Articles published in this site are copyright protected.

একজন নাস্তিকের প্রজন্মের উৎকট ডাকে আস্তিক জাতি ধ্বসের কারণ হতে পারে না। হুমায়ুন আজাদ বিজ্ঞান কতটুকু জানতেন জানি না। তবে ধর্ম মোটেও জানতেন না। ধারণা হয় বিজ্ঞানে ধর্মে তিনি ফেইল, তবে সাহিত্যে বিশারদ। তার দৃষ্টিতে ধর্ম ছিল সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার। ১৯৯৭ সালে আমার সে বছরের “পূজারী দোয়ার খোলো” গ্রন্থের একটি চ্যাপ্টার ছিল “টার্গেট” কারণ ঐ টার্গেট হিসাবে ব্যক্তিটি ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম যাকে হুমায়ুন আজাদ কম সহ্য করতে পারতেন। হুমায়ুন আজাদের টার্গেট ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। আমি সেখানে উল্লেখ করা তার ধর্ম জ্ঞানের গভীরতার কিছু দিক আনছি। ঐ নামের প্রথম অংশের থেকে পরবর্তী অংশের উপরই তিনি বেশী ক্ষ্যাপা কারণ পরবর্তী অংশের নাম ‘ইসলাম’। ধর্ম ছিল তার দৃষ্টিতে সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার। তার ভাষাতে উদ্ভাবনশীল মানুষের সর্ব নিকৃষ্ট কর্মের ফসল এই ধর্ম। ধর্মের মধ্যে নাকি মানুষ বেশিক্ষন বাঁচতে পারে না। ধার্মিক মানুষ অসুস্থ মানুষ। প্রকৃত ধার্মিক মানুষ প্রকৃত খারাপ মানুষ। তার মতে কোন গ্রন্থ পথ দেখাতে পারে না মানুষকে। মহাপুরুষেরা তৈরী করেছেন নিজেদের পথ, অন্যদের জন্য নয়। পৃথিবীর দীর্ঘস্থায়ী মহামারীর নাম বিশ^াস। মহাপুরুষদের নামে পুরোনো পৃথিবীর অনেক বিস্ময়ের নামে যদিও কিছু রটনা প্রচলিত কিনতু তারা তুচ্ছ যাদুর বেশী কিছু করতে পারেন নি। প্রকৃত বিস্ময়ের কাজ করেছে আধুনিক মানুষ। হুমায়ুন আজাদ কোন আধুনিক বিজ্ঞানের প্রফেসরও নন। তিনি বাংলার প্রফেসর ছিলেন। ধর্ম সম্বন্ধে তার জ্ঞান এত অল্প যে এসব নিয়ে সমালোচনা করা বাতুলতা বলেই মনে হয়েছে। তিনি বলেন, ইহুদীর আছে মোসেজ, খ্রীষ্টানদের আছে জেসাস ক্রাইস্ট তার শিষ্য ও সন্তরা; এবং তুর্কিদের আছে তাদের মাহোমেট যেনো ঈশ^রের পথ সব মানুষের জন্য সমভাবে খোলা নয়। তার কথাতে কোন প্রশ্নও নেই কোন যুক্তিও নেই।  কথাটি যে কত কাঁচা তা তিনি নিজেও আঁচ করতে পারেন নাই, যদিও নিজেকে মহা পন্ডিতই মনে করেছেন।

নাস্তিক ইনুকে দাত ভাঙ্গা জবাব দিলেন মাওলানা শরীফ মোহাম্মদ 360p

প্রশ্নকর্তা যদি প্রশ্নটি না বুঝেন তবে প্রশ্ন করাই বা কেন। একবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ইহুদীরা আহলে কিতাবী নয়, খৃষ্টানেরা আহলে কিতাবী। এসব কথা বলার আগে আহলে কিতাব জিনিসটি কি সেটি জানা দরকার, নয়কি? প্রকৃত জ্ঞান আহরণ না করে অল্প বিদ্যা ভয়ংকরির আদলে অতি বিজ্ঞ হতে গিয়ে বোকা সাজার কি কোন মানে হয়?  তিনি বলছেন এরা তিন দলের তিন ধর্ম, তিন নেতা, তিন পথ। এ পথের সন্ধান যদি হুমায়ুন আজাদ পেয়ে যেতেন তবে আর বিতন্ডা ছিল না। তিনি তো পথ হারিয়েছেন মূলেই। ইহুদীরা মুসলিমদের নবী মুসা ও ইব্রাহিমের অনুসারী, খৃষ্টানেরা মুসলিমদের নবী ঈসার অনুসারী, এখানের এ তিন সবাই ইসলামের দৃষ্টিতে মূলত এক পথের পথিক। নিজেদের সংকীর্ণতার কারণে বাকী দুই দল বিভেদের সৃষ্টি করে রেখেছে। তাই তারা কখনো কুরআন পুড়ায়, গুলি করে আগুন দেয়। এ কাজটি কোন মুসলিম করতে পারে না কারণ তারা ঐ নবীদের অনুসারীও। শুনেছেন কোনদিন কোন মুসলিম বাইবেলে অগুন দিয়েছে, গুলি করেছে? তবে হুমায়ুন আজাদ এদের কোন দলেরই নন। তারা ওসব করতেই পারে। তার ছেলে যা করছে তার চেয়েও বড় নষ্টামির কিছু করলেও বলার কিছু নেই। কারণ তারা বাধ ভাঙ্গা উশৃংখলার শিক্ষা পেয়েছে। তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। বাংলাদেশীরা হুমায়ুন আজাদের সন্তান নয়, গোলামও নয়। প্রতিটি বাংলাদেশী অভিভাবক তার সন্তানদেরে মানুষ হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন আশাকরি। তবে এটি ঠিক নয় কিছু শিক্ষকরা চায় শিক্ষার আগে প্রেমটা শিখে নিক। ওটি টিচারের কাছে শিখতে হলে কুকুর বিড়ালদের জন্যও টিচার নিয়োগ করতে হবে। অভিভাবকসহ টিচারদের উচিত বাচ্চাদেরে মানুষ হওয়ার ট্রেনিং দেয়া। কারণ আমরা কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ে অবস্থান করছি, ধ্বসে যাবার সম্ভাবনা অতিরিক্ত।

হুমায়ুন আজাদ নিজে প্রথা মানেন না কিনতু বিয়ে করেছেন মানুষের সমাজে বসবাস করেছেন। যা তার নীতিবিরুদ্ধ কাজ,  প্রতারণার পর্যায়ে পড়ে। তার অন্য কোন প্রথাহীন সমাজে বাস করার কথা। তার পুত্র থাকার কথা নয়। কুকুর বিড়ালরা কারো বাপও নয় কারো সন্তানও নয়। তার ওভাবেই থাকার কথা। তিনি তার প্রকাশিত গ্রন্থে বলেছেন ছেলেবেলাতে যাদু টোনা, ভুত প্রেত, আর বিধাতার ভয়ের মাঝে তিনি বড় হয়েছেন। তার মানে তিনি যেখানে জন্ম গ্রহণ করেছেন সেখানে একগাদা ভুল ও ভৌতিকতার মাঝে তার বাস ছিল। এটি ছিল তার পূর্বপুরুষের আলোহীনতার জ্ঞানহীনতার সংকট মাত্র। সুশিক্ষিত হলে তিনি  নিজে জ্ঞান অর্জন করে সেটি পুষিয়ে ঐ আলোহীনদেরেও আলোকিত করতে পারতেন। তার দাবী ধর্ম মানুষের অজ্ঞানতার আধার, সেটি হবে তার পূর্ব পুরুষের যে ভৌতিক ধর্মে তিনি বেড়ে উঠেছেন, সেটি ধারণা হয় নিঃসন্দেহ অজ্ঞানতার আধার। তার হিসাবে পঞ্চম শ্রেণীর উর্ধ্ব জ্ঞান ধর্ম দিতে পারে না। আমরা জানি আমাদের নবী মুহাম্মদ (সঃ) মোটেও পঞ্চম শ্রেণীর বিদ্যে অর্জন করেন নি। তার নামের আগে একটি ডঃ ডিগ্রীও নেই। ধারণা হয় সমাজের নেতিবাচক পরিবেশে বেড়ে উঠা হুমায়ুন আজাদ সুপথের বদলে ধারণাতীত গোজামেলে জড়িয়ে যান। তার কথা হচ্ছে ধর্মে প্রচুর স্ববিরোধীতা ও ভুল। ভুল না ধরিয়ে প্রচার ভুল বলার কোন যুক্তি নেই। তিনি মনে করেন প্রত্যাদেশ অসম্ভব ও কল্পিত ব্যাপার। মানুষের বয়স দুই ধরণের, একটি শারীরিক আর একটি মানসিক। মানুষের ঐ দুই বয়সের সমন্বয় না হলে অনেক সময় অনেক কিছু মানুষ গ্রহণ করতে পারে না। সত্যকে আঁচ করতে নানান সমস্যায় সম্মুক্ষীণ হয়। উনার শারীরিক বৃদ্ধি হলেও হয়তো মানসিক বৃদ্ধির পরিমাণ অনেক অনেক কম ছিল বলেই এমন খাপছাড়া কথা বলেছেন প্রকৃত ধর্ম বিজ্ঞান ভূগোলকে এড়িয়ে গিয়েই।

ঢাকা বিশবিদ্যালয়ে দেখা গেছে বাংলা বা ইংরেজীরও কিছু শিক্ষকরা হয়তো সৃষ্টিকর্তাকে দেখতে বাধার সম্মুক্ষীন হয়েছেন যেখানে বিজ্ঞানের শিক্ষকরা ঠিকই পথ মাপতে সক্ষম হয়েছেন। এ ধারার আর একজন ছিলেন ডঃ আহমদ শরিফ (সাহিত্যের শিক্ষক)। দেখা যায় ধর্মে তাদের উভয়েরই, এখানে হুমায়ুন আজাদের গভীর জ্ঞান দূরে থাক, হালকা জ্ঞানও ছিল না। নজরুল ইসলামকে তার সহ্য করতে না পারার কারণ হচ্ছে তার ইসলামী গান রচনা করা। শ্যামা সঙ্গিতের জন্য তিনি উৎকন্ঠিত নন। ইসলামী গান যে লিখবে তার মর্যাদা দিতে তিনি নারাজ। ধর্মের বিপক্ষে বলছেন আবার পরোক্ষে বাইবেলের প্রশংসাও আছে। তবে কোন সময়ই কুরআন বা ইসলাম স্বীকৃত নয়। একই অবস্থা ডঃ আহমদ শরিফেরও। তার জন্য আমার ঐ একই গ্রন্থে একটি চ্যাপ্টার ছিল ‘বিভ্রান্তি’ নামে। তিনি সুরা ফিলকে প্রকৃত সূত্র সন্ধানে না গিয়েই হাস্যকর ব্যঙ্গাত্মক কথা বলেন। আবার ফেরাউনকে নিয়ে মশকরা করেন। জোয়ার ভাটা নিয়ে রঙ্গরসনা করেন। ফেরাউনের ডুবে মরা নিয়ে রসরঙ্গ করেন। এর জবাবে আমার পূজারী দোয়ার খোলো গ্রন্থে ৪২ – ৫৯ পৃষ্ঠা পর্যন্ত এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়, সাথে একটি ফেরাউনের লাশের ছবি ও কুরআনের ভাষ্যসহ। উল্লেখ্য ওখানে ডক্টর মরিচ বুকাইলির সূত্রে পাওয়া যুক্তি আনি। মিসর রাজ দ্বিতীয় রামেসিসের সন্তান মারনে পাত্তাহ-ই ছিলেন সেই চিহ্নিত ফেরাউন, যিনি মুসার নেতৃত্বে ইহুদীদের মিসর ত্যাগের ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন এবং মারা পড়েছিলেন সমুদ্রে ডুবে। মিঃ লরেট ১৮৯৮ খৃষ্টাব্দে থেবেসের রাজকীয় উপত্যকা থেকে মমিটি কায়রো নিয়ে আসেন। ১৯০৭ সালে এই মমিটির আবার উন্মোচন হয়। তার রয়্যাল মামিজ পুস্তকে (১৯৯২ সালে) মমিটির দেহ পরীক্ষার বিস্তারিত আলোচনা আসে। ১৯৭৫ সালের জুন মাসে মমিটিকে পরীক্ষা করে দেখার জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। ডক্টর এল মেলিগাই ও ডক্টর রামসিয়ীস এর দ্বারা মমিটির উপরে চমৎকারভাবে রেডিওগ্রাফিক স্টাডি পরিচালিত হয়। ডক্টর মুস্তাফা মানিয়ালাভী মমিটির বুকের একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে বুঁকের ভিতরটাও পরীক্ষা করে দেখেন। কোন মমির অভ্যন্তরে এ ধারণের পরীক্ষা এটাই প্রথম।

এতে যা জানা যায় তাতে হুমায়ুন আজাদ ও আহমদ শরিফদের হতাশা নির্ঘাৎ বাড়াবে! এটি প্রতিয়মান হয় যে এটি সাগরে ডুবে মরা একটি লাশ। এতে যে ক্ষত ধরা পড়ে তা সংরক্ষণ জরুরী, এটি অবনতির দিকে যাচ্ছে। । এটি এমন একটি লাশ যার গুরুত্ব শুধু ঐতিহাসিক নয়, নবী মুসার জীবনের সাথে যুক্ত। লেখক অনুরোধ করেন কেউ মিশর গেলে যেন মমিটি দেখে আসেন। সেটি সেখানের মিসরীয় যাদুঘরের ‘রয়েল মামিজ’ কক্ষে সংরক্ষিত আছে (বুকাইলী, পৃষ্ঠা ৩৮২-৩৮৪)। বিজ্ঞানে অনভিজ্ঞ বাংলার শিক্ষকদের জন্য এসব লজ্জার সন্দেহ নেই। আর একটি সতর্ক সংকেত ঐ সময়ও আমাকে আতংকিত করে তোলে। কুরআনে একটি ভবিষ্যদ্বানী আছে সেটি হচ্ছে  আল্লাহ বলেন, “তবে আজকের দিনে আমরা উদ্ধার করবো তোমার দেহ যেন তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হয়ে থাক। কিনতু মানুষের মধ্যের অনেকেই আমাদের নিদর্শন সম্বন্ধে অবশ্যই বেখেয়াল” (সুরা ইউনুসের ৯২ আয়াত)। উল্লেখ্য এ খবরটি নবী মোহাম্মদ জানতেন না। জানলে তিনি আমাদের বলে যেতেন, এর কোন প্রমাণ নেই।  আধুনিক বিজ্ঞান এটি সম্প্রতি আবিষ্কার করেছে। তাই সত্যকে রোধবার শক্তি এসব অনাচারি নাস্তিকদের হাতে নেই। এরা অধঃপাতের চরমে পৌছবে এবং মমিটি ক্ষয়ের মুখোমুখি, বলা হয়েছে এটি কিয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। মমির ক্ষত প্রমাণ করে কিয়ামতও সন্নিকটে।

নিজে প্রথা ভাংতে গিয়ে সংসার করে বউ পরিবারের ছেলে মেয়ের সব চাওয়া পাওয়া পুরিয়ে জীবন পার করেছেন। এখন তার ছেলে যা করছে সেটি প্রথা ভাংগা বাপের বেটা হিসাবে এর থেকে বড় কিছু করতে পারার কথা নয়। জাতিকে ময়দানে দল বেধে অপকর্মে নামার ডাক দিয়েছে। বাংলাদেশীরা কি ঐ মরণ পথের অনুসারী হবেন? আপনাদের মা বাবাকে কবর দিয়ে তারপর ওপথ মাড়ান, নয়তো তারা কষ্ট পাবে। আপনারা পৃথিবীর এমন একটি ধর্মের দাবীদার যা নিয়ে আপনাদের গর্ব করাই সাজে। পৃথিবীতে এত আলোর সন্ধান পেয়েও যদি পথ হারান তবে এর চেয়ে দুর্ভাগ্যের আর কিছু নেই। ইসলামে কোন সংকট নেই ভালবাসাতেও নেই। কিনতু খৃষ্টান পাদ্রীরা ওটি নাকি করতে পারে না। এর কারণ তারা তাদের স্বরচিত বিধানে কিছু এটো মিশিয়ে একে কিম্ভুৎকিমাকার করে দিয়েছে। তাই পরলোকগত দ্বিতীয় পোপ জন পলের কয়েকশ গোপন চিঠি আবিষ্কৃত হয়েছে যা তাদের দৃষ্টিতে অপরাধ। কয়েকশ চিঠি পোলান্ডের জাতীয় লাইব্রেরীতে লুকানো ছিল। প্রায়ই শোনা যায় খৃষ্টান যাজকরা নানান যৌণ অপরাধে জড়িত হয়। তার কারণও তাদের স্বরচিত ধর্ম রচনার কারণে এসব গোজামিলের সামাল দিতে তারা বারে বারে বিপদের সম্মুক্ষীণ হচ্ছে। ইসলাম সবদিন এসব থেকে মুক্ত স্বাধীন। হুমায়ুন আজাদরা সঠিক সুশিক্ষিত হলে এসবের উপর অনেক ইতিবাচক কাজ করে জগতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারতেন। এসব নষ্টামীর বাইরে মানুষ দুনিয়াতে অনেক ভালো কাজ জমা করতে পারে। শুধু পশু প্রবৃত্তির জন্যই মানুষের জন্ম নয়। মানুষের পশু থেকে পার্থক্যের প্রধান কারণ হচ্ছে তার বিবেক মগজ, চিন্তা শক্তি, কল্পনাশক্তি আর তার হাতের দশটি আঙ্গুল যা কোন পশুর নেই। এখানের প্রতিটি অঙ্গ দিয়ে সে ব্যতিক্রমী সব কাজ করতে সক্ষম যা পশুরা পারে না। এরা শুধু পশুর দিকেই নজর বেশী রাখছে মানুষের দিকে মানবিকতার দিকে তাদের নজর খুব বেশী কম। তসলিমা ছিলেন “র” এর সৃষ্টি আর তসলিমার এমন বিজয়ে উদ্বেলিত হয়ে ঐ পথে হাটেন ঐ নারীর পথ ধরে যদিও যুক্তিতে অনেক পিছিয়ে, ঝোলাতে রসদ খুব কম। তেমন নেই বললেই চলে।

কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা  এক আল্লাহ জিন্দাবাদ

 

মানচিত্র, দেশ, অস্তিত্ব, মান সম্মান নিয়ে বাঁচা দায় হয়ে পড়েছে। আতংকিত হয়েছি আজ যখন একটি কলামে চোখ পড়ে। সেটি ১৫ ফেব্রুয়ারী তারিখে দৈনিক সংগ্রামের প্রাসঙ্গিক ভাবনা: ডঃ নূরুল আমিন সাহেবের লেখাটি পড়ে। তিনি বর্ণনা দিতেও লজ্জা পান। জাতি ধ্বংসের একদম কিনারে এসে পড়েছে মনে হচ্ছে। লুত নবীর সময়ে সেখানের মানুষ এভাবে এতই উশৃংখল হয়ে পড়ে যে এর পর আল্লাহর গজব নেমে আসে। যে যেভাবে ছিল মানুষ পাথর হয়ে যায়। আগ্নেয় বিস্ফোরণে মানুষ স্ট্যাচুর আকৃতি ধারণ করে। আজো সেসব ঐভাবে আছে দর্শকদের জন্য। কেউ উৎসাহী হলে আজকের দিনেও এসব জেনে নেয়া বা দেখা কোন জটিল কাজ নয়। এই ঢাকা এমনই ছিল একবার আমি আমার বাচ্চাদেরে মায়ের কাছে রেখে আসি তারপর আর হোটেলে সিট পাই না। অনেক ঘুরে শেষ পর্যন্ত এক আত্মীয় বাসাতে যাই। কারণ আমাদের দেশের সচেতন হোটেল মালিকরা ওটি করতেন দেশটির মানবিক নৈতিকতার দৃষ্টিভঙ্গিতে। আমরা কোন সময়ই খারাপ পাই নাই, আজ মনে পড়ছে, দেশ এত উন্নত হয়েছে? ভালো আর চরিত্রবানের মাঝে কোন ফারাক থাকছেই না। আজকের হোটেল মালিকরা যে কতগুণ লোভী তা মাপার কোন যন্ত্র হয়তো নেই। তবে ঐ যন্ত্র আল্লাহর কাছে থাকবে। সে ঠিকই হিসেব বের করবে, সুক্ষ্ম বিচার করবে। ভারতকে দেখে জনতারা সিরিজ নাটক থেকে আরো অনেক কিছুই শিখছে । আজো তারা গরু নিয়ে ব্যস্ত সেখানে বাংলাদেশীরা কেন ঐ দলে ভিড়ে নিজের উজ্জ্বল অতীতকে কলঙ্কিত করছে? “কে তবে বেশী অন্যায়কারী তার চাইতে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে এবং তার নিদর্শনসমূহ প্রত্যাখ্যান করে। নিঃসন্দেহ অপরাধীরা সফলকাম হবে না” (সুরা ইউনুসের ১৭ আয়াত)।

নাস্তিক শাহরিয়ার কবির ছিল মুরগী চোর তিনি রাজাকারদের মুরগী সাপ্লাই দিতো

নাজমা মোস্তফা,  ১৪ই ফেব্রুয়ারী ২০১৬।

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: