজেই নিজের ধান গিলে খায়? শত শত পুলিশের নিয়োগ হয়, দেশে তার কোন ঠিকানা নেই, ভুল তথ্যে তারা চাকরী পায় বিদেশীরা কিভাবে? যে রোগের ভাইরাস ছড়ায় বলে সন্দেহ, তাকেই কেন চিকিৎসার জন্য ডাকা হয়? এসব সচেতন বিবেক সম্পন্ন মানুষের উত্থিত প্রশ্ন। যে রিজার্ভ চুরিতে বারে বারে নাম আসে ভারতের, সেখানে বিশেষজ্ঞ কেন আনা হয় ভারতের রাকেশ আস্তানাকে? ৭১ পরবর্তী প্রতিটি ঘটনা দুর্ঘটনাতে বাংলাদেশের সর্বনাশে যে ভারতীয় “র” জড়িত থেকেছে তার ব্যাখ্যা কেন জরুরী নয়? প্রতিবেশীর সাথে সহমর্মীতা প্রকাশের যার নজির নেই বলাই বাহূল্য তাদের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (এনএসজি)র পক্ষ থেকে এত আগ্রহ প্রকাশ তাদের চিরাচরিত কপটতার পরিচয় কি স্পষ্ট করছে না? হাইকোর্ট রায় দিয়েছে কাশ্মীর ভারতের নয়। এবার কি বাংলাদেশের রায়ও বের হতে হবে যে, বাংলাদেশ ভারতের নয়। এরাই প্রতিবেশী বাংলাদেশ, ভূটান, নেপাল, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ও পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টির কৌশল গ্রহণ করে। এর মাঝে মালদ্বীপ ও ভূটানের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গিলে খেয়েছে। এরা প্রতিবেশী সবাই ভারতীয় বাজারের ক্রেতা। একমাত্র পাকিস্তানের সাথে ভারত পেরে উঠতে পারে না বলেই তাদের ঘুম হারাম। “র” ই বাংলাদেশের শান্তিবাহিনীর সৃষ্টিকর্তা, জিয়া হত্যার দাগেভরা, মুজিব হত্যায়ও রঙ্গিন, বাংলাদেশকে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর পায়তারা, স্বাধীন বঙ্গভূমি, তালপট্টি দখল, কাল্পনিক হিন্দু নির্যাতনের প্রচার, অতীতের গারোল্যান্ড আন্দোলন, নির্বাচন বানিজ্যে আওয়ামী ষড়যন্ত্রে বারে বারে জড়ায়, শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, পুশইন পুশব্যাক, তসলিমা ইস্যু সৃষ্টি, দুর্গাপূজা ইস্যু সৃষ্টি, ৯৬এর ক্যুদেতা’র, এসব ভারতের “র”এর অপকীর্তিতে ভরা। তারাই জামায়াত ধ্বংস নাটকে জড়িয়ে আছে মাথা থেকে পা অবদি, তারা চায় এদেশে সেনাবাহিনীর কোন দরকার নাই। কত দূর ধ্বসে গেলে একটি জাতি প্রতিবেশীর সাথে এমন আচরণ করতে পারে, প্রশ্ন জমা রাখুন।  তনু, মিতু, বাবুল, গুলশান, শুলাকিয়া সবই একই নাটকের ভাঙ্গা খন্ডাংশ মাত্র। মৈত্রী এক্সপ্রেসসহ দেশ থেকে ভারতীয় “র” কে সরিয়ে নিলে বাংলাদেশ মনে হয় বেঁচে যায়!  বাংলাদেশের বাঁচার একমাত্র সমাধান দেশটিকে দুই নাম্বার পাকিস্তান হতে হবে বা তার চেয়েও শক্তিশালী। যে ভয় ইন্দিরার ঘুম হরণ করেছিল এই ভেবে যে, বাংলাদেশ যদি আরেকটি পাকিস্তান হয়ে যায়! ১৬ কোটি জনতার দেশ জেগে উঠলে অপরাধ পরায়ন ভারত নৈতিকতা হারানোর মানসিকতায় ধ্বসে যাবে অনায়াসে!  ঐ নৈতিকতা ছিল না বলেই বহুগুণ বেশী যুদ্ধবল নিয়েও বদর প্রান্তরে যুদ্ধবাজ কুরাইশরা মাত্র ৩১৩ মুসলিমের সাথে ধ্বসে যায়, পরাজিত হয়।

সব দুর্যোগের ঘনঘটাই ভারত থেকে আগাম সংবাদে আসে, এবারও টাইমস অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া টুডে, এনডিটিভি রিপোর্টে তা স্পষ্ট হয়। এমন কি ঘটনা ঘটার আগেই তাদের মিডিয়ায় অঘটনের সংবাদ প্রচার করে, এ প্রমাণ জমা আছে বারে বারেই, বিডিআর তার মাইল ফলক হয়ে আছে। অতীতে ভারতের আলোকপাত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার তার কথামত না চললে আগুণ ধরিয়ে দেয়া হবে। ঐ প্রতিবেদনে এক শান্তিবাহিনীর কমান্ডারের উদধৃতি আসে “আজকাল পৃথিবীর কোন জঙ্গিবাহিনীতেই রকেট লাঞ্চার থাকাটা কোন ব্যাপারই নয়। তাই দিয়ে যদি একবার কাপ্তাই বাঁধ আর চন্দ্রঘোনা পেপার মিলটা উড়িয়ে দেয়া যায় (বাংলাদেশে “র”  আবু রুশদ ১৪৪ পৃষ্ঠা)।” ভারতীয় কর্মতৎপরতা লক্ষ্য করলে এতে বেগ পেতে হয় না কারা এসব জঙ্গি তৎপরতাতে জড়িত। দাঁড়ি আর টুপিতে, জান্নাত, সেহরী, রোজা, আল্লাহু আকবার, লম্বা সালামের মাঝে ইসলাম সীমাবদ্ধ নেই। ইসলাম তার বাইরে আরো বহু বড় কিছু, একে ধ্বংস করা কোন কালেও সম্ভব হয় নি, হবেও না। গুলশান শোলাকিয়া নতুন কারবালার নাম। প্রতিটি কারবালা সংগঠিত হয় ইসলামকে ধ্বংস করতেই। আর সময়ে ষড়যন্ত্রী মুসলিমও জড়ো হয় ঐ কাজে কুরাইশের সাথে। তারপরও এটি মরে না, নতুন করেই জীবন পায়, জাগে, বেঁচে উঠে নতুনের ঝান্ডা ওড়ায়।

নাজমা মোস্তফা,   ১০ জুলাই ২০১৬।

 

জাগো জাগো জাগো: জাতি জাগো

(আন্ডারলাইন করা ইটালিক : কোন লেখার বা ভিডিও লিংক )

বিডিয়ার হত্যার গোমর ফাস করলেন খালেদা জিয়া ..হাসিনা, মইন সরাসরি জড়িত  বৈধ একটি জাতি কেন অবৈধ একটি সরকারের কবজায়? স্বাধীনচেতা জাতি কেন পরাধীনতার নাগপাশে অবরুদ্ধ হয়ে আছে, কেন ঘুমিয়ে আছে? রক্ত মাংসের মানুষগুলো কেনইবা শুধু শুধু লাশ হচ্ছে? কার স্বার্থে তোমরা বেঁচে আছ দম ছাড়ছো? ফেলানী মরেও তোমাদের সম্বিত ফিরিয়ে দিতে পারে নি, কেন? বিডিআর বিদ্রোহ হয়, তোমাদের স্বজন ভুলুন্ঠিত হয়, লাশগুলো দেখে তোমরা কত চোখের জল ফেলবে? চোখ আজ ধূঁ ধূঁ মরূভ’মি! জাতি আজ অল্প শোকে কাতর অধিক শোকে পাথর! তোমাদের প্রভু কে বিশ^ বিধাতা আল্লাহ, নাকি অবৈধ একটি সরকার? অতি সম্প্রতি যে মক্কা মদিনা রক্ষার ভূমিকায় নামবে বলে বাড়তি নাটক করছে? আল্লাহ যে শহরকে নিরাপদ শহরের কসম খেয়ে সুরা নাজেল করেছে সেখানেও অনিরাপদরা কেনই বা ঐ শহরেরই দায় নিবে। যুগে যুগে নমরুদ ফেরাউনদের অপরাধ ছিল খোদার উপর খোদকারী করার। তারা চাইতো আমি কম কিসে? নিজেকে অসীম ক্ষমতাধর জ্ঞান করাটাই তাদের বড় পাপ ছিল। হামসে বড়া কৌন হায় ছিল তাদের অপরাধ, আমার রাজ্যে সবাই আমার হুকুমের গোলাম। এ অপরাধ থেকে কি বাংলাদেশের বর্তমান সরকার মুক্ত হতে পারবে? বুকে হাত দিয়ে গোটা জাতি নিজেদের বিধ্বস্ত দশার ও সরকারের ভবিষ্যত পরিণতি আঁচ করুন।

১৯৯৬ সাল থেকে বিদেশী প্রজেক্ট নিয়ে দেশ বিধ্বংসী পথে হাটছে এ মহিলা সরকার কাগজে কলমে রাজনীতিতে। ঐ বছরে ১৯৯৬ সালে ক্যু হয় তারই মদদে। ইউটিউবে আমরা দেখি আওয়ামী স্ক্যান্ডালে ওবায়দুল কাদেরের জবানবন্দি। ৮৬এর ইলেকশন ছিল এরশাদের সাথে শেখ হাসিনার পাতানো ইলেকশন। মিলন হত্যা, দিনাজপুরের ইয়াসমিন নাটক দিয়ে খালেদা কবজা করার নাটক, এসব তারই অসংখ্য অপকর্মী দাগ। ২৭/২৮ বছরের বাংলাদেশের রাজনীতির নেপথ্যের কাহিনীর উপরই ভিত্তি করে “আমার ফাঁসি চাই” গ্রন্থটি শেখ হাসিনার প্রাইভেট সেক্রেটারী মতিউর রহমান রেনটুর রচিত। এ কথা নিশ্চিত বলা যায় যে, “আমার ফাঁসি চাই” বইটি পড়লে যে কেউ বিশেষত তরুণ যুবক ছাত্র সম্প্রদায় রাজনৈতিক প্রতারণার হাত থেকে বেঁচে যাবেন (প্রকাশক)।

হাসিনার নির্দেশে স্তানীয় সংসদ সদস্য বিহারীদের উপর হামলা চালিয়েছে

জনগণের ভোট দেয়ার অধিকার, মিছিল করার অধিকার, দল করার অধিকার এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণসহ সংবিধানের মৌলিক অধিকার হরণ করে জাতির উপর একদলীয় (বাকশাল) শাসন শোষণ চাপিয়ে দেয়ার অপরাধে শেখ মুজিবর রহমানের মরণোত্তর বিচার চাই, শাস্তি চাই। ১৯৭৫ পরবর্তী শেখ হাসিনা দেশে এসে সন্ত্রাসী, চোরাকারবারী, কালোবাজারী, ঘুষখোরদের রাজনীতিতে টেনে এনে কালোটাকাকেই রাজনীতির চালিকা শক্তিতে পরিণত করেছে এবং রাজনীতি থেকে সকল প্রকার নীতি আদর্শ ঝেটিয়ে বিদায় করে প্রতিষ্ঠিত করেছে নীতিহীন এক রাজনীতি, এ অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার চাই, শাস্তি চাই। ভারতে বসে স্বাধীনতার ঘোষক মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করে এবং ১৯৮১ সালের ৩০শে মে তা বাস্তবায়িত করার অপরাধে শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই। ১৯৮২ সালে জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে উৎখ্যাত করে সামরিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার চাই, শাস্তি চাই। সামরিক স্বৈরাচার জেনারেল এরশাদকে হাতের কুঠোয় রাখার জন্য ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করে ছাত্র আন্দোলনের নামে ৮৩র মধ্য ফেব্রুয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জাফর ও জয়নাল এবং ৮৪র ফেব্রুয়ারীতে সেলিম ও দেলোয়ার হত্যার অপরাধে শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই। ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের মার্চ পর্যন্ত আন্দোলনের ইস্যু তৈরী করার জন্য ঢাকা শহরে ১০৩জন নিরীহ অজ্ঞাতনামা সাধারণ মানুষকে খুন করার অপরাধে শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই (২৬৮ পৃঃ)। শুধু শিরোনাম টাচ করছি।

1

 “আমার ফাঁসি চাই”: সূচীপত্র    ৬৯এর গণ আন্দোলন/ ৭০ এর নির্বাচন/ স্বাধীনতা ঘোষনা/ মুক্তিযুদ্ধ/ সিরাজ সিকদার হত্যা/ একদলীয় শাসন/ শেখ মুজিব হত্যা/ খন্দকার মোস্তাক রাষ্ট্রপতি/ জেল হত্যা/ ৩রা নভেম্বর অভ্যুত্থান, ৭ই নবেম্বর সিপাহী বিপ্লব, ৭ মার্চের ভাষন, ভারতে পলায়ন, বাঘা সিদ্দিকীর কাছে যাওয়া / প্রতিবাদ যুদ্ধ/ যুদ্ধে পরাজয়/ হারিয়ে শেখ মুজিবের জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনা, রাজনীতিতে শেখ হাছিনা, এই জিয়া সেই জিয়া নয়, রাষ্ট্রপতি জিয়া হত্যা, লেবানন ট্রেনিং/ এরশাদকে ক্ষমতা গ্রহণের আমন্ত্রণ/ ৮৩র মধ্য ফেব্রয়ারীতে ছাত্র হত্যা/ সেলিম ও দেলোয়ার হত্যা/ দেশদ্রোহী অসভ্য বাহিনী/ মসজিদ সরিয়ে ফেলুন / ৮৬র নির্বাচন/ এক বড় মাঠ/ আন্দোলন আন্দোলন খেলা/ ছিয়াশির পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়া/ এরশাদ পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার/ এরশাদ পতনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা/ পদত্যাগ নাটক/ টাকার বিনিময়ে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী/ জাহানারা ইমাম ও শেখ হাছিনা, গোলাম আযম ও শেখ হাছিনা বৈঠক/ ১৯৯২এর হিন্দু মুসলিম রায়ট/ ফেরী আটকিয়ে ফেলে রাখা, শেখ হাছিনার গোলাম আাযমের ২য় বৈঠক/ নির্বাচন বাতিলের দাবি/ শেখ হাছিনা এবং মেয়র হানিফ, রুমালে গ্লিসারিন, আজ আমি বেশী খাব/ টাকার ভাগ দিতে হবে/ জাহানারা ইমাম মরেছে, আপদ গেছে/ শেখ হাছিনার ট্রেনে গুলি/ পঞ্চাশ হাজার টাকা এডভান্স/ ফুল ছিটানো/ কুকুর পালা/ স্বামী স্ত্রী রাত কাটায় নি/ শেখ হাছিনার দেহে আঘাত/ অদভুত  চরিত্র কর্ম ও ভাগ্য/ রাজাকারের ছেলের সাথে বিয়ে দিব না/ সব যান বের হন/ এক কোটি সাতত্রিশ লক্ষ টাকা/ নেত্রী এখন নামাজ পড়ছেন/ আমার সাথে বেঈমানী করেছে/ আমি খাইছি/ বঙ্গবন্ধুর ৭৬তম জন্মউৎসব/ হ্যাঁ হ্যাঁ ভিডিওটা সুন্দর হতো/ শেখ হাছিনার মিথ্যে বলা/ আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব/ জনতাকে শান্ত থাকার বকতৃতা/ খাতাকলম গোলাবরুদ ও দিগম্বর/ জেনারেল নাসিমকে ক্ষমা দখলের প্রস্তাব/ পুলিশের লাশ চাই/ বেঈমানটা আসছে/ নায়ক মন্ত্রী ও জনতার মঞ্চ/ আজ পিকনিক/ শেখ হাছিনা জেনারেল নাসিমের বৈঠক/ হিন্দুরা নৌকায় ভোট দেয়/ রাজাকারের কাছে আসন বিক্রি/ হিন্দুরাই আমার বল ভরসা/ সৈন্য নামানোর নির্দেশ দিয়ে চম্পট/ আবু হেনার আগমন/ ঐক্যমতের সরকার/ রওশন এরশাদের পা ধরা/ বোরখাওয়ালীদের সিট/ হানিফ এলজি আরডি মন্ত্রী/ সবার মুখ কালো/ আমার সাথে বেঈমানী/ বেসামাল/ দুই বোনের ভাগাভাগি/ শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী/ ওরা ৬ জন মুক্তিযোদ্ধা/ ডক্টরেট ডিগ্রি পাওয়া/ প্রথম আমেরিকা সফর/ যুদ্ধ বিমান ক্রয়/ কাদের সিদ্দীকী বনাম শেখ হাছিনা/ বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহাম্মেদের রাষ্ট্রপতি হওয়া/ বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা/ গঙ্গা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি/ ঘরভাঙ্গা আসছে এবং ডঃ মহিউদ্দিন মন্ত্রী/ অবাঞ্ছিত ঘোষনা/ দশ টাকার নোটে শেখ মুজিবের ছবি/ পুলিশের গুলিতে কেউ মারা যায় নি/  নেতা ও উপদেষ্টাদের সাথে সম্পর্ক/ কুত্তার জাত/ জিল্লুর রহমান সেক্রেটারী / টাকা আর লাশ/ স্বামীর সাথে না থাকা/ হিন্দুরা কেন আওয়ামী লীগ সমর্থন করে/ পাচার/ ভ্যাট প্রত্যাহার / খেলা/ প্রিয় অপ্রিয় পছন্দের অপছন্দের/ প্রথম নির্দেশ/ কোন নেতা ছিল না/ চিন্তা ভাবনা ছাড়াই বলা/ রাজা বাদশা রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী/  ওয়াসা/ চাচি ভাতিজির কান্ড/ ইয়েস ম্যাডাম কারেক্ট ম্যাডাম/ কাকে প্রথম সৎ হতে হবে/ সুরে সুরে কথা বলা/ কোন শিক্ষা নেয় নি/ কার কত টাকা/ স্বাধীনতা ঘোষনা, দিবস পতাকা সঙ্গীত বিতর্ক/ ৭ই মার্চের ভাষণ: ট্রিমেনডাস কন্ডিশনাল স্পিচ/ ধিক মুজিব ধিক/ ডায়রীরর পাতা/ শিক্ষা/ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা/ আমার শেখ মুজিবের ও শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই। (১-২৬৬ পৃঃ পর্যন্ত)। এগুলো শুধু সূচি। ভিতরের মাল মশালা পড়লে আপনাদের গায়ে কোন লোম পড়ে থাকবে না, সব খাড়া হয়ে যাবে। এবার সাম্প্রতিক সময়ের আরো কিছু ঘটনা। তারপরও বাকী রইলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে প্রহসন! সেটি নাড়ছিও না।

রৌমারির ঘটনা/ বিডিআর বিদ্রোহ/ ফেলানী হত্যা/ মাহমুদুর রহমানকে কারারুদ্ধকরণ/ সাগররুণি হত্যা/ ইলিয়াস গুম/ গার্মেন্টস জড়িত আমিনুল হত্যা/ শ্রীলংকা গার্ডিয়ানে প্রকাশিত ১০০ ক্রুসেডার সৃষ্টির সাইরেন ধ্বনি/ শফিক রেহমানকে কারারুদ্ধকরা/ দেশান্তরি সালাহউদ্দিন/ অবরুদ্ধ সালাহউদ্দিন/ অবারিত চাকরিতে হিন্দু প্রলয়াম/ চিহ্নিত উদ্দেশ্যপূর্ণ হত্যা গুম/ পেট্রোল বোমা নাটক/ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন জাতি ধ্বংস নাটক/ শান্তিচুক্তির নামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষফোঁড়ার জটিলতা সৃষ্টি/ প্রতিটি সিরিজ মৃত্যুর দায় সরকারের। সব সংখ্যালঘু মৃত্যুও তার সাজানো ভিন্ন নাটকের বড় অংশ। মিতুকে হত্যা করিয়ে এবার বাবুলকে ফাসানো হচ্ছে। তাকে চাপ দিয়ে জোর করে পদত্যাগে সই নেয়া হয়েছে এসবও খবরে আসছে। কারণ এখানে কেউ নীতি আদর্শের মানুষ বেঁচে থাকতে পারবে না, এরা চাকরী করলে সরকারের বিপদ বাড়বে বৈ কমবে না। সবাইকে ঐ নষ্ট দলের সদস্য হতে হবে। কারণ এ সব প্রকৃত মানুষ পুলিশ থাকলে সরকারের চলা ফেরাতে বড়ই বেগ পেতে হয়। তাদের ছলচাতুরী ধরা পড়ে যায়, তার চেয়ে বরং ভালো হয়  ভালোদেরে ছলে বলে বিদেয় করতে পারলে সরকার দম ছাড়তে পারবে, রঙ্গে রসে অপকর্ম, হত্যা গুম বানিজ্য করে যেতে পারবে। এসপি বাবুলের শ^াশুড়ী বাবুলকে ফেরেশতার মর্যাদা দিয়েছেন, এ ছেলেহীন মা তাকে ছেলের মর্যাদায় দেখেন। আল্লাহর কাছে এ সার্টিফিকেটের মূল্য অনেক। সারা দেশে ২০১৬ তে মাত্র একজন ফেরেশতা পুলিশ পাওয়া গেল, আল্লাহ এ রমজানের দিনে তার হেফাজত করুক। সরকার আর তার পেটুয়া পুলিশ বাহিনী শুধু টাকাই চিনে। কুরআনের নির্দেশ মোতাবেক নারীর ইজ্জত নিয়ে যারা খেলে তাদেরে ৮০ বেত্রাঘাত দেবার কথা। যা প্রকারান্তরে ঐ শক্তিমান পেটুয়া বাহিনীর ঘাড়েই বর্তায়। ভারতে মায়ের কোলে ফিরলো বাংলাদেশে পাচার হওয়া সনু। খুব সহজভাবে জটিলতা হয়নি, তার বাবা মা ধন্যবাদ জানান সংশ্লিস্ট সবাইকে। কিন্তু বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিনের উপর যে নির্যাতন করলো সরকার ও ভারত, এর সূত্র ধরে তাকে কবজায় নিল এ নাটক চলছে, চলবে। ভারতের সনুর মত বাংলাদেশের সালাহউদ্দিনের ভাগ্যে ঐ শিকে ছিড়েনি। দ্বিধাবিভক্ত জাতি নিজের আপদ সামলাতে পারে কম। কৌশলে আপনাদেরে বিভক্ত করে রাখা হয়েছে। সাবধান হোন!

, জনতার কথা ১২ ১১ ১৩(বিরোধী দলের অনেক সিনিয়র নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন, সাধারণ মানুষ কি মনে করেন?)

দেশটির প্রতিটি মেধাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে। ৫৭ মেধাবী বিডিআর থেকে আজকের বাবুল আক্তারও একই নাটকের অংশমাত্র। তার মত একজন সৎ ও সাহসী অফিসারের পরিবারকেই বিচক্ষতার সাথে ময়দান থেকে বেছে নেয়া হলো। এমন অপকর্ম নেই যে সরকার বাদ রেখেছে। যাতে ঐ মাটিকে কস্মিনকালেও কোন সৎ পুলিশের জন্ম না হয়! পাঠক, মনে আছে নিশ্চয় রেশমা নাটক? অসত দাগেভরা সরকার যে মিথ্যাচারের উপর ভর করেই চলে এসব তার প্রমাণ পঞ্জিকা। রানা প্লাজা ধ্বসের পর বিদেশী প্রভাবশালী পত্রিকা লন্ডনের ডেইলি মিরর এর রিপোর্টে ধরা পড়ে এ সরকারের ধোঁকাবাজি। রেশমা প্রথম দিনই সবার সাথে বের হয়ে আসে, যা স্পষ্ট হয় তার এক সহকর্মীর কথাতেই।  সে সময় মিরর সরকারের এ নাটকের কথা পরিষ্কার করেই প্রকাশ করে। বাংলাদেশেও কিছু সাহসী পত্রিকায় অনেক কলাম ছাপা হয় এসব নষ্ট নাটকের উপর। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের ৪,৪২৮ কোটি টাকা। রিজার্ভ লুটের পর সরকার তার ডিজিটাল পুত্রসহ নিরব ভূমিকায় দিন গুজরান করছে। মাঝখান থেকে শফিক রেহমানরা কারাগারে কপট সময় পার করছেন। এমন এক সময় অস্ত্র দেখিয়ে পুলিশ মানুষ মারছে, অস্ত্র দেখিয়ে মসজিদ থেকে মুসল্লিদেরে বের করে দিচ্ছে। মন্দিরের নিরাপত্তা, পূজোর সাজ দিতে ব্যস্ত সরকার, ময়দানে মুসলিম নিধনেই সময় পার করে। অন্যদিকে চিপাগলিতে চুপিসারে সংখ্যালঘুও মারছে, যেন বিরোধীর উপর দোষ চাপানো যায়। সব লাশই সরকারের জমা অপকর্ম। আসামী একজনই, ঐ বাকশালের উত্তরসূরী। ৬ মাসে ৫ হিন্দুকে হত্যা, ৬৬ বাড়ীতে হামলা, আগুন। বাংলাদেশের আসামী জঙ্গি বাইরের নয়, সরকার জানে ভালোই। তার নিজ হাতে সাজানো পেটুয়া বাহিনী সব মদদে। বিশ^াস না হয়  মতিউর রহমান রেনটুর বইটির সূচির উপর চোখ বুলান। নিজের অস্তিত্ব রক্ষার্থে বইটি প্রতিটি বাংলাদেশীর পড়া অবশ্য কর্তব্য। জাগো বাঙ্গালী জাগো। ভারতের নির্দেশে হচ্ছে ফাঁসি খুন, ধড়পাকড়। ভারত তার স্বার্থের পুরোটাই গিলছে গোগ্রাসে, পানি ছাড়াই। আল্লাহ ভগবান ঈশ^রের তোয়াক্কায় নেই। ভারত বাংলাদেশ আজ হামসে বড়া কৌন হায়। দিশাহারা নয়, দিশা স্থির করে সমস্ত জাতি ঈমানী দায়িত্ব নিয়ে এক হোন। আল্লাহ অবশ্যই আপনাদের সহায়।

সারমর্ম: একটি আয়াত স্মরণ করিয়ে এখানেই শেষ করবো। “আর যারা নিজেদের আত্মাকে ফাঁকি দেয় তাদের পক্ষে বিকর্ত করো না। নিঃসন্দেহ আল্লাহ ভালবাসেন না তাকে যে বিশ্বাসঘাতক, পাপাচারী” (সুরা নিসার ১০৭ আয়াত)।

জনতার কথা ০৪ ১০ ১৩(আওয়ামী লীগ বলছে কেয়ামত হলেও দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে, মতামত)

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ৭ খুনে মন্ত্রী মায়ার জামাই ও নূর হোসেনের ফাঁসি!

 

নাজমা মোস্তফা,   ৩০ জুন ২০১৬ সাল।

 

 

 

Tag Cloud