Articles published in this site are copyright protected.

Archive for June, 2016

মীর মশাররফ হোসেনের “গাজী মিঁয়ার বস্তানী”কবিতার অংশ:

 

মীর মশাররফ হোসেনের “গাজী মিঁয়ার বস্তানীর হারানো কবিতার অংশ:

কুষ্টিয়ার সন্তান , কুষ্টিয়ার লাহিড়ীপাড়াতে এক মুসলিম জমিদার পিতা মোয়াজ্জেম হোসেনের পরিবারে মীর মশাররফ হোসেন জন্ম গ্রহণ করেন। তার জীবনকাল (১৮৪৭-১৯১২), তার রচিত উপন্যাস, নাটক কবিতা, গান তৎকালীন সমাজ চিত্রের এক অনবদ্য দলীল। জমিদার দর্পণ, গাজী মিয়াঁর বস্তানী, বসন্তকুমারী নাটক,বেহুলার গীত, মুসলমানের বাংলা শিক্ষা, হযরত আমীর হামজার ধর্ম জীবনলাভ, এসব উল্লেখযোগ্য। ১৮৭৯ খৃঃ জানুয়ারী সংখ্যা “হাফেজ” পত্রিকায় মোশাররফ হোসন ‘উদাসীন পথিক’ নামে কবিতাটি ছিল “গাজী মিয়াঁর বস্তানীর চতুর্বিংশ নথির শেষ অংশ। “আমার জীবনী” গ্রন্থে বস্তানীর একবিংশ থেকে চতুর্বিংশ নথি প্রকাশ পেয়েছে, সেখানে এ কবিতাটি নেই। নয়ন চট্ট্রপাধ্যায় ডট কম সূত্রে  মশাররফ রচনা সম্ভারের ৩৭৭ থেকে ৩৮২ পৃষ্ঠার পিডিএফ স্কেন কপি থেকে নেয়া। আমি কবিতার তিন ছন্দের লাইন সংক্ষেপ করে এক লাইনে সাজিয়েছি।

জানা যায় এটি এমন একটি সময় রচিত যখন রাজ্য হারা মুসলিমরা সাহস হারিয়ে জীবনের দেউলিয়াত্বের কঠিন সময় পার করেছেন। যার জন্য তাকে ছদ্মনামে কবিতাটি প্রকাশ করতে হয়। তারপরও তার পরবর্তী জীবনী গ্রন্থের মূল রচনা সম্ভার অনুপস্থিত। কারণ রাজ্যহারা মুসলিমরা সেদিন সব হারিয়েছে। অর্থ বিত্ত প্রভাব প্রতিপত্তি থেকে শুরু করে ইতিহাসও হারিয়েছিল বৃটিশ হিন্দুর কারসাজিতে। এর গভীর বাস্তবতা তার ‘উদাসীন পথিক’এর লেখাতে ফুটে উঠেছে। অসাম্প্রদায়িক মুসলিম সমাজের উদারতার সুযোগে কিভাবে হিন্দুরা মুসলমানদের সর্বস্ব কেড়ে নেয়, তার সুক্ষ্ম চিত্র কবিতাটিতে খুব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

সবদিন মুসলিমদের মহানুভবতার বৈরী বর্ণবাদী হিন্দুরা:  মুসলমানরা বাংলাভাষাসহ  গোটা সমাজকে আদর্শ মানবতার বুলিতে আপলুত করে এক উদারবাদী সমাজের জন্মদান করে। কালে বিখ্যাত গবেষক পন্ডিত শ্রীযুক্ত ডক্টর দীনেশ চন্দ্র সেন রায় বাহাদুর লিখেছেন, – বঙ্গ সাহিত্যকে একরুপ মুসলমানদের সৃষ্টি বললেও অত্যুক্তি হবে না। মুসলমান সমরাটগণ বহু ব্যয় করিয়া শাস্ত্রগুলিকে অনুবাদ করিয়াছিলেন। আবার দরিদ্র ভবঘুরে শ্রেণীর পুঁথি লেখক সাহিত্যিক আলাওল, মুসলিম মাগন ঠাকুর এদের মত মুসলমানদের পরিশ্রমেও বাংলা সাহিত্য গৌরবান্বিত হয়েছে। শ্রীযুক্ত দীনেশ চন্দ্র সেন লিখেছেন, মুসলমানগণ ইরান, তুরান প্রভৃতি যে স্থান হতেই আসুক না কেন, এদেশে আসিয়া সম্পূর্ণ বাঙ্গালী হইয়া পড়ে। তাহারা হিন্দু প্রজা মন্ডলী বেষ্টিত হইয়া বাস করিতে থাকে। মসজিদের পাশে দেবমন্দিরের ঘন্টা বাজে, মহরম, শবেবরাত প্রভৃতির পাশে দুর্গ্যাৎসব, রাস, দোল উৎসব, চলতে থাকে। তিনি আরো বলেন, রামায়ন মহাভারতের মত মহান গ্রন্থগুলো সর্বপ্রথম অনুবাদ করেন রাজা হোসেনশাহ, পরগাল খাঁ এবং ছুটি খাঁ। আমরা জানি বাংলা কুরআন অনুবাদ করেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন। যার জন্য মুসলিমরা তাকে ভাই বলেও সম্মোধন করে থাকেন। কিন্তু মুসলমানদের অবদানকে কোন সময়ই অপর পক্ষ সম্মানের সাথে দেখেছে তার নিদর্শন তুলনামূলকভাবে খুব কম বরং বারে বারে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের হিন্দু সাহিত্যিকদের দ্বারা আক্রান্তই দেখা গেছে। তাদের বরণ্য সাহিত্যিকরাও মুসলিমদেরে যবন, ম্লেচ্ছ, পাতকী, পাষন্ড, দুরাত্মা, দুরাশা, নরপিশাচ, নরাধম, বানর, নেড়ে, দেড়ে, ধেড়ে, অজ্ঞান, অকৃতজ্ঞ বলেছেন। বঙ্কিমবাবু রাজসিংহে বাদশাহ আকবরের দাঁড়িতে যুবতী নারী দিয়ে ঝাড় মারিয়েছেন, উদার অসাম্প্রদায়িক আওরঙ্গজেবকে কপট সৃষ্টি হিসাবে প্রচার করা তাদের  অনবদ্য কাজ ছিল, তার মুখে নারী দ্বারা লাত্থি মারান, মৃণালিনী গ্রন্থে বখতিয়ার খিলজীকে অরণ্যর অর্থে বানর বলেছেন। কবিতায় – “আসে আসুক না আরবী বানর, আসে আসুক না পারসী পামর।” ঈশ^রগুপ্তসহ এটি হিন্দু সাহিত্যিকদের অনবদ্য অবদান। এ অপবাদ থেকে কবি রবীন্দ্রনাথও বাদ যান নাই। বর্ণপ্রথায় আকন্ঠ নির্যাতনে ভঙ্গুর দিশেহারা ভারতবর্ষ ইসলামের মহানুভবতায় নির্যাতীত মানবাত্মা সেদিন বাঁচার স্বপ্ন দেখতে শিখে, মুসলিম মননের কারণে তাদের অফুরান ঋণ থাকা সত্ত্বেও, তারা পারতোপক্ষে স্বীকার করেনা। বরং পরক্ষণেই তাদের সর্বস্ব লুটে নিতে বৃটিশকে তারা দেবদূত জ্ঞান করে। তাই রবীন্দ্রনাথ বৃটিশ বন্দনাতে গেয়ে উঠেন, জনগণ মন অধিনায়ক জয়হে, ভারত ভাগ্যবিধাতা যা আজো ভারতের জাতীয় সংগীত। আলোর দিশারী মুসলিমরা আজো তাদের চোখে পথের কাঁটা, কি ভারতে কি বাংলাদেশে। কিন্তু গাফেল অসাম্প্রদায়িক মুসলিমরা সেটি যেন আজো আঁচ করতে অপারগ।  পাশের দেশের হিন্দুত্বের একটি প্রামাণ্য ভিডিও চিত্র।

KILLING FIELDS OF MUZAFFARNAGAR

 

বর্তমান মুসলমান সমাজের একখানি চিত্র” যা রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন।  

    দ্বিতল ত্রিতল ঘর / খাড়া আছে ভিত্তিপর / সূর্কি চুন খসিয়া পড়েছে।

           জানালা কপাট ভাঙ্গা, ভেঙ্গে পড়ে ইট রাঙ্গা / কত গাছ শিকড় ছাড়িছে।

          চামচিকে আরশোলা / দিনকানা পেঁচাগুলা / গিরগিটি জেঠী করে বাস।

         যাদের বাসের কথা / কুঁড়ে বেধে আছে তথা / দালানের এপাশ ওপাশ।

       পেটে নাই অন্ন কণা / পরিয়াছে ছেঁড়া তেনা / ছেঁড়া কাঁথা কাহার সম্বল।

           গরমে পরাণ যায় / ঠেকিয়া লজ্জার দায় / গায় দেয় দো-সূতী কম্বল।

          কেহ মোট খেটে খায় / কেহ বোটে দাঁড় বায় / কেহ কাটে জঙ্গলের কাঠ।

        কাঁটায় চিরিছে গাঁ / কুড়ালে কাটিছে পা / শিরে কাঠ, ফিরে সারা হাট।

         সে হাট তাদের-ই ছিল / মহাজন বেঁচে নিল / এবে তারা কড়ার ভিখারী।

        মোটা কঁচু, কাঁচা কলা / আলু ওলে ভরি জ¦ালা / বেচিতেছে বসিয়া দোধারী।

       কাহার মাথায় বোঝা / ভারেতে হইল কুজা / সোজাভাবে চলিতে না পারে।

         আজ অন্ন পেটে নাই / পাইবে দুই এক পাই / ক’ দিন চলিবে আর ধারে?

    তামাক, আগুন, টিকে /জোগাইছে দোকানীকে / কেহ দেয় কলিয়া সাজিয়া।

       মাসি বরাদ্দ আছে / তাতেই পরাণ বাঁচে / ছেলেমেয়ে পরিবার নিয়া।

        এ হাট তাদেরি ছিল / ফাঁকি দিয়ে কেড়ে নিল / পুরাতন নায়েবের ভাই।

       পৈত্রিক বসতবাড়ী / পুষ্করিনী গোলাবাড়ী / কিনিয়াছে তাহার যামাই।

      প্রথমেতে ‘ছুচ’ হয়ে / পশে হিন্দু রয়ে রয়ে / মুসলমান জমিদার ঘরে।

        ক্রমে চেপে বসে ঘাড়ে / সাধ্য নাই মাথা নাড়ে / ‘ফাল’ হয়ে ফাড়ে চেরে পরে।

         বেঁড়ে বুড় বলদেরে / চোম্বা বলি সমাদরে / সদা মুখে যে আজ্ঞা হুজুর।

      সম্মুখে দাঁড়িয়ে রয় / জোড় হাতে কথা কয় / তোষামোদে বড় বাহাদুর।।

       গন্ডমুর্খ জমিদার / ফুলে হল ঢোলাকার / শুনিতেও ভাল লাগে কানে।

       আগ পিছ নাহি চান / আহলাদেতে গলে যান / খাবি খান খুশীর তুফানে।

        যদি বলি জল উচা / বলে হিন্দু তাই সাচা / প্রতিবাদ করে না কাহার।

     বিদ্যাহীন, বুদ্ধিহীন, একেবারে অর্বাচীন / বাঙ্গালার প্রায় জমিদার।

      অলসের দাস হয়ে / বিছানা বালিশ লয়ে / গড়াগড়ি যান দিনরাত।

       মুখে দিতে দুটো ভাত / উঠে না উপরে হাত / দিন দিন হয় কুপোকাৎ।।

      কাৎ হয়ে চিৎ হয়ে / হুকো টানে শুয়ে শুয়ে / মুখে করি সুবাসিত নল।

       পরনিন্দা গ্লানি গীত /শুনে হন হরষিত / গায় গীত মোসাহেব দল।।

      যাহারা দেশের মান / মানি মধ্যে মান্যমান / ছিল মান সম্ভ্রম প্রচুর।

        তাঁদের তনয় যারা / আরদালি হরকরা / হইয়াছে মুটিয়া মজুর।

     সদরালা পুত্র যিনি / কাছারিতে পাখা টানি / করিছেন দিন গুজরান।

       কেহ লাল পাগ বেঁধে / চাপরাশ করি কাঁধে / পোড়া পেট জ¦ালায় হয়রান।

     ডেপুটির পুত্র হয়ে / ডেপুটির বাক্স লয়ে / পালকির আগে আগে ধায়।

    মুন্সেফের সন্তান / মারিয়া তামাকে টান / বাজারেতে টিকে বেঁচে খায়।

      লক্ষপতি জমিদার / সন্তান সন্ততি তার / খেটে খায় অপরের বাড়ী।

      কাজেতে করিলে হেলা / মার খায় দুই বেলা / জুতা লাত্থি খড়মের বাড়ী।

      কটিতে কাঁপড় আটা / হাতেতে বাঁশের ঝাটা / যায় কাঁটা ফেলিতে পথের।

      জিজ্ঞাস তাহার ঠাঁই / পরিচয় পাবে ভাই / সে যে পৌত্র কোন নবাবের।।

      হইয়ে ঘোড়ার ঘাসী / ঘাস তোলে রাশি রাশি / খুরপিই খুন্তির সহায়।

       পরিচয় জিজ্ঞাসিলে / সত্য কথা প্রকাশিলে / অবিশ^াস করিবে তাহায়।

      খাঁ বাহাদুরের নাতি / ছিল কোটা বাড়ী হাতী / আরমাদার কিবা জমিদার।

      গিয়াছে যা ছিল হায় / বার ভুতে লুটে খায় / এবে হইয়াছে খুন্তি সার।

        ঐ যে ভিখারী যায় / ঝোলা ঘাড়ে ফিরে চায় / যাক ওরে জিজ্ঞাস কি বলে।

       বাপ দাদা ধনবান / ছিল বড় মান্যমান / মাথা হেটে পুঁজিত সকলে।

       তাহাদের বংশধর / ভিক্ষা মাঙ্গে ঘর ঘর / হাতে মালা কাঁধে ছালা ঝুলী।

     গলায় তসবির দানা / দেরে বাবা! এক দানা / প্রাণ যায়, মুখে এই বুলী।

       দেখ দিল্লী লক্ষ্নৌ গিয়ে / আছে ভস্মে আচ্ছা দিয়ে / কত মহামূল্য রতœধন।

     শাহানশার বংশধর / পান বেঁচে করে ঘর / কোচয়ানী করে কোন জন।

        নবাব কুলের কুল / বেচিতেছে ফলমূল / মাথায় করিয়া বোঝা বোঝা।

       আম, জাম, নারিকেল / খরমুজা, পাকা বেল / ভারে দেহ হইয়াছে কুঁজা।

     হাতেতে হীরার বালা / গলায় মোতির মালা / কানে ইয়ারিং ফিরোজার।

       পায়ে সোনার মল / করিতেছে ঝলমল / কটিদেশে হেমচন্দ্রহার।

      বেগম নবাবজাদী / বাইজীর হল বাঁদী / কেহ সাদী করে ভেড়ুয়ায়।

       কেহ গুড়গুড়ি মাজে / কেহ বা তামাক সাজে / কেহ বাও করিছে পাখা।

      বঙ্গের বুনেদী দল / গেছে সবে রসাতল / কেহ মরা কেহ আধমরা।

      গেছে সবে হিন্দু ঘরে / কেহ বা তা দৃষ্টি করে / আরও মুখে বলে ভাল তারা।।

    একবার মাথা তুলে / দেখ ভাই চক্ষু মেলে / মুসলমান কিসে হল সারা।

       জমিদারী কোথায় গেল / সেনারুপা কি হইল / এত ঘর কিসে গেল মারা।।

      চিরকাল হিন্দুগণ / করিতেছে নির্যাতন / তবু জ্ঞান হলনারে হায়।

      নিতেছে সকল টেনে / তবু তারে নাহি চিনে / চক্ষে ধাঁ ধাঁ এমনই লাগায়।

        দেখ যত হিন্দু ঘর / কিসে হল ধনেশ^র / খোঁজ দেখি কারণ ইহার।

      প্রতি মুসলমান ঘরে / চাকুরীর সাজ পরে / সর্বনাশ করিল সবার।।

প্রকাশক “উদাসীন পথিক”

Shankaracharya Said Hindu Is Fake Religion – Dr Zakir Naik Islam Kay Mutalliq Galat Fahmiyaan

 

নাজমা মোস্তফা,  ২৩ জুন ২০১৬ সাল।

Advertisements

২০১৬এর রমজানে বাংলাদেশের শাসন যন্ত্রে সংযম সংকট প্রকট

১৫,০০০ বন্দী: সাধু আর শয়তানের স্বরুপ দেখে জেনেও আমরা বিবেক সচেতন মানুষ হয়েও ফারাক বুঝি নি। দুইকে এক পাল্লায় মাপাটাই আমাদের শ্রেষ্ঠ অপরাধ, বড় পাপ। রমজানে একটি মুসলিম দেশে ১৫ হাজার সরকারের বন্দী। সরকার নামেদাগে অসৎ, দেশসহ সবাই গোটা বিশ^ স্বীকার করেছে জানছে। সহজ জবাব হবে ১৫০০০ সাধুকে আসামী সরকার বন্দী করেছে রমজানের মাসে। বন্দুক যুদ্ধে ক্রস ফায়ার দিয়ে পুলিশ দিয়ে ক্রসফায়ারে মারছে তাদেরে, যারা থাকলে সরকারের বিপদ হয় বাড়ন্ত। পরিচয় যাই থাকুক টেগ লাগানো হয় এ প্রাকটিসিং মুসলিম। সরকার ও মিডিয়া বুঝাতে চায় প্রাকটিসিং মুসলিম সমাজের বিপদ। সরকার ও পুলিশ (নামধারী মুসলিম) বিচারের আগেই টেগ লাগায় নিজ সুবিধামতন। বেশ কবছর থেকে আনসারুল্লা বাংলা টিম, হিজবুল্লাহ এসব সাজানো কাকতাড়উয়ার নাম। সচেতন সাংবাদিকেরা ভাতে মরছেন, অর্থে মরছেন, বিবেকে মরছেন। দুই একজনা কষ্টের জমায় দেশ হারিয়ে ফেলার কষ্টের কথা প্রকাশ করছেন দীর্ঘশাস ছেড়ে। ট্রানজিটের নামে ভারত আসে যায়, তাদের হোমরা চোমরারা কথায় কথায় সমানেই বেদনাদায়ক তাালিয়া বাজায়। একটি স্বাধীন দেশকে তারা এভাবে শাসানি দিতে চায়, কারণ মেরুদন্ডহীন এক প্রাণীর দখলে দেশ। সারা দেশ হিন্দুরা তালিকা হাতে চাকরি নিয়েছে ঐ প্রাণীর উর্বর মস্তিস্কের দেউলিয়াত্বে। মুসলিমরা কারাগারে সময় পার করছে। তারপরও ভারত হুমকি ধমকিতে কোমরে হাত রেখে তর্জনী তোলে বক্তব্য দেয়। শক্তিহীন সরকার নীরব। ভারতের মুসলিমরা বিপন্ন দশাতে সব সময়। ওখানেও হিন্দুরা মুসলিমের নামে মিড়িয়াকে কবজা করে হুমকি ধমকি চালাচ্ছে, এ ষ্টিম রুলার তাদের স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকেই প্রকটভাবে বেগবান। গুজরাট, বাবরী মসজিদ, মোজাফফর নগর মাইল ফলক হয়ে ইতিহাসের অসংখ্য সাক্ষর আছেই। তাদের খাগড়াগড়কান্ডের অমিয় সরকার, মুজাফফরনগরে মন্দিরের সামনে গরূর মাংস রেখে ভিএইচপির কর্মী দেশরাজ সিং, রাজস্থানে সুশীল চৌধুরী, বাঙ্গালোরে আবুল খান নাম নিয়ে হিন্দু যুবকের কারসাজি ধরা পড়লেও বলা হয় এরা চার রাজ্যের চার মানসিক বিকার গ্রস্ত হিন্দু যুবক। তারা হিন্দু যুবকেরা বোরখা পরে মন্দিরের সামনে মাংস রেখে মুসলিম নির্যাতনের দলিল সাজায়। দৈবাত কালে ভদ্রে কেউ ধরা পড়ে, তারপর তারা মানসিক বিকারগ্রস্ত সেজে ছাড়া পায় সহজেই। তারা মনে করে ওখানে ভারতে আল্লাহ নেই, ভগবানের শাসন। পক্ষান্তরে মিথ্যা অভিযোগে মুসলিম ধরা পড়লেও তাদের জামিনও হয় না, এ হচ্ছে ভারত। পাঠক ভুলে যাবেন না, রিজার্ভ চুরির মূল হোতারা থাকেন ভারতে, বৃটিশ পত্রিকা ডেইলি মেইলের চাঞ্চল্যকর তথ্য।

পেট্রোল বোমা কারা মারে – আসিফ নজরুল

 

প্রধাণের নিরাপত্তা: এবারের রমজানে ইফতারের জন্য সন্ধ্যায় সেনানিবাসের সেনামালঞ্চে অবৈধ পথে আসা প্রধানমন্ত্রী হাসিনা হাজির হলে সেনানিবাসের সকল মসজিদের মাইকে মাগরিবের আজান বন্ধ করে দেয়া হয়। তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, যাতে গুলাগুলি হলে শোনা যায়। এজন্য এই বিতর্কীত নজিরবিহীন কাজটি খুব সহজভাবে করা হয় অপকর্মীর সার্থে। এতে সাধারণ মানুষরা বিস্মিত হন কারণ ৯০% মুসলিমের দেশে এসব অতীতে কখনো হয়নি। এদেশ কি ইসরাইলী আদলে বাড়ছে? অনেকের মনে প্রশ্ন সেদেশেও আজান নিষিদ্ধ। দেশের বেশীর ভাগ সংবাদ মাধ্যম হয়রানি এড়াতে এসব সংবাদ প্রচার থেকেও বিরত থাকে। সম্প্রতি আজ ২১ তারিখের খবরের শিরোনাম “বিদেশী ওয়েবসাইটে (অনলাইন সূত্রে বিদেশটি ইন্ডিয়া) সেনাবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞাপন উদ্দেশ্য প্রণোদিত: আইএসপিআর”। বলা হয় তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কোন মহল করে থাকতে পারে, তা ভিত্তিহীন। কিন্তু এসব অপকর্মে কোন শক্ত প্রতিবাদ করার সাহস নেই কেন বাংলাদেশের? জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেছেন, ভারতকে ট্রানজিট দিয়ে শেখ হাসিনা দেশের স্বাধীনতা ১৯২ টাকায় বিক্রি করেছেন। তিনি আরো বলেন, ট্রানজিটের নামে সরকার অন্যায়ভাবে স্বাধীনতার হৃদপিন্ড ছিঁড়ে দিল্লীর হাতে তুলে দিয়েছে। সবদিকে বাংলাদেশ শোষিত হচ্ছে। ব্যারিষ্টার হায়দার আলী বলেন, সব হচ্ছে ভারতের নির্দেশে। এই রমজানের সংযমের মাসেও দেশে চলছে শক্তির তলানিতে চরম মতলববাজি কান্ডকারখানা। সরকারের তালিতে গুম খুন হচ্ছে, সরকার নিজেই আসামীকে বিরোধী সাইনবোর্ড সেটে দিচ্ছে বারে বারে। অতি উৎসাহী সরকার নিজের নিরাপত্তা দিতে এটি করছে। সংখ্যালঘুরা অল্প হলেও তারাও নির্যাতীত হচ্ছে, এটিও শক্তিমানের ভিন্ন খেলার অংশমাত্র। শোনা যায় কখনো তারা নিজেরাই তাদের ভাঙ্গা চোরা মন্দির পুড়িয়ে মোটা অংকের টাকা বাগিয়ে নিচ্ছে, এসবের প্রামান্য দলিলও ময়দানে আসছে।

সেনা চাকুরী বিজ্ঞপ্তি ও অস্ত্র নাটক ভারতের প্রচার বিজ্ঞাপনে ভারত ও “র” জড়িয়ে আছে। উত্তরার বৌদ্ধ মন্দিরের পাশে (?) এক নম্বরবিহীন গাড়িতে এক গাড়ী বোঝাই অস্ত্রশস্ত্র ফেলে যায়। প্রথমে কিছু হৈচৈ হয় তারপর চুপ। এসবের সাথে “র” ও বাংলাদেশ গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত বলে জানা গেছে। বাংলাদেশে নম্বরবিহীন গাড়ী একমাত্র ডিজিএফআই ব্যবহার করে। তাই ঘটনা দুর্ঘটনা কমার কোন ভরসা নেই। যেকোন মুহূর্তে যে কোন কিছু ঘটতে পারে, তারা ঘটাতে পারে। একই মঞ্চনাটকের অংশ যেমনটি সাজানো হয়েছিল পিলখানার হত্যাকান্ড, জিয়াহত্যাকান্ড, এমনকি মুজিব হত্যাকান্ডও ভারতীয় চাল জড়িত থাকার সন্দেহ অমূলক নয়। অনেক প্রমাণে তাই দৃশ্যত মনে হয়। জিয়ার ব্যতিক্রমী দেশাত্ববোধের কারণে ভারত অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার চক্রান্ত বাস্তবায়নে বাধার সম্মুখীন হয়। যার স্বাভাবিক পরিণতি তার মৃত্যু, পথ পরিষ্কার করা। তারপর থেকেই কয়েকশ অফিসারকে গোপনে লাখ লাখ টাকা (ইসলামে এসব হারাম অর্জন) মাসোহারা দেয়া হয়। ফলে ১/১১ সাজানো সহজ হয়। যার সহজ পরিণতিতে সব নাটক হয়, হাসিনা দৃশ্যপটে পুনরায় আবির্ভূত হন। এর সহজ পরিণতিতে পিলখানাতে সেনা বিদ্রোহ সহজ গতি পায়, বহু অফিসার চাকরি হারান, কঠোর নিরাপত্তায় দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। বর্তমানে যারা বহাল আছেন তারা বেশীর ভাগ ঐ মাসোহারার কিস্তির সদস্য তারা। যার জন্য স্মরণ আছে নিশ্চয় একবার জয় বলেছেন এখন আর সেনাবাহিনীর এমন কেউ নেই যে নড়বে চড়বে বিপ্লব প্রতিবাদ করবে। ২০১০ সালে হাসিনার ভারতের সাথে যে গোপন ৩০টি চুক্তি হয়েছে যার কিছুই জানে না দেশবাসী বা সংসদও। সিরাজুর রহমান, আতাউস সামাদরা ঐ সময় অনেক চেচামেচি করেছেন এখন তারা মৃত; ময়দান খালি, মুমূর্ষু অনেকেই কারাগারে।  যার সহজ পরিণতি এত এত গুম খুন হত্যা ধ্বংস স্বাধীনতা হারানোর মত ভয়ঙ্কর অবস্থান দেশে চলমান। ভারতীয় এজেন্ডাতে সেনাবাহিনীর বিজ্ঞাপনও তার অংশ মনে হয়। অতি সম্প্রতি পুলিশে সেনাবাহিনীতে বাইরের লোক নিয়োজিত হয়েছে তার প্রামাণ্যতা ভিডিও ফুটেজে এসেছে, এরা বাংলাভাষী নয় । ভারতীয় পোর্টালে এরকম খবরও আসে যে, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারবেন ভারতীয়রা। জানা যায় এসবে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র জয় বলেছেন, বাঙ্গালীদের উচ্চতা কম, তাই পাঞ্জাবী উচ্চতার যুবকদের সেনা হিসাবে চাই। আরো কোন ভয়ঙ্কর খেল হচ্ছে না, বলা যাবে না। যেভাবে সুষমারা ভারতীয়রা হিন্দু নাটকের মহড়া সাজাচ্ছে তাদের নিজেদের স্বার্থে। বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক দেশ সাজানোর পেছনে ভারত নেই, বলার উপায় নেই।

 রমজানে দৈবের জঙ্গি নাটক ফাঁস : এসব সাজাতে উদ্দেশ্যমূলক হিন্দু, খৃষ্টান, ব্লগার, নিধন হচ্ছে দেদারসে। নির্যাতীত নির্দোষ জনতার ভালো ছেলেরাও রমজানের লাশ হচ্ছে। দৈবের খেলা হিসাবে কিছু চাঞ্চল্যকর খেল ফাঁস হয়ে গেছে। এবারের কাকতাড়য়া ছিল ফাইজুল্লাহ ফাহিম নামের এইচএসসির এক ছাত্র ১৮ বছরের ছেলে যাকে শিবির হিসাবে সাজায় পুলিশ। ঘটনার বিভিন্ন রকম যোগসূত্র আসছে। কেউ বলছে জনতারা তাকে ময়দানে ধরেছে। কেউ বলছে ভিন্ন কথা। দুর্ঘটনা ঘটানোর ৪দিন আগে তাকে আটক করা হয়। বেকায়দার সরকারকে উদ্ধার করতে জঙ্গি নাটকে বিরোধীর সম্পৃক্ততাকে কোনভাবে প্রমাণ করতে খুব চাপের মাঝে সরকার ও তার লাঠিয়াল বাহিনী পুলিশ ও র‌্যাব। রিমান্ড মারধর পরে পুলিশ জানতে পারে ফাহিম একজন নামাজি ছেলে, তবে সে শিবির বা তাবলিগ পছন্দ করে না। তার বাপ মায়ের বক্তব্যেও তা স্পষ্ট হয়। অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলামের নির্দেশে এ নাটক সাজানোর সিদ্ধান্ত হয়। এবার কোপানোর জন্য নির্ধারিত একজন হিন্দুর উপর এ সহজ নাটকের মহড়া চলে। পুলিশ ফাহিমকে তার বাবার মোবাইলে এসএমএস করিয়ে খবর পাঠাতে বাধ্য করে যে সে বিদেশে চলে যাচ্ছে, এ ছাড়া উপায় নেই। বেঁচে থাকলে দেখা হবে। বাবা গোলাম ফারুক ইত্যবসরে থানাতে ডিজি করেন। ফাহিমসহ আরো দুজনকে গাড়ীতে করে প্রভাষক রিপন চক্রবর্তীর ভাড়া বাসায় নেয়া হয় ও তাদের কোপাতে নির্দেশ দেয়া হয়। কোপানোর পরই তাকে পরিকল্পনা মাফিক আটক দেখিয়ে থানায় নিয়ে সেখান থেকে সড়ক পথে ঢাকায় নেয়া হয়। আর প্রচার করা হয় বাকীরা পালিয়ে গেছে। এরপর তার উপর ট্রেনিং চলে এসব শিবিরের কাজ, রেটিনা কোচিং সেন্টার জড়িত, বরিশালে আরো হামলা হবে, মীর কাসেম আলীর আইনজীবি বান্নাকে ফাঁসাতে হবে, উত্তরার অস্ত্র উদ্ধারের সব আগাম স্বীকারোক্তির প্রশিক্ষণ তার উপর দিয়ে চলে। তার আশা অনেক কিছুই তাদের কথামত শর্ত সাপেক্ষে কাজ করাতে যদি সে ছাড়া পায়, বার বার ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানায়। এর মাঝে চলে ১০ দিনের রিমান্ড। সে জানায় তার মামা বড় অফিসার, দরকারে তিনি ছাড়িয়ে নিয়ে যাবেন। রিস্ক দেখে মনিরুল ও তার উর্ধ্বতনরা তাকে ময়দান থেকে সাফ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অতপর নিয়ে যাওয়া হয় মাদারীপুরের মিয়ারচরে। পুলিশের একাধিক আসামী সামনে থেকে তাকে গুলি করে হত্যা করে, মুজিবের আমলে সিরাজ শিকদারতে যেভাবে হত্যা করা হয় ঠিক ওভাবে, হাতে হাতকড়া, গুলি বুকের বাঁ পাশে হৃদপিন্ড ঝাঝরা করে। জনতার হাতে তার ধরা পড়ার সব গল্প মিথ্যা, সাজানো। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে এক পুলিশ অফিসারই সাংবাদিকদেরকে বলেছে, অনেক পুলিশ গুলি চালিয়ে তাকে হত্যা করেছে। মুখরা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ফাহিম শিবির করতো আর পুলিশ বলেছে ফাহিম হিজবুত তাহরিরের লোক। শিবির, আনসারউল্লাহ বাংলা টিম, হিজবুত তাহরির এসব হচ্ছে নষ্ট সমাজের ফসল রক্ষার তাকতাড়য়া। কিছুদিন আগে চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর  মাগুরাসহ ভিন্ন জেলা উপজেলাতে পুলিশের উদ্যোগে বাঁশের লাঠি তুলে দেয়া হয় সংখ্যালঘু পুরুষ মহিলাদের হাতে, আমরা প্রকাশ্যে উচ্ছস্বিত লাঠিয়াল নারী পুরুষদেরে দেখি। নিজেদেকে ধোয়া তুলসি পাতা দেখাতে এসবও শক্তিমানের নাটকের অংশ মাত্র, পুলিশ র‌্যাব তাদের সহযোগী মাত্র।

প্রধান মন্ত্রীর নীল নকশা পাঁশ করলেন – ডঃ তুহিন মালিক

 

চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর মেয়ে তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেও ময়না তদন্তের নামে অসভ্য নাটক চলছে। দেখলাম তার বাবাকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত আসামী না ধরে বরং তনুর সব দাগচিহ্ন ডায়রি, অ্যালবাম পুলিশ কবজায় নিতে ব্যস্ত। সব সময়ই আসামীরা সরকারী লোক না হলে কেন সরকার বারে বারে ওদের রক্ষায়ই তৎপর দেখা যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন দেশটি ভারত নিয়ন্ত্রিত ভোটহীন একটি দেশ। এ হচ্ছে ৭১এর স্বাধীন বাংলাদেশ। পেট্রল বোমা, পেপার স্প্রে সরকারের উদ্ভাবিত নাটকের অংশমাত্র। বিরোধী নিধনের জন্য সেটি বারে বারে আন্দোলনের সময় ধরা পড়েছে মিডিয়ার খবরে, পরক্ষণেই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এদেরে ছেড়ে দেয়া হয়। ঐ ভারতীয়রা যেভাবে মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে আসামী ছেড়ে দেয় সরকারও তার আসামীদের ধরা পড়লেও ছেড়ে দেয়। আজ দেখি শিরোনাম, পেট্রোল বোমার থেকেও  পুলিশের র‌্যাবের হাতে কয়গুণ বেশী মানুষ মরছে। কি সুন্দর স্বাধীনতার পুলিশী দেশ এক বাংলাদেশ! এসব সরকারী উল্লম্ফনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশ সরকারের  (অনুর্বর ) মস্তকের প্রশংসা করেন। এই সেই দেশ গায়ে বুলেটপ্রুফ থাকলেও (ফাহিম) গুলিতে নিহত হয় বন্দী আসামী। সবাই বুঝে সরকারের সম্পৃক্ততা বেরিয়ে পড়ার ভয়ে এভাবে একের পর এক ক্রসফায়ার হয় রমজানেই।  অনাচার ও অনৈতিক দেশে রাজধানীর খাল থেকে বেরিয়ে পড়ে ৯৭টি পিস্তলবোমাসহ বিপুল অস্ত্র গুলি। তুরাগ থানার পঞ্চবটি এলাকায় বৌদ্ধমন্দিরের পেছনে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা এসব উদ্ধার করে। পরের দিনের খবরে প্রকাশ উত্তরার খালে আরো ৩২ ম্যাগাজিন উদ্ধার। এ মাসের ৭ জুন থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত আইনশৃংখলা বাহিণীর হাতে নিহত হয়েছে ১৭ জন। এরা সরকারদলীয়দেরে বাঁচাতে সব করছে। প্রয়োজনে ফাঁসি মওকুফ করে জেল থেকে মুক্ত করছে। ঠিক একইভাবে তারা মূল আসামী না ধরে সব সময় মঞ্চনাটক করে চলেছে। তাদের কাজ হচ্ছে অপরাধীকে বাঁচানো, সব অপরাধের প্রমাণকে আগলে রাখাই তাদের নিয়োগবানিজ্য। কারণ অবৈধ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে এসবের কোন বিকল্প নেই। সরকার নিজেই হত্যা গুমের বানিজ্যে প্রত্যক্ষ জড়িত, এটি সব আলামতেই প্রমাণিত।

এটি এমন একটি দেশ একের পর এক নাটক সেখানে চলমান। ভয়ানক রিজার্ভ চুরি এর মাঝে তলিয়ে গেছে। সাবেক গভর্ণর ফরাস উদ্দিনের হিসাবে ব্যাঙ্ক থেকে  তিনটি পদ্মাসেতু নির্মাণের সম পরিমান টাকা মেরে শক্তির তলানীরা বাড়তি শানে ধার দিচ্ছে। গত সাত বছরে ব্যাংক থেকে ৩০,০০০ কোটি টাকা চুরি গেছে। শেয়ারবাজার লুটপাট করে, সরকারী বেসরকারী সব ব্যাংক লুটে এবার ইসলামী ব্যাংক লুটের প্রক্রিয়ায় চুড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে। যার জন্য নতুন পরিচালকদেরে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিতর্কীত মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজালের নামও এসেছে। এবার একচিলতে মাপের বাংলাদেশ ভারতকে ট্রানজিট চালুর মহড়া সেরেছে শফিক রেহমানদেরে কারাগারে ভরেই। বলা যায় না যদি এ মুখবাজরা মুখ ফসকে দুকথা বলে দেয়। মনে হয় তার মৌচাকের ঢিল সইবার ক্ষমতাও এ সরকার হারিয়েছিল! বোঝা যায় মাঝে মাঝে দুএক কলামের ধকল সইতে সরকারের বেগ পেতে হতো। যার সফল পরিণতি ধড়পাকড় নাটক। এত অপরাধ হচ্ছে এই মুসলিম দেশের রমজানের মাসেই। পাঠক বলুন সরকার কি সংযমী? অস্তিত্বে আল্লাহ ভীতি রমজানের বড়জমা। শুধু উপোশ করলেই রোজা হয়না, লোক দেখানো তসবিহ টিপলেই রোজা হয়না, মাথায় গিলাফ দিয়ে ঢেকে ওমরাহও করলেও নিশ্চয়তা ক্ষীন থেকে ক্ষীনতর হতে বাধ্য, যদি মানব আত্মায় রমজানের মহাত্ম্য প্রবেশ না করে। মুসলিম প্রধান সারা জাতির নেতৃত্বও আইন শৃংখলা বিচার বিভাগ সবাই কি রমজানের মাসেও ঈমান হারিয়ে দেউলিয়াত্ব বরণ করবে? আল্লাহর আদালতে এর বস্তুনিষ্ট বিচার জনতার পক্ষের আবদার ও সময়ের বড় জমা !

নাজমা মোস্তফা,    ২১শে জুন ২০১৬ সাল।

বিশেষ দ্রষ্টব্য পুনশ্চ: আজকের ২১ জুনের পত্রিকার বরাতে প্রকাশ ঝিনাইদহের পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলি হত্যায় ইসলামী ছাত্র শিবির জড়িত বলে দাবী পুলিশের। গত সোমবার গাবতলি থেকে ধৃত এনামুল হক (২৪) পুরোহিত হত্যার দায় স্বীকার করে, জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন। গ্রেপ্তারকৃত এনামুল ঝিনাইদহ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারী। তিনি আরো বলেন এ হত্যাকান্ডে ছাত্রশিবিরের অরো সাতজন জড়িত। একই নাটকের পুনরাবৃত্তি। সবচেয়ে বড় কথা কোন সাধারণ মুসলিমও এরকম কাজ রমজানে করবে বলে মনে হয় না। আলতাফ হোসেনরা মুসলিম সম্বন্ধে কি ধারণা রাখেন জানি না। তারা খেলতে খেলতে বেশি বিজ্ঞান করে ফেলছেন। অলক্ষ্যের বিচারকর্তাই এসবের জন্য উত্তম বিচারক।

প্রশ্নবিদ্ধ শিক্ষা, ধর্ম, চাকরী, দেশটির কি পূনর্জন্ম আসন্ন?

(আন্ডারলাইন করা ইটালিক : কোন লেখার বা ভিডিও লিংক ) 

মুসলিম দেশে প্রশ্নবিদ্ধ ইসলাম বিতর্কীত সংকটাপন্ন: ইন্ডিয়া যেন বাংলাদেশকে পা থেকে মাথা অবদি গিলে গিলে অবস্থায় আছে বহুদিন থেকে। ২০১১ তে বাংলাদেশের অগ্রণী প্রাইভেট এয়ারলাইন জিএমজি চলে যায় ইনডিয়ার মালিকানার কবজায়। ঐ সময়ের (২৭.১২.১১, আমারদেশ, এ কাদের গণি চৌধুরীর রিপোর্টে) প্রকাশ নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে জিএমজির সব ফ্লাইটে “ইনশাল্লাহ” ও ভ্রমণের দোয়া “বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরসাহা ইন্না রাব্বি লা গাফুরুর রাহিম” দোয়া পাঠ নিষিদ্ধ করা হয়। একচেটিয়াভাবে ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা নিয়োগের পর আল্লাহর নামে এ যাত্রাকে নিষিদ্ধ করার ধৃষ্টতা দেখালো জিএমজি। বরাবরের মত পার্সেরা সাবেরা ফেরদৌসী ঘোষণা করেছিলেন “ইনশাল্লাহ, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা ঢাকা শাহজালাল (র:) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।” এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে ইন্ডিয়ার জেনারেল ম্যানেজার ১ডিসেম্বর ফেরদৌসীকে শোকজ করে, ক্ষমা চেয়ে নাকে খত দিয়ে নিষ্কৃতি পেতে হয় তাকে। পর্যায়ক্রমে ক্রমে ক্রমে বাংলাদেশের দক্ষরা বেকার ও বঞ্চিত জীবন যাপন করছেন, চাকরী বাগাচ্ছে ভারতীয়রা। অন্যদিকে দেশের বেসামাল অবস্থা সামাল দিতে সরকারী কর্মকর্তাকে দিগুণ বেতনে তুষ্ট করা হয়েছে। তারপরও প্রতিটি সেক্টরেই বেসামাল অবস্থা! জিএমজির সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ ১৬ পদের ৯টি পদই ইনডিয়ানদের দখলে। বাকী দুটিতে আমেরিকান, একটিতে বৃটিশ, একটিতে শ্রীলঙ্কান একটিতে ফিলিপিনো এবং মাত্র দুটিতে বাংলাদেশী কর্মকর্তা রয়েছেন। জিএমজি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ এভাবে নিজদেশে ক্ষতিগ্রস্ত।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

দেখুন কিভাবে ইন্ডিয়া বাংলাদেশের গার্মেন্টেস শিল্প ধ্বংস করে দিচ্ছে

শিক্ষার উপর খড়গ: ২০১০ সালের গোপন চুক্তির কিছুই কি জানতে পেরেছে বাংলাদেশের জনগণ ? অতীতে গোপন চুক্তির মদদদাতা সরকার আজকে  বিশ^ময় রমজানে নীতির বানী বিলি করছে,  চুক্তির বিষয়ে সরকার চোরের ভূমিকা নিয়েছে, কখনোই স্পষ্ট করেনি। চার পাঁচ বছর আগে দেশে গেলে আমার এক বোনজি আব্দার রাখে শিক্ষার মান যে কী পর্যায়ে পার করছে তার নেতিবাচক দিক সে বারে বারে স্পষ্ট করে দেখায়। সে  প্রাইমারী শিক্ষিকা, তাদের নির্দেশ দেয়া হয় বিদ্যা অর্জন না করলেও বাধা নেই, সবাইকে ভালো পাশ দেখাতে হবে। যে দেশের শিক্ষানীতি এটি হয়, এরা যে কত নষ্ট নীতির অনুসারী তা বলার  অপেক্ষা রাখে না। এর উপর অনেক গাল গল্পই শুনছি আজ, ময়দানের ফলাফল তাই জানান দিচ্ছে। অনেকে দেখা গেছে পরীক্ষা না দিয়েও জিপিএ ৫ পেয়ে পাশ করে গেছে এসব হচ্ছে উদাহরণের নমুনাবাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে মুসলিমদেরে ঝেটিয়ে বিদেয় করা হয়েছে। সেখানে অনুপ্রবেশ ঘটানো হচ্ছে ডজন ডজন হিন্দুকে যারা একসাথে শিক্ষা ও ধর্মের উপর খড়গ হয়ে অবদান রাখতে পারেদুটি যোগ্যতা প্রাধাণ্য পাচ্ছে, নামে মুসলিম হলেও তাকে নাস্তিক বা বাম ঘেষা হতে হবে নয়তো হিন্দু হতে হবে। এটি হচ্ছে একটি জাতি ধ্বংসের পরিকল্পিত সমাচার। পাশাপাশি হিন্দুরা মহা উৎসাহে আল্লাহ রসুলের উপর হামলে পড়ছে ভয়ঙ্করভাবে, এসব অপকর্মে শিক্ষকরাই আগুয়ান।

নানামূখী ষড়যন্ত্রের কবলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, চাই মুসলমানদের সচেতনতা

 

সুচিন্তিত দৃষ্টিতে শিক্ষার  লিস্টটা দেখুন: (১) প্রাথমিক শিক্ষার ডিজি শ্যামল কান্তি ঘোষ। পাঠ্যবই ছাপানো হয় ভারত থেকে অনেক আগে থেকেই। (২) পাঠ্য পুস্তক বোর্ডেও এনসিটিবি সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক। (৩) কারিগরি শিক্ষার ডিজি (মহাপরিচালক) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ^াস। (৪) সৃজনশীল পদ্ধতি মাধ্যমিক শাখার যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়। (৫) ঐ একই বিভাগের বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ। (৬) ঢাকা বোর্ডের উপ কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়। (৭) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দত্ত। (৮) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী। (৯) পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রধান নারায়ন চন্দ্র পাল। (১০) মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র। (১১) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব অজিত কুমার ঘোষ। (১২) ঐ বিভাগের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ। (১৩) অন্য সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার। (১৪) ঐ বিভাগের যুগ্ম প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ। (১৫) ঐ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক (১৬) ঐ বিভাগের অতিরিক্ত সচীব অরুণা বিশ^াস। (১৭) ঐ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার। এরা হচ্ছে শিক্ষার প্রচারক প্রসারক আর ধর্ম সে দেশ থেকে মুছে দিতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়োগ করা হয়েছে পাঠ্যবই সংশোধনীর নামে। সেখানে চরিত্র গঠন মূলক নৈতিকতা নির্ভর সদাচরণের সব গল্প কবিতা প্রবন্ধ তুলে দিয়ে পূজা পার্বন, রামায়নের সংক্ষিপ্ত রুপ, পাঠাবলি কিভাবে দিতে হবে এসব অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। নাস্তিক হুমায়ুন আজাদের কুরআন বিরোধী কথামালায় সিলেবাস সাজানো হয়েছে। এর আগে প্রকাশিত ০৬ ফ্রেবুয়ারী ২০১৬ তারিখের “চাকুরীতে হিন্দু প্রলয়ামের” যে বিশাল লিস্ট এখানে আমার কলামে আছে তা নিঃসন্দেহ ভয়ঙ্কর।

পুলিশে চাকরী: Indian getting job In Bangladesh Police 

সম্প্রতি ইউটিউবে বিডিনিউজ ডট নেট বরাতে পুলিশে নিয়োগের বিতর্কীত খবর এসেছে এরকম সমমানের ভিন্ন খবর আগেও এসেছে। দেখা যায় ঢাকা ও ধামরাই উপজেলাতে শত শত মানুষকে চাকরী দেয়া হলেও সরজমিনে দেখা যায় সেখানের কোন বাসিন্দা ঐ চাকুরী পান নাই। যারা চাকরী পাচ্ছে এরা অপরিচিত মানুষ ভালো করে বাংলাও বলতে সক্ষম নয়। বাংলাদেশের ভেতরের মানুষের ভাষা মানুষ চিনে ও জানে কিন্তু বাইরের অনেক লোকের ভাষা বুঝতে অক্ষম হয়। এরা ঐ দলেরই মানুষ। কেরানীগঞ্জের চরকুন্দলীয়া গ্রাম থেকে ১৮৬ জনের মাঝে একজনকেও গ্রামে খুঁজে পাওয়া যায়নি। অপরদিকে ধামরাই গ্রামের রামদাই গ্রামে ৩৬ জনের মাঝে মাত্র একজনকে খুঁজে পাওয়া যায় আর বাকীদের কেউ চিনে নাই, বলতে পারে না।  গ্রামের কোটায়ও তারা কখনোই চাকরী না পেয়ে বেকারত্বে সময় পার করছে আর ভিন দেশীরা চাকরী বাগিয়ে নিচ্ছে এভাবে শক্তির তলানীতে। পাশের গ্রাম পান্নাখোলারও ঐ একই অবস্থা, চাকরী সং কটের গোজামেল সংবাদ। এ ধামাচাপা দেবার কারণেই বিগত সময়ে সরকার এসব চুক্তির কথা সুস্পষ্ট করে নাই। সম্প্রতি একটি খবরে দেখি বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতে নিরাপত্তা দেয়া হবে। এটি এভাবে ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে যে চাকরী ট্রানজিট শিক্ষা ধর্ম সবদিকে শিকল পরিয়ে দেয়া হচ্ছে তার উপর ফলাও প্রচার নেই কোন দিকেই; না ভারতে না বাংলাদেশে। এখানে সরকার ভারতে চোরে চোরে মাসতুতো ভাইএর ভূমিকা পালন করছে। দেশটিকে এভাবে কুরে কুরে খুবলে খুবলে খাওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী সংসদে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন রিজার্ভ চুরি হয়েছে পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি। ওখানেও ভারতের হাত লক্ষ্য করা গেছে, ঐ নাম সবদিকেই ঘুরে ফিরে বারে বারে আসে। তাই নিঃসংকোচে বলা চলে বাংলাদেশের প্রধান শত্রু পাকিস্তান নয়, বরং জোর গলাতে বলা যায় হিন্দুস্থান। বিশ^ বিধাতার সুক্ষ্ম দৃষ্টি আকাশ পাতাল সর্বত্রই ছোঁয়, কিছুই তার অগোচর নয়। “নিঃসন্দেহ তোমার প্রভুর শাস্তি অবধারিত। এটির জন্য কোন প্রতিরোধকারী নেই; যেদিন আকাশ আন্দোলন করবে বিরাট আন্দোলনে” (সুরা তূর এর ৭/৮ আয়াত)।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

জনতার কথা ২৯ ০৮ ১৪(গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কতটুকু নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন,মতামত)

এসব হচ্ছে ২০0৯ সাল পরবর্তী অপ্রকাশিত গোপন চুক্তির ফলাফল। হয়তো এসবও চুক্তিতে ছিল যে ভারতীয়কে এদেশে চাকুরীতে নিয়োগ দিতে হবে! ইদানিং একটি জাতি ধর্ম দেশকে বিপন্ন করে দিতে বিক্রি নয় বরং বিনামূল্যে নিলামে তুলে দিতে এটি ছিল ঐ মিথ্যার উপর দাঁড়ানো সরকারী চাল মাত্র। যেখানে সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে ভারত একে একে নির্বাচনসহ সকল অপকর্মে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে আর সরকার দাপটের সাথে দেশবাসীকে ঘোলের জল গোগ্রাসে গেলাচ্ছে। যার জন্য আজ দেখা যায় ২৪ ঘন্টাতে ২৪ জন নয় তার অধিক মানুষকে লাশ হতে হচ্ছে। দেশবাসীর পক্ষ থেকে এমন এক ভয়ংকর হায়েনার কবল থেকে মুক্তি চাওয়াই হবে চলমান রমজানের একমাত্র বড় কামনা।

একটি প্রতিষ্ঠিত দেশকে পুনরায় স্থানে রুপান্তর করার প্রক্রিয়া চলমান: একদিন দেশটি ছিল পাকিস্তান তারপর সেটি হয় বাংলাদেশ এবার চেষ্টা চলছে ভিন্ন স্থানে রুপান্তরের প্রচেষ্ঠা সেটি হবে দেশ থেকে রাজ্যে। তাদের অনেক আস্ফালনে এর আগেও বারে বারে অঙ্গরাজ্যের খবর ছড়ানো হয় হুমকির মাধ্যমে। এক গোষ্ঠীর স্বপ্ন এটি হবে হিন্দুস্থানের অঙ্গরাজ্য। ঐ স্বপ্ন পুষে বেশ কবছর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তারা মূখ্যমন্ত্রী বলে সম্মোধন করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল। বাংলাদেশের নারায়নগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে ইচ্ছাকৃতভাবে সাজানো হয় পাদপৃষ্ট নাটক যাতে করে, পরে বড়মাপে ফায়দা ফসল তোলা যায়। সেখানে নাকি হবে আন্তর্জাতিক সনানকেন্দ্র! যার জন্য সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চলছে বিগত সময় থেকে। এটি আর এক বহুমুখী চক্রান্ত দেশটির অস্তিমজ্জা নিয়ে। এবারের বাজেটে কেন ঐ স্থানে ২০০ কোটি বাজেট নির্ধারিত হয়েছে, সেটি মুসলিম দেশের ধর্মহীন সরকারের চাল মাত্র। বিশাল কুরআন শরিফ কেউ চটি বইএর মত পড়তে পারে না কভার পেজকে দৃশ্যত দেখিয়ে , এটি অসম্ভব কাজের একটি। একটি ছবিতে দেখা যায় উবায়দুল কাদের সেই অসম্ভব কাজটির উপর নাটক করছেন বিশাল মাপের মহাভারত নিয়ে। ভারত ও বিজেপিকে তুষ্ট করতে ওবায়দুল কাদেরের এই রামায়ন মহাভারত নাটকীয় প্রচারণা!

নাজমা মোস্তফা, ৭ জুন, ২০১৬ সাল।

Tag Cloud