Articles published in this site are copyright protected.

শুরু করছি নীচের একটি ভিডিও দিয়ে।

ইসলামের পক্ষে কথা বললেই আওয়ামী লীগ জঙ্গী বলে

২০১২ সালে জেনারেল অশোক মেহতা দিল্লিতে বলেছিলেন, ২০১৪ সালে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগকে আরেকবার ক্ষমতায় আনতে হবে। তাহলেই ভারতের সব চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হবে। কথাগুলি স্বনামধন্য সব সাংবাদিকরা জানেন, বন্ধুনামের দেশ থেকে আমরা জেনেছি।  কথাগুলির মাঝে আওয়ামীলীগ সরকার কখনোই খারাপের কিছু দেখবে না, কোন ষড়যন্ত্রও আঁচ করতে রাজি নয়। কারণ ইতিমধ্যে সব বিবেক অন্যখানে জমা রেখে পথ হারিয়ে নিজের সর্বস্ব খুইয়ে দেউলিয়া হয়ে আছে, ধারণা হয় যা ভালো মাপেই আঁচ করতে পারছেন ভারতের সাংবাদিক নায়ার। বাংলাদেশ দরিদ্র হতে পারে কিন্তু আত্মবিকৃত জাতি হবে এটি এখানের কোন সচেতন মানবে বলে মনে হয় না। গরিব হতদরিদ্র মেয়েরা বিদেশে পেটের দায়ে যায়, কিন্তু কারো অসৎ উদ্দেশ্য ধরা পড়লে তারা ঐ রোজগারের মেকি মোহকে খুব সহজে কাটাতে পারে। মর্যাদা রক্ষার্থে দেশে দ্রুত ফেরত আসে, এর কারণ কি? তাদের আত্মসচেতনতা, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এরা মনের দিকে অনেক উঁচুতে বাস করে, সেখানে তারা ফকিরনি না, রাজরানী। দারিদ্রের কষাঘাতে প্রয়োজনে তারা গৃহপরিচারিকা হতে পারে কিন্তু তাই বলে আত্মা বিক্রি করে দেহ পসারিনী হতে কখনোই রাজি নয়।

কূলদীপ নায়ার ভারতের স্বনামধন্য কলামিস্ট সাংবাদিক। অতি সম্প্রতি তিনি একটি কলাম লিখেছেন বাংলাদেশ বিষয়ে। ১১ই ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তরিখের ভারতের দ্যা স্টেটসম্যান ছেপেছে “হেজ বাংলাদেশ লস্ট ইটস ফোকাস?” মানে “বাংলাদেশ কি পথ হারিয়েছে?” শিরোনামে। বাংলাদেশের বিষয়ে তারা প্রধানত আংশিক দেখেন বা হয়তো তাদের একহারা চোখ দিয়ে দেখেন, পুরোটা দেখতে পারেন না। বাংলাদেশ সম্বন্ধে গত বছরে ছাপা হওয়া তার একটি কলামের নাম হচ্ছে “দ্যা ট্রাজেডি অব বাংলাদেশ” মানে “বাংলাদেশের দুর্ভোগ” এটি ছেপেছে পাকিস্তান  টুডে ডট কম, ১৮ জানুয়ারী ২০১৫ তারিখে। কুলদীপ নায়ারের লেখাতে একজন বাংলাদেশী হিসাবে তখনও বেদনা অনুভব করেছি। কারণ এমন জটিল সময়ে তিনি এত একপেশে কেমন করে হন যেখানে তিনি একজন মানবতাবাদী, তার উপর সাংবাদিক। সত্য প্রচারই তাদের একমাত্র বাঁচা মরা, তার পেশা তাই নির্দেশ করে।

সেখানে তিনি দেখিয়েছেন খালেদা জিয়া ইলেকশন বয়কট করে ভুল করেছেন, যুক্তি দেখিয়েছেন এর  ফাঁকে দেশে ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন হয়েছে এমন কি বিরোধী দলও আছে। তিনি বেশ কিছু উপদেশও বিলি করেছেন যে দেশটি সৃষ্টির পেছনে ভারতের সহযোগিতা ছিল সে হিসাবে আজো এ বিপদের দিনে ভারত সহযোগিতা দিতে পারে। তিনি এটিও বলেছেন এখানের মানুষ ধার্মিক আবার লিবারেল, সহমর্মী। এক মিলিয়ন হিন্দু এখানে বাস করে, ঝামেলা বিহীনই বলা চলে। এর জবাবে আমার একটি বাংলা লেখা “বাংলাদেশে রাজনীতির অগ্নুৎপাত”  ও ইংরেজিতে একটি লেখা আছে “Volcanic eruption in Bangladesh politics” নামে। এবারের লেখাতে দেখা যাচ্ছে তিনি সামান্য হলেও কিছু স্বীকার করে সরকারের কিছুটা সমালোচনা করেছেন। প্রতিপক্ষদল বিএনপি পাকিস্তান জামাত ও ইসলামকে এক বান্ডিলে দেখানোর ভারতীয় অভিমত তার লেখাতে ফুটে উঠেছে। তিনি অলক্ষ্যে এটি বলে সম্ভবত বিএনপির ত্রুটি দেখাতে চাচ্ছেন। আজ ১১ই ফেব্রুয়ারীতে বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রী সচারচরের মত পুরোনো রেকর্ডে চাবি দিয়েছেন যে, পাকিস্তান দূতাবাস শেখ হাসিনা হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। তারো আগে বরাবর ভারতীয় এজেন্ডাও ঐ খবর বিলিতে জড়িত থেকেছে বারে বারে তার প্রমাণ আছে, অতীতে বলেছে ১৯বার চেষ্টা হয়েছে, তাহলে এবার হবে ২০ বার। মন্ত্রী পাকিস্তান দূতাবাস নব্য কাসিম বাজার কুঠিতে পরিণত হয়েছে বলে ময়দান গরম করার তালে আছেন । কিন্তু কুলদীপ নায়ারের কলামেই এসেছে যে খালেদা জিয়া বলছেন বর্তমান সরকারের কৃতকর্মই মানুষকে ভারত বিদ্বেষী করে তুলছে। এটিই স্পষ্ট করছে কারা আজকার কাসিম বাজার কুঠির মূল মদদগার।

এরকম উদাহরণ এত ছড়িয়ে আছে যা কুলদীপ নায়াররা বাংলাদেশীদের থেকেও ভালো জানেন। এবার পৌর নির্বাচনের  পরদিন ১১ই জানুয়ারী ২০১৬ আনন্দবাজার প্রচার করে “বাংলাদেশ সরকার অবৈধ ঘোষনা করতে চলেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টিকে”। খবরটি কি কোনই ম্যাসেজ প্রচার করছে না? আনন্দবাজার কি খালেদা জিয়ার সম্মেলন দেখে ভয় পেলো? কারা বর্তমান কাসেম বাজার কুঠির ষড়যন্ত্রে বেশী দাগ রাখছে, ভারত না পাকিস্তান, তার একটি বোঝাপড়া হলে সারা দেশ ভারত বিরোধী রায় জমা করবে। এসব তাদের চল্লিশার্ধ কৃতকর্মের ফলাফল। কুলদীপ নায়াররা কি দেখেন তাদের অশোক মেহতারা, বিএসএফরা কিভাবে কাসেমবাজার কুঠি নাটকে জড়িয়ে গেছে। মানবতার খাতিরে এসব তাদের উন্মোচন করার কথা ছিল। বাংলাদেশের যৌক্তিক মানুষগুলো পেটে ভাত না থাকলেও বাংলাদেশের দালালি করবে, ভারতের নয়। বাংলাদেশের জনতারা একদিন পাকিস্তানের দালালির প্রতিবাদে হুমড়ি খেয়ে পড়ে কিন্তু তাই বলে সরকার বাদে গোটা দেশ ভারতের কাছে নতজানু হয়নি, এটি নিশ্চয় কারো কম জানা নয়। এবার দরকারে তারা আবারো প্রতিবাদী হতে কতক্ষণ? নায়ার অতীতেও দুই বেগমকে এক পাল্লায় মাপতে বেশী অভ্যস্ত, আজও তাই। আজ একই নাটকের দ্বিতীয় পাট হয়তো অপেক্ষায় আছে। বিগত ২০১৬সালের ৫ জানুয়ারী ছিল বহু বিতর্কিত ভোট চুরির দ্বিতীয় বার্ষিকী। শেষ মুহূর্তে এবারের পৌর নির্বাচনে বিএনপি অল্প সময়ের নোটিশে সমাবেশের অনুমোদন পায়। অপেক্ষাকৃত বড় উদ্যানে সমাবেশ করতে দেয়া হয়নি যা তারা চাইছিল। বিএনপি সমাবেশের আহবানের দুদিন পর আওয়ামী লীগও সেখানে সমাবেশ করতে চায়। নয়া পল্টনে ছোট্ট পরিসরে সমাবেশ করতে দেয়া হয়, উভয়ে তাদের দলীয় অফিসের সামনে সমাবেশের অনুমোদন পান। সব সময়ই দেশটির বড় দল বিএনপির সমাবেশ, সম্মেলনে এ সরকার বাগড়া দিয়ে চলেছে অল্প কিছুদিন নয়, বছরের পর বছর থেকে, এটি সারা বিশ^ অবলোকন করছে।

এত অল্প সময়ের মাঝে বিএনপির বিশাল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখে অনেকেই ধারণাতিতভাবে বিস্মিত হয়েছেন। এমতাবস্তায় বেশীরভাগ মিডিয়া সরকারপন্থী সংবাদমাধ্যমগুলো সমাবেশের ছবিকে এড়িয়ে গেছে। সরকারের মান বাঁচাতে বা সরকারের হুমকি ঠেকাতে দেখিয়েছে শুধু স্টেজের ছবি। উভয় সমাবেশের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। এ নিয়ে চলে ফেসবুকে নানান মন্তব্য যা উদাহরণীয় বাস্তবতাকে স্পষ্ট করে দেখায়। কিন্তু কুলদীপ নায়াররা সত্য প্রকাশ করতে তারপরও কুন্ঠিত থাকছেন। ভারতের কপটতা, সরকারের কপটতা, কিছু দলবাজ পুলিশ সহ দলদাস ছাড়া বাকী দেশ একদিকে। আজকের ময়দানে পাকিস্তান গত বিগত। এখানে পাকিস্তানের নামে নষ্ট খেলা আপনারা বাদ দেন। নির্বাচনপূর্ব অবস্থানে বারে বারেই অশোক মেহতা, সুজাতা সিংরা ভারতীয় কৃতকর্মের যে দাগ রেখে যাচ্ছেন, তার উপর তাদের কি বলার কিছুই নেই?  সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের মিথ্যা ধোয়াসহ ১৯৮৭ সালে ভারতে ঈদের ছুটি কাটাতে গিয়ে শেখ হাসিনা কলকাতা বিমান বন্দরে ভারতীয় সাংবাদিকদেরকে একটি সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি বলেন বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রীতি নেই, খবরটি ছাপে (দৈনিক যুগান্তর কলকাতা ০৪/০৬/৮৭ সংখ্যা)। সারা দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টির জন্য কার ইন্ধনে বেশীর ভাগ হরতাল হয়,  তা হয় ১৭৩ বা তারো বেশী দিন। “সেনাবাহিনীর ভুমিকা না থাকলে আ’লীগ জীবনেও ক্ষমতাতে আসত না: বলেন এরশাদ (দৈনিক আমাদের সময়, মার্চ ০৪, ২০০৯, বুধবার ফাল্গুন ২১, ১৪১৫)। 

বাংলাদেশের একটি দলের নির্বাচনেই ভারতের বাজেট থেকে টাকা খসে ১০০০ কোটিও ছোঁয়। নিজের দেশে শৌচাগার নির্মাণে ঐ টাকা খরচ করলেও অনেক মঙ্গল জমা হতো। অন্তত অন্যের সর্বনাশ হতো না। ২০১৪ সালের নির্বাচনই  খুব বড় আওয়াজে দিল্লীর গুনধর পোষ্য সরকারকে জনতারা বড় আওয়াজে না করে দিয়েছে যা কোনভাবেই নায়াররা স্বীকার করেন নাই। ভোটে গেছে মানুষ নয়, শুধু কুকুর। ঐ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ‘ফক্স এন্ড লায়ন ইন বাংলাদেশ’ নিবন্ধে আওয়ামী লীগকে খেকশিয়াল কল্পনা করা হয়েছে আর বিএনপিকে ধরা হয়েছে সিংহ। এখন শিয়ালের দিকে কিন্তু সিংহ ওত পেতে আছে। ওদিকে ভারত আগাগোড়াই একটি অনৈতিক মধ্যযুগীয় খেলাতে জড়িয়ে গেছে ঐ খেঁকশিয়ালের পক্ষে নির্বাচনি সঙ্গ দিতে। যা স্পষ্ট একটি দেশের আভ্যান্তরিত বিষয়ে হস্তক্ষেপের নামান্তর। মানবতার কথা যারা বলেন তাদের মাথা নত করে এমন ঘটনা, সেটি বড় গলাতে নায়ারদের স্বীকার করা উচিত।

গানে গানে হাসিনার জাহেলিয়াতি শাসনামলের অল্প কিছু ইতিহাস,

 

নাজমা মোস্তফা,   ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০১৬।

 

ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীকে যদি ছাত্র শিবিরের সাথে তুলনা করা হয়, জাতীর সামনে এটা হবে নির্মম তামাশা l

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০১৭ সালের সামান্য সংযোজন: বর্তমানের এ সংযোজনটি দরকার মনে করেই করি। উপরের ভিডিওটি সরকারী দলের অনেক অপকর্মের বাস্তবতাকে স্পষ্ট করছে। দেখা যায় ভারতের একজন কুটনীতিক ও নামকরা সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার  খুবই উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাংলাদেশের হৃদপিন্ডে আঘাত করে মাঝে মাঝে দূর থেকে উল্টাসিধা মন্তব্য ছাড়েন, যাতে দেশেটি ভালমতন সহজে গলাডুবা পর্যায়ে পৌছে। তিনি মনে করেন সব সাংবাদিকরাই তার ওষধিবটিকা গোগ্রাসে গিলবে। কিছুরা ঐ বটিকা গেলার জন্য বসেই আছে বেশ বড় সময় থেকে। এর মাঝে এদেরে সারা জাতি চিহ্নিত করে রেখেছে। এরা যে ঐ এক পথেই চলে কথা বলে তা জাতি জানে। এদের দেখলেই এদের অঙ্গভঙ্গি দেখলেই বুঝা যায় এরা কার রসদে বাঁচে। তিনি প্রায়ই বাংলাদেশের জনতাকে গেলাতে চান যে ভারত বিরোধীতা না ছাড়লে বাংলাদেশের রক্ষা নেই। আকারে ইঙ্গিতে আসে শক্ত হুমকির মত সেনাবাহিনীর কথাও, সে ইঙ্গিতও তিনি চেপে রাখতে পারেন নি। কিন্তু নায়ার সাহেব এটি বুঝতে পারছেন না, তার এই অতি দালালীতেই বাংলাদেশীরা বাড়তি মেসেজ পাচ্ছে এবং ভারত বিরোধীতাকে মজ্জার সাথে সেটে দিচ্ছে। সব সময়ই দেখি উদ্দেশ্যমূলক মনোবাসনা নিয়েই তিনি এ বৃদ্ধ বয়সে পরিশ্রম করে চলেছেন, যদিও তিনি ভারত প্রেমের উদাহরণ হয়ে কাজটি করেন কিন্তু প্রকারান্তরে তা বাংলাদেশ বিরোধী হয়ে পড়ে। এটি এ দেশের মানুষকে কষ্ট দেয়।

মানুষের একটি সময় আছে অপরের সর্বনাশ অনেক যুবক বয়সে রক্ত গরম থাকার কারণে মানুষ করে আবার বৃদ্ধ বয়সে মানুষ সর্ব মানবতার মাঝে নিরপেক্ষতারও ছাপ রাখে। ওটি করতে পারলেই সম্ভবত তিনি ভালো করতেন। অন্যের আভ্যন্তরিন বিষয়ে কথা বলতে অবশ্যই উদার হওয়া একটি বড় শর্ত। তবে চানক্য পন্ডিতের ধারাতে হয়তো ওসব মূখ্য নয়। অনেকেই লক্ষ্য করছেন তার প্রচারে মিথ্যাচারের সমাগমও হয়। এটি বাংলাদেশের বিগত নির্বাচন কালীন উপরের লেখাটিই এর বড় প্রমাণ। সারা জাতি যেখানে হাসিনা সরকারকে ধিক্কার দিচ্ছে এবং সে অবৈধ সরকার তার সকল সততা বিসর্জন দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াচ্ছে, নির্বাচন দিবার সহজ স্বাভাবিক নীতি নৈতিকতাও যার শেষ পর্যায়ে, সেটি সমগ্র বিশ^ অবলোকন করছে। এরপরও নায়ার সাহেব ঐ তালিতেই তালি দিয়ে চলেছেন। এর প্রধাণ কারণ নৈতিকতার সব পাটকে কবর দিয়ে মিথ্যার মাঝে আকন্ঠ ডুবার কারণ যে ভারত, সেটি লুকানো নেই। এসব কর্মকন্ডের পিছনে ভারত সরকারই শক্তভাবে জড়িয়ে গেছে নানাভাবে। কুলদিপ নায়ার তার কলাম সমূহে এসব অভিযোগের সত্যতা  তার লেখনী দ্বারা বাড়তি স্পষ্ট করছেন। কেন জানি মনে হয় তার লেখনির বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে ছলে বলে কলে কৌশলে তিনি ভারতকে লেপ্টে দিতে চান বাংলাদেশের মিরাশদারীতে। 

নাজমা মোস্তফা, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: