Articles published in this site are copyright protected.

 

লেখাটিতে একটি যুদ্ধ অনেকগুলি কঠিন কষ্টের প্রশ্ন জমা আছে পাঠকের জন্য, মন দিয়ে পড়বেন, প্রশ্নগুলি ভুলে যাবেন না। ২০০১ সালের এপ্রিলের ১৫ তারিখে ১০০০ বাংলাদেশী সৈন্য সিলেটের তামাবিল বর্ডারের দিকে পার্দুয়া গ্রামে ভারতীয় আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেয়। বিএসএফ সচরাচরের মত অকস্মাৎ দলেবলে ৩১ সদস্যের হামলা ঘেরাও অভিযান চালায়। বাংলাদেশী সৈন্যরা অভিযোগ করে স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত জায়গা বেআইনীভাবে দখল করে রেখেছে। বিডিআর সব সময়ই দখল ত্যাগের দাবী জানিয়ে আসছে। এপ্রিলের ১৭ তারিখে বাংলাদেশ বিডিআরের ডিরেক্টর জেনারেল ফজলুর রহমান তাদের দাবীর উপর দখল পুনরুদ্ধার করেন। 

ভারতের এ ধারার অনাচার কোন সময়ই থেমে নেই। প্রতিনিয়ত বর্ডারে মানুষ মারছে , সাধারণত মিডিয়া এসব প্রচারও করে না। কারণ আমি তখনকার বাংলাদেশে একাধিক পত্রিকা ঘেটেও  এসব খবর খুঁজে পেতাম না। তার জন্য সংগ্রাম পত্রিকাটির পাওনা অনেক বেশী। তারা অকপটে দেশের স্বার্থকে সব দিন উচ্চে তুলে ধরেছে ! ইত্যবসরে ১৫-১৯ এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধের পর সংগঠিত হয় এক অবিস্মরনীয় “ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধ”, এর খবর কয়জন রেখেছেন?  ঐ সময়ের একটি লেখার উদাহরণ টানবো “ভারত ও ভারতীয় তাঁবেদারদের বুঝতে হবে বাংলাদেশ একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন দেশ” লেখক আবু আখতার চলমান প্রসঙ্গ, দৈনিক সংগ্রাম ছাপে ০৩ মে ২০০১ সাল। এ শতাব্দীর শুরুর এ লেখাটি যুদ্ধের একটি বড় প্রমান স্পষ্ট করে এভাবে যে কুড়ীগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ীতে এ “বাংলাদেশ ভারত যুদ্ধ” সংগঠিত হয়। খুব সচেতন ছাড়া সবার কাছ থেকে বেশ আড়াল করে রেখেছে তখনকার সরকারসহ সরকারের অনুগত মিডিয়া। ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। ঐ সময় থেকেই তারা বাংলাদেশ বিরোধী কাজে বিস্ময়করভাবে বড়দাগে অবদান রেখে চলেছে !  ঘটমান সময়ে ঐ সরকারের এ ধারার আচরণে বিস্মিত হয়েছি বহুগুণ বেশী !

১০জন বিডিআর রৌমারীতে এক ক্যাম্পে সীমান্ত তদারকি করতো। এই ক্যাম্পের দশ বিডিআর ভারতের ৩০০ বিএসএফকে শুধু রুখেই দেয়নি, আক্রমণকারীদের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির মুখে ভারতে হটিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় এটি স্পষ্ট হয়ে পড়েছে এই বাংলাদেশের হাজার বছরের লালিত সংগ্রামী মনোবল দুদুটো স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রত্যক্ষ ইতিহাস অভিজ্ঞ জনতার অংশ এরা। উপরে আবু আখতারের লেখাটির সূত্র টানলাম এজন্য যে, এটি একটি দেশের পক্ষ থেকে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ করতে পেরেছিল, যা ছিল অনেক সচেতনের  কাছে অবহেলিত একটি  পত্রিকা। এই পত্রিকা সব সময় ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ করে এসেছে জোর গলাতে, দেশপ্রেমিকের উত্তম উদাহরনীয় স্বাক্ষর রেখে ! পাশাপাশি আরো অনেক পত্রিকায় এসব ঘটনা মেলাতে চাইতাম কিন্তু কোথাও ঐসব ব্যতিক্রমী সার্বভৌমত্ব সংকটের  বিষয় খুঁজে পেতাম না, যা আমাকে কেন জানি বরাবরের মতই বিস্মিত করত ! এখন বুঝি নিজেদের অপকর্ম ঢাকার জন্যই এসব করে দেশকে দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দেয়াই ছিল এর মূল কারণ ! একটি দেশের সার্বভৌম সংকটেও যারা চুপ করে থাকে,  কপটরাই ঝাপসা চোখে দেখে, জোরে শব্দ উচ্চারণে ভয় পায়, এরা কপট সরকারের বা শক্তির দালাল হলেও সত্যের শত্রু !  ঘটনার বছর পর বিডিআর বিদ্রোহ হয় ২০০৯ সালে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতেইসরকারের সহযোগিতায় ঐটি ছিল বড়াইবাড়ীতে মার খাওয়া কাপুরুষ ভারতের জবাবএর স্বপক্ষে অসংখ্য যুক্তি স্পষ্ট হয়ে আছে।

ঐদিন আওয়ামী সরকার দেশের এমন সংকট সময়ে কি করেছিল? উল্টো ভারত তোষণে ব্যস্ত ছিল ! অতীতের পাতা উল্টে দেখুন ! সেদিন ১০ বিডিআর ভারতের আগ্রাসনের মুখে আত্মসমর্পণ করেনি বরং ৩০ বছরের উত্যক্ত করার একটি ক্ষুদ্র জবাব দিয়েছিল, ময়দানে সংগ্রামী তিন বিডিআরের কুরবানীর মাধ্যমেসবাই জেনে নিন ঐ বীরদের নাম, এরা মোটেও স্বঘোষিত বীর গভর্ণর আতিউর নন, তার চেয়ে বহু উঁচুতে তাদের অবস্থান ! অনেকে মন্তব্য করছেন আজকাল তদবির করেও পুরষ্কার আদায় হয়, তা নিয়ে আবার বীরেরা বড়াইও করেন। আজ এমন একটি সময় দেশ পার করছে যখন একজন প্রধানমন্ত্রী অবৈধ ক্ষমতা জোর করে ধরে রেখে লজ্জার মাথা খেয়ে জোর গলাতে বলেন, “বাধা অতিক্রম করেই এগিয়ে যাব”।  এরা কেমন করে প্রকৃত বীরের মর্যাদা দিবে ?  বীরেরা এসব নকলদের সাটিফিকেটের জন্য বসে নেই, কিন্তু অদেখা বিধাতা নিশ্চয়ই তাদের ঐ মর্যাদার অংশীদার করেছে, করবে !  তখনকার সরকার আজো ছলের গদিতে, অর্জিত বীরের মর্যাদা আজো অধরা ! একজনের প্রাপ্য অর্জন কেন দেয়া হয়নি, স্বীকারও করা হয়নি সে প্রশ্নটি মনের মাঝে জমা রাখবেন ! তারা হচ্ছেন ল্যান্স নায়েক মোহাম্মদ ওয়াহিদ, সিপাহী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান এবং সিপাহী মোহাম্মদ আবদুল কাদের। ঐ সময় তাদেরে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব দেয়ার দাবী উঠেছিল, সরকার তাতে কর্নপাত করে নি ! ওটিও মনের মাঝে জমা রাখবেন, এ দাবী জনতার দাবী, আপনারাই পূরণ করবেন !

তাদের গার্ড অব ওনার দিলে, জাতীয়ভাবে জানাজা করলে কি সরকার ভিখেরী হয়ে যেত? বলতে হবে বাস্তবে, তড়িঘড়ি তাদেরে মাটিচাপা দেয়া হয়। ওরা ছিল ৭১ পরের “ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধ” ময়দানের প্রামাণ্য শহীদী লাশ !  জাতি যেন কোনদিনও তাদেরে ভুলে না যায় ! বিটিভির ক্যামেরা সবদিন দালাল হয়ে নাম করেছিল বলে সেদিনও  মৃতের ভূমিকায় ছিল ! সেদিন সীমান্তে গুন্ডামী করে যারা গ্রামে আগুন ধরিয়ে দিল তাদের  ব্যাপারে কেন সরকার চুপ ছিল ? জনগণের স্বতসফুর্ত হরতালকে শক্তির দাপটে চাপা দিয়ে রেখে প্রচার করে সব স্বাভাবিক ! যারা এই সেদিনও আজও নিজেরা কখনো পেট্রোল বোমায় মানুষ মেরে পয়সা বন্টন করে, হাসপাতালে ভিডিও সেশন করে ও নানান কসরতে সরকারী কোষাগার শূণ্য করছে। দেশবাসী কি ভুলে গেছেন সেদিনের কিছু দলীয় লেখক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, অঙ্গসংগঠন, কলামিস্ট, নাট্যগোষ্ঠী, নাট্যকার, নট নটীরা কার এজেন্ট ছিল ? আজও তারা বিডিআর ধ্বংস করেও পুনরায় সরব, একই স্বরে তাদের গ্রামোফোন চড়া আওয়াজে আজও বেজে চলেছে ! প্লিজ এদেরে চিনে নিন, এরা কার এজেন্ট, এরা কিভাবে একটি জাতীর মজ্জা চুষে খাচ্ছে !  কিন্তু বাস্তব ঘটনা হচ্ছে সেদিন ভারতীয় বিএসএফরা  এমন অপকর্মে বাংলাদেশীদের প্রতিবাদী সাহস দেখে হতবাক হয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল ! তারা মাপতে পারেনি মুসলিমরা ১৪০০ বছর থেকেই অমানবিক, অসত, নষ্ট ও মিথ্যার সাথে লড়াই করে চলেছে। জগতের নষ্টকে স্তব্ধ করতেই তাদের জন্ম এ ধরাতে ! নীতির সাথে সততার সাথে তাদের সবদিন বসবাস, কোলাকোলি, অস্তিত্ব নিয়ে বেঁচে থাকাই তাদের স্বপ্ন !

দেখা যায় কুড়িগ্রামের রৌমারীর সমসাময়িক সময়েই ঘটেছিল সিলেটের পার্দুয়ার পদক্ষেপ ! পড়শির বাড়ী দখল তাদের আগ্রাসী স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে, আজো সে স্বভাব বহাল। দিনে দিনে বেড়েই চলেছে, কারণ আজ ময়দানে পাকিস্তান যেমন নেই, বিডিআরও নেই। দাঁত নখ ভেঙে বিজিবি করে তাদেরে এমন আকৃতি দেয়া হয়েছে যাতে ভারতীয় বিএসএফ আগ্রাসন চালাতে পারে ! এ হচ্ছে বিএসএফের গ্রহণযোগ্যতা ! স্মরণ রাখার বিষয় বিডিআরকে মোকাবেলা করার সাহস তাদের হয়নি কোনদিনও ! আজ সেই সাহসে ভর করে প্রায়ই মানুষ মারছে হামলে পড়ছে পড়শির অঙ্গনে।  সেদিন পার্দুয়ার উপর সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে একটি মিথ্যে খবর প্রচার করা হলো ত্রিশ বছর পর সিলেটের পার্দুয়া পুনর্দখল করেছে বিডিআর। যদিও বাস্তব খবরটি হচ্ছে বহুগুণ ভয়ঙ্কর, পার্দুয়া ছেড়ে এসেছে বিডিআর ! এমন খবরে ময়দানের জনগণ কেঁদেছিল, ওটি ছিল সরকারের ঐ সময়ের একটি আইওয়াশ মাত্র ! কোনভাবেই বড়াইবাড়ীর বাড়াবাড়ির বিষয় সরকার প্রতিবাদ করেনি, নাড়েনি। কারণ এটি বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র বিডিআর ক্যাম্প যে এত অপ্রতিরোধ্য হতে পারে এটি তাদের চিন্তার মাঝেও ছিল না। ধারণা হয় এটি সংগঠিত হয় তখনকার ছলবাজ সরকার ও ভারতীয় সমঝোতার ভিত্তিতে, উভয় পক্ষই ভাবে নাই প্রকৃত নাটক যে যুদ্ধরুপ ধারণ করবে ! তারা ভেবেছিল ৭১এর মতই এটি বনধুত্বের ছায়াতলে স্বার্থক হামলা করা সম্ভব হবে । কিন্তু তারা ভাবে নাই ৩০ বছর থেকে মার খাওয়া বাংলাদেশীরা ৭১ এ আটকে নেই। ইতমধ্যে তারা ২০০১ পার করছে, ভারতকে হাড়ে হাড়ে চিনে নেবার জ্ঞানে অভিজ্ঞ হওয়ার সুযোগ কম সৃষ্টি হয়নি ! ঐ সময়ও এ সরকার ছিল মাত্র ৫ বছর অপকর্মের দাগে ভরা আচরণ ধন্য ! এখন ক্ষমতা দন্ড ধরে রাখছে চিরকালের জন্য ! এসব অংক হেলাফেলার বিষয় নয়, এ জটিল অংক মেলানো সময়ের দাবী!

জনগণের দৃষ্টি ফেরাতে এই অপকর্মী সরকার সবদিনই এসব করেছে নিজের বুদ্ধিতে নয়, ভাড়াকরা দালালি বুদ্ধিতে। জাতিকে স্পষ্ট করে বুঝতে হবে এ লেন্দুপ কখনোই বাংলাদেশের স্বার্থ দেখে নি, দেখেছে বড় করে ভারতের স্বার্থ ! মনে রাখার বিষয় বড়াইবাড়ীর সংগ্রামী আচরণে বিহবল ভারত বসে নেই, ঐ মনের খেদ মিটাতে সমানেই বর্ডারে শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকে এবং আজো চলছে লাগাতার ভাবে। ঐ সময় ২০০১ সালের ২৬ এপ্রিল বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তপন সিকদার প্রকাশ্যেই বলেন, আমাদের ১৬ জোয়ানকে বাংলাদেশের বিডিআর যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, এর ক্ষতিপূরণ না করলে বাংলাদেশের ভাগ্যে অপেক্ষা করছে এক বিরাট ব্যবস্থা (সূত্র: ২৭/০৪/২০০১, ইত্তেফাক) । প্রশ্নগুলি দেখুন, তখন কোন জবাবও চায়নি তখনকার আওয়ামী সরকার !  সেদিন কেন তারা পার্দুয়া ছেড়ে দিল ? কেন তারা একটি স্বাধীন দেশে আতর্কিত আক্রমন করে ? ইতিপূর্বে কেন ৫০জন বিডিআরকে হত্যা করা হলো ? কেনই বা বাংলাদেশের তিনজন শহীদ হলো ? কেন সীমান্তে লুট, ঘরদুয়ারে আগুণের মহড়া ? সেদিনও হিসাবের মাঝে ৫,০০  জনতা কেন বিএসএফের হাতে হত্যার শিকার ! যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার গীত গাইছে এরা মূলত পলাশীর মিরজাফরী ধান্ধাতে সময় পার করছে। এরা সর্বহারা দেউলিয়া দালাল প্রজাতি ! এরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মূল্য বুঝে কম, কপট দালালরা সবদিন ব্যস্ত  থাকে নিজের নষ্ট স্বার্থ নিয়ে ! জনতারা স্মরণ রাখবেন পাকিস্তানের প্রহরায় ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান রাইফেল্স এর সীমান্ত রক্ষার গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস ছিল, কোন দিন তারা যা সাহস করেনি আজ খুব বুকের পাটা বেড়েছে !  আওয়ামী সরকার ও মুজিব কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশের ভাবমূর্তির অপূরণীয় ক্ষতির জন্য শক্তভাবে দায়ী ! জমা প্রশ্নগুলো প্রশ্ন নয়, জীবন মরণের দলিল মাত্র !

শেখ মুজিব হত্যা /Sheikh Mujib Tragedy – 15 August 1975: Part 2 (Jasod-Inu & Ershad)

সেদিন কেন বাংলাদেশ পর্বে পূর্ব পাকিস্তানের সীমানা পিলারগুলো সরিয়ে ফেলা হলো ? কেন বাংলাদেশে বঙ্গভূমি আন্দোলন ? কেন পার্বত্য চট্টগ্রামের একাংশকে নিয়ে স্বাধীন দেশ বানানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ ? কেন বাংলাদেশের গড়ে উঠা ব্যবসা বানিজ্য, শিল্প কারখানা শিক্ষা সংস্কৃতি ভারতীয় মিত্রদের আগ্রাসনের স্বীকার ? কেন মুসলিম প্রধান একদল মানুষের উপর ভারতীয় পুরিয়া ধর্মনিরপেক্ষতা জোর করে চাপিয়ে দেয়া ? পাকিস্তানের সময় পাওয়া ন্যায্য পাওনা ভূমি কেন বাংলাদেশ সময়ে ভারতের কাছে চাওয়া হয় নি ? নেহরু প্যাটেল, এম কে গান্ধী ও মাউন্ট ব্যাটনের সেই সুরভিসন্ধি বের করা হচ্ছে না কেন ? এসব চাপের মাঝে রাখার জন্যই কি উল্টো ভারত বাংলাদেশকে বাড়তি চাপের মাঝে রাখছে ?  কাঁটাতারের বেড়া কি বাংলাদেশ থেকে একতরফা আক্রমণের সুবিধা অর্জনের জন্য সাজানো নয় ? ১৯৪৭ সাল থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের মুসলিমরা কেন ভারতের পায়ের তলে মার খাচ্ছে ? শুধু মুসলিম হওয়াই কি তাদের অপরাধ ? বাংলাদেশের স্বাধীনতার পাশাপাশি কাশ্মীরের স্বাধীনতা কেন মূল্যায়ন পায় না ? আগ্রাসন কি আজকের যুগের কোন হাতিয়ার হতে পারে ? না, কোনভাবেই পারে না ! আর ভারত ঐ পথেই আছে ৪৭ থেকে ৭১ এবং ৭১ থেকে ১৬। একটি স্বাধীন অস্তিত্ব নিয়ে বেঁচে থাকা দেশের উপর এত লোভ কেন ভারতের ? যুদ্ধ করে বিডিআরের সাথে টিকতে না পারাতে তাদেরে বাধ্য করে লেন্দুপীয় কসরতে পরিবর্তিত করা হয় বিজিবি, তাদের অনুগত দাস, এসবের কি জবাব ভারতের হাতে ও ষড়যন্ত্রী আওয়ামী সরকারের হাতে ? কেন ভারতের টাকাতে প্রতিবেশীর বুকে ছোবল মারার কসরত বহাল রাখা ? ওদিকে আবার বিডিআর মোকাবেলাতে ব্যর্থ হলেও কাশ্মীরে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা মুসলিম নারীদের ধর্ষন করাতে দক্ষ। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার এক নেতা কানাইয়া কুমার প্রকৃত সত্য প্রকাশ করলে তার জিভের দাম হাঁকা হয় ৫ লাখ রুপি আর মারতে পারলে ১১ লাখ রুপি পুরষ্কার হাঁকা হয়েছে (নয়াদিগন্ত, ০৯ মার্চ ২০১৬, খবর সূত্র ওয়ান ইন্ডিয়া)। বন্ধু নামের ভারত কে এবং কি, সেটি আজো কি বুঝার সময় আসেনি? 

ইন্ডিয়া আমাদের দেশকে কিভাবে তিলে তিলে ধংস করছে শুনুন । Dec 23, 2016.

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই উপরে।

যে দেশে গণতন্ত্র মৃত, আদালতের কোন বাছবিচার নেই, নির্বাচন কমিশনের কোন নীতি নেই, সে জাতিকে নতুনভাবে কিছু ম্যাসেজ দিচ্ছেন প্রধান বিচারপতি বিচারের জন্য নয়, ধারণা হয় জাতির আইওয়াশের এটি আর এক অল্প চিত্র মাত্র ! যে আসামী ঘটনার দিনে প্রমান পাওয়া যায় ওখানে যাননি, তা প্রমাণের পরও ফাঁসি বহাল রাখা কি বিচারকের সততার পরিচয় ? তখন সিনহা বাবুদের  নজর ম্যাসেজে থাকে না, চলে যায় শাহবাগী তালে বিরিয়ানীর আদলে বিচার কর্ম প্রতিষ্ঠায় ! ব্যাংক লুটের কারসাজিতে প্রধানমন্ত্রী দেখা দেননি, পদত্যাগ করতে হচ্ছে দুই মন্ত্রীকে ! এটি কি সৎ প্রধানমন্ত্রীর সততার নমুনা ? এতে দেশের লাভ কতটুকু জমা হবে? তার বদলে যদি অযৌক্তিক দন্ড ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করতেন জাতি অনেক বেশী ম্যাসেজসহ উপকার জমা করতে পারতো। বড় চোর রেখে ছিচকে চোর সরালে কি শুটকির ভাগাড় নিরাপদ হয় ? মোটকথা এরা হচ্ছেন নিয়োগপ্রাপ্ত ভাড়াটে ভিলেন, থাকলেই কি আর গেলেই কি ? এরা হচ্ছেন আতিউরের আদলে গদি দখল নাটকের দ্বিতীয় ও তৃতীয় নাটকীয় স্ক্রিনশট বলি ! কিন্তু মূল নায়ক দেশটির নরবলী না হওয়া পর্যন্ত থাকবেন আমরণ অভিনয়ের দৃশ্যপটে !!!  

নীচের লিংকটিতে পরবর্তীতে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের বিডিআর বিদ্রোহের ধারাবাহিকতা ছিল ভারতীয় থাবার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষর। বিডিআর বিদ্রোহের বাস্তবতাঃ বাংলাদেশের চোখ দিয়ে দেখলাম,  সেখানে লুকিয়ে আছে পাঠকের জন্য অনেক অজানা তথ্যভান্ডার।

নাজমা মোস্তফা,  ২৬ মার্চ ২০১৬ সাল।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: দুঃখিত, দালালরা যাদের গায়ে ঘা লাগছে তারা এসব ভিডিও সরিয়ে দিচ্ছে। এখন আর মূলে নেই। কিন্তু প্রমান হিসাবে দাগটা জ¦ল জ¦ল করে জ¦লছে। 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: