Articles published in this site are copyright protected.

ভারতের অমিতশাহ খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করাতে সরকারের মন্ত্রীরা পাগল প্রায়  হয়ে উঠেছেন। পেপার স্প্রের কারণে অসুস্থ খালেদা জিয়ার খোঁজ খবর নেন ফোনে বিজেপির প্রেসিডেন্ট অমিত শাহ। উল্লেখ্য ঐ টেলিফোনের পরএটি শুনে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ। যা হচ্ছে আর এটি লজ্জাজনক বিষয়। সম্প্রতি এখানে আমেরিকাতে একটি রাস্তার নামকরণ করেছে জিয়াউর রহমানের নামে। সেখানে শিকাগোতে জিয়ার নামে সড়কে কুটনৈতিক লড়াইএ গেছে বাংলাদেশের অবৈধ সরকার। গত ৫০ বছরে তারা বিভিন্ন সড়কে এরকম ১,৫০০ সম্মানসূচক নামকরণ করেছে। জিয়াউর রহমান একজন স্বৈরশাসক এবং নিপীড়ক ছিলেন দাবী করে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন। তার দাবী ছিল এ ব্যক্তি এর যোগ্য নন। তারপরও জো মোর নর্থ ক্লার্ক স্ট্রিটএর দুটো ব্লকে “জিয়াউর রহমান ওয়ে” নামফলক স্থাপিত হয়। এটি রোধ করার জন্য আওয়ামী লবির লোকেরা আপ্রাণ চেষ্টা করেও ওটি রুখতে পারে নি। তবে ভবিষ্যতে যাতে আর কোন রাস্তার নামকরণ তার নামে না হয় তার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ হচ্ছে তাদের মনের সংকীর্ণতার পরিচয়। খালেদা জিয়া বিরাট সংখ্যক জনগণের নন্দিত নেত্রী। তিনি কারো মুখাপেক্ষী থাকার কথা নয়। একটি নষ্ট অবৈধ সরকার আগা থেকে গোড়া মিথ্যায় ডুবে থাকা দেউলিয়া দলও দেউলিয়া সরকার, খালেদা জিয়াকে অবরোধ করে তালাবদ্ধ করে রেখেছে, পিপার স্প্রে দিয়ে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছে, বালুর ট্রাকে সামাল দিতে হয়েছে। তারা আজ আয়নায় দেখেও নিজেদের চিনতে পারছে না, এতই ভয় পেয়েছে যার জন্য তালা, বালি, ট্রাক, পুলিশ, হামলা মামলা তো আছেই। এহচ্ছে অবৈধ পথে আসা একটি সরকারের আচরণ জনিত জটিলতা। তারা সত্যবাদিতার কোন ট্রেনিং পায় নি, মিথ্যার উপরই তারা খায় চলে ঘুমায় গায় রাজনীতি করে। এর প্রমাণ সারা জাতিসহ গাটা বিশ^ দেখে চলেছে। খালেদার খবর নিয়ে অমিত শাহ এমন কোন মহাভারত করে ফেলেন নাই। কে মিথ্যাবাদী সেটি জাতিই বিচার করতে পারবে। মানুষকে বাঘ আসলো বাঘ আসলো গল্পটি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, অতপর বাঘের পেটেই গল্পের মিথ্যাচারী ষড়যন্ত্রকারীর মৃত্যু হয়। ধারণা করি আজকের বাঘের মৃত্যুও সেভাবেই ঘটবে।

আজকের খবরে দেখলাম এমন সংকট সময়ে বেহাল দশাটি ঢাকতে কত আজব তাল চলছে, এ তার নমুনা মাত্র। “১১টি মেডিক্যাল কলেজ উদ্বোধন হচ্ছে” কাদের জন্য? এ সরকারের শাসনামলে দলবাজ চোর ও সন্ত্রাসী ছাড়া ওখানে কেউ চান্স পাবে না, এটি জানার পরও এসব হচ্ছে টিকে যাওয়ার কৌশলী নাটক মাত্র। ছলে বলে কলে কৌশলে শুধু গদিটায় টিকে থাকা চাই; মানুষ না হয়ে মিথ্যুক হয়েও টিকে থাকাটাই জীবনের বাজী। শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবীতে সারা দেশ উদ্বেল, এর মাঝে দুই বাংলাদেশী ছাত্র যারা বৃটেনে পড়তে এসেছে, তারা আমরণ অনশন শুরু করেছে বৃটেনের পার্লামেন্টারী ভবনের সামনে। তারেক রহমানের মুখের নাগাল না পেলেও, কোর্টের আইনে তার মুখে লাগাম দেয়ার অপচেষ্ঠা হয়েছে। সংবিধানের ৩৯ নং ধারায় প্রতিটি নাগরিকের কথা বলার ও মতামত প্রকাশের অধিকার স্বীকৃত অধিকার হয়ে আছে। সেখানে কোর্ট আইন করে জনগণের মৌলিক অধিকারকে স্তব্ধ করতে পারে না। অবৈধ পথে আসা সরকার যে কত গভীরে শক্তির বলে এসব করছে, এ তার নমুনা মাত্র। সারা বিশ^ থেকে এর উপর প্রতিবাদ আসছে। আওয়ামী দাস টিভিগুলোতে অনেক অনাচারেই কথা বলা চলে, ওসব শুনতে টিভিতে সংবাদে অরুচি ধরেছে সবদিনই সচেতনের, যা অতীতেও সাহেব বিবি গোলামের বাক্স হয়ে নাম কিনেছে। বেশীরভাগ পত্র পত্রিকাও সরকারের একান্ত বাধ্য গোলাম, তা না হলে মাহমুদুর রহমানের গতি হবে তাদের। মাহমুদুর রহমানরাতো আর গন্ডা গন্ডা জন্মায় না, উনি এক পিসই। এত যাতনার পরও দেশবাসী এমন করে প্রতিবাদী হয়েছে, তা অবাক বিস্ময়েরই ব্যাপার!  যেন ফের ৭১ কথা বলছে, ঘড়ি উল্টো হাটছে!

মানবাধিকার সংস্থাগুলো যখন বিরোধীদের পক্ষে কথা বলে তখন এর জবাবে খাদ্যমন্ত্রীর বেফাঁস মুখে বের হয় “ওরা সব বিরোধীর দালাল।” বেশ বেশ, গোটা বিশ^ই যখন বিরোধীরা কিনে নিতে পেরেছে, তারপরও তাদের কাছে নিজেদের স্বরুপ স্পষ্ট হচ্ছে না, হবেও না। কারণ এরা হচ্ছে কুরআনের ভাষাতে মোহর মারা দল, দুইকান এদের তালা। ফেলানী হত্যাকারী ইন্ডিয়ানরা বাংলাদেশের দোসর ভাবা ঠিক না। এরা একমাত্র বাংলাদেশ যে ধ্বংস করতে আসবে, তারই দোসর হবে। স্বাধীনতার সাথে সাথে বাংলাদেশকে পঁচিশ বছরের মেয়াদী মৈত্রীচুুক্তি করতে ভারত বাধ্য করে, যাকে বাংলাদেশীরা মনে করতো গোলামী চুক্তি। এটি গোপনীয়ভাবে করা হয় স্বাধীনতাকামী জনতাকে গোলামে রুপান্তর করতে। এরপর “রক্ষীবাহিনীর গোড়ার কথা” ছিল ঐ চুক্তির সারকথা। “র”এর নির্দেশ ব্যতীত কেউ রক্ষী বাহিনীর সদস্য হতে পারবে না। এরা হবে মুক্তিবাহিনীর কিছ ুচিহ্নিত সদস্য, যারা প্রয়োজনে অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করতে পারবে। আর তারা তা করতে পেরেছিলও। ঐ চুক্তি স্বাক্ষর করেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মূর্ছা যান। তার পরবর্তী নিকট প্রজন্ম দিকভ্রান্ত হয়ে থাকলেও তিনি সে সত্যটি উপলব্ধি করতে পারেন, সেদিন তার বিচারিক ক্ষমতা আহত হয়েছিল প্রচন্ডভাবে, যা তার মূর্ছা যাওয়াতে প্রমাণিত হয়।

সংখ্যালঘু বেশীরভাগ নেতা জনতারা বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতায় শরিক থেকেছে বহুগুণ বেশী, এর উদাহরণ আজো সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাদের বড় অংশের স্বপ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ যেন ভারত হয়। বাংলাদেশ যেন সিকিম হয়। এরকম সংবাদ যখন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী তার সময়ে সরকারকে অবহিত করলেন, সরকার নিরব ভ’মিকা রাখে। কারণ সরকার আগে থেকেই জানে এসব চেনা খানা খন্দকের খবর। কারণ ভারত সরকার ও সংখ্যালঘু ছিল হুমায়ুন রশিদের সরকারের সাথে এক সূতায় বাধা। (হুমায়ুন রশিদের সাক্ষাৎকার, মাসুদুল হক লিখিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ “র” এবং সিআইএর ভ’মিকা দ্রষ্টব্য গ্রন্থে এসব জানবার মত অনেক উপাত্ত আছে। এর মাঝে অতি সম্প্রতি “বিজেপিকে কাছে চাইলে বিএনপির জামায়াতকে ছাড়তে হবে” কথাটি বলছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ও নীতিনির্ধারণীকমিটির সদস্য তথাগত রায়। তার কথার সাথে আমাদের শেখ হাসিনার কথার একদম হুবহু মিল। দুয়ে দুয়ে চার, অংক একদম পরিষ্কার। বিএনপি কার সাথে খাবে বসবে নাচবে গাইবে তা তার বিষয়। বিএনপি কি বিজেপির গোলাম নাকি যে, তারা এতই আহ্লাদে আটকানা হয়ে আছেন! বিএনপিকে লোভের টোপ দিচ্ছেন, আওয়ামীর সাথে করেছেন ভালো কথা! গোটা বাংলাদেশীকে তাদের গোলাম ভাবাটা ঠিক নয়।

এ জাতি জানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনে পৌত্তলিক ভারতীয় নেতারা বিরোধীতা কতটুক করেছেন। তারা টিটকারী দিয়ে বলেছে এটি ঢাকা নয়, হবে মক্কা বিশ^বিদ্যালয়। ৭১এর পর ভারতীয় পরলোকগত রাজনীতিবিদ জয় প্রকাশ নারায়ন বাংলাদেশ সৃষ্টিতে আর একটি পাকিস্তান সৃষ্টির আশংকা প্রকাশ করেছিলেন। শেখমুজিব বলেছিলেন এটি হচ্ছে দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র। তাই এসব বাস্তব প্রমাণ, ভারতের রাজনীতিবিদদের এসব কথা ভালো লাগার কথা নয়। ৭১এ ভারতীয় সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শেল মানেক শ কিছু সত্য আঁচ করতে পারেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভারতের প্রতি কোন ভালবাসা জন্মার সুযোগ হয়নি বা জমলেও তা ক্ষণস্থায়ী হবে। তার আশংখা ছিল বাংলাদেশের জনগণ ভারতের চেয়ে মক্কা ও পাকিস্তানকে কাছের ভাববে। দীর্ঘ ৪০ বছরে ভারত বাংলাদেশের পক্ষে এমন কিছু করে নাই যে ভারতকে অতি আপন ভাবা যাবে, বরং তাদের চানক্য চালে নিজেদের সংকীর্ণ করে উপস্থাপন করেছে বারে বারে। যদি অমিত শাহ আবারো সংকীর্ণ হন বা এর মাঝে আর কোন চাল থাকে, এতে খালেদা জিয়ার বড়ত্ব কমে যাবে না, বরং বহুগুণ বেড়ে যাবে। জন্মসূত্রে ও ধর্মসূত্রে বাংলাদেশ ঐ দুটি দেশের সাথে যুক্ত, অস্বীকার করার উপায় নেই। এখানে আমেরিকাতে আমরা বাংলাদেশ পাকিস্তান ও ভারতের জনগণকে মনে করি কাছের জন। যারা ন্যায় নীতির অনুসরণ করেনা, ¯্রষ্টাভীতি না করে যারা চানক্য চালে চলে তাদের উপর অতিরিক্ত বিশ^াস রাখার কোন যুক্তি নেই। ঐ নীতিহীনতার কারণেই বড় দেশ হয়েও তারা বড় মন অর্জন করতে পুরোপুরি ব্যর্থ সবদিন। এর শিকার হয়ে তাদের প্রতিটি প্রতিবেশী বহু কষ্টে কঠিন সময় পার করছে। তারপরও প্রতিবেশীদের ভোর হবে না, এটি বলা যাবে না।

মালদ্বীপ ও ভুটানের কোন পররাষ্ট্রনীতি নেই। সিকিম আস্তে আস্তে চলে গেছে ভারতের উদরে। ইউনুস নবীকে গিলে মাছ খেতে পারে নি। উগলে বের করে দিয়েছে সাগরের পারে। ধার্মিকেরা বিশ^াস করেএর পেছনে ¯্রষ্টার নির্দেশেই এসব হয়েছে, যদিও মাছ ময়দানের সৈনিক ছিল, ¯্রষ্টা ছিল অলক্ষ্যে। কেন এমন হলো, কারণ একজন নীরব দ্রষ্টা ¯্রষ্টা সরব ছিল বলেই মাছের উগলে দেয়া ছিল ইউনুস নবীর মুক্তির নিশানা। বিধাতা তার প্রিয় বান্দার হৃদয় নিংড়ানো দোয়া শত বিপদের পরও কবুল করেছেন। ভারত যেভাবে বাংলাদেশ গিলতে মুখ ব্যাদান করেছে, বলা যায় না ¯্রষ্টার কি পরিকল্পনা! ভারত ধ্বংসের পায়তারাই কিনা তা ভবিতব্য জানে! তবে মনে হয় এ অঞ্চলের স্বাধীনচেতা মানুষকে হজম করা সুখের হবে না! ¯্রষ্টার গুরুদন্ড ভারত ও ইসরাইল উভয়ের জন্য জমা আছেই। এটি রোধবার সাধ্য কারো হবার কথা নয়, তাহলে ¯্রষ্টার ন্যায়পরায়নতা কলঙ্কিত হবে। ভারত এমন একটা দেশ তারা চাকমা সম্প্রদায় ও শান্তিবাহিনীর নামে বিদ্রোহী প্রশিক্ষণ দেয়, যাতে এরা বাংলাদেশে বিশৃংখলা তৈরী করে। এর বিচার কি চানক্য পন্ডিতদের উপর বরাদ্দ হবে না? নিশ্চয় হবে, এটি কোন লুকানো বিষয় নয় যে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাই শান্তি বাহিনীকে পরিচালনা করে চলেছে (দৈনিক ইনকিলাব, ১১-৬-৯৩) । ১৯৭৬ সনে ভারতের দেরাদুনে তারা প্রশিক্ষণ পায়। পাকিস্তানের ফেলে যাওয়া অস্ত্র দিয়ে তাদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ চলে। কৈএর তেলে কৈ মাছ ভাজা চলে এভাবে। পার্বত্য সন্ত্রাসীরা ৭৫, ৭৭, ৭৯, ৮৯সালে এভাবে তারা ৫ বার অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরকের চালান পায়। বাংলাদেশের মত একটি ছোট্ট ভ’খন্ডের উপর এ হচ্ছে বন্ধুত্বের সুকঠিন উপঢৌকন!

স্মরণ করতে চাই ইন্দিরার অনুমোদনে “র” বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যাচক্রে আগায়। ৮০ সালে ইন্দিরার নির্বাচন বিজয় আর জিয়া হত্যা নিকট সময়ের ঘটনা। হত্যার খবর প্রথম প্রচারিত হয় ভারতীয় গণমাধ্যমে, ঠিক যেভাবে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা প্রথম প্রকাশ পায় তাদের গণমাধ্যমে। খুনীই সবারআগে হত্যার খোঁজ জানে, এটিই বাস্তবতা। জিয়া হত্যায় জড়িত দুই পলাতক দীর্ঘকাল অন্য কারো আশ্রয়ে ছিল, যাদের খোঁজ পাওয়া যায় নি। একজন এখনো কলকাতা নগরীতে ব্যবসা বানিজ্য করছেন (শামছুর রহমান, বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক, সাপ্তাহিক বিচিত্রা, ২২ বর্ষ ৯ সংখ্যা ২৩ জুলাই ৯৩ সাল/৮শ্রাবণ ৪০০, পৃষ্ঠা ৩৭)। হত্যার ১৩ দিন পূর্বে হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন এবং এসে জিয়া হত্যায় বেশ উদ্যোগও গ্রহণ করেন তার প্রমাণ বর্তমান। স্মরণযোগ্য অকৃতজ্ঞ শেখ হাসিনা জিয়ার বদান্যতাতে দেশে ফেরেন! যে বা যারা মুক্ত একটি স্বাধীন দেশ ধ্বংসের কিলাকিলিতে জড়িত, তারা কি বিধাতার আদালতের আসামী নয়? বাংলাদেশের আম জনতারা ৯০% মুসলমান বিধাতার ঐ বস্তুনিষ্ট আদালতটির দিকে চাইতে গেলেও কি তথাগত রায়দের অনুমতি লাগবে, তাদের হুমকি ধমকি সইতে হবে?

নাজমা মোস্তফা,  ১০ জানুয়ারী ২০১৫সাল

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

Tag Cloud

%d bloggers like this: