Articles published in this site are copyright protected.

বাংলাদেশের ব্যংক জটিল দুর্যোগে আক্রান্ত ভিতরে বাইরে। ডলারে ৮০ টাকা ধরে গোপনে বাংলাদেশে ব্যংকের ৭৬০০ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়ার অ্যাডভাইস গিয়েছিল। ৮০৮ কোটি সরিয়ে নেয়া হয় শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে, অর্থমন্ত্রীকে জানানো হয়নি (আমারদেশ, ০৯ মার্চ ২০১৬)। জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে মজুদ থাকা টাকা থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে লুট করতে ৩৫টি পরামর্শ বা অ্যাডভাইস পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে কার্যকর হয় মাত্র ৫টি পরামর্শ, একাধিক সূত্রে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইত্যবসরে ফিলিপাইনের পত্রিকায় খোলাসা হয়ে গেলে আর ঢেকে রাখা যায়নি, তাই প্রকাশ হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংক ৯ তারিখ বুধবার এটি প্রকাশ করতে বাধ্য হয়। কৌশলে বলা হয় হ্যাকড হয়েছে, যার কোন ভিত্তি নেই। তবে সুইফট কর্তৃপক্ষ গতকাল এক বার্তায় বলেছে, তাদের নেটওয়ার্ক অপব্যবহার হয়েছে এমন কোন লক্ষণ এখনো পাওয়া যায়নি। দুইপক্ষের প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী উভয়ের বার্তা বিনিময় ছিল খুবই অথেনটিক অর্থে বিশ^াসযোগ্য। সব ধরণের যোগাযোগ শেষে সম্প্রতি ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজি হাসান, নির্বাহী পরিচালক ও কেন্দ্রীয় ব্যংকের মুখপাত্র শুভঙ্কর সাহা এবং তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ রাকেশ আস্তানা কথা বলছেন।  ইত্যবসরে জানা যায় শ্রীলংকা থেকে উদ্ধার হওয়া টাকাটা গিয়েছিল সে দেশের একটি নতুন খোলা এনজিওর বেসরকারী সংস্থাতে। কিন্ত অল্প হলেও বিধিবাম ছিল, নাখোশ ছিল ! শ্রী লংকার মানি লন্ডারিং এত বড় অংকের টাকাকে সন্দেহের চোখে দেখে ! তারা তাদের কেন্দ্রীয় ব্যংককে জানালে তারা আটকে দেয়, যার সুবাদে দুইকোটি মাত্র উদ্ধার হয়। ফিলিপাইনেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা ব্যংকে নিউইয়র্ক থেকে ওখানে টাকা যায় ও জমা হয়। ত্বরায় সেখান থেকেও অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। ফিলিপাইনের দূর্বল ও অসাধু ব্যংক কর্মকর্তার যোগসাজসে কয়েকটি ক্যাসিনোর (জুয়ার সংস্থা) হাত ঘুরে হংকং চলে যায়। তবে ভারতীয় সুইফটের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশের সুইফটের নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে ! নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে, মনে হচ্ছে তারা বেশ নির্বিকার ! প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অন অ্যারাইভাল ভিসার কথা উল্লেখ করলেও প্রত্যাশিত সাড়া মিলছে না ! রাকেশ আস্তানা বলছেন তদন্তের মাঝপথে আছি। আজ ১০ তারিখেই জানলাম মাঝপথ, শেষটা কখন হয় মনে রাখা দরকার !

Bangladesh Parliament by Barrister Andaliv (Full)

কিছু প্রশ্ন জমছে। এরকম সুইফট ম্যাসেজ কোন সাধারণ অপেন করতে পারবেন না। দুপাশের দু অভিজ্ঞের কাছেই ঐ এক সফটওয়ার থাকতে হবে, হতে হবে সুইফটএর সদস্য। একমাত্র ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব। একমাস পার করা নীরবতার ব্যাখ্যা দিচ্ছেন অন্য মন্ত্রীরা, অনেকে বলছেন যারে জানাবার তাকে জানানো হয়েছে, কে সে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ? তার সহজ মানে অর্থমন্ত্রীর ঘাড়ে ওটি বর্তায় না, বর্তায় অন্য কোনখানে ! ৭২ ঘন্টার নোটিশ ওদের জন্যও দরকার ! অর্থমন্ত্রী বলেছেন তাকে কেউ জানায়নি তিনি পত্রিকা থেকে জেনেছেন। পত্রিকায় এ খবরও এসেছে খুব প্রভাবশালীরা এতে জড়িত। আমরা লক্ষ্য করেছি একই রকমের খবর এসেছিল পদ্মাসেতুর সময়ও। যার সূত্রে বিশ^ব্যাংক ঐ ঋণ বন্ধ করে দেয়। এটিই কি প্রথম নাকি শেষ ! নাকি সমানেই হালকা মানের লুটপাট চলছেই সবার অলক্ষ্যে। ১০ মার্চের খবরে প্রকাশ  গভর্নর আতিউর রহমান বৃহস্পতিবার ভারত গেলেন আবার ফিরবেন ১৪ তারিখে। যারা সাড়া দেয়নি তাদেরে সাথে মিটিং করার কথাও এসেছে। প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে । বাস্তবতা এখানেই নীচে।

এবার হাসিনা, রেহানা, জয় আর পুতুলের লোভাতুর দৃষ্টি পড়েছে ইসলামী ব্যাংকে

বিশ^ব্যাংকের সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি পরিচালক ভারতীয় বংশদভুত রাকেশ আস্তানা সাংবাদিকদের মাঝে ভূমিকা রাখছেন। বাংলাদেশ ব্যংক কর্মকর্তারা এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, কারণ বাংলাদেশ ব্যংকের নিয়মের  তোয়াক্কা না করেই এ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে । সূত্র জানায়, গত ৭ মার্চে ঢাকার বনানীর এক অভিজাত রেঁস্তোরায় রাকেশ আস্তানার সাথে একান্তে বৈঠক করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ডঃ আতিউর রহমান। তারপর দিনই তাকে দেখা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকে। বলা হয় একজন বিশিষ্ট বিদেশ বিশেষজ্ঞ এর উপর কাজ করছেন। ভারতীয় নাগরিককে এ দায়িত্ব দেয়াতে অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। বাংলাদেশের আইটি এক্সপার্টরা সব গোমর ফাঁক করে দিবে, তাই তারা বিশ^স্থ হন না তাদের কাছে ! এর মাঝে বাংলাদেশের সব কম্পিউটারে একটি বিশেষ সফটওয়্যার ইন্সটল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে যা রাকেশ আস্তানার তৈরী, যাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। ৮ মার্চ থেকে তিনি কাজ শুরু করেই টুকে নেন প্রতিটি পয়েন্টের আইপি এড্রেস ও সিরিয়াল নাম্বার। তারচেয়েও বড় কথা বাংলাদেশ সুইফট কোডের নিয়ন্ত্রণ হয় ভারতে ! ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক দায়ী বলে উল্টো বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকৃত ঘটনা চেপে রাখার কিছু চেষ্টা করছে ! যারা এটি নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত থেকে তাদেরে আসতে বলা হলেও তারা আসছে না। ওদিকে ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন হলো বেলজিয়াম ভিত্তিক আন্তব্যাংক নেটওয়ার্ক। এর মাধ্যমে আন্তব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি সনাক্ত করা হয়। উল্লেখ্য, কন্সালটেন্সি বা পরামর্শক ফি হিসাবে এ টাকা স্থানান্তরের সংকেতলিপিও গিয়েছিল বাংলাদেশে ব্যংকের সংকেতলিপি থেকে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই পাঠানো সুইফট কোড দিয়েই এই টাকা সরানো হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষরাই এর সাথে সরাসরি জড়িত। শ্রীলংকা তৎপর থাকায় এ পর্যন্ত শুধু ঐ অল্প টাকাটা পাওয়া যায়। পুরো একমাস দুর্গন্ধ লুকিয়ে রেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে অর্থমন্ত্রী ও গভর্নরকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের ড. ইউনুস আলী আখন্দ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, লুটেরারা এখনো শেষ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধার পেতে। পৃথিবীর সকল ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন এই সুইফট কোডের মাধ্যমে হয়, এটি ঝুকিমুক্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নির্দিষ্ট সফটওয়ার দ্বারা সম্পাদিত। বিশিষজ্ঞরা বলছেন এটি হ্যাকড হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমন উদাহরণ আজ পর্যন্ত নেই। নির্দিষ্ট কোড, কার্ড ও সংকেতের মাধ্যমে এর কাজ চলে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিরাপদ হওয়ার কারণেই আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং চ্যানেলে সুইফট প্রক্রিয়াটি অর্থ লেনদেনে নিরাপদ বলেই বিবেচিত হয়ে আসছে। এর বাইরে একটি সাংকেতিক চিহ্নের প্রয়োজন হয়, যা একমাত্র সংশ্লিষ্ট বিভাগের তিন সেকশনের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরাই জানেন। টাকা লুটের ঘটনা যথাসময়েই শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলেন ডক্টর আতিউর রহমান

যে কান্ড ঘটায়, তার কাছেই কেন বিচারের ভার ? যে বেড়াতে ধান গিলে খায়, তার পাহারায় কেন ফসল ? শিয়ালের কাছে মুরগী রাখা কতটুকু নিরাপদ ? এত বড় ঘটনা কিনতু আইটি বিশেষজ্ঞ জয়ের কোন স্ট্যাটাস নেই। ওদিকে খবর বেরিয়েছে এ লুটে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তাসহ প্রভাবশালী মহল ও সংঘবদ্ধ চক্র (১০ মার্চ ২০১৬)। স্পষ্ট করেই বলা এটি কোন হ্যাকিংয়ের ঘটনা নয়। ব্যাংকের গোপন সুইফট কোড, কার্ড ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেই পুরো লেনদেন হয়, এখন পর্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে অর্থমন্ত্রণালয়। ভবিতব্য আল্লাহর হাতে ! নীচে বাংলাদেশ ব্যাংকের সোনালি রুপালি জনতা কৃষি ব্যাংকের সংখ্যালঘু বিশালদের লিস্ট ।

ভারত আর সংখ্যালঘুর হাতে গোটা দেশ তুলে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ডিরেক্টর সনাত কুমার সাহা। ডেপুটি ডিরেক্টর শিতাংশু কুমার সুর চৌধুরী। এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর: ১. নির্মল চন্দ্র ভক্ত। ২. শুভঙ্কর সাহা। ৩. বিষ্ণু পদ সাহা। ৪.অশোক কুমার দে। ৫. সুধীর চন্দ্র দাস। ৬. দাসগুপ্ত অসীম কুমার। ৭. গৌরাঙ্গ চক্রবর্তী। ঋণ সংক্রান্ত বিভাগগুলোর মহাব্যবস্থাপক হচ্ছেন। ১. অশোক কুমার দে। ২. দেব প্রসাদ দেবনাথ। ৩. বিশ^নাথ সরকার। ৪. খগেস চন্দ্র দেবনাথ। ৫. দেবাশীষ চক্রবর্তী। ৬. সুকমল সিংহ চৌধুরী। ৭. মিহির কান্তি চক্রবর্তী। ৮. শ্যামল কুমার দাস। সোনালী ব্যাংক: এমডি ও সিইও : প্রদীপ কুমার দত্ত। বোর্ড অব ডিরেক্টর: ১. রঞ্জিত কুমার চক্রবর্তী। ২. প্রদীপ কুমার দত্ত। জিএম:  ১. নেপাল চন্দ্র সাহা। ২. পরিতোশ কুমার তারুয়া।৩. সুবাস চন্দ্র দাস। রুপালি ব্যাংক: ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান: অমলেন্দু মুখার্জী। মহা ব্যবস্থাপক: বিষ্ণু চন্দ্র সাহা। উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক: দেবাশীষ চক্রবর্তী। অগ্রনী ব্যাংক পরিচালক: বলরাম পোদ্দার। ১. জি এম: জি এম পঙ্কজ রায় চৌধুরী। ২. বাবুল কুমার সাহা। জনতা ব্যাংক: পরিচালক: মানিক চন্দ্র দে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: মহা ব্যবস্থাপক: রোহিনী কুমার পাল। উপমহাব্যবস্থাপক: ঠাকুর দাশ কুন্ডু, উপব্যবস্থাপক: গান্ধী কুমার রায়। কর্মসংস্থান ব্যাংক: মহাব্যবস্থাপক: গকুল চন্দ্র রায়।

সংশ্লিষ্টরা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলছেন যাদের জানানো দরকার তাদেরে জানিয়েছি। তবে সম্ভবত গোমর ফাঁকের ভয়ে “রাবিশ” অর্থমন্ত্রীকে কৌশলে আড়ালে রাখা হয়। তিনি এক মাস পর জানতে পারেন পত্রিকার মারফতে আম জনতার সাথে। সচেতনদের একজন ডঃ তুহিন মালিক তার ফেসবুকের দুটি কথা উল্লেখযোগ্য মনে করছি। তিনি বলেন, ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা বেতনের তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা থাকতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভের টাকা হ্যাকড হলো কিভাবে ? আর একটি প্রশ্ন রাখেন দেশের প্রথম ব্যংক ডাকাতরাই কি দেশের প্রথম ব্যাংক হ্যাকার ? ১৯৭২-৭৪ সালের ব্যাংক ডাকাতিতে যারা জড়িত ছিল তাদের পরবর্তী প্রজন্মের দিকেই ইঙ্গিতটি করা হয়েছে ! অনর্গল কথাবলা মন্ত্রীরা তদন্তের স্বার্থে অর্থমন্ত্রীকে বলা হয়নি বলে যুক্তি দিচ্ছেন। বারে বারে আসে গুণধর বন্ধু ভারতের নাম, শত্রু পাকিস্তানকে কেন একবারের জন্যও দেখি না এ পাড়ায় হামলে পড়তে ! প্রশ্নটি রইলো জনতার কাছে ! ভারতের নাগরিক এই আইটি ডিরেক্টর রাকেশ আস্তানাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কনসালটেন্ট হিসাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপুটি গভর্নর আবু হেনা মোঃ রাজি হাসানও জানানোর জায়গায় জানিয়েছেন কথাটি উল্লেখ করেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে এর উপর মামলা হবে কি না? তিনি জবাবে বলেন, অর্থ আদান প্রদানে পদ্ধতিগত কিছু বিষয় থাকে। তা পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। তা দেখে পরবর্তী করণীয় ঠিক হবে। তিনি বলতে পারলেন না যে এর বিচার হবে বা মামলা হবে ! কারণ এদের আমলনামাতে এরকম নজির স্থাপিত হয়নি। বরং এসব মামলা ময়দান থেকে মিলিয়ে যায় তাই আবু হেনার কথায় এত সন্দেহজনক শংকা ! আজ ১০ মার্চ ২০১৬ তারিখের এমন সংগীন সময়ে আমাদের শক্তিমান প্রধানমন্ত্রী ময়দানে সেনাবাহিনীকে প্রস্তত করছেন আর বলছেন, সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তত থাকতে হবে ! ভিত্তি স্থাপন, উদ্বোধনে আনন্দ সময় পার করছেন, আজ তার আনন্দ ও পূর্ণতার দিন ! জাতির পিতার সাফল্যের দিন ! সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার দিন ! একপাল বেওকুফ মেষপাল নিয়ে তিনি মুখে হাসির ঝিলিক হাতে ছড়ি নিয়ে ময়দানে রাখাল সাজার পাট চালিয়ে যাচ্ছেন ! আল্লাহ ঐ হতভাগা মেষপাল গুলোর হেফাজত করুক।

 

নাজমা মোস্তফা,  ১০ মার্চ ২০১৬।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: