Articles published in this site are copyright protected.

সবুজের দেশে ভয়ানক হলাহলের মাঝে রাজনৈতিক উত্তাপে দেশ ভেসে যাচ্ছে। উইলিয়াম মাইলাম একজন লেখক সাংবাদিক ওয়াশিংটন ডিসির উড্রো উইলসন সেন্টারের সিনিয়র স্কলার। আগে তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আমেরিকার এমবেসেডার ছিলেন। তাই এসব দেশের মাটির সাথে তার কিছু যোগসূত্র লক্ষ্য করা যায় তার অতীত ইতিহাসে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ময়দান তার কাছে অতিরিক্ত স্পষ্ট বলেই মনে হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি কলাম লিখেছেন ১৬ জানুয়ারী ২০১৫ তারিখে লেখাটি অনলাইন দ্যা ফ্রাইডে টাইমস ডট কম ছেপেছে। লেখাটির নাম হচ্ছে “এন ইল উইন্ড ব্লউজ ফ্রম দ্যা ইস্ট” অর্থাৎ “পূর্ব থেকে একটি অসুস্থ বাতাস বইছে”। লেখাটি বাংলাদেশ পরিস্থিতির উপর লেখা যা আমাদেরে স্মরণ করিয়ে দেয় তার একাত্মতা দেশটির প্রতি। সম্প্রতি তার উৎকণ্ঠার কারণ হচ্ছে মানবতার কারণে ভুলুন্ঠিত হচ্ছে এতদঅঞ্চল, যার জন্য তার সাংবাদিক মনের উৎকণ্ঠা তার লেখনিতে ফুটে উঠেছে। তার শংকা হচ্ছে যে খুব নিকট সময়ে বা দেরীতে হলেও একটি ভয়ানক পরিণতির আশঙ্খা তিনি করছেন। তার লেখাতে এটিও ফুটে উঠেছে যে কিভাবে মুক্তিযোদ্ধারাও ধড়পাকড় ও  কারাগার বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। তিনি রাখঢাক না রেখেই স্পষ্ট করেই বাংলাদেশ সরকারের অনাচারের কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন। তার লেখাতেও আছে মিডিয়া চাপের মুখে সময় পার করছে।

আরেকটি লেখা আসে সমসাময়িক সময়েই কুলদীপ নায়ার ভারতের মানবতাবাদী লেখক ও সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক, তিনি আবার ১৯৯৭ সালে ভারতীয় পার্লামেন্টের সদস্য ছিলেন। তার কলামের নাম হচ্ছে “দ্যা ট্রাজেডি অব বাংলাদেশ” মানে “বাংলাদেশের দুর্ভোগ” এটি ছেপেছে পাকিস্তান  টুডে ডট কম, ১৮ জানুয়ারী ২০১৫ তারিখে। এখানের দুজনাই উৎকন্ঠিত, বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে। কিন্তু দুজন দু মেরুর বাসিন্দা বলেই মনে হচ্ছে। কুলদীপ নায়ারের লেখাতে একজন বাংলাদেশী হিসাবে বেদনা অনুভব করেছি। কারণ এমন জটিল সময়ে তিনি এত একপেশে কেমন করে হন যেখানে তিনি মানবতাবাদী আর তার উপর সাংবাদিক। সত্য প্রচারই যাদের একমাত্র বাঁচা মরা, তার পেশা তাই নির্দেশ করে। তার বক্তব্যে এটি খুব স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে যে, খালেদা জিয়া ইলেকশন বয়কট করে ভুল করেছেন, যুক্তি দেখিয়েছেন কারণ এর ফাঁকে দেশে ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন হয়েছে এমন কি বিরোধী দলও আছে। তিনি বেশ কিছু উপদেশও বিলি করেছেন যে দেশটি সৃষ্টির পেছনে ভারতের সহযোগিতা ছিল সে হিসাবে আজো এ বিপদের দিনে ভারত সহযোগিতা দিতে পারে। তিনি এটিও বলেছেন এখানের মানুষ ধার্মিক আবার লিবারেল, সহমর্মী। এক মিলিয়ন হিন্দু এখানে বাস করে, ঝামেলা বিহীনই বলা চলে। তারপর তিনি নেতিবাচক যা বলেছেন তা হচ্ছে এরা সব সময় বাইরের থেকে সাহায্য নেয়, আর ঐ ভরসাতে বাঁচে। এটা তাদের জন্য ভালো না। তাদেরেকে তাদের নিজের দিকে তাকাতে হবে। দুই বেগমই বাইরের  দিকে তাকিয়ে থাকেন। সব সমস্যার চাবি হাসিনার হাতে বলেই তিনি মনে করেন। এটিও তিনি বলেন যে এটি খালেদার জন্য বেশী চাওয়া হয়ে যায় নির্বাচনের দাবীটা। তারপরও তিনি উভয়ের মাঝে একটি নতুন শুরুর আশা রেখে কলাম শেষ করেন।

উভয়ের ফাঁক গলিয়ে কিছু কথা জমে গেছে যা বাংলাদেশের জনতার পক্ষ থেকে বলা দরকার মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে বাংলাদেশের বিপদ মাইলাম আঁচ করতে পারলেও নায়ার বাংলাদেশের চিন্তায় নেই। নায়ার বাংলাদেশীদের স্মরণ করিয়ে দেন চার পয়েন্টের উপর কন্সটিটিউশন এর কথা। বস্তুত এ দেশ স্বাধীন হয় চার পয়েন্টের উপর নয়, হয়তো নায়ার এটি কম জেনেছেন, তাই স্পষ্ট করতে চাচ্ছি, একজন মুক্তি যোদ্ধার যুক্তিই আনবো। কথাগুলি সাধারণের নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধার লিখিত গ্রন্থ bangladesh-flag-brick-wall-750“অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা” গ্রন্থ থেকেই সংযোজন করছি “৭২এ আওয়ামী লীগের এমন কোন বৈধ অধিকার ছিল না যাতে করে তারা দেশ ও জাতির উপর একটি মনগড়া সংবিধান আরোপ করতে পারে। তবুও তারা তা জবরদস্তি করেছে। দেশের জনগণের চিৎকার প্রতিবাদ কোন কাজেই আসেনি। এভাবেই যুদ্ধোত্তর বিধ্বস্ত বাংলাদেশের কোটি কোটি বুভুক্ষ মানুষের জন্য অন্নবস্ত্রের পূর্বেই রাষ্ট্রীয় মূলনীতি এসে মাথায় চেপে বসে। এই ৪ মূলনীতি আরোপ করার মধ্য দিয়ে দিল্লীর কর্তারা তাদের মূল লক্ষ্যই স্থির রেখেছে কেবল।” লেখক বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে নবম সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। এভাবেই খুব কৌশলে বাংলাদেশীর মগজে ওটি সেটে দেয়া হয়। তাই নায়ার বিষয়টিতে যেভাবে সহজ বলে প্রচার করতে চাচ্ছেন বিষয়টি এত সহজ মোটেও নয়। এই যে বিস্ফোরণ এটি প্রস্তুত হচ্ছে বেশ সময় থেকে; বলা চলে চল্লিশ থেকেই। কদম কদম হাটা চলা শিখতে শিখতে এখন জাতির হৃদপিন্ডে কামড় পড়ছে। যে স্বচ্ছতা একজন মাইলাম দেখতে পারেন, সেটি কেন নায়ার দেখতে পারেন না সেটি বুঝে আসে না। যে স্বপ্ন নিয়ে মানুষ যুদ্ধ করেছিল সে যুদ্ধ আজো স্বপ্নাতীত রয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানুষ কি চাইবে না চাইবে তা তার নিজের ব্যাপার। যে বাংলাদেশ পাকিস্তানের গোলামী করলো না, সে কেমন করে ভারতের গোলামী করবে সেটি কি তারা বুঝতে পারেন না। এসব মধ্যযুগীয় চিন্তা থেকে বের হয়ে চলাই একবিংশ শতকের জন্য মঙ্গল।

সারা বিশ^ জানে, ভারতীয় মিডিয়াতে এটি এসেছে যে তারা নির্বাচনে একটি দলকে ঘুষ দেয়। এটি কি মানবিক আচরণ? এবারের নির্বাচনে ১,০০০ কোটি টাকা (নববার্তা, ভাস্কর দেব, নতুনদিল্লী ২০ অক্টোবর, ২০১৩), আগের নির্বাচনে ৮০০ কোটি টাকা এসব হিসাব ভারতের মিডিয়াই প্রচার করেছে। ৭১ পূর্ব মুক্তিযুদ্ধটি কোন সময়ই ধর্মযুদ্ধ ছিল না, যা অনেকে গেলাতে চাচ্ছেন। ওটি ছিল পূর্ব ও পশ্চিমের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের লড়াই। ৬ দফার লড়াইতে সেকুলারিজমের চার স্তম্ভের লড়াই ওটি ছিল না। সেদিন মুসলিম মুসলিমের বিরুদ্ধে লড়েছে ভাগ বাটোয়ারার প্রশ্নে। নায়ার বলতে চাচ্ছেন আমেরিকা বড় আকারে বাংলাদেশের কর্তৃত্বে আছে কিন্তু গোটা জাতি দেখছে ভারতের কর্তৃত্ব, অতিরিক্ত দাদাগিরি। ভারতের কথা বলতে পারেন না, সত্য প্রকাশে নায়ারের এত শংকা কেন? এবার নির্বাচন নিয়ে এই অবৈধ সরকার যা করেছে সেটি ভারত ছাড়া আর কেউ স্বীকৃতি দেয় নি। বরং সবাই প্রতিবাদ করে যাচ্ছে। সেদিন আওয়ামী লীগরাও ভোট দিতে যায় নি। ওটি কোন ভোট ছিল না ছিল প্রতারণার খেলা। ভোটের মাঠ পাহারা দিয়েছে কুকুর। আর ভোট দিয়েছে কিছু অর্বাচিন ৯/১০ বছরের ছেলে পেলে জাল ভোট দিয়েছে। এতসব করে সরকার পেয়েছে মাত্র ৫% ভোট, সরকারী হিসাব সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছু নয়। এ সরকার সত্য খুউবই কম বলে। অবশ্যই সাধারণভাবেও সরকার এর চেয়ে বেশী ভোট পেতো কিন্তু সে ভরসা আজ আর তাদের নেই বলেই এত নির্বাচনী খেলা, সেটি বুঝেও না বুঝার ভান ভারতীয় সাংবাদিককেই মানায় ভালো। ১৫৩ জন বিনা ভোটে জেতা সদস্য বাকীরা ৫% গদি রক্ষা কমিটি। তাদের চিৎকার চেচামেচিতে দেশ ধ্বংসের পারে এসে গেছে। ভারত বলে বাংলাদেশের আভ্যন্তরিন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু সারা জাতি জানে, ভারতের সুজাতা সিংকে এসে এরশাদকে ধাক্কা দিতে হয়েছে, তিনি সোজা চলে যান এরশাদের মঞ্জিলে। জবরদস্তি করে বিড়াল সরকার তুলে নেয় ইঁদুর এরশাদকে হাসপাতালে, সেখান থেকে গলফ খেলা, খেলা থেকে নির্বাচনের পর সংসদে যাওয়া এই তো বিরোধী দলের স্বৈরাচারী নাচন। এদের বলা হয় গৃহপালিত বিরোধী দল।

ক্ষমতা হাতে নিয়ে অতি অল্প দিনের মাঝে বিডিআর মিউটিনি ঘটিয়ে দেবার দক্ষতায় ভারতের হাত অনেক যে লম্বা ছিল, তা তো দেশবাসী জেনেছে, শত শত ঘটনা তার নিরব দিকদর্শক হয়ে জনতাকে গাইড দিয়ে চলেছে। লেফটেনেন্ট জেনারেল জাহাঙ্গির আলম চৌধুরীর করা তদন্ত রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে পারে নাই বলে সেটি জনসমক্ষে প্রচারিত হয়নি। বরং তার মুখ থেকে বের হয়, তা হলে আমার নামটি ও যোগ করে দাও! সরকার যদি জড়িত থাকে তবে কেন তার নাম আসবে না, সেটি জাতির প্রশ্ন? জঙ্গির খেলা কেউ না দেখলেও সরকার দেখে, সাথে ভারতও সে এক চোখ দিয়েই দেখে। সরকার ও ভারতের চোখ কেমন করে এক হয়, সেটিই জাতির প্রশ্ন? প্রধানমন্ত্রীর পুত্র জয় “ষ্টিমিং দ্যা রাইজ অব ইসলামিক এক্সট্রিমিজম ইন বাংলাদেশ” লিখে ডাটা দেন যে, বাংলাদেশের বিএনপি জোটের সময়ে ৩০% মাদ্রাসা ছাত্রকে সৈন্য বাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ না থাকলেও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, হত্যা গুমের বিরুদ্ধে “অঋজঅওউ” এফরেইড সংস্থাটি সরকারের হত্যা, গুম ধড়পাকড়, নির্যাতন সব ধরণের অনাচারের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ করে চলেছে। একের পর এক গোপন চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। আপনাদের চোখে যে হাসিনাকে ধোয়া তুলসি পাতা মনে হচ্ছে, তাকে দেশবাসী দেখছে একজন লেন্দুপ দর্জির আদলে। লন্ডন প্রবাসি এক চোখা আব্দুল গফফার চৌধুরীর মত না হয়ে বাস্তব দৃষ্টি সম্পন্ন সাংবাদিকের দৃষ্টিতে দক্ষতা রুখুন, এতে সব যুগে সব ধর্মে সততার মূল্যে বিধাতার বিচারে অতিরিক্ত সম্মানের অধিকারী হবেন। বর্তমান সরকারের অপরাধ এত ব্যাপক যে তার বলে আর শেষ করা যাবে না। তারা দম ছাড়লেই বিষাক্ত গ্যাস বের হয়। তাদের দলবাজরা নিজেরাই ফাঁস করে চলেছে চারদিকের সব অপকর্ম। জাতির চোখ কান আজ অতিরিক্ত খোলা। আপনারা আর ঘুম পাড়ানিয়া গান গাইবেন না।

 

উপরে যে সাংবাদিকের লেখা দিয়ে লেখাটি শুরু করেছিলাম তার আর একটি উক্তি প্রণিধানযোগ্য বলেই মনে করছি। বাংলাদেশে নিযুক্ত ঐ মার্কিন সাবেক রাষ্ট্রদূত তার লেখা বইএ ঐ মন্তব্যটি অতীতে করেছিলেন। “It’s hard to imagine what would have happened to Bangladesh had Ziaur Rahman been assassinated in 1975 instead of 1981. A failed state on the model of Afghanistan or Liberia might well have resulted. Zia saved Bangladesh from that fate.’ – Ambassadoor William B Milam in ‘Bangladesh And Pakistan : Flirting With Failure In South Asia, page 69.” অর্থাৎ এটি ধারণা করা খুবই কঠিন যদি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালে না মরে ১৯৭৫ সালে মারা যেতেন তাহলে এটি একটি আফগানিস্তানের আদলে অথবা লাইবেরিয়ার মতো দেশ হতো। জিয়া বাংলাদেশকে ঐ দূর্ভাগ্যের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন। “বাংলাদেশ অ্যান্ড পাকিস্তান: ফ্লারটিং উইথ ফেইলিয়র ইন সাউথ এশিয়া গ্রন্থের ৬৯ পৃষ্ঠাতে কথাটি এসেছে। একজন সাংবাদিক হিসাবে তার এ মূল্যায়নকে আমরা অত্যন্ত বাস্তব ও জীবন্ত বলেই মনে করি। সত্যকে সত্য বলতে পারার সাহসের জন্য হাজারো সালাম তার পাওনা হয়ে থাকবে। আজকের যুগে সবার মুখ দিয়ে সত্য বের হয় না। অনেকেই সত্য বলতে কুন্ঠিত থাকে। বাংলাদেশের মিডিয়া শত যাতনার সময় পার করছে। তাই সত্য খুব কমই প্রকাশ পায়। তারপরও যারা অকপটে সত্য প্রকাশ করেন তাদেরে হাজারো লাল সালাম।

“মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ন’টি মাসের অসীম ত্যাগ তিতিক্ষা এবং আত্মাহুতির মধ্য দিয়ে রচিত বিজয় পর্ব এভাবেই ভারতীয় শাসক চক্র দ্বারা লুন্ঠিত হয়ে যায়। সংগ্রামী, লড়াকু বাঙালী জাতি প্রাণপণ যুদ্ধ করেও যেন বিজয়ী হতে পারল না, পারল কেবল অপরের করুণার বিজয় বোধ দূর থেকে অনুভব করতে। বিজয়ের সরাসরি স্বাদ থেকে কেবল বাঙালী জাতি বঞ্চিত হলো না, বঞ্চিত হলো প্রকৃত স্বাধীনতা থেকেই। সুতরাং সেই বঞ্চনাকারীদের কবল থেকে বঞ্চিতদের ন্যায্য পাওনা আদায় করার লক্ষ্যে আর একটি প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধের প্রয়োজন কি এখনও রয়ে যায় নি? একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অবুঝের মত কেবল ৪টি স্তম্ভই ধার করলাম, নিরাপদ একটি বাসগৃহ তৈরী করার প্রস্তুতি নিলাম না। দেশের কোটি কোটি নির্যাতিত মানুষ এবং তৌহিদী জনগণ আজ সেই নিরাপদ একটি বাসগৃহই কামনা করে, বিদেশী প্রভুদের কাছ থেকে পাওয়া স্তম্ভ বিশিষ্ট ইমারত নয়। কথাগুলি ছিল মেজর জলিলের বই “অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা” গ্রন্থের শেষ পেরা। আজ গোটা দেশই মেজর জলিলের সাথে একাত্বতা ঘোষনা করছে। সে একাত্বতার রিনিঝিনি কি নায়াররা বুঝতে পারেন না, না বুঝেও না বুঝার ভান করেন?

 

নাজমা মোস্তফা,   ২৭ জানুয়ারী ২০১৫।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: