Articles published in this site are copyright protected.

ধর্ম রাজনীতি নিয়ে সারা বিশে^ আলোচনা সমালোচনা চলে। এতে কোন পাপ হিসাবে কেউ নিচ্ছে না। ইসলাম এমন একটি নির্ভেজাল ধর্ম আজ চৌদ্দশত বছর থেকেই প্রতিষ্ঠিত। তার উপরও সারা বিশ^ থেকে একদল জোরের সাথে বলছেন যে এটি জঙ্গি ধর্ম, অনেক বিতর্কীত মুসলিমও ঐ সুরে তাল দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি কর্মকান্ডে মানবতার দোসর এ নবীর জীবন নীতির আচরণে সমৃদ্ধ যদিও কিন্তু তাকে শ্রেষ্ঠ অপকর্মী জঙ্গি হিসাবে অনেকেই প্রচারে নেমেছেন। একদিন সিকিমকে নিয়ে অনেক নিন্দাবাজের পাহাড় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছিল। এর কারণ ইতিহাসে জমা আছে। সিকিম ষড়যন্ত্রের কোপানলে আত্মহত্যা করে হাটু পানিতে পুকুরে ডুবে মরেছে। তাই বলে সেটি কি চিরদিনের জন্য একটি হালাল কাজ বলেই স্বীকার করতে হবে? তাহলে পৃথিবীতে নীতি নৈতিকতা অচিরেই আত্মহত্যা করবে। হাত পা বেধে গলাডুবা সরকারের সমালোচনা করতে বসলে ৩ থেকে ৩,০০০ অভিযোগ জমা করা সম্ভব, তারপরও অনেকের বিশ্লেষন শুনলে মনে হবে বিএনপির অপরাধ এই আর সরকারের অপরাধ তার একটু বেশী, এরা অনেক সময়ই দেখা যায় কিছুটা ঘুরিয়ে হলেও বলতে চায় দুজনাই প্রায় সমানে সমান। সাংবাদিক বিচারক অনেককেই এরকম কথা বলতে অতীতেও শুনেছি, শুনছি, ধারণা হয় আরো শুনবো। এরা আসলে খোলসে ঢাকা অপরাধি পার্টির নিয়োজিত দালাল। তাই শত অনাচারেও এদের বিচারিক ক্ষমতা শূন্যের কোঠাতে ঘোরাঘুরি করে। যারা এভাবে বিশ্লেষণ করছেন তাদের বিশ্লেষণই ভুল। দেশটি ডুবতে ডুবতে গভীর তলানিতে গিয়ে পৌচেছে। এর উদ্ধারের সম্ভাবনা ধারে কাছে দেখছি না। যদিও আমরা ময়দানে নেই, শৃঙ্গ থেকে দেখছি সমতলের দেশটিকে। তারা এখনো বিএনপির ভুল খুঁজে পেলেও সরকারের ভুল যে কয়টি সেটি কিয়ামতের আগে সম্ভবত কেউ করতে পারবে না, মনে হচ্ছে অসম্ভব। ঐ বিচারিক আদালতে যদি বিধাতা স্পষ্ট করেন তখন বিশ^বাসী প্রকৃত সংখ্যাটা জানবে। কেউ বলছেন ভারতের সাথে দেরীতে করমর্দন দায়ী, কেউ বলছেন দেরীতে মাঠে আসা দায়ী, এভাবে ভোটের পরাজয়ের হিসাব করছেন, কেউ বলছেন ভোটাররা নাখোশ হয়েছেন। এমনতরো বিশ্লষণ শুনে মনে হয় এরা কি সত্যিই দেশের পরিস্থিতি অবলোকন করছেন নাকি ভারতীয় তালে মঞ্চ নাটক করছেন?

০৫ জানুয়ারী “গনতন্ত্র হত্যা দিবস”

 

বিশ্লেষকরাও কি হতাশ জাতির জনতাকে নিয়ে মশকরা করছেন, সরকার তো মশকরাতেই সময় পার করছে। তবে প্রশ্ন জাগছে শেষ পর্যন্ত তারা কেন ঐ মশকরাতে সামিল হচ্ছেন। ২০১৪তে নির্বাচনী অনিয়ম খোলাসা করে এইচ টি ইমাম নির্বাচন সম্পর্কে বলেছিলেন, “পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিটি উপজেলাতে রিকরুটেদের সাথে কথা বলে, মোবাইল কোর্ট করিয়ে নির্বাচন করেছি। তারা পাশে দাঁড়িয়েছে, বুক পেতে দিয়েছে। ছাত্রদেরে উৎসাহ দিয়ে বলেন, তোমরা লিখিত পরীক্ষা ভালো করো, ভাইভা আমরা দেখবো। ছাত্রলীগের পাশের দায়িত্ব সরকারের। তারপরও সুরঞ্জিতরা বড় গলাতে বলেন, “জনসমর্থণের উপর ভিত্তি করে সরকার ক্ষমতায়, পুলিশকে বিভাজন করা যাবে না, পুলিশ সকলের। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন আওয়ামী লীগার সম্পাদক মন্ডলীর একজনও বলেন, এটি কি শুধুই এইচ টি ইমামের নিজের কথা নাকি সরকারের কথা, সেটি স্পষ্ট হওয়া জরুরি! ঠিক এবার যেভাবে এরশাদ বলেছিলেন যে সকাল নয়টার মাঝে ভোট শেষ হবে। ওরকমই ২০১৫এর পৌরনির্বাচন এরশাদীয় এজেন্ডা মতনই হয়েছে। মিছেমিছি বিশ্লেষকরা মনগড়া বিশ্লেষনে সময় পার করছেন। প্রায়ই শুনি শাহজালাল বিমান বন্দরে টন টন সোনা ধরা পড়ে। সেদিন দেখলাম এক টক শোতে এক বক্তা বাহাদুরি করে বলছেন ধরা পড়ছে মানে সরকারের কৃতিত্ব। এটি তো ডাকাতির মূখ্য সময়, ধরা পড়ছে বলেই বড় বড় ডাকাতরা পার পেয়ে যাবে? ডাকাতি না হলে তো ডাকাত ধরা পড়ার সম্ভাবনাই মিটে যেত। যে জাতির মগজ এভাবে বিচার করে তাদের জন্য জানি না আর কি অপেক্ষা করছে! বিগত শতকে ৯০এ যে গণতন্ত্রকে মুক্ত করা হয়েছিল ডাকাতের কাছ থেকে, আজ তার চেয়েও বড় ডাকাতের কবজায় দেশ। 

প্রায়ই লিংকগুলি মুছে দেয়া হচ্ছে। বাস্তবতা এখানেই নীচে।

৫ই জানুয়ারির কলঙ্কিত নির্বাচনের, জালভোট ও অনিয়ম নিয়ে বাঁশেরকেল্লার বিশেষ ডুকুমেন্টারী

 

আজকের খবরে দেখলাম পেট্রোল বোমায় পোড়া লোকগুলির খবরও নেয় না কেউ। যে সরকার মানুষ পোড়ানোর দক্ষতা নিয়ে ডাটে বাটে বসে আছে, আজও মানুষের জানের কোন তোয়াক্কা করছে না। তখন তো দেখলাম সরকারী সাগরেদরা হাসপাতালে ভিডিও সেশনে ব্যস্ত। নাটক করতে গীতার রাণীর পাশে ছুটে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্টো গীতা রাণীর ধমক খেলেন। তাদের কি কোন দায় নেই, ঐ মানুষগুলোর খোজ করার? ঐ সময় ছবি তোলার দরকার পড়েছিল তাই ছুটে যাওয়া, আজ আর ছবির প্রয়োজন ফুরিয়েছে। অবশ্যই এর দায় সরকারের ঘাড়েই পড়ে। অন্যরা যদি পুড়ায়ও তারপরও এর দায় সরকারের ঘাড়ে পড়ে। কারণ সরকারই এ দেশের মালিক মোক্তার। আর মালিক মোক্তার বলেই মানুষদের জমের ঘরে নিশ্চিন্তে পাঠাচ্ছে ইলিয়াস আলী থেকে সালাউদ্দিন, বাকী শত শত নির্যাতীত মানুষ। সরকার যতই ধান্ধাবাজী করুক, আল্লাহর সুক্ষ্ম দৃষ্টিকে পৃথিবীর কোন সত্ত্বাই অপকর্ম এড়িয়ে যেতে পারবে না। এটি জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবার মনে রাখলে ভালো হয়। পেট্রোল বোমার একটি ফাইলে সিরিয়েলি সারা দেশে ধরা খাওয়া নিউজে আসা সচিত্র প্রতিবেদনসহ খবর এসেছে এসব সরকার তার গুন্ডাদেরে দিয়ে করাচ্ছে। এরা বারে বারেই বোমাসব ধরাও পড়েছে, যার কোন শাস্তি হয়নি।

এমনকি পুলিশের লিক হওয়া ভিডিও দেখেছি আমরা যে, পুলিশ প্রধানরা বলছে কিভাবে সরকারের হয়ে তারা অপকর্ম করে সরকারকে টিকিয়ে রেখেছে। মূল অসামীকে না ধরে তারা মামলা করে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে, নির্দোষ প্রবীন সম্মানিত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। যাদের এ বয়সে আদর যতœ পাবার কথা, তারা কারাগারের প্রকোষ্টে কঠিন সময় পার করেছেন এই সেদিনও, আজো অনেকেই আছেন। এসব আলামত ভালো না, কঠিন মরণের লক্ষণ। বাংলাদেশের প্রতিটি বিপর্যয়ের দায় আওয়ামী লীগের ঘাড়ে পড়ে এক বড় সময় থেকেই বড়মাপে। ঐসব বিপর্যয় থেকে মাত্র সামান্য কটি আনছি। জিয়া হত্যা, লেবানন ট্রেনিং, ৮৩এর ফেব্রুয়ারীর ছাত্র হত্যা, নিজ দলের সেলিম, জয়নাল, জাফর, দেলায়ার হত্যা, ৯০এর আন্দোলন আন্দোলন খেলা, ৮৬এর পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেয়া, ১৯৯২এর হিন্দু মুসলিম রায়ট নাটক, গোলাম আজমের সাথে বৈঠক, রুমালে গ্লিসারিন, খুন করে বেশী খাওয়ার নটনৃত্য, ট্রেনে গুলির মিথ্যে নাটক, দিগম্বর কাহিনী, জেনারেল নাসিমকে ক্ষমতা দখলের প্রস্তাব, পুলিশের লাশ চাওয়া ও মিলিটারির লাশ চাওয়া, ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের হিড়িক, অযৌক্তিক যুদ্ধ বিমান ক্রয়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হামলা মামলা, গঙ্গা ও পার্বত্য চুক্তি, প্রকাশ্য ময়দানে লোক দেখানো নামাজ পড়ার বদৌলতে হাসির নাটক, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারী এসব কিছুই কি আল্লাহতালা দেখেনি? মুসলিম প্রধান বাংলাদশের জনতারা ৯০% অন্তত মুসলিম নামধারী, তাদের ধারণা কি হয় যে, আল্লাহ বাস্তবিকই দৃষ্টিশক্তিহীন! প্রধানমন্ত্রী বলছেন আওয়ামী লীগ সরকার এতিমদের দায়িত্ব নিয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকার সারা দেশের বাবাদেরে মেরে তার বাচ্চাদের দায়িত্ব নিতে ব্যস্ত কেন? যুক্তিটি কি, এবারও হাসির নাটক? দেশবাসী তাদেরে ভোট দিবে না এ স্থির বিশ^াসে বছরের পর বছর ভোটের নাটক করে আওয়ামী লীগ। যেখানে বাবারাই বাঁচতে পারে না সেখানে এতিম মেঘেরা কিভাবে বাঁচবে এ সরকারের ডান্ডাবাজির সামনে?

কুরআন শরিফের ২৯ নাম্বার সুরার নাম “মাকড়সা আরবীতে “আনকাবুত”। রসিক আল্লাহ মানুষকে সচেতন করতে ক্ষুদ্র উদাহরণ দিতেও কুন্ঠিত নন। চারদিকে অবস্থা দৃষ্টে মনে বড়ই শংকা। তাই ঐ সুরাটি নিয়ে একটু টাচ করবো খুব সংক্ষেপে তোমরা কি মনে করো তোমাদের পরীক্ষা করা হবে না? পূর্বের সবাইকেই পরীক্ষা করা হয়েছে। যারা সংগ্রাম করছেএটি তার নিজের ভান্ডারে জমবে, আল্লাহ সবার উপরের দ্রষ্টা। আল্লাহর পরই পিতামাতার প্রতি সদয় হতে বলা হয়েছে। তবে শিরক করা পাপী পিতামাতার হকের বেলায় তোমার দায় কম। তুমি বাধ্য নও তাদের শিরকীয় অন্যায় আদেশ পালন করতে। যারা পাপের পথে লিডারদের অনুসরণ করেন, মনে করেন নেতা মনে হয় পাপের বোঝা শেয়ার করবেন, না এটি হবার নয় সেদিন শেষ বিচারের সময় নেতাদেরে ঘাড়ে পড়বে ডাবল বোঝা, একদিকে নিজের পাপের বোঝা অন্যদিকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার বাড়তি পাপের বোঝা বইতে হবে। ক্রমে ক্রমে নবীদের কথা আসে কিভাবে নূহ নবীর সময়  মহাপ্লাবন আসে, কারণ তারা অত্যাচারী জনতাদের কারণেই এটি ঘটে। তাদের অপরাধে নূহ (আঃ)এর অনুসারীরা মহাপ্লাবনের মুখোমুখি দাঁড়ায়। এর পরবর্তী নবীর অনুসারীরাও একইভাবে প্রতিমা পূজায় মগ্ন থেকে মিথ্যার উদ্ভাবক হয়। আল্লাহ এসব ঘটনা দিয়ে বার বার জনতাকে হুশিয়ার করেন যে একদিন তোমাদের আমার কাছেই ফিরতে হবে। বার বার সাবধান বাণীটি হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া তোমাদের আর কোন অভিভাবক নেই।

নবী ইব্রাহিমের শাসক জনতারা নির্দেশ দিচ্ছিল তাকে কতল করতে বা তাকে পুড়িয়ে ফেলতে। আল্লাহ তাকে উদ্ধার করেন। সবই বিশ^াসীদের জন্য নিদর্শন। অপরাধীদের দুনিয়ার জীবন শেষ হলে বন্ধুত্বও শেষ হবে, তখন একে অপরের শত্রু হয়ে সেদিন উত্থিত হবে, একে অপরকে অভিশাপ দিবে, আবাস হবে আগুন। সেখানে সাহায্যকারীদের কেউ থাকবে না। নবী ইব্রাহিম (আঃ)কে বুড়ো বয়সেও অসীম রহমত দেয়া হয়, ইসহাক, ইয়াকুব, নবুয়ত, ধর্মগ্রন্থ দান করে তার পুরষ্কার দুনিয়াতেই তাকে প্রদান করেছিলাম, আর পরকালে তিনি আলবৎ হবেন সৎকর্মীদের অন্তভুক্ত। নবী ইব্রাহিমের ভাগ্না নবী লুতএর সময় মানুষ আবারো পাপের সাগরে ভাসে। পুরুষরা এমন সব পাপ করে যা এর আগে কোন জাতি করেনি। নবীদের সময় কালীনই ধ্বংস নামে, লুত নবী রক্ষা পেলেও অভিশপ্ত নারী লুত নবীর স্ত্রীসহ অপরাধীরা ধ্বংস থেকে বাঁচতে পারে নি। একজন নবীও তার স্ত্রীকে বাঁচাতে সক্ষম নন। এটি আর একটি জীবন্ত সত্য, যা পাপীর জন্য নির্ধারিত। অনেক সময় আমাদের সমাজে সাধু বাবারা মানুষকে প্রতারণা করে নানান মুশকিল আহসান করে দিবে বলে, কিন্তু কুরআন বলে সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা। কারণ সেদিন নবীর স্ত্রীও ছিলেন পাপের যোগানদাতা। অন্য নবী শোয়াইব (আঃ) তার জনগনকে বলেছেন, পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটিয়ে ঘুরাঘুরি করো না, শেষ দিনকে ভয় করতে বললেও তারা শুনেনি। নবীদের সুকথা তারা বিশ^াস করতো না, উল্টো তারা মনে করতো এসব মশকরা, তারা সবসময়ই নবীদেরে নিয়েও হাসি তামাশা করতো।  বলতো ঠিক আছে, তুমি যদি নবী হও বা সত্যবাদীদের মধ্যকার হও তবে আমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি নিয়ে এস। অতঃপর দুষ্ট লোকেরা সবদিনই সবযুগে নবীদেরে প্রত্যাখ্যান করে ভিন্ন ধারাতে কাজ করে গেছে। আজো তার ব্যতিক্রম নয়।

নবীরা আল্লাহর সাহায্য চান, “আমার প্রভো! আমাকে ফেসাদ সৃষ্টিকারী লোকদের বিরুদ্ধে সাহায্য করো”। সেজন্য এক ভুমিকম্প তাদের পাকড়াও করলো। কাজেই অচিরেই তাদের বাড়ীঘর নিথরদেহী হয়ে গেল। এভাবে আদ, সামুদকেও ধ্বংস করা হয়। কারুন, ফিরআউন ও হামানকে আল্লাহ ধ্বংস করেন আর তাদের কাছে তো মুসা এসেই ছিলেন স্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে। তাদের পাপের কারণে আমরা পাকড়াও করেছিলাম এক প্রচন্ড ঝড়। তারা দেশে অহংকার আস্ফালন করতো তাই তারা শাস্তি এড়িয়ে যাবার লোক ছিল না। এটি তাদের উপর অবধারিত ছিল। তাদের মাঝে কেউ রয়েছে যাকে পাকড়াও করলো মহাগর্জন আর তাদের মধ্যে কেউ রয়েছে যাকে আমরা পৃথিবীকে দিয়ে গ্রাস করিয়েছিলাম আর কাউকে আমরা ডুবিয়ে মেরেছিলাম। আল্লাহ তাদের প্রতি জুলুম করার পাত্র নন। কিন্তু তারা তাদের নিজেদের প্রতি অন্যায়াচরণ করে চলেছিল, তাদের উপমা হচ্ছে মাকড়সার দৃষ্টান্তের মত। তারা নানান ষড়যন্ত্রে নকশা কেটে ঘর বানায় অথচ নিঃসন্দেহ সবচেয়ে ঠুনকো বাসা হচ্ছে মাকড়সারই বাসা, যদি তারা জানতো। আর বিজ্ঞজন ব্যতীত অন্য কেউ এসব বুঝতে পারে না। মহাকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন সত্যের সাথে। নিঃসন্দেহ এতে এক নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য।

উপরের ঘটনা শুধু ঐ যুগের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। সব যুগেই এটি হয়েছে হচ্ছে এবং হবে। কিয়ামত পূর্ব সব যুগের অপরাধীরাই এভাবে আক্রান্ত হবে। সব সময়ই দেখা যায় মানুষ অন্ধ বিশ^াসের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নবীদেরে বলে, আমরা বিশ^াস করবো আমাদের অলৌকিক কিছু দেখাও। নবীরা মানুষকে ম্যাজিক দেখাতে আসেন নাই। সব যুগেই তাদের হাতের কিতাব গাইড বুকই শ্রেষ্ঠ মুজেজা বা ম্যাজিক, তার অনুসারীদের জন্য। আজকের বিশ^ বাসীর সামনের ম্যাজিক কিতাব হচ্ছে কুরআন। এটি শুধু মুসলিমদের জন্য আসে নাই, এটি সারা বিশ^বাসীর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। “আমি তো তোমাকে সমগ্র মানব জাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরুপে প্রেরণ করেছি কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না” (সুরা সাবা ২৮ আয়াত)। এ হিসাবে এ গ্রন্থের বাণী শুধু মুসলিমের পথ নির্দেশ হয়ে আসেনি, এসেছে গোটা বিশ^কে পথ দেখাবে বলে। এটি গোটাবিশে^র সম্পদ, রোজনামচা ও পথনির্দেশিকা।

 

নাজমা মোস্তফা,  ৪ জানুয়ারী ২০১৫ সাল।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: