Articles published in this site are copyright protected.

এ প্যারাটি ১২ এপ্রিল ২০১৭ সালের সংযোজন: মঙ্গল শোভাযাত্রার তর্কযুদ্ধে হাসিনা বলছেন মঙ্গলবার ও কি তাহলে হিন্দু বার? জবাবে বলছি শুধু মঙ্গলবার কেন, বৃহস্পতিবারও দেবতার নামে নাম, তবে গবেষনাতে অনেক সত্য উন্মোচিত হচ্ছে; বেদের রচয়িতা হচ্ছেন অঙ্গিরার পুত্র বৃহষ্পতি। উল্লেখ্য উক্ত অঙ্গিরা নবী ব্রহ্মার পুত্র (ব্রহ্মা মানে নবী ইব্রাহিম (ABRAHAM = BRAHAM+A) দুর্গা পূজা-Braham+a এর উৎপত্তি। লিংকটি দেখতে পারেন । আকবরের সৃষ্ট বাংলা সনে হিন্দু আধিক্য থাকা খুব স্বাভাবিক। তার স্বরচিত ধর্ম দীন-ই-এলাহী ধর্মটি হিন্দু ধর্মের একটি ভিন্নতর সংস্করণ ছাড়া আর কিছু ছিল না। দেব দেবীর নাম অনুসারেই মঙ্গল দেবতার নামানুসারে ঐ নামও এসেছে সপ্তাহের এক বার হয়ে। অজয় রায় সহ আসাদুজ্জামান নূর হাসিনা কেউই ধর্মের গোড়াতে না গিয়েই নিজেদের মনমত ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছেন। সবাই ফতোয়া বিলি করতে ওস্তাদ। এককালের অগ্নি উপাসক ইরানীদের নওরোজ উৎসব এনে ঢাল হিসাবে আনতে চাইছেন। ইতিহাসের জমায় প্রকাশ আকবরও এককালে শিয়ার অতিরিক্ত মাহদি ঘটিত ভবিষ্যত আগমনীর স্বপ্ন থেকেই নিজেকে ঐ পদের একজন ধরে নিয়ে নতুন দীন এ এলাহী ধর্মটির দিকে পা বাড়ান। কিন্তু এর মাঝে ঐশী নির্দেশ না থাকার কারণে নকল মাহদী আকবরের প্রচেষ্ঠা অঙ্কুরেই শেষ হয়। ধর্মটি না জেনেই যারা ধর্মের মস্তানী করছেন তারা ও থেকে বিরত হলেই ভালো। মুসলিমদের উপর নবীর স্পষ্ট নির্দেশ ও সাবধান বাণী হচ্ছে কখনোই যেন অন্য ধর্মের অনুকরণ করা না হয়। ঐ সময় মদীনাতে দুটি উৎসব পালিত হতো, নবী মুসলিমদের জন্যও দুটি উৎসব নির্ধারিত করে দেন, ঈদুউল ফিতর ও ঈদউল আজহা। ধর্মে কোন সংযোজন তোমাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। এর প্রধান কারণ সমাজে প্রচলিত অন্য ধর্মের অর্জন ছিল এত বিতর্কীত ও প্রশ্নবিদ্ধ যে ওর সংস্পর্শে আসলে সত্য ধর্ম বিপন্ন, বিনষ্ট হতে বাধ্য। এ নীতি একদিনের জন্য ছিল না এটি চিরকালের জন্যই তিনি নির্ধারিত করে যান। তারপরও নানা অনাচার এখানে এসে জমা হয়েছে, শবেবরাত পড়শির ময়দান থেকে আগত এরকম একটি অনুষ্ঠান যার কোন ধর্মীয় ভিত্তি নেই। এরপর মঙ্গলশোভা যাত্রা নামে আর একটি অনাচার আজকের প্রজন্মকে উদবুদ্ধ করছে সরকার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা, এরা ধর্মটি সঠিকভাবে জানে না বলেই এ কাজে অগ্রসর হচ্ছে। সনাতন ধর্মের নামে হিন্দুরাই মুসলিমদের সব ম্লেচ্ছ অচ্ছুৎ নবী রসুলদেরে সামান্য নামে ওদল বদ করে তাদের মন্দিরে গোবর চোনা দিয়ে পরিশুদ্ধ করে নিয়েছে।

বাংলাদেশের মুসলিমরা কোন কোন বিষয়ে কিভাবে ক্রমে ক্রমে মূল সত্য থেকে সরছে, তার নিদর্শণ বহু। বিশেষ করে দেশ থেকে বের হয়ে বিদেশে এসে ধর্ম শিখেছে এর উদাহরণ শত শত। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান যা দলিলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত স্পষ্ট নীতিমালার কারণে এতে যোগ বা বিয়োগের সুযোগ নেই বলাই বাহুল্য। কিন্তু তার পরও অজ্ঞ মানুষ ধর্মের মূলে না গিয়ে ভুলের মাঝে জড়িয়ে গেছে শুরু থেকেই। ঐ ভুল থেকে বের হয়ে মূল সত্যে আত্মসমর্পন করাও সময়ের দাবী। ভুল করেছে বলে তার আর শোধরানোর সুযোগ নেই তা বলা যাবে না। শবেবরাত এরকম একটি অনাচারের নাম যা ধর্মের নামে সমাজে চালু হয়ে গেছে। ওটিও হয়েছে হিন্দুদের পূজা অর্চনার ফাঁক গলিয়ে। হয়তো কোন ধর্মান্তরিত হিন্দুই ওটি মহাআনন্দে ঢুকিয়ে দিতে পারেন কারণ মূল ইসলামে এ ধারার কোন বিধান চালু নেই। ইসলামে কোন শনি মঙ্গল বার বা দিন, ক্ষণ, তারিখ সপ্তাহ নেই যে এটি খারাপ বা ভালো, সব দিনই সমান, এর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ নিজে।

 

তবে কুরআনে মাত্র একটি রাত আছে মহিমান্বিত রাত আর সেটি শবে কদরের রাত, সেদিন প্রথম কুরআন নাজেল হয়েছে এবং তাকে হাজার মাসেরও অধিক মর্যাদাবান বলা হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামে আর কোন রাত দিনের বাড়তি হিসাব নেই। অতঃপর ক্রমে ক্রমে এ ছোঁয়ারোগের শিকারে উপমহাদেশের মুসলিমরা ‘শবেবরাত’ নামের এক বরাত বন্টনের বাড়তি সংযোজন ঘটিয়েছেন, ধারণা হয় পাশর্^বর্তী সমাজের ছাপ এতে স্পষ্ট। আমার এক গুরুজনের মুখে শুনেছিলাম তিনি বলতেন হিন্দুদের একটি পূজা আছে কোজাগরি লক্ষী পূজা। এ দিন তারা রাতেও নানান অপকর্ম করতো, চুরি তার একটি সহজাত অংশ ছিল এর কলাটা ওর মূলাটা তারা চুরি করতো। দেখা যায় সময়ে সময়ে ধর্ম পালনের অংশ হিসাবে এমন অনেক অপকর্ম সে ধর্মের অঙ্গনে মহা উৎসাহে পালিত হত।  আবার বলা হত সে রাত দেবতা উর্ধ্বাকাশ থেকে নিচআকাশে নেমে আসেন এবং বড় করে হাক ছাড়েন, কে কে জাগতি বলে। তখন যারা জেগে থাকেন তারা বড় বর পান, এ হচ্ছে কোজাগরি লক্ষিপূজার মূল বানী, স্বরুপ।

রমজানের ১৫দিন আগে ঠিক অনুরুপ একটি আচার এসে শবেবরাতের নামে সংযোজিত হয়ে যায় পাকভারতের মুসলিমদের জীবনে, যার কোন অস্তিত্ব মূল গ্রন্থ কুরআনে নেই। স্পষ্ট বলা যায় এরকম সংযোজন ধর্ম নয়, বরং বিদআত। এবার প্রশ্ন হচ্ছে বিদআত কি? বিদআত এমন একটি জিনিস যা ধর্মে নেই কিন্তু ধর্মের নামে ময়দানে এসে ঢুকে গেছে। মূলের বাইরে কোন মুসলিম কোন কিছু সংযোজন বিয়োজন করতে পারেন না, ধর্মের নিষেধ। কুরআনে বলা হয়েছে নবীর জীবদ্দশাতেই ধর্মটি পরিপূর্ণতা প্রাপ্ত হয়। এখানে সংযোজন বিয়োজন করা হারাম কাজের একটি এবং যারা এসব করবে স্পষ্ট স্বচ্ছ হাদিস হচ্ছে এটি তাদেরে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। তার মানে যারা ঐ শবেবরাতও পালন করবেন তারা জাহান্নামে যাবেন। এখন কথা হচ্ছে অনেকে না জেনে এটি করেছে, তবে জানার পর এসব মিথ্যা সংযোজন থেকে শত হাত দূরে থাকা উচিত। মানুষ একটু একটু করেই ধ্বসের দিকে আগায়, নষ্টের দিকে ধাবিত হয়। পয়লা বৈশাখে কেন ভাতা দেয়ার দরকার পড়লো? এ ভাতা কেন আংশিকের জন্য বরাদ্দ, কেন সারা জাতি পায় না? সরকার এত স্বচ্ছল হলে তাই করা উচিত, শুধু সরকারী কর্মচারী কেন, গোটা জাতির জন্য দরজা খুলে দেয়া হোক। এসব বাহুল্য আস্ফালন বলেই মনে হচ্ছে। হয়তো এটি করা হয়েছে যাতে এটি শক্ত ভিত্তি পেয়ে মূমুর্ষ দশা থেকে এ অবয়ব নিয়ে বেঁচে থাকে। এসবই শিকড়শুদ্ধ জাতি ধ্বংসের নানান অঙ্গভঙ্গি মাত্র। বৈশাখে সংখ্যালঘু হিন্দুরা ঘটপূজা, গনেশপূজা, সিদ্ধেশ^রী পূজা, ঘোড়ামেলা, চৈত্রসংক্রান্তি পূজা অর্চনা, চড়কপূজা বা নীল পূজা বা শিবপূজা, গম্ভীরা পূজা, কুমীরের পূজা, অগ্নিনৃত্য, উল্কিপূজা, বউমেলা, মঙ্গলযাত্রা, সূর্যপূজা, ত্রিপুরাদের বৈশুখ, মারমাদের সাংগ্রাই ও পানিউৎসব, চাকমাদের বিজু উৎসব, (তিনদলের সম্মলিত নাম বৈসাবি) (দেড় ডজন পূজা পার্বন), + অগ্নি উপাসকরা নওরোজ পালন করে থাকেন।

জাটকা নিধনের পক্ষে সরকারের উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তারা দেড়মন ওজনের ইলিশ দিয়ে ভুড়ি ভোজন করে প্রমাণ রাখলেন তারা দেশের ভালোর চেয়েও ধ্বংসের মৃদঙ্গই বেশী বাজাতে চান। প্রধানমন্ত্রী বলছেন বৈশাখী উদযাপনে ধর্মীয় বিধিনিষেধ নেই। অনেক সময় তিনি দুর্গাদেবীর পক্ষেও যুক্তি দেখিয়েছেন, যা দেশবাসীর কাছে ঈমানী সংকটের ইশারা বলেই মনে হয়েছে। কারণ অনেকে মনে করেন প্রধান যখন বলছেন তখন কি না জেনেই বলছেন। চাটুকার এক মন্ত্রী ইনু ফতোয়া দিয়েছেন, বৈশাখী পালন করা ঈমানের অংশ, জাতি ধ্বসের বড় নমুনা এসব। কিন্তু দেখা যায় এরা রাজনীতির শত অপরাধের আড়ালে ধর্ম নিয়েও এসব বলে ধর্মকে বিতর্কীত অবস্থানে ছুড়ে দিচ্ছেন। ইসলাম কুসংস্কারমুক্ত স্বাধীন একটি ধর্ম। এখানে সকল সুএর সমর্থণ একশত ভাগ আর সকল কুএর প্রতিরোধও একশতভাগ, এটিই ইসলামের নীতি। এখানে শনি মঙ্গলবারে যাত্রা যেমনি নাস্তি হয়না, ঠিক তেমনি কোন ছিঁটেফোটা অনাচার ব্যভিচার, খুন, ধর্ষণ, চুরি, জোচচুরি, সমর্থণীয় নয়, যা এসব উদযাপনের নামে নতুনভাবে সংযোজন করা হচ্ছে। বিগত সময়ে এদিনে সবার দৃষ্টির আড়ালে সমকামীদের রংধনুময় র‌্যালিও প্রচারিত হয়েছে এনজিওর ছত্রচ্ছায়ায়। মিডিয়া এসব দেখে না দেখার ভান করে থাকে বা তাদেরে থাকতে বাধ্য করা হয়। মুসলিম প্রধান জনতার একটি দেশে এসব কিসের আলামত? দেখা যায় এবারও সমকামীরা আয়োজন নিয়ে আসে রাজধানীর শাহবাগে, চারজন আটক হয়েছে (১৪ এপ্রিল ২০১৬)। এনজিওর ছত্রচ্ছায়ায় নববর্ষকে উপলক্ষ করে এবারো মিছিলের সাজ পুলিশের বাধায় পন্ড হলেও তাদের নাম প্রকাশিত হয়নি। জানি না পুলিশ ভবিষ্যতে তা প্রকাশ করবে কিনা? ক্রমাগত মার খাওয়া ৯০% – ৯৫% অধ্যুষিত মুসলিম দেশকে সমকামীরা কোন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়! মধ্যযুগকে চ্যালেঞ্জ করা সুলতানা কামালরা এসব প্রশ্নের জবাব দিবেন কি? বৈশাখের ছুটির অবদান স্বৈরাচার এরশাদের। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পালনও এরশাদের। মঙ্গলশোভাযাত্রার শুরু ১৯৮৯ থেকে। এতে দেখা যায় এসব আমদানী প্রধানত পৌত্তলিক কালচারের বাহূল্যে ভরপুর। নব নব আস্ফালনে মূল হালখাতার অস্তিত্ব বিলুপ্তির শেষ ধাপে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ইসলাম শিখতে হবে না পার্থ

 

অপর দিকে সার্বজনিন বলতে সব ধর্মের ব্যবসায়ীরাহালখাতাপালন করতো বছরের শুরুতে, এটি ছিল সমাজের দায় থেকে সৃষ্ট একটি সামাজিক বাস্তবতা। হালখাতার মিষ্টি আমরাও ছোটবেলায় খেয়েছি আজো মনে পড়ে, তবে সেদিন কোন রংখেলা দেখিনি। পঞ্চগড় প্রতিনিধির বরাতে প্রকাশ করতোয়া নদীতে রং খেলার পর নদীতে ডুবে শিক্ষার্থী সুমির মৃত্যু। এটি পয়লা বৈশাখের খেলারামের বদান্যতা! বার বার দেখা যাচ্ছে বৈশাখ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পূজার পোয়াবারো মাস। ঐ রংখেলা তাদের পূজোর অংশ মাত্র। ঢাকা মহানগরের পুলিশের (ডিএমপি)র নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে উন্মুক্ত স্থানে বৈশাখী পালনের ঘোষনা দিয়েছেন সুলতানা কামালগংরা (১২ এপ্রিল, ২০১৬)। তিনি একে মধ্যযুগীয় চিন্তা বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। মধ্যযুগ বলতে পঞ্চম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীকে মনে করা হয়। ইতিহাসে প্রমাণ ঐ সময় বিশ^ অন্ধকারে ছেয়ে যায়। অতঃপর সপ্তম শতাব্দীতে এমন এক আলোর বিস্ফোরণ ঘটে যার জের হিসাবে জাগরণের যুগ শুরু হয়ে যায় এর প্রমাণও ইতিহাস। রেঁনেসার মূল বাহক শক্তি মুসলিমরা। যে মুসলিম কালচারকে আজ সুলতানা কামালরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন। উক্ত সম্মেলনের ছবিতে পাঁচজন সদস্যকে দেখা যায়। তারা হচ্ছেন শ্রমিক নেতা ওয়াজেদুল ইসলাম খান, ফারাহ কবির, সেলিনা আহম্মেদ, জাহানারা নূরী, ও সুলতানা কামাল সম্ভবত সুলতানা চক্রবর্তী? টাইটেলে চক্রবর্তী অনেকের মন্তব্যে দেখলাম। এরা কাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেটিও প্রশ্নের জমা বাড়ায়। নাম দেখে মনে হচ্ছে এখানের কোন মহিলাই হিন্দু নন, কিন্তু ভিন্ন সংস্কৃতির তিলক কপালে ধারণ করে এরা কাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন, সেটিও বিবেচনার দাবী রাখে।

এটি এমন একটি সময় যখন সারা জাতি স্বাধী

nirapottaedনতা ও সার্বেভৌমত্বের হুমকির মুখে মুমূর্ষু সময় পার করছে। কাল এক বোনের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, সম্প্রতি তার ভাই দেশ থেকে ফিরেছেন। তিনি বলেছেন দেশে বর্তমানে মানুষের সামনে মাত্র দুটি পথ আছে। এক উপায় হচ্ছে তাদের আওয়ামী লীগ করতে হবে আর দ্বিতীয় পথটি হচ্ছে ওটি করতে না পারলে তাকে মরে যেতে হবে। এ হচ্ছে ২০১৬এর বাংলাদেশ! দেশ বিধ্বংসী কাজের মহামেলা, উন্নয়নের নামে রিজার্ভ লোটপাটের সূবর্ণজয়ন্তি, লোপাটের দেশে শক্তির ছায়াতলে বিডিআর বিদ্রোহের নামে নিজ পায়ে কুড়াল মারার মহামেলায় মেধা নিধনে জাতি ধ্বংসের প্রয়াস, পাঠ্যবইএ হিন্দুকরণ, মুসলমানিত্ব মুছে দেয়ার প্রাণান্তর প্রচেষ্ঠা একের পর এক চলছেই জোর কদমে। এ সপ্তাহের রিপোর্টে প্রকাশ আওয়ামীলীগের ইট ভাটা থেকে শিশুসহ ১৩ মানুষ আকৃতির শ্রমিক উদ্ধার। এদের প্রায় অভুক্ত রেখে বিনা পয়সাতে কাজ বাগিয়ে নেয়া শক্তিমানের এ ব্যতিক্রমী অর্জন। ঠিক এরকম সময়ে যখন রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ভবন নির্মাণ করছে হাসিনা পুত্র আইটি বিশেষজ্ঞ প্রচার পাওয়া জয়ের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, চারপাশে সোরগোল উঠেছে, “হলে পরে চেতনাভক্ত, লোহার চেয়ে বাঁশ শক্ত”। ঠিক তখনই সুলতানা কামালরা বৈশাখে কি নৃত্য পরিবেশন করবেন, কোন মঞ্চ নাটক করবেন তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ইলিশ খাবেন না বালিশে মাথা রেখে ঘুম পাড়ানিয়া বৈশাখী মন্দিরা বাজাবেন, রং খেলবেন না সং সাজবেন, নাকি বাচ্চাদের অদলে বিলাই নৃত্য, মুখোশ নৃত্য, গোলামী নৃত্য পরিবেশন করবেন সংকটে দেশবাসীকে মুঢ় করে রাখতে চাইছেন! এরা টেনে আনছে ভিন সমাজের দাগভরা সব কলাকৌশল, থার্টি ফাস্ট নাইটের আদলে তারা জাতি ধ্বংসের বৈশাখী খসড়া নির্মাণ করতে চায় ! বাংলাদেশের নিরপেক্ষ মিডিয়া প্রচন্ড চাপে, মন্তব্য অ্যামনেস্টির।

মাহমুদুর রহমান ইন্টারভিউ,

উপরে বর্নিত সদস্যরা নিজেরাই মানবাধিকারের নামে মানবাধিকার ধ্বংসের খেলায় আকন্ঠ ডুবে সময় পার করছে, এসব কি তার জ¦লজ্যান্ত প্রমাণ নয়? মন্ত্রীরা অপরাধ করলেও সাজা পান না। সম্প্রতি কাকতালীয়ভাবে আদালত কর্তৃক কয়জন দন্ডপ্রাপ্ত হন, বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও কলামিষ্ট ডঃ তুহিন মালিক প্রশ্ন তুলেছেন এত করেও কিন্তু তাদের মন্ত্রীত্ব যায় না। তারা ঠিকই স্বপদে বহাল থাকেন, এমন মজার বাংলাদেশ সরকারের শাসন! বাংলাদেশের মানবাধিকার কোথাও নেই, তলানীতেও নেই। তাই ‘অধিকার ও এশিয়ান মানবাধিকার কমিশন’ জাতিসংঘের প্রতি গণতন্ত্রের দিকে নজর দিতে আহবান জানিয়েছে দেশটির এমন সঙ্গিন সংকট সময়ে! কুরআনের একটি আয়াত দিয়ে লেখাটি শেষ করবো। “ওহে মানবজাতি! নিঃসন্দেহ আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি পুরূষ ও নারী থেকে আর আমরা তোমাদের বানিয়েছি নানান জাতি ও গোত্র যেন তোমরা চিনতে পার। নিশ্চয় আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সবচাইতে সম্মানিত সেইজন যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে ধর্মভীরূ। নিঃসন্দেহ আল্লাহ সর্বজ্ঞাতা, পূর্ন ওয়াকিফহাল” (সুরা আল-হুজুরাতএর ১৩ আয়াত)।

নাজমা মোস্তফা,  ১৪ই এপ্রিল ২০১৬।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: