Articles published in this site are copyright protected.

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই।

জাতি জেগে উঠুন ! ময়দানে নামুন ! আতিউরের পদক্ষেপ সাহসী পদক্ষেপ এটি প্রধানমন্ত্রী বুঝেন কিন্তু এমন সাহসের পরিচয় দিতে অপারগ অনৈতিক পথের উপর দাঁড়ানো প্রধানমন্ত্রী ! এ একটি জাতির জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ করুণ লজ্জার উদাহরণ ! চলছে বাড়তি ভাড়ামি অশ্রুসিক্ত প্রধানমন্ত্রী ! কার চোখে জল বেশী, জাতির না প্রধানমন্ত্রীর ? প্রধানমন্ত্রী বোবা ! মুখরার এত ভয়ানক নীরবতা ! সচেতনরা আঁচ করছেন প্রশাসন পাগলের মত ছুটছে ভারতের কাছে, কারণটি কি? অনেক চটকদার কথাই শোনা গেছে আতিউর এপয়েন্টমেন্ট পান নাই, তাই দেখা হয় নি ! এপয়েন্টমেন্ট না পাওয়ার কারণ অভিমান, গোস্যা ! নাটকের সীমাটা একটু বেশী ! মূল চোরের কাছে কোনদিনও তথ্য পৌছায় না, পৌছাবেও না। সাধু আতিউরের  কথার মাঝে কিছু অসাধু যুক্তি জনগণকে ব্যথিত করেছে এবং তাকেও দুষ্টের সহকর্মী জ্ঞান করছে। কথার মাঝে জবাব লুকিয়ে আছে “নৈতিক দায় থেকে বীরের বেশে পদত্যাগ করেছি, আমি চাই না বঙ্গবন্ধু কন্যার ভাবমূর্তি নষ্ট হোক” ভুল পথে হাটা একজন মানুষের ভাবমূর্তির এ স্তুতিপূর্ণ কথাই তাকে একজন ভুল পথের সহকর্মী সহমর্মী স্বরুপ উপস্থাপন করার জন্য যথেষ্ট। কোন সাধু কোন দিন অপকর্মীর বাঁচার স্বপ্ন দেখে না ! বড় গলা সাধুতার প্রমান নয় ! ভারতের অল্প দামে কেনা দালালরা দেশ বিধ্বংসী কাজের পরও প্রচারে ব্যস্ত, ভারতের হাত আছে কথাটি শুনলে তারা খুব কষ্ট পান। যদিও ভারতকে নির্দোষ কতমা লাগিয়ে বাঁচানোর কোন পথই অবশিষ্ট নেই !

শেখ মুজিবের পরিবারকে ডাকাত সর্দার হিসাবে প্রমান করলেন ডঃ আতিউর রহমান।

এই সেদিনও পাকিস্তানকে যে জাতি মোকাবেলা করলো আজ তারা কেমন করে নপূংশক জাতি হয়ে গেল ! সিকিমের কথা কি শুনেছিলেন আগে ভরা দরাজ গলায় কি তারা বলেছিল কখনো ? আমাদের ভারতীয় বনধুরা  আত্মীয়রা বলে আমরা আজো জানি না, ভারত কি কৌশলে সিকিম দখল করেছে ! দালালরা আজও বাড়তি তৎপর, কথাই প্রমাণ ! অনেক বেঁচে গেছি, সব তো নেয়নি ! কিন্ত জাতির পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রীসহ প্রধাণমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী উঠেছে ! চতুর চোখের জল দিয়ে পাপ ধোয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত ! প্রধানমন্ত্রী একজন আতিউর হোন, আপনি কি দৃষ্টান্ত করতে সবদিনই অপারগ থাকবেন, অন্তত আতিউরের সমকক্ষ হন ! এটি জাতি ধ্বংসের সব খেল শেষ করে আতিউরের পদত্যাগই সমাধান নয় ! সব ভিডিও ফুটেজের দাগ তো মুছে দিয়েছে ! অতীতে চুরিতে ধরা খাওয়া সুরঞ্জিত পদত্যাগ করলেও জাতির সাথে ক্রমাগত ভাড়ামি কমে নাই, লাগাতার লেগে ছিল, আজও প্রমাণ ! মন্তব্যে আসছে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ট কেউ জড়িত বলেই তথ্য ফাঁস না করার জন্য এসব চলমান নাটকের ভাড়ামি !

অর্থমন্ত্রী প্রশ্ন রেখেছিলেন গভর্ণর এত স্পর্ধা পেল কোথায় ? এর জবাব দিয়েছেন আতিউর। আমি মুজিব কন্যার সম্মানার্থে পদত্যাগ করছি ! তার মানে পদত্যাগ করছেন ঐ মহিলার জন্য ! নিজের দোষে নয়, দোষ অন্যের, যারা তাকে ব্যবহার করেছে তাদের কারণে তার বিদায় ! তাই অল্প দামে অপরাধীর জন্য উপহার প্রধানের একফোটা জল ! সততার দাগ নেই, উদাহরণ নেই, কান্নাই তার চাতুরীর জবাব ! এটি কি আতঙ্কের ফরমাইশী কান্না, নাকি গ্লিসারিনের কান্না ঐ গ্যারান্টি কে দিবে ?  সংসদে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে অর্থমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে থাকেন ! বিডিআরের দাগে ভরা মুজিব কন্যাকে কি এত সহজে পবিত্র করতে পারবেন গভর্নর আতিউর ? যে দুজনকে সরানো হলো বলা যায় না, হয়তো ওরা দুই জনই দাগী নয়তো ঐ ময়দানের সবচেয়ে স্বচ্ছ ব্যক্তি। কারণ এ সরকারকে বিশ^াস করার কোন যুক্তি সামনে পিছনে নেই। বিডিআর বিদ্রোহে কারাগারে নির্দোষ গুচ্ছবন্দী মেরে ময়দানে সরকারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য উচ্চকন্ঠ স্তব্ধ করা কি হয়নি ? ব্যাংকলুটে একবাক্যে শোনা গেছে ইথারের খবর “জানানোর জায়গায় জানানো হয়েছে”, আতিউরও বলেছেন শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন, এটিই জানানোর জায়গা ! চোখ মুছে জাতির শত প্রশ্নের জবাব দিন ! দেশে কোন কিছুই আপনার অগোচরে ঘটে নাই, লুটপাট বিডিআর বিদ্রোহ সব ! আপনিই মূল নাটের গুরু ! চোখের জলে চাপাবাজির চেষ্টা না করাই ভাল ! উদাহরন হিসাবে একজন পাঠকের মন্তব্য: ‘প্রধানমন্ত্রীর জন্য গভর্ণরের বলি!!! নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ট কেউ জড়িত, তাই গভর্ণর যাতে তথ্য ফাঁস করে না দেন সেই জন্য স্বান্তনা দিচ্ছেন’। একটি দেশ একটি জাতি অনেক অনেক বড় ! তারপরও মানুষের মত মানুষ হলে একটি মানুষের মর্যাদাও একদম কম নয় ! কথিত শ্রেষ্ঠ ও সৎ গভর্ণরের ফিরিস্তি পড়েন। গোটা আমলনামা অসংখ্য অসৎ আচরণের দাগে ভরা ! আপনারে বড় বলে বড় হওয়া যায় না ! ময়দানে বড়ত্বের উদাহরণ থাকতে হবে !

ঘটনার দিন সিসিটিভি রহস্যজনকভাবে নষ্ট ছিল। ২৬/২৭ জানুয়ারী এটি ঠিক করেন ট্যাকনিশিয়ানরা। আবার টাকা স্থানান্তরের আগের দিন ৪ঠা ফেব্রুয়ারী নষ্ট হয়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা এ নষ্ট নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন ! কারণ তাদের স্থির বিশ^াস নির্দিষ্ট দিনটিতে উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে ওটি নষ্ট করা হয়। ঐ দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরসিবিসি শাখার সার্ভিস প্রধান নষ্ট হওয়া ব্যাপারে রিপোর্ট করেন। তারা ঐ বিক্রেতা কোম্পানীকে রিপোর্ট করলে ৯ ফেব্রুয়ারী বিকেল ২টায় পরীক্ষা করে তারা জানায় সিসিটিভি নষ্ট নয়, কাজ করছে না ইউপিএস। অর্থ পাচার বিরোধী বিভাগ এ নষ্ট হওয়া সময়কাল নিয়ে খুউবই সন্দিহান ! তারা বলছেন এটি উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে ঘটানো হয়েছে, সিসিটিভির ইউপিএসকে নষ্ট করে দেয়া হয় ব্যাংকটির ভিতর থেকে। সিসিটিভির বিষয় খুঁজতে গিয়ে এসব তথ্য ধরা পড়েছে ! ময়দানের মানুষগুলোকে মূল্যায়ন করুন ! মেজর হাফিজ যা বলেছেন তার মূল্য খুউবই স্পষ্ট ও অর্থবহ। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে না ! ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২০০ প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াই চেয়ারম্যান হয়েছে, সংসদের এমপি হয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে জিম্মিদশা কাটাতে হচ্ছে, চলছে সবক্ষেত্রে কিয়ামতের আগের ডিজিটাল লুটপাট ! গণতন্ত্র মৃত, অর্থমন্ত্রী অকেজো, জিম্মী, দলবাধা কপট কর্মকর্তারা একশনে ! বাঁচতে হলে একমাত্র রাস্তা সবাইকে ময়দানে নামতে হবে ! একটি সংগ্রামী জাতির এমন মরণ মানায় না ! এত বিপর্যয়ের পরও কেন জাতি চুপ ? আন্তর্জাতিক তদন্ত ব্যতিরেকে আদালতের মামলা করায় ঝামেলা হবে সব খবর মতলববাজের ভেতরের জমা ! ইতিহাস বিকৃতি যা এযাবৎ করা হয়েছে, তা যাতে বদলানো না যায় তাই আইন করা হচ্ছে। শাস্তি হবে ৫ বছরের সাজা আর ১ কোটি টাকা জরিমানা। যুক্তি সততা কোন বিবেচ্য বিষয় নয়,  যতবার যুক্তি দিবেন ততবার শাস্তি ভোগ করবেন ! জামায়াতের আমির ও সাবেক মন্ত্রী নিজামীকে কাদের মোল্লার মত মিথ্যা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা প্রদান করা হয়েছে। কারণ তার দাবী যে ঘটনায় তার শাস্তি হচ্ছে সে ঘটনাস্থলে তিনি ৮৬ সালের আগে কখনো যান নাই (১৬ মার্চ, ২০১৬, আমারদেশ)। তারপরও অসৎ দাগে ভরা সরকারের অধিনস্ত আইন এসব করে যাচ্ছে। একমাত্র পড়শির মনমত বিচারই সরকারের কাম্য !

ফিলিপাইনের পত্রিকা ইনকোয়েরার এর খবরে প্রকাশ টাকা চোরের একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী ব্যাঙ্কের সাবেক কাস্টমার সার্ভিস হেড রোমুলডো আগারাডো নিজ চোখে কাচের দরজা দিয়ে বাইরে মায়া সন্তোস দিগুয়েতোর গাড়িতে টাকার বস্তা তুলতে দেখেন, যা তিনি সিনেট কমিটিকে বলেন। ১৭ মার্চের একই দিনের খবরে ভারত থেকে অস্ত্র আসছে, দেশে যুদ্ধ হবে লাশ হবে সাধারন নীরিহ মানুষ বিএনপি এবং জামায়াত, বিরুদ্ধবাদী জনতারা। যা বহুদিন থেকে চলমানভাবে বহমান ! রবীন্দ্রপ্রেম বর্তমানে সবচেয়ে সস্তা জাতি ধ্বংসের বাঁশরি আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে আছে ! এ মৃত্যু বটিকা দিয়ে বহুদিন থেকে গানে গানে দেশবাসীকে ভুলিয়ে রাখার কসরত চলছে ! বন্ধ করুন গান আর বাজনা ! মৃত্যুপথযাত্রী জাতির আবার গান বাজনা ! গান গাইবে চোরেরা ! যাদের নিজদেশে আইটি বিশেষজ্ঞরা সুস্থির জান নিয়ে বাঁচতে পারে না তাদের মুখে রংএর গান মানায় না ! গাইতে হবে বিদ্রোহের গান ! ব্যাংকের তদন্তে সংশ্লিষ্ট আইটি কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তিবিদ তানভির জোহা ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের সাইবার নিরাপত্তা বিভাগের ডিরেক্টর (অপারেশন), কচুক্ষেত থেকে সিএনজি ঘিরে অপহৃত হয়েছেন (১৭ মার্চ) ! তিনি আশংকিত ছিলেন, কারণ তার প্রশ্নে বিরক্ত একটি মহলের নাখোশ হওয়ার হুমকি তিনি পাচ্ছিলেন ! চোর ধরতে সময় ক্ষেপন কেন ? চোর তো ময়দানেই ঘুরছে, এই অপহরণকারীরাই মনে হচ্ছে চোরের বড় সাগরেদ ! সব অপরাধিই এক সূতায় বাধা ! গভর্নরকে বীরত্বের অশ্রু যে দেয়, সে শরিক শক্তি মনে না করার কোন যুক্তি নেই !  হাসিনা সৎ মানুষদেরে রিমান্ডে নিতে তৎপর কিন্তু অসতের জন্য অশ্রু দেন ! জাতির সামনে এটিই সমাধানের বড় সূত্র ! গভর্ণরকে রিমান্ডে নিলে অনেক রাঘব বোয়াল খোলাসা হয়ে যেত ! জাতি ময়দানে নামুন, নির্দোষ মাহমুদুর রহমানের মুক্তি সময়ের দাবী। ওরা ময়দানে থাকলে অশ্রু বিনিময়ের পক্ষরা এত গোল দিতে পারতো না ! এর জন্যই কৌশলে সরকার তাকে বন্দি করে রেখেছে ! গভর্ণর আতিউর ২০০৯ থেকে অর্থনীতির ক্রমাগত ধ্বসের বড় দাগী আসামী, কৌশলে দায় এড়ানোতে বড় চোরের মাথা বাঁচানোকে স্বচ্ছতা বুঝায় না ! বরং চোর ধরাতে সহযোগিতা দিলে বুঝা যেতো তিনি স্বচ্ছ ! তিনি শুধু একজন মহিলাকে বাঁচানোর চিন্তায় সময় পার করছেন, এটিই জাতির জন্য ভয়ানক সংবাদ !

আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করছে ধান্ধাবাজ ধূর্ত ! সৎ সঠিকদের সেখানে জায়গা নেই, যারা আসতে চাইবে তাদেরে সেখানে বসতে দেয়া হবে না ! হবিগঞ্জের একবারের নয়, তিনবারের নির্বাচিত মেয়র গোলাম কিবরিয়া জি কে গউসকে খুব কৌশলে সুযোগ না দেয়ার পায়তারায় হাটছে সরকার ! দিলীপ দাসের  নামের আগে বসতে যাচ্ছে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের সিলটি ! সিলেটের বহু প্রত্যাশিত বহু দিনের অবদানধন্য রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ সরিয়ে দেয়ার নিদের্শে দাগ রেখে বড় ভূমিকায় আছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ! মাঝখানে কিছু সিনহা নাটক দেখেছেন অনেকে মনে করেছেন উনি আপনাদের মানুষ ! না, তিনি দেবীর নিয়োজিত মানুষ ! আপনাদের জন্য আল্লাহ আছেন ! পড়েন amadersylhet.com/news/14287 সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ তারাপুর চা বাগান দেবোত্তর সম্পত্তি এখানে শুধু মূর্তিদেবী থাকবেন আর কেউ নয় ! তাই দেবীমূর্তি স্থাপিত হতে যাচ্ছে ! নির্দেশ দেয়া হয়েছে এক মাসের মধ্যে ওটি স্থাপন করতে হবে !  কোথায় শাহজালালের সন্তানেরা, ওরা কি সবাই ঘুমিয়ে, নাকি মরেই আছে ! শেষ বারের মত প্রকৃত মানুষ হয়ে জেগে উঠুক সবাই ! কিভাবে ভারত বাবরী মসজিদ ভেঙ্গে চুরমার করেছে আর শুধু এটিই নয়, সারা বছরই তারা ঐসব কাজ করে। এক দুই নয়, শত শত মসজিদ তারা এভাবে ভেঙ্গে চলেছে যুগে যুগে তা ঐ জমিতে প্রমাণ হয়ে আছে ! এখন এই ৯০% ৯৫% পবিত্র মুসলিম প্রধান ভূমিতে তারা হানা দিচ্ছে কারণ তাদের নিয়োজিত লেন্দুপ বসে আছে মসনদে ! সংঘবদ্ধ হোন। মূর্তিপূজকের পায়ের তলানীতে আপনারা নন ! এটি ঈমানের প্রশ্ন ! জীবন মরণের প্রশ্ন ! স্মরণ করুন আল্লাহর সাবধান বানী, যারা সত্য থেকে দূরে যায় শয়তান তার পিছু নেয়, কাজেই সে বিপথগামীদের অন্তর্ভূক্ত হয়। আর যদি আমরা ইচ্ছে করতাম তবে নিশ্চয়ই এর দ্বারা তাকে আমরা উন্নত করতাম। কিন্তু সে অধঃপাতে যাবার জন্য মাটি আঁকড়ে ধরলো। সুতরাং তার উপমা হচ্ছে কুকুরের দৃষ্টান্তের মত। ওকে যদি তুমি তাড়া কর, সে জিভ বের করে হাঁপাবে, আর যদি তুমি তাকে এড়িয়ে চলো (তথাপি) সে জিভ বের করে হাঁপাবে। হচ্ছে সেসব লোকের দৃষ্টান্ত যারা আমাদের নির্দেশ সমূহ প্রত্যাখ্যান করে। তুমি ইতিবৃত্ত বিবৃত করো, যেন তারা চিন্তা করতে পারে” (সুরা আল আরাফ ১৭৫/১৭৬ আয়াত)

এ সরকার সৎ ও বৈধ নয়। কিছু চিহ্নিত দালাল ছাড়া এটি সমস্ত বাংলাদেশীরা একবাক্যে স্বীকার করবেন। এর সূত্র ধরে ক্রমান্বয়ে দেশ বিধ্বংসী শত শত কাজ চলছে একের পর এক। এসব একটি অপকর্মেই একটি সরকারের চলে যাবার কথা। অপকর্ম ঘটার পর সরকার চিৎকার দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে সিসিটিভি বসায়। এতেও তার ফায়দা চোরেরা পকেট ভরার সুযোগ পায়। আর যখন যে পয়েন্টে ঘটনা ঘটে তখন সেটি নষ্ট থাকে আগে থেকেই কৌশলে নষ্ট করে রাখা হয়, কখনো ফুটেজ ঝাপসা আসে ! এরা অপেক্ষায় আছে আল্লাহর গজব না আসা পর্যন্ত অপেক্ষায় আছে !  সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ সরিয়েছে সংখ্যালঘুর স্বার্থে ! সংখ্যাগরিষ্টের কোন দাবী সরকার দেখে না, দেখার প্রয়োজন মনে করে না ! সংখ্যাগুরুর চিৎকারকে মূল্যায়ন না করেই সংখ্যালঘুর দালাল হয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার ! আজকে ১৫ মার্চের খবরে প্রকাশ “এবার তিতাসে তিন হাজার কোটি টাকার গরমিল”। যারা বিডিআর বিদ্রোহের এতগুলো লাশের মর্যাদা দেয়নি তাদের কাছে আপনারা কিসের ভরসাতে বসে আছেন ? দখলদার খুনী পার্টিই শক্তির দন্ড ধরে ঠাঁয় বসে আছে, পন করেছে কিয়ামত পর্যন্ত নামবে না ! সাবধান হোন ! জেগে উঠুন ! নির্ঘাৎ জেনে রাখুন আল্লাহ আপনাদের সহায় ! তুমি ইতিবৃত্ত বিবৃত করো, যেন তারা চিন্তা করতে পারে” (সুরা আল আরাফ ১৭৫/১৭৬ আয়াত)

পুরো বিলবোর্ড জুড়ে একটা কাল বিড়াল দিয়ে দেন, কোন আপত্তি নাইঃ মাহি বি চৌধুরী,

নাজমা মোস্তফা,  ১৭ই মার্চ ২০১৬।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: