Articles published in this site are copyright protected.

koyla

বনের নামই সুন্দরবন। কতটুকু যে তার রুপ, নাম থেকেই আঁচ করা যায়। আজ তার রুপের হাটে কালিমা লেপনের প্রক্রিয়া চলছে। হতভাগ্য দেশ ও দেশবাসী এক তুগলকি শাসকের পাল্লায় মর মর অবস্থাতে দিন গুজরান করছে। সরকার নিজের গদি রক্ষায় বিভোর এক সংকীর্ণ স্বপ্নের দেশ গড়ছে, আর কপট সৎমার মত বাকী সবার জীবনকে এক যুগ সন্ধিক্ষণে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সরকারের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহি চৌধুরী যুক্তি দেখিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষ বিদ্যুৎ চায়, সাধারণ মানুষ যা চায় সরকার তারই ব্যবস্থা করছে। তাই ২২ অক্টোবর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে। বাস্তবে জনগণের চাহিদার দিকে সরকারের মোটেও নজর নেই। সরকারের যা ইচ্ছে তাই করছে, এর ভুরি ভুরি প্রমাণ সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। হাতের আঙ্গুলে গোনা কয়দিন সরকারের বাকী, অন্তত প্রস্তর আর ভিত্তি তার করে যাওয়া চাইই। এরা শত সমস্যার আলামত আগাগোড়া সব জানলেও কোন সমস্যা উপলব্ধি করে বলে মনে হয় না। তাই তাদের দৃষ্টিতে সুপার ক্রিটিক্যাল টেকনোলজিতে নির্মাণাধীন এই নব্য ডিজিটাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র “পরিবেশ বা সুন্দরবনের কোনই ক্ষতি করবে না”। বনের সাথে একটু পরিচয় করিয়ে দিতে মন চাইছে। তাই সেটিও পাঠকের জন্য সংযোজন করলাম।

Sundorban Beauty of Bangladesh Bangla Documentary — World haritage সুন্দরবন বাংলাদেশের সৌন্দর্য

এটি মনে হচ্ছে তারা মনে মনে নিশ্চিত, তাই এত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তাদের এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতেই হবে, না হলে জাতীকে ডুবাপানি গেলানো যাবে না। যেখানে পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে মমতাময়ী মায়ের দেশ ভারতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশাল ভারতের কয়েকটি প্রদেশেই এ ধরণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়নি। কিন্তু বোকারাম হাদারাণীর দেশ বাংলাদেশ কেন কয়লার ময়লাতে চুবিয়ে মনুষ্য বহুল অধিবাসীদেরে ডুবাবে না। ভারতের লাভ পা থেকে মাথা অবদি, শুধু ট্রিগারে টিপ দিলেই পাখি মরে রান্না হয়ে ডিনারের টেবিলে এসে হাজির হয়ে যাবে। খাওয়ার কষ্ট ছাড়া কোন দায় তাদের নেই। তাইতো তাদের সুখবুলি ‘তোরা বাংলাদেশীরা মরতে জানিস ভাই, তোদের কয়লায় মরণ নাই’। দুর্ভাগ্য বাংলাদেশীদের! যার ঘরে মাএর বদলে সৎমা থাকে, তার বিপদ বিপর্যয় একটু বেশীই থাকে।

“জনতার কথা” Published on May 17, 2016

বিদ্যুতের বাস্তব অবস্থা ভয়ানক। বাস্তবতার পথ না মাড়ালে যা হয়, তাই হয়েছে। কল্পনাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গেলে নানান বিড়ম্বনা আসবেই। তাই ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেও জনতারা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎহীন। এসব তুগলকি বৈদ্যুতিক কুইক রেন্টাল ব্যবস্থা। লোড সেডিং খেতে খেতে বিদ্যুৎহীন জনতারা অন্ধকারে পথ হাতড়ে মরছে। তারপরও বাড়তি লোডসেডিং দিতে প্রধাণের হুমকি তাড়িত করে জনতাকে বিদ্যুতের বারোমজা বুঝাতে। সবই সরকারের মোটাবুদ্ধির কারবার, সব সময় বুভুক্ষদের জন্য টাকা বানানোর দিকে নজর থাকলে যা হয়, তাই হয়েছে। বুঝতে হবে একবিংশ শতকে বাংলাদেশের মাটিতে যেন দিল্লীর শাসক সুলতান মোহাম্মদ বিন তুগলক ফের ক্ষমতাতে। তার চিন্তার সমন্বয়ের অভাবে একের পর এক প্রকল্প ব্যর্থ হতে থাকে। তাই লোকে তাকে পাগলা তুগলক আখ্যায়িত করলেও তার কাজে কোন সংকীর্ণতা বা অন্য কোন নেতিবাচক অপবাদ শোনা যায়নি। সুশাসক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে চাইলেও তিনি এখানে এক ব্যর্থ শাসক হিসাবে পরিচিত হন।

উল্লেখ্য ভারত বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে বাগেরহাটের রামপালে ১৩২০ মেগাওয়াটের এক কয়লা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হতে যাচ্ছে। এটি শুধু বাংলাদেশের কারখানা নয়, এটি ভারতেরও কারখানা কিন্তু অবস্থানগতভাবে এর জমি মাটি বাংলাদেশের, শরীর মন আত্মায় আক্রান্ত হবে শুধু বাংলাদেশ নিজে। এর উপর দীর্ঘদিন থেকে হতভাগা দেশটির পরিবেশবাদীরা আপত্তি জানিয়ে আসছে কিন্তু দাম্ভিক সরকার কোন সামাজিক, রাজনৈতিক, পারিপার্শিক, ধর্মীয় বা মানবিক ইস্যুকে তোয়াক্কা করার প্রয়োজন মনে করে না। তাই তড়িঘড়ি শেষ ঘন্টাটি বেজে উঠার ঠিক আগ মূহূর্তে কয়লা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের চুড়ান্ত দিন ক্ষণ ঠিক করেছে। এটি এক চরম বাস্তবতা, এ তুগলকি শাসকবর্গের ভিন্নধর্মী আচরণে জাতি হৃদয় মনে মুমূর্ষু হয়ে আছে। সুন্দরবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি, কিছু বাম সংগঠন, পরিবেশবাদী সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, ও সচেতন গোষ্ঠীসহ ছাত্র শিক্ষকের বিশাল বহর। দুর্জনের যেমন ছলের অভাব হয়না, সরকারেরও ছলচাতুরীর কমতি নেই। তাই বর্জ্য নির্গমনও তাদের হিসাবে চোখে কম পড়ছে, সেভাবেই সাজিয়ে কম করে দেখানো হচ্ছে। মানবজমিন ডেস্কএ প্রকাশ দূষিত বর্জ্য নির্গমনের মাত্রা কম দেখিয়েছে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সবকিছুতেই স্বচ্ছতার অভাব চোখে পড়ার মত। বছরে ৫২ হাজার টন বিষাক্ত সালফার ডাই-অক্সাইড নির্গত হবে, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। উদাহরণ হিসাবে এ ধরণের একটি প্রকল্পে এখানে আমেরিকার টেক্সাসে ১৯৭৯সালে ফায়েটএ একটি কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র এভাবে রাজ্যজুড়ে পরিবেশ নিরাপত্তাতে আক্রান্ত হয়। ২০১০ সালে বিজ্ঞানীদের বরাতে জানা যায় ৩০ হাজার টন সালফার ডাই-অক্সাউড ওখান থেকে নির্গত হচ্ছে। এতে জনরোষ বৃদ্ধি পায় এবং কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

Atv News | 03 August 2016|সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুত নির্মান কেন্দ্র চুিক্ত করলেন হাসিনা

সরকার বলছে এটি সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে। বিরোধীরা বলছে, কয়লাচালিত বিদ্যুতকেন্দ্র জীববৈচিত্র ভরপুর এলাকার এত কাছে যে পানিপথ, শাকসবজি, জীবজন্তুসহ গাছবৃক্ষ সবই আক্রান্ত হবে এতে ‘লাভের গুড়টুকু পিপড়াতেই খাবে’। বাস্তবে দেশবাসীর উপকারের চেয়ে অপকারের মাত্রাটি গুণতে হবে কয়গুণ নয়, বহুগুণ বেশী। যেখানে বাংলাদেশ নিজেই তার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে পারছে না সেখানে আবার ভারতই বা কেন? সবকিছুতেই কেন ভারতকে এক বড় ভাগ দিতে হবে? কারণটি কি, বাংলাদেশ কি ভারতের কেনা গোলাম? আর বিশাল ভারতের এত জায়গা থাকতে সেটি কেন ভারতে হচ্ছে না, এটি কেন এক চিলতে মাটির পড়ো বাড়ির উপরই গড়তে হচ্ছে? এসব প্রশ্ন জনমনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছে। যেখানে জানা যায় গুজরাট মধ্যপ্রদেশে দুটি কয়লাচালিত বড় ধরণের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ তারা বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ মোশাহিদা সুলতানা রিতু বলেন, “এটি এক ধরণের ভন্ডামি। তারা নিজেদের দেশে কাজ বন্ধ করে অন্য দেশে এসে আইন ভঙ্গ করছে”। সুন্দরবন বাংলাদেশের অস্তিত্বের রক্ষাকবচ। তাকে কেন এভাবে ধ্বংস করে দিতে হবে? এ চক্রান্ত একটি দেশের বিরুদ্ধে নয়, বলা চলে গ্লোবেল ওয়ার্মিংএর যুগে এটি বিশ্বের পরিবেশের উপর হামলা স্বরুপ কাজ করতে সরকার মনস্থ করেছে। ভুগোলবিদরা মনে করেন দশ বছরের মাঝে ঐ এলাকা শ্মশানে পরিণত হবে। দেশটি কি স্বাধীন হয়েছিল এভাবে পরাধীনতার ফাঁস গলাতে পরার জন্য, এটি সরকারের প্রতি দেশবাসীর এক বিরাট প্রশ্ন? সুন্দরবনকে বাঁচানো আজ দেশটির বাঁচা মরার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একের পর এক বিপর্যয়ে দেশবাসী আকন্ঠ ডুবে আছে, মাথা তুলে দাঁড়াবার ফুরসত তাদের কই? যেন এটি সরকার নয়, জনগণের কাঁধে চেপেছে এক ভয়ানক সিন্দাবাদের ভুত!  এ সিন্দাবাদী সরকারের কান্ডকারখানা বুঝার ক্ষমতা কোন বিশেষজ্ঞেরও আছে কিনা সন্দেহ? দেখুন নিচের হিসাবটি যতটুকু আঁচ করতে পেরেছি কত ভংঙ্কর তার রুপরেখা:

১.  বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হবে ভারত বাংলাদেশের সমান অংশীদারীত্বের ভিত্তিতে। বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানী নামে এক কোম্পানী গঠিত হয়েছে।

২.  এর অর্থায়ন হবে ১৫% পিডিবি, ১৫% ভারতীয় পক্ষ আর ৭০% ঋণে হবে। মূল ৫০% হারে দুভাগ হবে। বিদ্যুতের দাম খরচের ফর্মুলা হিসাবে নির্ধারিত হবে। সে হিসাবে প্রতি ইউনিট হবে ৮ টাকা ৮৫ পয়সা ঠিক করা হয়েছে। যেখানে সরকার মাওয়া থেকে ৪ টাকায় প্রতি ইউনিট এবং আনোয়ারার তিনটি বিদ্যুৎ ও লবনচড়া থেকে ৩টাকা ৮০ পয়সাতে কিনবে বলে পিডিবির সাথে চুক্তি হয়েছে।

৩.  এখানে ১৮৩০ একর ধানী জমি অধিগ্রহণের ফলে ৮,০০০ পরিবার উচ্ছেদ হবে। ৬০০ জনের কর্মসংস্থান হলেও উদ্বাস্তু ও কর্মহীন হয়ে পড়বে প্রায় ৭,৫০০ পরিবার। সাথে সাথে হারাবে বিরাট কৃষি উৎপাদন সম্ভাবনা।

৪.  বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১০ ব্যাসার্ধে বছরে ৬২,৩৫৩ টন ও প্রকল্প এলাকাতে ১২৮৫টন ধান উৎপাদিত হয়। ধান ছাড়াও ঐ ১০ ব্যাসার্ধে বছরে ১,৪০,৪৬১ টন অন্যান্য শস্য উৎপাদিত হয়। প্রতি বাড়ীতে গড়ে ৩/৪টি গরু ২/৩টি মহিষ, ৪টি ছাগল, ১টি ভেড়া, ৫টি হাঁস, ৬/৭টি মুরগী পালন করা হয়।

৫.  বনের সাথে এলাকার জালের মত নদী ও খালের সংযোগ থাকাতে স্বাদু ও লোনা পানির সমৃদ্ধ ভান্ডার এটি। ঐ ১০ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে বছরে ৫২১৮.৬৬ মেট্রিক টন এবং প্রকল্প এলাকাতে ৫৬৯.৪১ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। ঝোপ ঝাড় বিনষ্ট করার কারণে সেখানের পরিবেশের পাখি বিশেষ করে সারস বক এরা ধ্বংস হয়ে যাবে। এভাবে আমাদের গোটা খাদ্য প্রবাহের উপর ভয়ঙ্করভাবে এটি হামলে পড়বে।

তারপরও বাকী থেকে গেল বিশাল ক্ষতির অফুরান ক্ষতিয়ান:

১.   কয়লা ভিত্তিক প্রকল্পতে কয়েকগুণ বেশী ক্ষতি লেগে থাকে। ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য দরকার হয় ২.২ বিলিয়ন গ্যালন পানির। পাশেই পশুর নদীটি যা গোটা অঞ্চলের নোনা ও মিঠা জলের ভারসাম্য রক্ষা করে চলেছে সেখানে নদীটিকে গলাটিপে হত্যা করা হবে। পরিবেশ দুষণের জন্য অন্য কোন দেশে ১৫-২০ কিলোমিটারের মধ্যে এ ধরণের কোন প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয় না। এমনকি ভারতই তার উদাহরণ। ইআইএ রিপোর্ট অনুসারে এ প্রকল্পটি ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কিন্তু খোদ ইআইএ রিপোর্টের এক জায়গায় বলা আছে প্রকল্পের স্থানটি এক সময় সুন্দরবনেরই অংশ ছিল। কার্যত ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট সেখানে হবে। প্রথমটি তৈরী হতেই লাগবে সাড়ে চার বছর, তখন গোটা পরিবেশ কৃষি, মৎস পানির উপর অসংখ্য ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে, এসব ঐ রিপোর্টেই বলা আছে।

২.  নির্মাণের মালামাল নদীপথে যাবে ফলে বাড়তি নৌযান, তেল নিঃসরণ, শব্দদুষণ, আলো, বর্জ্য নিঃসরণ, রয়েল ব্যাঙ্গল টাইগার, হরিণ, ডলফিন, ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংসের আশংকা রিপোর্টে আছে। ড্রেজিংএর ফলে নদীর পানি ঘোলা হবে, দূষিত হবে। পশুর নদীপারের সব ম্যানগ্রোভ কাটা পড়বে। প্রতিদিন প্রায় ১৪২ টন বিষাক্ত  সালফার ডাই-অক্সাইডও ৮৫ টন বিষাক্ত নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাউড নির্গত হবে। প্রতি ঘন্টাতে নদী থেকে ৯১৫০ ঘনমিটার করে পানি প্রত্যাহার করা হবে। পৃথিবীর সব দেশে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বেলাতে জিরো ডিসচার্জ নীতি অবলম্বন করা হয় অথচ ইআইএ রিপোর্টে বলা হয়েছে এখানে তরল বর্জ্য ঘন্টায় ১০০ ঘনমিটার হারে পশুর নদীতে নির্গত করা হবে, যা গোটা সুন্দরবন ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট হবে।  তাছাড়া ২৭৫ মিটার উঁচু চিমনি থেকে নির্গত গ্যাসের তাপমাত্র হবে ১২৫ সেলসিয়াস যা চারপাশের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিবে। বছরে ৭,৫০,০০০ টন ফ্লাইঅ্যাশ ও ২ লক্ষ টন বটম অ্যাশ ঊৎপাদিত হবে। এতে বিভিন্ন ভারী ধাতু যেমন আর্সেনিক, পারদ, সীসা, নিকেল, ভ্যানাডিয়াম, বেরিলিয়াম, ব্যারিয়াম, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম, রেডিয়াম,  মিশে থাকে। একদিকে এই ছাই পরিবেশকে বিষাক্ত করবে আবার অন্যদিকে বলা হচ্ছে এই ছাই দিয়েই ১৮৩৪ একর জমির ১৪১৪ একর জমি ভরাট করা হবে। এই ছাইবর্জ্য পানিতে মিশে গোটা এলাকাকেই নয়, পার্শ্ববর্তী সবকিছু দুষিত করে তুলবে। যেখানে বড় পুকুরিয়াতে মাত্র ২৫০ ম্যাগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত দৈনিক ৩০০ মেট্রিক টন বর্জ্যছাই পুকুর বা অ্যাশপন্ডে গাদা করে রেখে গোটা পরিবেশ বিপর্যয় ঘটানো হচ্ছে।

৩.  সেখানের টারবাইন, জেনারেটর, কম্প্রেসার, পাম্প, কুলিং টাওয়ার, কয়লা উঠানো নামানো, পরিবহন ইত্যাদিতে ব্যবহৃত যন্ত্র ও যানবাহনের  শব্দদোষণ ছাড়াও কুলিং টাওয়ারের ব্যাকটেরিয়া দোষণের ফলে আশপাশ এলাকাতে ব্যাপক আকারে নিউমোনিয়া জাতীয় রোগের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। সমুদ্রপথে কয়লা আমদানী করতে সমুদ্র পথে জাহাজের মাধ্যমে প্রথমে মংলাতে পরে তা রামপালে ছোট বড় জাহাজে নিতে হবে। সরকারী সমীক্ষাই বলছে এভাবে চলাচলে জাহাজের দুষিত পানিসহ কয়লার গুড়া, ভাঙ্গা, টুকরা কয়লা তেল ময়লা আবর্জনাসহ গোটা সুন্দরবন অঞ্চল  বিপুল বর্জ্যে  দুষিত হবে। জাহাজের ঢেউএ দুপারে ভূমি ক্ষয় হবে। জাহাজের সার্চ লাইটের আলো নিশাচর প্রাণীকুল ও সংরক্ষিত বণাঞ্চলসহ পশু পাখীর জীবন চক্রের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। ভারতীয় এনটিপিসির মধ্যপ্রদেশে প্রস্তাবিত কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিবেশ মন্ত্রণালয় বাতিল করে দিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ঘাড়ে বন্দুক রেখে পাখি শিকারে ভারত উদ্যত হতে পারলেও বাংলাদেশ নামের দেশটির সৎমা সরকারের বোধদয় কবে হবে?

৪.  আশ্চর্য্যরে ব্যাপার হচ্ছে প্রকল্পে ১৫% বিনিয়োগ করেও ভারত ৫০% মালিকানা নিবে। আর বাকী সব দায় বাংলাদেশের কাঁধে তুলে দেয়া। কান্ডজ্ঞানহীন সরকারকে বাগে পেয়ে ভারত যেন পা থেকে মাথা পর্যন্ত লুটতে লেগেছে। বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণটা কত গভীরে প্রেথিত, সেটি যেকোন সচেতন অনায়াসে মাপতে পারেন। পৃথিবীতে আর কোন দেশ কি আছে যারা ভারতকে এমন সুবিধা দিবে? আঞ্চলিক একটি কথা আছে “নিজের কাপড়ে বিয়েতে রাজি হওয়া”। বাংলাদেশের অবস্থা হয়েছে এরকমই। বিয়ে হবে তবে বরপক্ষ কোন খরচ করবে না, কোন কাপড় সাজ কিছুই দিবে না, এটিও কনে পক্ষকে বইতে হবে। ভারত যে এরকম একটি প্রকল্পের মালিকানায় ঢুকে গেল তাদের কোন করও দিতে হবে না। কি মজার বায়না বা বন্ধুত্বনামা! সব লেনদেন এক পক্ষের দায় এবং এরা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ! খুব সহজে বলা চলে এটি ভারতের একটি সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত। একটি জাতি গোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দিতে সব দিক থেকেই ভারত তার কুটচাল চালিয়ে যাচ্ছে। এর নাম কি বন্ধুত্ব? এমন বন্ধুর চেয়ে শত্রুও ভালো। এরকম একটি পদক্ষেপে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ও ভারত শুধু বাংলাদেশের সর্বনাশই করতে চাইছে না বরং পরোক্ষে গোটা বিশ্বের পরিবেশ দোষণের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কয়লা দিয়ে ভিন্ন রকম চিন্তাভাবনা বর্তমান সময়ে চলেছে যাতে পরিবেশ বিপর্যয়ের বদলে উন্নত আবিষ্কারে একে লাগানো যায়। এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা সফলও। ক্ষুদ্র মানচিত্রের উপর থেকে কপটদের কুনজর যত শীঘ্র দূর হয় ততই মঙ্গল।

My opinions on Rampal Coal-Electricity Plant

নিজের দেশকে কপটের হাত থেকে বাঁচানোর দায় প্রতিটি নাগরিকের। কাজ না করে মুখরোচক বক্তৃতা দেয়া এক বিরাট প্রতারণার সামিল। জাতিসংঘে পরিবেশ দোষণের উপর বক্ততা দিতে প্রধানমন্ত্রী বেশ সোচ্চার কিন্তু নিজে যখন পরিবেশ বিরোধী কাজে উৎসাহী যোগানদাতা হন তখন তার স্ববিরোধী কাজ তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে শক্তভাবে। তখন আর আমাদের মুখ রক্ষা হয় না। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই দেখি তার কাজের সাথে কথার মোটেও মিল নেই। সেদিন দেখলাম জাতিসংঘের সম্মেলনে অস্ত্রের তহবিল শিক্ষাতে ব্যয় করার আহবান জানালেন। মনে হলো তিনি শান্তির পক্ষে শিক্ষার পক্ষে আছেন, কিন্তু তিনি নিজে কি করছেন, সারা দেশে অস্ত্রের হুঙ্কারে জনতার টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে, শেষ মুহূর্তে অস্ত্র বন্টন প্রক্রিয়া জোরেসোরে চলছে তার চাপাতি পার্টির কাছে। সম্প্রতি তিনি রাশিয়া থেকে বিশাল অস্ত্র ভান্ডার কিনতে উদ্যোগী হয়েছেন অল্প নয়, ১বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনেছেন, কার সাথে যুদ্ধ করবেন তিনিই জানেন। সবাই মন্তব্য করছে লুটপাটের জন্য এটি করা হয়েছে। তার আগেরবারও মিগ ২৯ কেনার হিড়িক লক্ষ্য করা গেছে। জাতির জানাই আছে এর উপকারিতা আর কার্যকারিতা কতটুকু ছিল? ঐ অপবাদ আজো মুছে যায় নি তার উপর থেকে। এসবের উপর অতীতে অনেক বিদগ্ধজনেরা অনেক মন্তব্য করে গেছেন। নিজের মঙ্গলের চিন্তা নিজেদেরেই করতে হবে। হালূয়া রুটির দিকে যার নজর সবদিন বেশী, গদির লোভ যার সীমাহীন তার কাছে কোন কিছু আশা করা যায় না। তাই বলা চলে জাতি আজো ৭১এ আটকে আছে, এগুতে শিখে নি বরং উল্টো ধ্বসের দিকেই ধাবিত হচ্ছে ডিজিটাল গতিতে। সবার কাছে আব্দার রইলো সুন্দরবন বাঁচুক সুন্দরভাবে, আপনারা সহযোগিতা দিন। বর্গির হাত থেকে কপটের হাত থেকে একে বাঁচান।

বাংলাদেশের সুন্দরবনের বাঘ জবাব দিয়েছে: 

একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী জাতিকে নিয়ে যে কি তামাশা করছেন তার উত্তম নজির এসব। সম্প্রতি হাসিনা বলেছেন টাইগারকে জিজ্ঞেস করতে যে রামপালে তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে কি না? এর জবাবে বাংলা দেশের বাঘ ব্যারিষ্টার তুহিন মালিক দুই ডজন যুক্তিতে জবাব দিয়েছেন। খুব সংক্ষেপে আনছি। (১) মালিকানা দুই দেশের হলেও ভারতীয় ব্যাংক থেকে ১৬০ কোটি ডলার ঋণের পুরো দায় শুধু বাংলাদেশের উপর চাপানো কেন? (২) ঋণের গ্যারান্টার বা জামিনদার বাংলাদেশ হলেও মুনাফার অংশীদারিত্বে  ভারত। ঠিকাদারী থেকে সব ব্যবসা, কয়লাতেও জড়িত ভারত, সবই একা তার, এটি কি চুক্তি না দাসখত? (৩) পরিবেশবাদীদের উদ্বেগের কারণে অতীতে ভারতের সাথে শ্রীলঙ্কার চুক্তি, কেন সেটি বাতিল করে শ্রীলঙ্কা সরকার? (৪) রামপালে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনেস্কো ও রামসার। (৫) এ প্রকল্পে যুক্ত থাকার কারণে নরওয়ে ভারতের এনটিপিসিতে (যাদের সাথে চুক্তি) অর্থ যোগান বন্ধ করে দিয়েছে। (৬) বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ব্যাংকও  এ প্রকল্পে টাকা দিতে অস্বীকার করেছে। (৭) ভারত ব্যস্ত লাভেমূলে অর্থনৈতিক উষলে আর সরকার ব্যস্ত বন্দুত্বের স্লোগানে। (৮) প্রতিবেশী বন্ধু হলেও পরিবেশের সাথে সরকারের যেন শত্রুতা। (৯) পৃথিবীর কোথাও ১৫-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র সৃষ্টির অনুমোদন নেই। অথচ ভারত তা বাংলাদেশে করছে ৯-১৪ কিলোমিটারের মাঝে। আর বাফার জোন বিবেচনাতে এর দূরত্ব দাঁড়ায় মাত্র ৪ কিলোমিটার। (১০) তাদের নিজেদের বনভূমি রক্ষাতে আছে শক্ত আইন, যার প্রেক্ষিতে এটি বেআইনী। (১১) ভারতের তিন রাজ্যে এটি করতে না পেরে এখন বাংলাদেশের জনতার উপর মড়ার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। (১২) ভারতের কর্ণাটকের বিদ্যুতের ছাড়পত্র স্থগিত। (১৩) সোনাবন্ধু ভারতের সাথে সুন্দরবন ও বাঘ রক্ষার চুক্তি আছে, তারপরও ১০টি নদীকে ভরাট করে, ২,০০০ একর জমি ভরাট করে প্রাণঘাতি এ মরণ খেলার মহামেলা চলছে। (১৩) এ দেশে ৮,০০০ পরিবার উচ্ছেদ হবে। (১৪) ভারত মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটকে ও তামিলনাড়–তে নিজ স্বার্থে এসব প্রকল্প বাতিল করেছে। কৃষিজমির ক্ষতি তারা বড় করে দেখে, এমনকি নর্দমা থেকে ৩২ কিউসেক পানি উত্তোলনকে অবৈধ বলে ঘোষনা করেছে। (১৫) আমাদের পশুর নদী মিঠা ও নোনা পানির ভারসাম্য রক্ষা করছে। সেখানে এটি হলে প্রতি ঘন্টাতে ৯১৫০ ঘনমিটার পানি প্রত্যাহার করতে হবে। (১৬) তখন রামপাল থেকে ৬৫ লিটার পারদ সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া হবে। বছরে সাড়ে চারকোটি লিটার গরম ও দোষিত পানি যাবে সুন্দরবনে। এতে সেখানের নদীর তাপমাত্র ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে। (১৭) বাংলাদেশের বেঁচে থাকার স্বার্থে ভারত বন্ধুত্ব থেকে পরিবেশের মূল্য বহু বেশী। (১৮) অর্থায়নে ১৫% করবে পিডিবি, ১৫% ভারত আর বাকী ৭০% ঋণে হবে। লাভ পাবে ভারত ৫০% বিনা শুল্কে, কোন খাজনা ছাড়াই। অথচ আমাদের প্রবাসীরা মাত্র দুই দিনেই এ টাকা তহবিলে জমা দিতে পারে। (১৯) প্রতি বছর ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৮৫ লাখ টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হবে। (২০) দেশে যদি ফ্রি বিদ্যুতের ব্যবস্থাও হয়, তাও সুন্দরবন ধ্বংসের বিনিময়ে কাম্য নয়। (২১) গত বছর হাইকোর্ট সরকারের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। অথচ এতদিন পরও উচ্চ আদালত কেন সুন্দরবনকে আর বাঁচাতে পারছে না? (২২) সুন্দরবনের ভাষা নেই বলে কি বাংলাদেশের জনতারাও বাক্যহারা? (২৩) বিদ্যুৎকেন্দ্র করা গেলেও আর একটি সুন্দরবন করা কি সম্ভব? (২৪) বিশে^র প্রতি দেশ নিজের সুস্থতার কথা ভাবে। একমাত্র আমরাই একমাত্র দেশ যারা সর্বস্ব ধ্বংস করে গোজামেলের মাঝে বাক্যহারা বোবা সুন্দরবনের বিরুদ্ধে সৌন্দর্য্যচর্চার দেশ বিধ্বংসী ফেসিয়াল কার্বন উৎপাদনের কথায় মুখর থাকি!! (২৮ জানুয়ারী ২০১৭)

,ডাক দিয়েছে সুন্দরবন । Short Film on Rampal Plant | Save Sundarban

আজ একি হয়ে গেল সারাদেশে! সরাসরি আজকের ভয়ংকর হরতাল দেখুন লাইভ! তুমুল গুলাগুলি, মারামারি আর ভাংচুর

এর মাঝে মুছে দিয়েছে।  

“রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের গোমর ফাঁস: বড় পুকুরিয়া কয়লাখনি দখল নিতে চায় ভারত।”

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সারা জীবন অপকর্ম করে শেষ বয়সে মুখে চাপদাড়ী রাখলেই দরবেশ হওয়া যায় না, সব অপকর্ম মুছে যায় না। উপরে একটি লিংক দিলাম, পড়তে পারেন অবৈধ পথে আসা অতিরিক্ত পাগল হয়ে পড়া সরকারের কিছু ধান্ধার সংবাদ। সম্প্রতি বিএনপির নেতা আলাল বলেছেন এরকম একজন ব্যক্তি সালমান এফ রহমান যত টাকা মেরেছেন, তা দিয়ে করা যাবে দুটি পদ্মা সেতু। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হয়ে তিনি প্রমাণ করলেন শেয়ার বাজার লুটের অপকর্মে প্রধানমন্ত্রীও জড়িত। উল্লেখ্য শেয়ার বাজারের পর এবার ইসলামী ব্যাঙ্কেরও বর্গা পাচ্ছেন এই দরবেশ নামধারী ব্যক্তি। এভাবে সারা দেশে সরকারী লুটপাটের ভোগ্য ব্যবস্থা বেড়েই চলেছে।

এরকম একটি অবৈধ পথের সরকার আবার জিয়াকে অবৈধ করতেই জাতি বিভক্তির নটনাট্যে ব্যস্ত। জোর করে শহীদ মরহুমের পদক ছিনিয়ে নিয়েছে। অবৈধতার জন্যই এরা মাঠ গরম করতে অপকর্মীদের সারা দেশ থেকে বেছে বেছে জমা করে। উপরের লিংকটি হচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের গোমর ফাঁস। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দখল নিতে চায় ভারত। গত ২০ এপ্রিল ২০১৬ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিনটি চুক্তি হয়। ভারতীয় চক্রান্তে গদিতে বসেই বিডিআর নিধনের মাধ্যমে এ সরকার দেশ বিধ্বংসী সুতানাতা ঠিক করে বসে। অতঃপর ২০১১ সালের শুরুতে শুরু হয় চুক্তির অপ্রকাশিত মহামেলা। ২০১২ সালে হয় পরবর্তী চুক্তি। এসব লূক্কায়িত বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয় নি। এর মূল পরিকল্পনাতে স্পষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের কয়লায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনতে হবে ভারতীয় কোম্পানীর দেয়া মূল্য অনুযায়ী। এভাবে পরোক্ষে ভারতই বাংলাদেশের কয়লার দখল নিচ্ছে। যার জন্য নিরস্ত্র জনতার প্রতিবাদী মিছিলেও পুলিশের জঘন্য হামলার শিকার হচ্ছেন জনতারা। (২৮ জানুয়ারী ২০১৭)

সুন্দরবন রক্ষার শপথ নিয়ে গান! | Go back get out India Save Sundarban

নাজমা মোস্তফা, ০৯ জানুয়ারী ২০১৬ সাল। 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০১৩ সালে আমার দেশ এর মূল কপিটি প্রকাশ করে তার অনলাইন ভারসনে।  (23 September 2013 published in Amardesh).

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: