Articles published in this site are copyright protected.

বেশ দিন থেকে দেখছি তবলিগ জামাতের বিসতৃতি বেশ বড় পরিসরে বেড়েছে। পরিসর যেভাবে বেড়েছে সেভাবে অর্জন জমেছে বলে মনে হয় না। ঢাকাতে থাকা অবস্থায় দেখতাম কিছু লোকেরা বাসায় বাসায় আসতেন। এখানেও আমেরিকাতে আসার পর দেখি বাইবেলের কিছু সংস্থার লোকেরা এভাবে বাড়ী বাড়ী এসে মানুষকে ধর্মের নসিহত করে। তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে ঢাকাতে তারা মুসলিমদের কাছে যেতেন আর আমিরেকাতে তারা সবার কাছেই যায়। আমার কেন জানি ওদের জন্য বড় মায়া লাগে। স্বার্থহীনভাবে কিভাবে এরা শীত গ্রীস্মকে উপেক্ষা করে দোয়ারে দোয়ারে ধরনা দেয়, আর সবচেয়ে বড় কথাটি হচ্ছে অন্য খৃষ্টানেরাও দেখতাম তেমন পাত্তা দিত না। আমার পাশে থাকা এক নানকে একদিন তাদের কথা বলাতে সে বেশ বিরক্তি প্রকাশ করলো। মনে হলো ভাবখানা তারা তাদেরে এক ধরলেন আপদ মনে করতো যার জন্য তারা এদেরে এড়িয়ে যেত। তারা বাইবেল গ্রন্থের কিছু লিফলেট জনতাদেরে ধরিয়ে দিত। আমি সব সময় তা হসিমুখে গ্রহণ করতাম। এতে তারা খুব খুশী হতো, মনে করতো আমি তাদের ধর্মের দিকে ঝুঁকছি, জানতে চাচ্ছি এসব। কিন্তু তারা খুব কম জানতো যে আমি তাদের ধর্মের অনেক কিছুরই খবর রাখি। তারা আমার নামটি পর্যন্ত তাদের খাতাতে টুকে নিত এবং বাসার সামনে এসেই আমার নাম ধরে ডাক দিত। স্বভাবতই অবাক বিস্ময়ে আমি দরজা খুলে দিতাম। তাদের সাথে কথা বলতাম আর বলতাম আমি তোমাদের মতই হেটে না হলেও গবেষনায় সময় পার করছি। প্রতিনিয়ত জানছি, পড়ছি।  জানা যায় ১৯২৬ সাল থেকে দেওবন্দ শিক্ষিত কোন এক মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াসের প্রচেষ্টাতে এটি শুরু হয় ঐ সময় থেকে। জীবনে কিছু তবলিগ জামাতি পরিবারের সাথে পরিচিত হয়েছি যাতে বেশ কাছে থেকে তাদেরে অবলোকন করার সুযোগ হয়েছে। তাছাড়া অনেকেই এর বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করেন সঙ্গত কিছু যুক্তির কারণে সেটি জেনে এর উপর কিছু ইতিবাচক দৃষ্টিতে আজকের লেখাটি লিখছি। কেন জানি মনে হয় ক্রমে ওরা মূল সত্য থেকে বেশ বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। তবলিগে ছেলেরা চিল্লার নামে তিন দিনের, চল্লিশ দিনের জন্য পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের ঐসব জটিলতা মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে এবং অনেকের পারিবারিক দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করেছি। এসব ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক, এদের অনেক অগোছালো পরিবারের মহিলাকে বাচ্চাদেরে অনেক জটিলতার মাঝে পার করতে দেখেছি। এমতাবস্তায় পাড়শিরা চাঁদা তুলে তাদের পরিবারকে সহায়তা কর্তে শুনেছি দেখেছি। অনেক সময় অভিভাবকহীন মায়ের পক্ষে একা সামাল দেয়া জটিল হয়ে পড়তো। ইসলাম দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রচার করে “বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়”

চার দেয়ালের পারিবারিক গন্ডির মাঝে থেকে সৎ সুন্দরভাবে জীবনের সব দায় সুষ্ঠভাবে পরিচালনার মাধ্যমে পরিপূর্ণ জীবনাচার চালিয়ে যাওয়াই ইসলাম। নিজেদের পরিচিত গন্ডির মাঝে কেউ ঐ মতবাদে অনুরাগী হলে, এর উপর বিরুপ মন্তব্য অনেককেই করতে শুনি। সম্প্রতি ক্যানাডাতে আমার এক বোনজি থাকে, সে বলেছে তার বিল্ডিংএ তারা এভাবে ধর্মালোচনা করেন যদিও কেন জানি তারা কেউ কুরআন অনুসরণ করেন না, বরং অন্য কোন বই অনুসরণ করে। তখন সে প্রস্তাব দেয় কুরআন পড়তে। তারপর দুই এক সভাতে ওটি অনুসরণ করা হয়। আমি যতদূর জানি তারা “ফাজায়েলে আমল” নামে একটি বই পড়েন ও ফলো করেন এবং কেন জানি তারা সব সময়ই ঐ কেতাবটিকে খুব মনোযোগের সাথে ফলো করেন। শোনা যায় বইটি অদভুত সব গালগল্পে ভরা। এও বলা হয় ওটিই তাদের পথ নির্দেশিকা। বিশ^কে কুরআনের দিকে আহবান কথার ইঙ্গিত কুরআনেই এসেছে, সেখানে কেন এরা ধর্মধারীরা সেখানের মূল সত্য থেকে সামান্য হলেও তফাতে থাকবে?  অনুসারীকে কুরআন থেকে বিচ্ছিন্ন করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি। আমি নিজে বাস্তবে জানি না তাদের এই জটিলতার হেতুটি কি? তবে ছাত্র অবস্থা থেকে কিছু ছাত্র ছাত্রী, পড়শি সুজন থেকে যতটুকু জেনেছি মনে হয় শোনা কথাগুলি একদম মিথ্যেও নয়। ইদানিং শুনি অনেকে বলেন ইজতেমা এক ধরণের ছোট হজ্জ। মুসলিমরা জীবনে একবারই হজ্জ করবেন, তারই নির্দেশনা। তার আবার ছোট বড় কি? কেউ কেউ বলছেন এটি গরীবের হজ্জ। গরীবের জন্য আল্লাহর নির্ধারিত কোন হজ্জ বরাদ্দ নেই, সেখানে গরীবের জন্য এটি বেঁধে দেয়া ইসলামের কোন কাজ নয়। চৌদ্দশত বছর পূর্ব কুরআন এসেছে পূর্ণতার স্বাক্ষর নিয়ে। কুরআন নিজেই বলে তা পরিপূর্ণ বিধানাবলী নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছে।  তাকে খন্ডিত মনে করার যুক্তি নেই।

বলতে বাধা নেই এরা সংগঠিত হয়েছে এটি বলতে ভালোই শুনায় কিন্তু গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষের খারাপ মানসিকতার পরিবর্তন কতটুকু করতে পেরেছে, ঐ যোগ বিয়োগের হিসাব তাদের করা উচিত। তাহলে হয়তো এর বড় অর্জন তারা গোলাতে তুলতে পারবে। শবেবরাতের রাতে আমাদের দেশে জনতারা সারা রাত কেঁদে কেটে একাকার করে দেন এবাদত বন্দেগীতে। কিন্তু ফলাফল সব পাশ্চাত্যের গোলাতে উঠে, এর যুক্তিটি কি হতে পারে? যুক্তিটি হতে পারে এটি একটি বাড়তি এবাদত যা ধর্মের নির্দেশ নয়। কারণ সুরা কদরের রাত ব্যতিরেকে অন্য কোন রাতকে ইসলামের পরিভাষাতে কুরআনের ভাষাতে মর্যাদা দেয়া হয়নি। এটি কালের ধারায় গজিয়ে উঠা আচারের একটি, মূল ধর্মাচার নয়। যার সহজ পরিণতিতে আমাদের গোলা থাকে শূণ্যেভরা। সংক্ষেপে “নিঃসন্দেহ আমরা এটি অবতারণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে, এটি কি? এটি হচ্ছে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ। ফেরেশতাগণ  ও রুহ তাতে অবতীর্ণ হয় তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রতিটি ব্যাপার সম্বন্ধে শান্তি বিরাজিত থাকে ফজরের উদয় পর্যন্ত” (সুরা কদর, ১-৫আয়াত)। খুব স্পষ্টভাবে এটি সুনির্দিষ্ট করে বলা যে এ রাতটি হাজার মাস থেকেও উত্তম। এরকম আর কোন উত্তম রাত কুরআনে লিপিবদ্ধ নেই। তারপরও ভারত উপমহাদেশে দেখা যায় মুসলিমরা একটি ভিন্ন ধারার শবেবরাতের নামে এবাদত চালু করেছেন যার কোন ভিত্তি মূল ইসলামে নেই। তাই আজ স্পষ্ট করে বলা যায় এটি কালের ধারায় গড়ে উঠা এক অনাচারের নাম। ইসলাম এ ধারার আচার আচরণকে উৎসাহ দেয় না, বরং নিরুৎসাহ করে। যা ইসলামে নেই তা নতুন করে কেউ শুরু করলে তাকে বলা হয় বিদআত, আর এসব না করতে বলা হয়েছে। শক্ত করে বলা হয়েছে যারা বিদআত করবে তারা জাহান্নামে যাবে। সে হিসাবে এমন ধারার ইবাদত করে অনাচারের যোগান না দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। যে কেউ বলতে পারেন করলে ক্ষতি কি? সীমার বাইরে যাবার ক্ষতি এটিই, ধর্মের নামে কোন কিছু বাড়তি চালু করাই অপরাধ। যারা এটি করবে এর দায়ভার তাদেরেই বইতে হবে। সে জবাবদিহিতার দায়ভার জেনে মেনে সবাইকে পথ চলতে হবে।

ইসলাম কোন গাজাখুরী ধর্ম নয়, এটি শৃংখলার ধর্ম, নির্দেশের বাইরে যাওয়াটা আল্লাহ বিরুদ্ধ কাজ। আমাদের স্মরণ রাখতে হবে আদম ও ইবলিসের গল্পটির আড়ালে এটি বুঝানো হয়েছে যে আমাদের প্রতি পদে পদে বিভ্রান্তির বিচ্যুতির জটিলতাতে পড়তে হবে। এবং নিজের বুদ্ধি বিবেক বিবেচনা দিয়ে তার মোকাবেলা করতে হবে। পদে পদে শয়তান আমাদের বিভ্রান্ত করবে আর বিবেক তাকে চিহ্নিত করতে সক্ষম। বলা হয়েছে শয়তান আমাদের প্রকাশ্য শত্রু, লুক্কায়িত কিছু না, আড়ালে থাকে না।। আমরা তাকে দেখলেই চিনতে পারবো, সে আসবে বন্ধু হয়ে স্বজন হয়ে নেতা হয়ে। শয়তান সেদিন এটিও স্পষ্ট করেছে যে তোমার সঠিক অনুসারীকে আমি বিভ্রান্ত করতে পারবো না তবে তোমার বেশীর ভাগ হবে আমার অনুসারী পথহারার দল। সবকিছু বিবেচনায় রেখে সুচিন্তিত ভাবে এসব জটিলকে সহজভাবে নিতে হবে কারণ এ ধর্মটি মুমিনদের জন্য ১০০% লাভ জমা করবে যদিও এটি সবার জন্য এসেছে। এর অনুসারীরা প্রতিটি দিন প্রতিটি নামাজের সময় তারা সহজ সরল পথে “সিরাতুল মোসতাকিম”এর দিকে পরিচালিত হবার দোয়া করেন। মোনাফিক ও মুশরিকরাও এবাদতে সামিল হন, তবে শয়তানের কবজায় তারা দুনিয়ার বেশী সময় পার করেন। শয়তান তাদেরে আলিঙ্গনে নিজের দলে রাখে বলে তারা মুমিন হতে পারেন না। তবলিগ ভাইদের কাছে আবদার রাখি আপনারা ধর্মের মূল সত্যে মূল গ্রন্থ কুরআনে প্রত্যাবর্তন করুন। ফাজায়েলে আমলকে এত বেশী প্রধান্য দেয়ার কোন যুক্তি খাটে না। যতটুকু জেনেছি ওর মাঝে একগাদা মিথ্যায় ভরা অনাচারি গল্প দিয়ে ঠাসা যার কোন ধর্মীয় বা ঐতিহাসিক মূল্য নেই।  এ ধারার গ্রন্থকে আমলে দেয়া মানে বিভ্রান্তিতে আরো ডুবে যাওয়া, তা না করে বরং কুরআনকে মূল্যায়ন করাই প্রকৃত ধার্মিকের কাজ হওয়া উচিত। তা ছাড়া পৃথিবীতে অন্য কোন গ্রন্থের সাথে কুরআনের তুলনা চলে না। ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য কি শুধুই দোয়া করা? কর্মহীন এবাদতের মূল্য ইসলামে বড় অল্প। ইসলাম একটি কর্মময় জীবনধারা।

আপনারা নিশ্চয় সবাই জানেন সেই কাঠুরিয়ার গল্পটি। নবী করিম (সঃ) তাকে তার নিজের পুরোনো কম্বল বিক্রি করে কুঠার কিনে তা দিয়ে কাঠ কেটে জীবন পরিচালনা করায় উৎসাহ দেন কিন্তু ভিক্ষুককে ভিক্ষা করতে নিরুৎসাহিত করেন। ধর্মে অবস্থাপন্নকে গরীবকে জাকাত দিতে উৎসাহ দেয়া হয়েছে কিন্তু তাই বলে গরীবকে হাত পাততে বলা হয় নাই। এটি হচ্ছে মর্যাদাবান ইসলামের মূল শিক্ষা, মানুষকে কর্মী করে গড়ে তোলার শিক্ষা। আমাদের সমাজে বরং উল্টো মানুষকে হাত পা ভেঙ্গে পঙ্গু করে ভিক্ষুক হতে দেখা যায়, কারণ এরা ইসলামের মূল থেকে কত দূরে অবস্থান করছে, এ তার উদাহরণ মাত্র। একজন শ্রমিক একজন রিক্সাচালক অনেক বড় দরবেশের পদ দখল করে আছে, তারা যে কঠিন কষ্টের অর্জন জমা করছে, মৌমাছির শ্রমের মধু আহরণের সাথে তুলনীয় হতে পারে। তাদের পাওনা যে কি হবে সেটি চিন্তা করেন সচেতনরা। তারা বেশির ভাগই সৎ, আল্লাহর খুব কাছের জন। যে নারী যে পুরুষ ইট ভেঙ্গে দেশ গড়ার কাজে হাত দাগিয়েছে, তার মূল্য কি একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার বা প্রধানমন্ত্রীর থেকে খুব কম? মনে হয় না, বরং মনে হয় হয়তো তার বহু উপরে সে পৌছতে সক্ষম শুধু তার অর্জন দিয়ে সে আকাশ ছুঁতে সক্ষম। যদি সদাচরণে যৌবনে একজন যুবক চলতে পথে আল্লাহর স্মরণে, ঘোষ, নেশা,  দুর্নীতি, ধর্ষন, মদ, চুরি, রাহাজানি, ডাকাতী এক কথায় সব ধরণের অনৈতিক কাজ থেকে দূরে থাকে, তার পাওনা কোন গন্ডি দিয়ে বেঁধে রাখা যাবে না।  তখন তারা এরকম একটি অর্জন জমা করতে পারবে, যখন তার ঈমান শক্ত থাকবে, কোন অবস্থায়ই তারা ওপথ মাড়াবে না। তাকে গাটের পয়সা খরচ করেও আপনি বিভ্রান্ত করতে পারবেন বলে মনে হয় না। কারণ সে অসাধারণ জীবন মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে সত্যকে স্পর্শ করতে পেরেছে বলেই সে সৎ থেকেছে, এর বাইরে আর কোন পরিচিতি তার নেই। সে বিশ^ জয় করা তরুণ। আপনাদের তাকেই গড়তে হবে। এমন ধারার যুবককে দিয়ে বিশ^ জয় করতে সময় বেশী লাগবে না। পাশাপাশি ভিন্ন সমাজ থেকে এসব কারণে মুসলিম সমাজে এসব অপরাধ নেই বলাই উচিত। এর প্রধান কারণ ধর্ম তাদের নৈতিকতার গন্ডি বেধে দিয়েছে, যা অন্যরা পারে নাই। তারপরও আমাদের সমাজে কেন এসব দুর্নীতি মাথাচাড়া দিয়ে উঠে তার কোন জবাব নেই। এর প্রধান কারণ মূল আদর্শটি তারা রপ্ত করতে পারে নি আত্মায় অন্তরে। এর গাফিলতির দায় সমাজের বাকীদের ঘাড়ে বর্তায় শিক্ষক অভিভাবকসহ সমাজ ব্যবস্থা মানুষকে পশুত্ব চর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে। আপনারা নৈতিকতার দিকদর্শক হিসাবে এসব শোধরানোর জন্য ইতিবাচক কাজ করতে পারেন। কারণ যারা আপনাদের ঐ জলসাতে এসেছে, তারা অনেকেই আকন্ঠ ডুবে আছে অপরাধের স্বর্গরাজ্যে।

এসব অপরাধীদের অপকর্মে গড়া দোয়ার কান্নাতে কি বিধাতার মন টলবে? অপরাধি হলে বিধাতার অনুগ্রহ না পাওয়ারই কথা। শত অপরাধ করে বেহেশতে চলে যাওয়ার মেকী গল্প না করাই উত্তম কারণ এসব কুরআন বিরুদ্ধ প্রচারণা অনেক সময় আমাদের সমাজে বিলি করা হয়। প্রকৃত গ্রন্থকে পাশ কেটে নকল কথার বানিজ্যে ব্যবসা সফল হবার কথা নয়। ধর্মটি এত বোকার ধর্মও নয়। পাপীর জন্য এখানে শক্ত বেরিকেড দেয়া, উদ্ধারের সব কটি রাস্তা সিলগালা করা অপরাধীর জন্য। যদিও অনেক ওয়াজে আমরা রঙ্গ রসের অনেক গল্প শুনি বাস্তবে কুরআন এসব স্পষ্ট করেই বিবৃত করেছে এবং এসব থেকে দূরে সরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে, একবার নয় বারে বারে। নষ্ট ও অপরাধী উদ্ধারের সোজা রাস্তা নেই বলাই সমিচিন। “নিঃসন্দেহ তিনি জানেন কথাবার্তার প্রকাশ্য দিক আর জানেন যা তোমরা গোপন কর” (সুরা আম্বিয়া অর্থ নবীগণ, ১১০ আয়াত)। আল্লাহ বলেন, “এটি দুনিয়ার জীবন হচ্ছে তোমাদের জন্য একটি পরীক্ষা আর কিছুকালের জন্য জীবন উপভোগ” (ঐ সুরা, ১১২ আয়াত)। এবাদতের শর্ত হচ্ছে মানুষকে নির্মল হতে হবে, হালাল খেতে হবে, হালাল রোজগার ঘরে তুলতে হবে। তার হিসাব খুব সহজ। বাংলাদেশের কয়জন মানুষ টাকার রং দেখেন, তারা মনে করেন টাকা হলেই চলে, এর আবার সততার দরকার কি? আল্লাহর কম্পিউটার কিন্তু টাকার প্রকৃত রং চিনতে অতিরিক্ত সক্ষম। দেশটি ডুবি ডুবি করে দুর্নীতির লিস্টে সব সময় উপরের লিস্টে নামেদাগে চিহ্নিত হয়, কারণটি কি? এসব বিষয়ে আপনারা তবলিগের মাহফিলে ইজতেমাতে মানুষকে দিক দর্শন দিতে পারেন, তাদেরে অপরাধের পথ থেকে সরে আসার আহবান জানাতে পারেন। নয়তো এসব দোয়া অরন্যে রোদন ছাড়া আর কোন কিছু কি জমা করতে পারবে? একটু কান পেতে শুনুন আল্লাহ কি বলেন, “আর আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মধ্যে যা কিছু আছে সে সমস্ত আমরা খেলাচ্ছলে সৃষ্টি করিনি” (ঐ সুরা, ১৬ আয়াত)।

অনেক ধর্মে বলা হয় কাজ করে যাও, ফলাফলের আশা করো না। কুরআন কিন্তু তা কখনোই বলে না। সব সময়ই আশায় বেধে রেখেছে তার অনুসারীকে। ইসলাম ও কুরআন সুকর্মের বদলে সুফলের ১০০% গ্যারান্টি দেয়। উদ্দেশ্যহীন তপজপের মূল্য ইসলামে নেই। এটি অতি বৈজ্ঞানিক নিয়মে বাধা ধর্মের মালিকানা সত্য ও নীতিতে গড়া। অনাচার অসত্য বিভেদ বিভক্তির ১০০% বিরোধী মনোভাবে ইসলাম ঠাসা। সেখানে অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন নামে যে দল গড়েছেন বিভিন্ন সংস্থার নামে মূলত ইসলাম এসব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত মাত্র একটি গাথুনিতে পরিচিত। তাই কড়া করে বলা হয়েছে এ ধর্মে কোন বিভক্তি আনা যাবে না। কিন্তু আমরা বেওকুফরা সে মূলকে শক্ত করে শিকলে বেঁধে রাখতে পারি নি বলে ধর্মের নামে আমাদের মাঝে এত বিভেদের ছড়াছড়ি। হাদিসে জানা যায় মানুষ এভাবে ৭৩ দলে নাকি বিভক্ত হবে, এবং মাত্র একটি দল থাকবে সত্যের উপর। তার সহজ মানে হচ্ছে একমাত্র ইসলাম ছাড়া বাকীরা বাতিল বলে গণ্য হবে। তারও সহজ সমিকরণ হচ্ছে বা হবে ৭৩ থেকে ৭২কে ফেলে দিয়ে ঐ মূল একে ফিরতে হবে সবাইকে, তবেই রক্ষা নয়তো বাকী ৭২দলের কঠিন মরণ। সেই একক সত্ত্বায় ফেরার কৌশলও বাতলোনো আছে পবিত্র গ্রন্থে, শক্ত করে ঐ গ্রন্থের গাটছড়া বাঁধতে হবে।

ইদানিং শুনছি বাংলাদেশে খুতবা নির্ধারণ করার ব্যবস্থা হচ্ছে। উদ্যোগটা উদ্দেশ্য মহৎ হলে মন্দ ছিল না, কিন্তু মনে হচ্ছে তারা এর মূল ছেড়ে দেয়াতে অভিস্ট  লক্ষ্যে পৌছা তাদের ইচ্ছা নয়। বলা হচ্ছে সেখানে কোন রাজনীতির কথা থাকতে পারবে না। ইসলাম কিন্তু এসেছিল সমাজে উত্থিত প্রতিটি সমস্যারই সমাধানে। মসজিদে কোন দিনই জঙ্গি তৈরী হয়নি, ঐশী আদর্শে গড়ে তোলা একদল মানুষ তৈরী করা হয়। যারা এক আল্লাহ ব্যতীত কারো তোয়াক্কা করে না, কোন অনৈতিকতার গোলামী তারা করে না। তবে জীবন চলতে প্রতিটি নীতি নৈতিকতার অতিরিক্ত মূল্যায়ন করে। মসজিদই বড় রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়  প্ল্যাটফরম বলেই জানি। মসজিদই ছিল প্রাক ইসলামের সংসদ। সেখানে প্রতিটি জটিল বিষয় আলোচিত হতো এবং এর উপর ভিত্তি করে নৈতিকতার মানবিকতার আদর্শ ঐশী গ্রন্থের আলোকে উত্তমকে গ্রহণ করা হতো। জামাতের নামাজ তাদের শিখিয়েছিল সামাজিক সাম্যতা আর মহান ঐক্যতার বন্ধন। ঐ একতার কারণে ক্রমে রক্তের বন্ধন থেকে মুসলিম ভাতৃত্বের স্থানও উপরে উঠে আসে। নামাযই ছিল মুসলিমদের ড্রিলের ময়দান। ভাতৃত্বের বন্ধন এতই জোরালো ছিল যে, বিভেদ সেখানে কোনভাবেই জায়গা করতে পারে নি। সবার লক্ষ্য এক আল্লাহকে স্পর্শ করা। কোন পীর মুরশিদকে স্পর্শ করার দায় কোন জনতার মনে খন্ডিতভাবেও ছিল না। আল্লাহ ছাড়া আর বাকী কোন শক্তির পূজা এরা করে না, মসজিদে তা হয় না। ইসলাম পীর মুরশিদের গোজামেলে রাস্তাকে মূর্তিপূজার সাথে তুলনা করে। সেখানে একমাত্র আল্লাহর ঐশ^রিক একাত্বতার স্বীকৃতি সমর্থনীয়।

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

মদীনায় প্রথম সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রিয় নবী ইহুদী, পৌত্তলিক ও মুসলিমদেরে দেশের সাধারণ স্বার্থরক্ষার্থে ও দেশের মঙ্গলের জন্য একটি রাজনৈতিক জাতি বা কওমে পরিণত করার ডাক দেন। সেদিন যার যার ধর্ম নিয়েও প্রতিটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধ হয়ে দেশ সেবাতে এক অবিস্মরণীয় প্রতিজ্ঞাপত্রের বদৌলতে প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক সনদে এক সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। যেখানে প্রত্যেকের স্বকীয়তা, স্বাধীনতার মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়। পীর মুরশিদের জন্য আলাদা কোন তকমা প্রচার করার সুযোগ থাকে নাই। লক্ষ্য ছিল একটি ন্যায় ও সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটি এমন একটি সময় ঘটে যখন গোটা আরব জাহেলিয়াতিতে আকন্ঠ ডুবে ছিল তখন একদল মানুষকে নবী মোহাম্মদ (সঃ) বিশে^র ময়দানে মানবতার ডঙ্কা বাজিয়ে এগিয়ে নিতে হাজির হন। সেদিন মসজিদের প্রতিটি মানুষ ছিল সত্যের সৈনিক। সেদিন ঐ সাধারণতন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য ছিল শক্তিমানের অত্যাচার থেকে দূর্বলকে রক্ষা করা। আজ যদি এসব বেরিকেড দিতে প্রবল হয়ে আরো দুর্বলকে আঘাত করা হয় তবে এর উদ্দেশ্য অংকুরেই বিনষ্ট হতে বাধ্য। কারণ যারা এর গুরুদায়িত্বে শোনা যায় তারা  অনেকেই নিজেরাই বিতর্কিত মানুষ তাদের কাজে কর্মে। এরা শক্তিমানের রাজদন্ড হয়ে দূর্বলকে আঘাত করলে ইসলামকেই সমূলে উৎপাটন করা হবে। বলা হচ্ছে সেখানে কোন রাজনীতির কথা আসবে না। কারণটি কি? রাজনীতি কি ইহকালীন কোন সমস্যা নয়? রাজনীতি কি পরকালীন কোন সমস্যা মাটির নীচের কবরের ব্যাপার, যার কোন প্রয়োজন নেই জীবন সংগ্রামী মানুষের? রাজা যা ইচ্ছা তাই করবেন কেউ কিছু বলবে না, তা কোনদিনও ইসলামের বিষয়বস্তু ছিলও না, থাকার কথাও নয়। ইসলাম এক বিশ^ সমাজ গঠনের স্বপ্নে গড়া আদর্শ। একে রাজনীতির সূতা নাতা দিয়ে কষে বাঁধতে গেলে মৌল ইসলামকেই ধ্বংস করা হবে।

চলমান প্রসঙ্গের এ খবরটি উল্লেখ না করে পারছি না। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ধর্মদ্রোহী আখ্যা দিয়ে ১৫ বছরের এক ছেলেকে হাত কাটার নির্দেশ দেন সাব্বির আহমদে নামের এক ইমাম । সে নির্দেশটি পালন করতে ঐ ছেলেটিকেই বলা হয়। সুবোধ বালকটি নিজে তার হাত কেটে উপহার হিসাবে ইমামের স্মরণে পাঠায় । ১৭ জানুয়ারীর খবরে সেই ভয়ঙ্কর ইমামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য প্রশ্ন না বুঝে ভুলভাবে হাত তোলাতে শালিস কমিটির বরাতে তাকে এ ফতোয়া দেয়া হয়। এ ধারার ফতোয়াবাজরা অন্যায় ফতোয়াই দেন, বোঝা যায় তারা ধর্ম শিখেননি। মূল গ্রন্থ কুরআন তাদের আমলে নেই বলেই তারা এসব কুরআন বিরোধী অনাচার করছে আর ধর্মের ঘাড়ে বন্দুকটি রেখে বোকাদেরে শিকার করছে। যারা কুরআন বিরোধী কোন কাজ করবে তাদেরে কঠিন শাস্তির বিধান রাখা উচিত। এর সহজ যুক্তি কুরআন বিরোধী মানে আল্লাহ বিরোধী। তাহলে মানুষ ফতোয়ার নামে এমন ধারার অপরাধ করবে না। কুরআন একমাত্র গ্রন্থ যেখানে ন্যায় নীতি ছাড়া অনৈতিকতার কোন উদাহরণ নেই। যারা কুরআনের প্রতিটি ম্যাসেজের সাথে গভীর বিশ^াসে জ্ঞাত নয়, জড়িত নয়, তাদেরে এসব ইমামতির দায়িত্ব দেয়া উচিত নয়। যেখানে কুরআনের বক্তব্যযে কেউ হত্যা করে একজন নির্দোষ মানুষকে যেন সে সবাইকে হত্যা করলো। আর যে কেউ একজন নির্দোষকে বাঁচালো সে যেন সমস্ত লোকজনকেই বাঁচালো (সুরা মায়েদার ৩২ আয়াতে)। এরা কুরআন না বুঝেই মুখস্ত করে, তাই এর মূল্যবান বাণীসমূহ তাদের অন্তরে প্রবেশ করে না। সমস্ত মুসলিম বিশে^ এ ধারার জনতাকে ইমামতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া উচিত।

ইতিহাস বলে প্রাথমিক ইসলামে যদি কেউ এ ধারার সামান্যতম ভুল ত্রুটির উদাহরণ স্থাপন করতো, সাথে সাথে প্রকাশ্য ময়দানে তাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হতো, এতে মানুষ এসব অপরাধ করার সাহস পেতো না। হয়রত ওমরের সময়ে তামিদদারী নামক একজনকে মিথ্যা গালগল্প প্রচারের অপরাধে বেত্রাঘাত করা হয়, তিনি ধর্মের নামে মিথ্যা গালগল্পকে ধর্মের গল্প বলে চালানোর প্রচেষ্ঠা করেন। ঐ বিতর্কিত ইমামের প্রশ্নটি যা বালকটি বুঝতে পারে নাই তা ছিল নবী মোহাম্মদ(সঃ)কে মহব্বত করা ও না করা বিষয়ে। তখন সে ভুলক্রমে প্রশ্নটি না বুঝে হাত উঠায় যাতে ইমাম সন্তুষ্ট হতে পারেন নি। এ ধারার ধর্ম বাহকেরা ধর্মের খোলসের বাইরেই ঘোরাফেরা করেন, ভেতরে প্রবেশ করে এর মহানুভবতাকে স্পর্শ করতে পারেন না। গবেষণা তথ্য বলে প্রিয়নবী মোহাম্মদ(সঃ) বিশেষ তাগিদ সহকারে বলে যান যে, “সাবধান! খ্রীষ্টানেরা যেরূপ মরিয়মের পুত্র যীশুকে বাড়াতে বাড়াতে অসীম ও নিরাকার “পরম পিতার” আসনে বসিয়ে দিয়েছে। তোমরা যেন আমার সম্বন্ধেও সেরূপ অতিরঞ্জন করো না, আমি তো আল্লাহর একজন দাস ও তার বার্তাবহ আর কিছুই নহি (মোসলেম–মেশকাত-২৮)। উপরোক্ত সূত্রতে ঐ সব ধর্মে অনভিজ্ঞ ইমামদের জানবার শিখবার অনেক বড় বানী লুকিয়ে আছে। আমার নিরপেক্ষ কাতর মাতৃমন বলছে সে যদি ঐ দিন মসজিদে না যেত তবে এ বিড়ম্বনার সামনে পড়তো না, তার হাতটি অন্তত বাঁচতো। এতে এটি কি স্পষ্ট হয় না যে ঐ ইমাম সন্তানদেরে নামাজের চেয়ে বখাটে হতেই উৎসাহ যোগিয়ে যাচ্ছেন, নয়কি? সব বিতর্কিত ধর্ম না বোঝা প্রচারক ইমামদের কাছে প্রশ্নটি জমা রাখলাম।

ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারনা গুলোর সমাধান – ডাঃ জাকির নায়েক বাংলা

 

দেশে এত এত সমস্যা যার কোন শেষ নেই। প্রতিটি সমস্যাই সেখানে কমবেশী আলোচিত হতে পারে। রক্ষক হয়ে পুলিশ নির্দোষ মানুষ ধরে যমের ঘরে পাঠাচ্ছে, ইসলামের প্রকৃত নীতি হিসাবে সেটিও সেখানে মসজিদে আলোচিত হতে পারে। হিন্দুদের মন্দিরে আগুন কে বা কারা দিচ্ছে তাও খেলাসা করার উদ্যোগ সেখান থেকে নেয়া যেতে পারে। ইদানিং ফেসবুকে অনেক প্রমাণসহ খবর পাই যে অনেক জায়গায় বোকা মুসলিমদেরে ফাঁসাতে হিন্দুরাই নাকি নিজেদের মূর্তি নিজেরা ভাংচুর করছে। এসব প্রতিটি জটিলতার উপরই ওখানে আলোচনা হতে পারে। ইদানিং জঙ্গিপনার নামে কিছু কথা আসছে, তা প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা নয়। জঙ্গিপনার নামে ছেলে মাকে হত্যা করে ফেলছে, এটি কি ধরণের ইসলাম, এমন ধারার ইসলাম কোন দিন নবী করিম প্রচার প্রতিষ্ঠা করেন নাই। আল্লাহর নির্দেশ হচ্ছে আল্লাহর পরই ছেলে মেয়েকে মায়ের বাপের প্রতি নজর দিতে হবে। চিন্তা করুণ সচেতনরা, এটিই একমাত্র ধর্ম যেখানে একজন মা বাবাকে কত উপরে স্থান দেয়া হয়েছে। কেউ যদি মাকে হত্যা করে তাতে আল্লাহ খুশীতে গদগদ হয়ে যাবেন যারা ভাবে তারা ইসলামের গভীর সত্যে ঢুকতে পারে নাই বলে এমন মিথ্যাতে সয়লাব হয়ে গেছে। কুরআন বলে ‘বলো “তোমাদের কি দৃষ্টিগোচর হয়েছে, – তোমাদের উপরে যদি আল্লাহর শাস্তি এসে পড়ে আতর্কিতে অথবা প্রকাশ্যভাবে, তবে অত্যাচারী গোষ্ঠী ছাড়া আর কাউকে কি ধ্বংস করা হবে”? “অতএব যে কেউ ইমান আনে ও সৎকাজ করে তাদের উপরে থাকবে না কোনো ভয়ভীতি, আর তারা করবে না অনুতাপ (সুরা আন’আমএর ৪৭/ ৪৮ আয়াত)।

নাজমা মোস্তফা

কিভাবে তবলিগ করতে হবে এর উপর সুন্দর উদাহরণ বর্তমান। এর উপর উপরে একটি ভিডিও লিংক দিচ্ছি। উপরে ওটিও মুছে দেয়া হয়। যারা চায় না প্রকৃত ইসলাম প্রচারিত হোক তারা এসব সহ্য করতে পারে না।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: