Articles published in this site are copyright protected.

ফেলানীকে কাটাতারে বিদ্ধ হয়ে মরতে হয়। এর দায় কার? কে বেশী দোষী ফেলানী না বিএসএফ?
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারী ফেলানীর কাটাতারে ঝুলার চার বছর পূর্তি, সে ঝুলা আজও বন্ধ হয়নি,
সহজে বন্ধ হবার নয়, আসামীর শাস্তি আজো পোক্ত নয়, সমর্থ সমাজে তারা ঘুরপাক খায়,
তার বাবা বার বার যায় ওপারে বিচারের আশায় কোর্টের বারান্দায়, তারা তারিখ বদলায়।
দেশে যে কটি আলো জ¦লে মিডিয়ার, নিস্তেজ, নিষ্প্রভ, তেজহীন। ধার করা আলোতে খুড়িয়ে বেড়ায়।
বদলে দেয়া আলোর বাহাদুরী। প্রচারে মিটি মিটি, জ¦লেও না, ছড়ায়ও না, লজ্জায় চাঁদও কুকড়ায়
ঐ তেজহীন আলো তেজী উইপোকাগুলোকে ধরে ধরে আনে, আর দিব্যি গ্রাস করে উদরে ঢুকায়।
এক তোষের আগুন, জ¦লে ধিকি ধিকি, দেশপ্রেমিককে, সাধুকে, জাতির উৎকৃষ্টকে পুড়িয়ে মারে,
নিকৃষ্টকে বাড়তি লাই দিয়ে বাঁচিয়ে রাখে, যাতে কপট স্বার্থ বাঁচে, বাঁচে অন্ধ আলোটা
সরকারের আমাই যামাই অচল সবে, থাকবে সরকারী নিমাইরা, মিথ্যে রসদে যে বাঁচে
ওরাই নকল ধার করা আলোর যাত্রী হিসাবে একটু নড়ার চলার বসার জায়গা পায়।
কিভাবে দেশটি পুড়ে পুড়ে ধ্বংস হচ্ছে! মিনরা এরা নকলেই তারা আগাগোড়া মোড়া।
বারে বারে ঘুরে যাই, আশাহত হই, কিছুই জন্মায় না সেথায়, আবর্জনায় ভরা আলোর মেলা,
অরগেনিকের আবর্জনা পুষ্টি যোগায়! আশ্চর্য ঐ নকল আবর্জনাতে কোন ফলবান বৃক্ষও জন্মায় না,
ওতে পেট্রোল বোমারা বাড়তি তপ্ত হয়। গান পাউডারে বাস পুড়িয়ে মারার গল্প কথাই ¯œরণ করিয়ে দেয়!
একবার নয়, বারে বারে। চোখের সামনে ইউ টিউবের ভিডিও জ¦ল জ¦ল করে জ¦লে!
ধরা খাওয়া শেখ সেলিম ওবায়দুল কাদেরের স্মৃতিচারণ, যেন কিয়ামতের পরের কথা বলে!
সরকারের অপরাধ স্বীকার কথা, লিক্ড স্ক্যান্ডাল স্পষ্ট দেখি শুনি হতবাক যাই,
বাংলাদেশ নাকি শুনতে পায় না, ইউটিউব বন্ধ রাখা! এতই যখন পারো, ওটিও করো!
জোর গলাতে বলতে ইচ্ছে করে, ঐ মিথ্যে নষ্ট আলোটা নিভিয়ে দাও, বন্ধ করে দাও।
দেখো, চোখ খুলে তাকাও! মৃদু আলোতে পোড়া কষ্টের দাগ নীচে, আজো দেখা যায়!

Jonotar Kotha 26 07 13 সাগর রুনির হত্যার কোন বিচার হলো না,

উপরে কষ্ট কথাগুলো কবিতার ভাষাতে বললাম। পেট্রোল বোমা কারা ছুড়ছে এ জাতিকে কবজা করতে, আশা করি সচেতনরা জানছেন ও বুঝতে পারছেন। বলি প্রমান পাওয়া যায় দুদলই ছুঁড়ছে। কেউ প্রশ্ন রাখছেন, অভিশাপ কি দেব? জবাবে বলছি কিন্তু কেন নয়? একমাত্র অপরাধিই অভিশাপের ভয় করে, অন্যেরা নয়? নিষ্পাপের গায়ে অভিশাপ লাগে না! সমস্ত দেশের র‌্যাব, পুলিশ বিজিবিকে এক পায়ে দাঁড় করা হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্য!  পেট্রোল বোমার গান পাউডারের ওবায়দুল কাদের আর শেখ সেলিমরা আজো কিন্তু একটিও ধরা পড়েনি! লাইন বাধা সব নির্দোষকে ধরা হচ্ছে! কারাগার টইটম্বুর, তারপরও! তারপরও কেন অভিশাপ দিতে কুন্ঠা! নিমাই সরকারের দুর্বৃৃত্তরা কখনোই ধরা পড়ে না, কাঁটাবনের দিকে দৌড়ে পালায়! সময় গড়াচ্ছে, সারা জাতি একযোগে অভিশাপ ছাড়–ন, হতভাগারা ধ্বসে যাবে আপনাদের পবিত্র দীর্ঘশ^াসে! অলক্ষ্যের বিধাতা নির্যাতীতের একদম শাহ রগেরও কাছে অবস্থান করে! শিরা উপশিরার চেয়েও কাছে তার অবস্থান, সে দূরে নয়! তার আগলেই আজো আপনারা বেঁচেবর্তে আছেন! স্মরণ করুন, ইতিহাসের মাত্র কয়টি পাতা আগে যান! শাহজালালের হুঙ্কারে বলা হয় সাততলা দালান ধ্বসে যায়! মানেটা সোজা, খুব সোজা! সততার হুঙ্কার এতই শক্তিমান, ওটি একটি উদাহরণ মাত্র! সে উদাহরণ আজো জীবন্ত হয়ে কথা বলবে, পথ চলবে! আপনারা নিশ্চিন্ত জানুন!

আরো জানার বাকী আছে, বাড়তি কিছু কষ্টকথা! আপনারা জানেনও এর মাঝে হয়ে গেল জানুয়ারী ৩, ঢাকার কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনে “বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চ” আয়োজিত “পূজা পূনর্মিলনী : বিশ^জুড়ে বিশ^ময়ী” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)র কেন্দ্রীয় সদস্য ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক সভাপতি তথাগত রায় বলেন, হিন্দুদের আওয়ামী লীগ সরকারকে পূর্ণ সমর্থন দেয়া উচিত” হিন্দুদের আহবান করে তিনি আরো ঝাপিয়ে পড়তে উপদেশ বিলি করেন। তিনি বলেন, “আপনাদের নিজেদের স্বার্থেই আপনাদের এটি করতে হবে।” উপস্থিত মঞ্চের বিশেষ অতিথি ছিলেন বিতর্কীত সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত; তিনিও বলেন বিজেপিকে তিনি সাম্প্রদায়িক দল হিসাবে বিশ^াস করেন না। তিনি বলেন ওটি তাদের রাজনৈতিক কৌশল (ইত্তেফাক ৩ জানুয়ারী ২০১৫)। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কিভাবে দেশের ভিতরে সাম্প্রদায়িক ইন্ধনের কাজে জড়িত, এটি তার উত্তম নমুনা। তিনি বাংলাদেশের সংসদ সদস্য পদে থেকে আগুন জ¦ালাতে সিদ্ধহস্ত। রেলের অপকাজে দক্ষ মন্ত্রী এবার সাম্প্রদায়িকতার মোটা দাগের আসামী! দুনাম্বারি এসব আচরণকে প্রথম আলোর খবরও এ বক্তব্যের গুরুত্বে জায়গা করে দিয়েছে। সেখানেও বলা হয় তথাগত রায়ের বক্তব্যে প্রকাশ, ভারত সরকার আওয়ামী লীগকে সমর্থন দিয়েছে। এখানকার হিন্দুদের জন্য এর চেয়ে ভালো আর কোন সরকার হতে পারে না। হিন্দুদের আহবান করে তিনি (তথাগত রায়) বলেন আপনারা পূর্ণ সমর্থন আওয়ামী লীগকে দিন। প্রকাশ্যে সমর্থন না দিলে আওয়ামী লীগ আপনাদের ব্যাপারে পুরাপুরি বুঝতে পারবে না (প্রথম আলো ৪ জানুয়ারী ২০১৫)। তিনি তথাগত রায় আরো বলেন, আমি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে এটি বলতে পারি না। আমরা দেশের সঙ্গে দেশের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করি। বাংলাদেশের বিষয়টি ভিন্ন। ভারতের এমন ধারার হস্তক্ষেপকে কি বলা যেতে পারে? বন্ধুর কাজ, না শত্রুর দাগ? এসব কি সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন নয়? তারা তাদের দেশকে ধর্মনিরপেক্ষতার আদলে গড়লেও গুজরাটে মুসলিম ধ্বংসে, ইতিহাসের দাগচিহ্ন বাবরী মসজিদ মাটিতে মিলিয়ে দিয়ে সেখানে হিন্দু ধর্মের গণসঙ্গিত বাজাচ্ছে! তারা মনে করে ওতে হিন্দু বিধাতার গায়ে আঁচড় পড়ে নি, ও আঁচড় বাবরের গায়ে লেগেছে। সম্প্রতি ভারত শত শত মুসলমান ও খৃষ্টানদের ধর্মান্তর শুরু করেছে! বিশ^ হিন্দু পরিষদ তার ছাউনির মাঝে এসব করে চলেছে, সাথে বিজিপিও বিজয় কেতন ওড়াচ্ছে। বিধাতা যে সার্বজনিন, জাতপাত বুঝে না, এটি তাদের মগজে নেই, মুছে গেছে! সুজাতা সিংরা জামাতকে দেখতে পারেন না, আমরা জানতে চাই জামাতের সাথে তাদের কিসের শত্রুতা! মুসলমানিত্বের শত্রুতা ছাড়া আর কি কিছু? এত করেও আজো ভারতে বিজিপি ধর্মান্তরে দাগ রাখছে, জামাতের গায়ে কিন্তু ওসব ধর্মান্তরি দাগ নেই। তারপরও মুসলিম হয়ে জামাত যদি দোষ করে তবে হিন্দু তথাগত রায় বিশ^ হিন্দু পরিষদ, কেমন করে তিরষ্কৃত না হয়ে উল্টো সুরঞ্জিতের মালা পায়? অংকটি কোনভাবেই মিলেনা! গোলমেলে ঠেকে!

বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে সহমর্মী হয়ে সম্মানের সাথে আছেন। বরং দেখা যায় সংখ্যালঘু থেকে সংখ্যাগরিষ্টরাই আজ নির্যাতনের পাটাতনে সময় পার করছেন। একটি বিষয় লক্ষ্যনীয়, যারা অন্যকে দোষী করতেই কমবেশী সারা বছর হিন্দুর গায়ে আঁচড় দেয়, এটি হিন্দুরাও সংকীর্ণ স্বার্থে কম স্বীকার করলেও জানেন মানেন ও আজকাল স্বীকার করেন। কারণ সত্যকে অস্বীকার করার সাধ্য কারো নেই। বাস্তবে বিধাতার কম্পিউটার কাউকে ছেড়ে দেবে না! উপরে একটি স্বাধীন দেশের দুটি পত্রিকার খবরে কি সংবাদ বিলি করে? সংখ্যালঘু নেতা যিনি নামে দাগে শক্ত চুরিতে ধরা খাওয়া জাতির চোখে দাগী আসামী, তিনি বাবু সুরঞ্জিত দেশটির হৃদপিন্ডে মরণ কামড় দিতে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন তথাগত রায়দের! তার ধর্ম নিয়ে মশকরা করতে পারার দক্ষতা কি সংবাদ জানান দেয় বিশ^বাসীকে? সম্প্রতি সুজাতা সিং ভারতের পররাষ্ট্র সচীব বরখাস্ত হন (৩০ জানুয়ারী ২০১), মেয়াদ শেষ হওয়ার সাত মাস আগে। নতুন নিয়োগে আসেন সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর। সোনিয়া গান্ধীর ও কংগ্রেসের নিয়োগে সুজাতার আগমণ ছিল। ২০১৪তে যে বিতর্কীত নির্বাচন হয়ে গেল বাংলাদেশে, এর পেছনে বারে বারে কলকাঠি নাড়তে সুজাতাদেরে দেখা যায়, গল্পের ভাড়ের মত শত হাত দূরে থেকে তারা প্রচার করেন, আমরা বাংলাদেশের আভ্যন্তরিন বিষয়ে নেই! কিন্তু বাস্তবে বাহ্যিক, আভ্যন্তরিন, আত্মিক, শারীরিক, মানসিক সব জায়গাতেই তাদেরে হাত দিতে দেখা যায়। এর কারণটি কি? মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা ভারত সফরে গেলে সুজাতা সিং বৈঠকে কেন এত শীতল ভ’মিকা রাখলেন, তার কপট স্বার্থকে সম্মান দেখাতে? যা দেখে আমাদের মোটা মাথার মন্ত্রী আশরাফ একদম বুয়াদের দালাল হয়ে ড্যান মজিনা সম্বন্ধে উল্টাসিধা কথা বলা শুরু করেন! দীর্ঘশ^াস ছেড়ে বলছি, ভোটের আগের সুজাতা সিং এর কানমন্ত্রে জাতি আজ দ্বিধাবিভক্ত! তারপরও কি ভারত বলবে আমরা আভ্যন্তরিন বিষয়ে হাত দেই না! বিধাতার দৃষ্টিশক্তি কি এতই অল্প বলতে চান ধর্মাবতাররা!

সুরঞ্জিত, সুজাতা, আশরাফ, এরশাদ এরা এদেশের কেউ না। এরা চিহ্নিত দালাল! বাংলাদেশীরা কি এতই গোবেট জাতি? দেখেও দেখে না, কানেও শোনেনা? যে জামাতের সাথে আঁতাত করতে বাড় বাড়ন্ত ব্যস্ত হাসিনা, আজ তারই কপট স্বার্থে সুজাতা এরশাদের কানে কানমন্ত্রে কোরাস গেয়েছিলেন “ওরা (জামাত শিবির!) এসে যাবে?” মনে হচ্ছে ওরা মা কালীর যমদূত! এ অংকটি জাতিকে হৃদয় দিয়ে বুঝতে হবে, এই যদি হয় তাদের অংক, জামাত শিবিরকে আসতেই হবে! কারণ এই জামাত শিবির নিয়েই তারা ফায়দা ওঠাতে চায়! অতীত তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ তুলে রেখেছে তার ঢেকে রাখা নষ্ট ইতিহাসের পাতাতে! সে ঘটমান সময়টিতে বাংলাদেশে ছিলাম, দেখেছি হজম করেছি, এই সেদিনও দালাল বুদ্ধিজীবিরাও সুজাতার সাথে কোরাস সঙ্গিতে সুর দিয়েছেন, জাতি দেখেছে, লজ্জা পেয়েছে! সুজাতা বাংলাদেশের অমঙ্গলে ও তার দেশের  স্বার্থে যা করেছেন তা নীতিবর্জিত কাজ! এ আপত্তিজনক কাজ তাকে বহুগুণ বেশী সমালোচিত করেছে। কিন্তু আমাদের মোটা মাথার বুদ্ধিজীবিরা যে, বুদ্ধিভ্রষ্ট হয়ে দিশাহারা নাবিকের মত চলেন সে অপবাদ লুকানোর কোন জায়গা নেই! একইভাবে সুরঞ্জিতের অংকটি বড়ই বেমামান, হাজার হলেও তিনি এদেশের আলো বাতাসে বাড়েন চলেন খান বাঁচেন, কিন্তু স্বার্থ দেখেন ভারতের, এর হেতুটা কি? দেশদ্রোহিতা, না ধর্মদ্রোহিতা? তার ধর্ম কি বলে? ধরা পড়া টাকার বস্তা কি পুরোটাই ওপারে যায়? এত নিকৃষ্টই কি কোন ধর্ম নীতি হয়, মানতে কষ্ট হয়?

এতক্ষণ বললাম বেদান্ত সংস্কৃতি মঞ্চের খবর এবার আরেক মঞ্চের খবর শোনাবো। আজ শেষ দিন ৩১শে জানুয়ারীর খবরে প্রকাশ, জেনেছি আগেও। ওরা এবার সরকারী সুরঞ্জিত সাজে আসছে, মোটা অংকের আগাম কারবার, “জাগরণ মঞ্চ”, নাস্তিক নর্তন কুর্দন, অনেক বেলাল্লাপনার খবরসহ গতবার হাইজ্যাক করে নিয়েছিল সরকার বিরিয়ানীর প্যাকেটে, সিগারেট, ড্রাগ টাকার গোমটে। এবার আগেই কিনে রেখেছে দরকষাকষি চলছে সাজগোজ, কদিন থেকে। এটিও “আমাদের সময়” জানালো, জানালো “আমারদেশ”ও। এবার বড়কাজ হবে নিজের সুনাম আর বিরোধীর বদনাম করা, জাতি এ ব্যাপারে বিজ্ঞ অভিজ্ঞ, এতদিনে বেশ বিদ্যে অর্জন করেছে, পোক্ত হয়েছে। দেয়ালে দেয়ালে বিরোধীর বদনাম সাটা হবে, চলছে মন্ত্রণা! মন্তব্য কলামে প্রায়ই একটি মন্তব্য দেখি আল্লাহকে প্রশ্ন করা “এরকম সরকার দিলা, তবে শয়তান দিলা কেন আল্লাহ?” সরকার আর শয়তানের মাঝে মনে হচ্ছে কোন পার্থক্য নেই। গত শনিবার থেকে খালেদা জিয়ার বিদ্যুৎ, টিভি, ইন্টারনেট, ক্যাবল, ফোন, মোবাইল সবই অচল। আজ দেখলাম পানিও কন্ট্রোল করছে। এ তো এজিদের বংশধর! প্রধামন্ত্রী কি বলবো, মাননীয় বলার মনে হয় কোন প্রয়োজন নেই! মনুষ্যত্বের অস্তিত্ব আছে নাকি ওদের মাঝে, সেটিই প্রশ্ন জাগছে! ওদের দলে কি একটিও মানুষ নেই?

 

নাজমা মোস্তফা,  ৩১ জানুয়ারী,  ২০১৫।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: